অহল্যা – দ্য ডেথ চেজার, সিরিজে দ্বিতীয় উপন্যাস এটি।
নামজাদা বিজনেস টাইকুন প্রবীর চ্যাটার্জি, মানুষের থেকে বেশি বিশ্বাস করেন যন্ত্রকে। রোবট অ্যাসিস্ট্যান্ট লিও ও স্মার্ট হোম-সিস্টেম আলিশা আচমকাই পরিণত হয় রক্তপিপাসু খুনীতে। যেন তাদের ভর করেছে কোনো এক অশুভশক্তি! কিন্তু সে কে? বৃদ্ধা শ্যামাদেবী বারবার হ্যালুসিনেট করেন তাঁর এক অদৃশ্য নাতনিকে… সেই মেয়ের অভিশাপই এসবের মূলে। অথচ ও বাড়িতে কোনো কন্যাসন্তান নেই… তবে? অরুণিতা প্রতি শুক্রবার লুকিয়ে লুকিয়ে যান মহাকালী মন্দির। সেখানকার পূজারী শ্রী অঘোরানন্দজি মহারাজ একসময়ে অঘোরী ছিলেন, পঞ্চমস্তরের সাধকও। কোনো পথ কি বাতলাতে পারবেন তিনি? অহল্যা-সঞ্চিতার সামনেই ঘটতে থাকে অস্বাভাবিক মৃত্যু। কে আছে এসবের পিছনে? কোনো মানুষের অভিশাপ? তন্ত্রমন্ত্র? ব্ল্যাক ম্যাজিক? না কোনো ভয়াবহ দানব? রহস্যের সমাধান করতে পারবে কি অহল্যা?
সায়ন্তনীর গড়িয়ায় বাস। প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা সাহিত্যে স্নাতক ও কলকাতা ইউনিভার্সিটি থেকে স্নাতকোত্তর। ছোটবেলা থেকেই লেখালেখির শখ। কবিতা ও গদ্য দুইই চর্চার বস্তু।ক্লাস সেভেনে প্রথম প্রকাশ সংবাদ প্রতিদিনের শনিবাসরীয় পাতায়'চশমা' ছোট গল্প। তারপর প্রতিদিন, বর্তমান, সুখী গৃহকোণ, আর ছোটদের পত্রিকা সাহানা আর বাংলা দেশের পত্রিকা ভোরের কাগজে লাগাতার লিখে যাওয়া।