What do you think?


চাচা কাহিনী
‘চাচা কাহিনী সৈয়দ মুজতবা আলীর বিখ্যাত গল্পগ্রন্থগুলাের প্রধানতম। প্রায় প্রতিটি গল্পই বিদেশের পটভূমিকায়, বিশেষ করে বার্লিন প্রবাসী বাঙালি তরুণ ছাত্র- যাদের মধ্যে তিনি নিজেও একজন তাদের নিয়েই রচিত। চাচা কাহিনী’র মতাে এমন বিশুদ্ধ উপাদেয় আন্তর্জাতিক রসের পরিবেশন বাংলা ভাষায় আগে কখনাে দেখা যায়নি বললেও অত্যুক্তি হবে না।
Hardcover
First published January 1, 1952
About the author
Syed Mujtaba Ali
83 books467 followersSyed Mujtaba Ali (Bengali: সৈয়দ মুজতবা আলী) was a Bengali author, academician, scholar and linguist.
Syed Mujtaba Ali was born in Karimganj district (in present-day Assam, India). In 1919, he was inspired by Rabindranath Tagore and started writing to the poet. In 1921, Mujtaba joined the Indian freedom struggle and left his school in Sylhet. He went to Visva-Bharati University in Santiniketan and graduated in 1926. He was among the first graduates of the university. Later, he moved to Kabul to work in the education department (1927–1929). From 1929 to 1932 he studied at the universities in Berlin, London, Paris and Bonn. He earned Ph.D. degree from University of Bonn with a dissertation on comparative religious studies in Khojas in 1932.
In 1934-1935 he studied at the Al-Azhar University in Cairo. Subsequently, he taught at colleges in Baroda (1936–1944) and Bogra (1949). After a brief stint at Calcutta University (1950), Mujtaba Ali became Secretary of the Indian Council for Cultural Relations and editor of its Arabic journal Thaqafatul Hind. From 1952 to 1956 he worked for All India Radio at New Delhi, Cuttack and Patna. He then joined the faculty of Visva-Bharati University (1956–1964).
Syed Mujtaba Ali was born in Karimganj district (in present-day Assam, India). In 1919, he was inspired by Rabindranath Tagore and started writing to the poet. In 1921, Mujtaba joined the Indian freedom struggle and left his school in Sylhet. He went to Visva-Bharati University in Santiniketan and graduated in 1926. He was among the first graduates of the university. Later, he moved to Kabul to work in the education department (1927–1929). From 1929 to 1932 he studied at the universities in Berlin, London, Paris and Bonn. He earned Ph.D. degree from University of Bonn with a dissertation on comparative religious studies in Khojas in 1932.
In 1934-1935 he studied at the Al-Azhar University in Cairo. Subsequently, he taught at colleges in Baroda (1936–1944) and Bogra (1949). After a brief stint at Calcutta University (1950), Mujtaba Ali became Secretary of the Indian Council for Cultural Relations and editor of its Arabic journal Thaqafatul Hind. From 1952 to 1956 he worked for All India Radio at New Delhi, Cuttack and Patna. He then joined the faculty of Visva-Bharati University (1956–1964).
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 30 of 79 reviews
March 6, 2022
সাধে কী আর ফ্রান্সিস বেকন বলেছিলেন, ‘‘Old wood best to burns,old wine to drink,old friends to Trust and old author to read!’’
December 12, 2020
হাস্যরস আর কাকে বলে!
মিউজিক সিডির বিজ্ঞাপনের কথা মনে পড়ে গেছিল :3

সাহিত্য আকাশে মুজতবা সাহেবের নাম এমনি এমনি তারার মতো জ্বলজ্বল করে না। বার্লিন শহরে ‘হিন্দুস্থান হৌসে’ বসে চাচার মাধ্যমে মুজতবা সাহেব যে কাহিনী শুনিয়েছেন! এমন ধারা রচনা বোধহয় আর নেই। থাকলেও আমার পড়া হয় নি!
এই গুরুতর হাস্যরসের মাঝে মাঝেই বেশ কয়েকটা গল্পে হঠাৎ করে চিকন সূক্ষ্ণ পিনের খোঁচা খেয়ে সোজা হয়ে যাওয়ার মধ্যেও একটা রসিকতার ব্যাপার ছিল। কি স্যাটায়ার! :)
যাইহোক বাংলা ভাষায় লেখা বই, তার পাঠকও বাংলা ভাষা-ভাষী। বাঙালির ইমোশনই আলাদা। বিনা আওয়াজে হাসতে গিয়ে আবার চোখের পানি না বেড়িয়ে যায়!
~১২ ডিসেম্বর, ২০২০
লেডি-কিলার সরকার বলল, মাইরি চাচা, আপনার সৌন্দর্যবোধ আর কবিত্বশক্তি দুইই আছে। অমনতরো বিপাকের মধ্যিখানে আপনি সবকিছু লক্ষ্য করলেন !এহে! এটা পড়ে ইমপেরিয়াল ব্লু
মিউজিক সিডির বিজ্ঞাপনের কথা মনে পড়ে গেছিল :3
ব্রেকফাস্ট খেতে গিয়ে দেখি কর্তার খাওয়া শেষ হয়ে গিয়েছে। লজ্জা পেলুম, কিন্তু সেটা পুষিয়ে নিলুম লোহার নালে নালে এমনি বমশেল ক্লিক করে যে, মাদাম আঁৎকে উঠলেন। মনে মনে বললুম, হিন্দুস্থানীকি তমিজ ভী দেখ লিজিয়ে!হাঁ! হাঁ! দেখ লিজিয়ে!

সাহিত্য আকাশে মুজতবা সাহেবের নাম এমনি এমনি তারার মতো জ্বলজ্বল করে না। বার্লিন শহরে ‘হিন্দুস্থান হৌসে’ বসে চাচার মাধ্যমে মুজতবা সাহেব যে কাহিনী শুনিয়েছেন! এমন ধারা রচনা বোধহয় আর নেই। থাকলেও আমার পড়া হয় নি!
এই গুরুতর হাস্যরসের মাঝে মাঝেই বেশ কয়েকটা গল্পে হঠাৎ করে চিকন সূক্ষ্ণ পিনের খোঁচা খেয়ে সোজা হয়ে যাওয়ার মধ্যেও একটা রসিকতার ব্যাপার ছিল। কি স্যাটায়ার! :)
যাইহোক বাংলা ভাষায় লেখা বই, তার পাঠকও বাংলা ভাষা-ভাষী। বাঙালির ইমোশনই আলাদা। বিনা আওয়াজে হাসতে গিয়ে আবার চোখের পানি না বেড়িয়ে যায়!
~১২ ডিসেম্বর, ২০২০
February 27, 2021
চাচাকাহিনির প্রথম গল্প- 'স্বয়ংবরা'
"আড্ডা জমাবার বুনিয়াদ হচ্ছে চণ্ডীমণ্ডপ, কাছারি-বাড়ি, টঙ্গিঘর, বৈঠকখানা_এক কথায় জমিদারী প্রথা।" এই দিয়ে ছোট্ট গল্পটার শুরু। চাচার 'কাঠগড়ায় দাঁড়ানো' নিয়ে পাতা এক বৈঠকের গল্প। মুজতবা সাহেবের সরল রসবোধের মুন্সীয়ানা তো সাথে আছেই। অল্প সময়ে পড়ার মজার বই।
একটা লাইনে একটু বেশিই মজা পেয়েছি, সেটা লেখা থাক।
"চাচা বললেন, " ইউরোপে কোল্ড-ব্লাডেড খুন হয়, আর ভারতে কোল্ড-ব্লাডেড বিয়ে হয়। এবং দুটোই ভেবেচিন্তে, প্ল্যানমাফিক, প্রিমেডিটেটেড।"
ভেবেছিলাম প্রতিটা গল্পেরই সংক্ষিপ্ত কিছু প্রতিক্রিয়া লিখে রাখবো। কিন্তু তা হয়ে উঠলো না।
তবে মাঝে মাঝেই যে এক-দুটো গল্প আবার পড়া হবে এটুকু নিশ্চিত। তখন নাহয় আবার এডিট করে দিলাম।
মন খারাপ হোক কিংবা ব্যস্ততা হোক, এখান থেকে টুক করে এক-দুটো গল্প পড়ে ফেললে মনটা হালকা হয়ে যায়। সৈয়দ মুজতবা আলীর রম্যরস সত্যিই দারুণ উপভোগ্য।
"আড্ডা জমাবার বুনিয়াদ হচ্ছে চণ্ডীমণ্ডপ, কাছারি-বাড়ি, টঙ্গিঘর, বৈঠকখানা_এক কথায় জমিদারী প্রথা।" এই দিয়ে ছোট্ট গল্পটার শুরু। চাচার 'কাঠগড়ায় দাঁড়ানো' নিয়ে পাতা এক বৈঠকের গল্প। মুজতবা সাহেবের সরল রসবোধের মুন্সীয়ানা তো সাথে আছেই। অল্প সময়ে পড়ার মজার বই।
একটা লাইনে একটু বেশিই মজা পেয়েছি, সেটা লেখা থাক।
"চাচা বললেন, " ইউরোপে কোল্ড-ব্লাডেড খুন হয়, আর ভারতে কোল্ড-ব্লাডেড বিয়ে হয়। এবং দুটোই ভেবেচিন্তে, প্ল্যানমাফিক, প্রিমেডিটেটেড।"
ভেবেছিলাম প্রতিটা গল্পেরই সংক্ষিপ্ত কিছু প্রতিক্রিয়া লিখে রাখবো। কিন্তু তা হয়ে উঠলো না।
তবে মাঝে মাঝেই যে এক-দুটো গল্প আবার পড়া হবে এটুকু নিশ্চিত। তখন নাহয় আবার এডিট করে দিলাম।
মন খারাপ হোক কিংবা ব্যস্ততা হোক, এখান থেকে টুক করে এক-দুটো গল্প পড়ে ফেললে মনটা হালকা হয়ে যায়। সৈয়দ মুজতবা আলীর রম্যরস সত্যিই দারুণ উপভোগ্য।
September 7, 2015
“ইউরোপে cold blooded খুন হয়, ভারতবর্ষে কোল্ড-ব্লাডেড্ বিয়ে হয়।” This is an absolute truth from this book. And none other than the master of satire and master of sarcastic comedy Mujtaba Ali wrote this masterpiece. I would love to read it again and again because each time I discover complete new things from this book.
June 19, 2023
বাক্যের এমন গঠন আর বহু ভাষার ব্যবহার আমি অন্য কোনো বইয়ে পড়ি নাই।কিছু গল্প বেশ ইউনিক,কিছু গল্প ভালোবাসা-মমতায় ভরা।
August 29, 2020
প্রায় প্রতিটি গল্পই বিদেশের পটভূমিকায়, বিশেষ করে বার্লিন প্রবাসী বাঙালি তরুণ ছাত্র- যাদের মধ্যে লেখক নিজেও একজন- তাদের নিয়েই রচিত সৈয়দ মুজতবা আলীর 'চাচা কাহিনী'। এমন বিশুদ্ধ উপাদেয় আন্তর্জাতিক রসের পরিবেশন বাংলা সাহিত্যে বিরল।
March 31, 2025
বইটা আসলেই ভীষণ ভালো। শুরুতে একটু খটমট লাগলেও,পরে যখন গল্পে ঢুকে গেছি চমৎকার লয়ে পড়ে গেছি।
মুজতবা আলী মানেই হাস্যরস। এই বইয়ের প্রতিটা গল্পে হাস্যরসের ছড়াছড়ি। বাইরের প্রেক্ষাপটে রচিত প্রতিটা গল্প। শুরুর দিকের গল্প গুলো তে ❝চাচার❞ উপস্থিতি পাওয়া যায়,এগুলোতে হাস্যরসের মাত্রা একটু বেশি। পরের গল্পগুলো ও সুন্দর।
মুজতবা আলীর লেখা পড়লে, উনার অগাধ পাণ্ডিত্যের পরিচয় পাওয়া যায়। অসামান্য মেধাবী একজন মানুষ।
মুজতবা আলী মানেই হাস্যরস। এই বইয়ের প্রতিটা গল্পে হাস্যরসের ছড়াছড়ি। বাইরের প্রেক্ষাপটে রচিত প্রতিটা গল্প। শুরুর দিকের গল্প গুলো তে ❝চাচার❞ উপস্থিতি পাওয়া যায়,এগুলোতে হাস্যরসের মাত্রা একটু বেশি। পরের গল্পগুলো ও সুন্দর।
মুজতবা আলীর লেখা পড়লে, উনার অগাধ পাণ্ডিত্যের পরিচয় পাওয়া যায়। অসামান্য মেধাবী একজন মানুষ।
August 11, 2021
সৈয়দ মুজতবা আলী'র লিখা আমার খুব কম পড়া হয়েছে। শবনম পড়ে একরাশ বিরক্তির পর এই বইটা যেন ছিল আর্শীবাদ। পড়া শেষে মনে হয়েছে এমন বই পড়া হয়নি বহুদিন। বইয়ের বেশিরভাগ গল্পের প্রেক্ষাপট ইউরোপ আর লিখার ক্ষেত্রে প্রচুর কঠিন শব্দ ব্যবহার করা সত্ত্বেও হাস্যরসের কোনো খামতি চোখে পড়েনি। লেখক দুঃখ-কষ্টের সাথে হাস্যরস এমনভাবে মিশিয়েছেন যা এই বইকে নিয়ে গেছে অনন্য মাত্রায়। বাংলাসাহিত্যে এমনটা খুব কম লেখক করতে পেরেছেন। আর এটাই লেখকের বিশেষত্ব, যা এই বইকে করেছে মাস্টারপিস।
December 9, 2025
ভেবেছিলাম এবছর হয়তো কোনো প্রকার বই না পড়েই কেটে যাবে। কিন্তু মন সায় দিলো না। আমার কাজিন বাসায় নিয়ে যাওয়ার জন্য যে কয়েকটা বই চুজ করছিল তার মধ্যে এই বইটার নাম ভালো লাগছে জন্য পড়া শুরু করছিলাম।
বইঃ চাচা কাহিনী
লেখকঃ সৈয়দ মুজতবা আলী
উনার লেখা বই আমি এঞ্জয় করি না(sorry Rifat)। আমার জন্রার না আর কি। যাই হোক, বই এর ভেতরে রিফাতের লেখা নোটগুলো অনেক কাজে আসছে আমার। কোন জায়গায় হাসা লাগবে এটাও উল্লেখ করে দিছে সে। নাহলে হয়তো বইটা মাঝপথেই ছেড়ে দিতাম। 😒
এনিওয়ে, পড়া শেষ! বছরের প্রথম ও শেষ বই পড়া।
বাই দ্য ওয়ে, "বেচে থাকো শর্দি কাশি" গল্পটা এর আগেও কোথায় যেন পড়েছি!!!

বইঃ চাচা কাহিনী
লেখকঃ সৈয়দ মুজতবা আলী
উনার লেখা বই আমি এঞ্জয় করি না(sorry Rifat)। আমার জন্রার না আর কি। যাই হোক, বই এর ভেতরে রিফাতের লেখা নোটগুলো অনেক কাজে আসছে আমার। কোন জায়গায় হাসা লাগবে এটাও উল্লেখ করে দিছে সে। নাহলে হয়তো বইটা মাঝপথেই ছেড়ে দিতাম। 😒
এনিওয়ে, পড়া শেষ! বছরের প্রথম ও শেষ বই পড়া।
বাই দ্য ওয়ে, "বেচে থাকো শর্দি কাশি" গল্পটা এর আগেও কোথায় যেন পড়েছি!!!

June 22, 2020
১৯২৯। বার্লিনের একমাত্র উপমহাদেশীয় প্রতিষ্ঠান হিন্দুস্তান হৌস। সেখানেই আড্ডা বসে গোটা কয়েক আড্ডাবাজ বাঙালীর। মাঝে মাঝে জর্মনরাও যোগ দেয় চক্রের কারোর আমন্ত্রণে। তাতে যেমন হিন্দুস্তান হৌসের প্রচার-পসার হয় তেমনি আড্ডাও জমে। চক্রের নিয়মিত সদস্যদের মধ্যে আছেন সংগীতপ্রেমী গোস্বামী ওরফে গোঁসাই, ভাষাবিশারদ রায় সাহেব আর চ্যাংড়াদের মধ্যে লেডি কিলার পুলিন সরকার আর গৌলাম মৌলা আলী অর্থ্যাৎ লেখক নিজে। গলাবদ্ধ কোটধারী বহুদিনের জর্মন নিবাসী ভারতীয় বাঙালী চাচাই চক্রের চক্রবর্তী। ‘চাচা কাহিনী’ মূলত আড্ডার আলাপ আলোচনার ফাঁকে ফাঁকে চাচার বর্ণিল জর্মন জীবনের নানান গল্পের বয়ান। চাচার উচ্চাঙ্গের জার্মান ভাষা শেখা যেই প্রাশান কর্ণেলের গল্প আছে এতে। আছে তীর্থহীনা গ্রেটা আর মা-জননী নার্সের সন্তান আঁকড়ানোর গল্প।
চাচার গল্প ছাড়াও এতে আছে লেখকের প্যারিস যাত্রায় কাফে-দে-জেনিতে কাটানো এক সন্ধ্যার গল্প, মহারাজ সয়াজী রাওয়ের জাহাজযাত্রায় উপহারস্বরুপ প্রাপ্ত সিংহ-জোড়ার গল্প। করুণরসে সিক্ত ‘পুনশ্চ’ বা হালকা কৌতুকধর্মী ‘বেঁচে থাকো সর্দিকাশী’র সাথে ‘পাদটীকা’ গল্পে ঐপনিবেশিক বাস্তবতায় পণ্ডিত জীবনের তিক্ত চিত্রও তুলে ধরেছেন লেখক। ‘লাটের তিন ঠ্যাংগের কুকুরের পিছে খরচ পচাত্তর টাকা আর পন্ডিতের আটজনের সংসারের জন্য মাসিক বরাদ্দ পঁচিশ টাকা’ – লাইনটা যতটা বাস্তব ততটাই প্রতীকি।
চাচার গল্প ছাড়াও এতে আছে লেখকের প্যারিস যাত্রায় কাফে-দে-জেনিতে কাটানো এক সন্ধ্যার গল্প, মহারাজ সয়াজী রাওয়ের জাহাজযাত্রায় উপহারস্বরুপ প্রাপ্ত সিংহ-জোড়ার গল্প। করুণরসে সিক্ত ‘পুনশ্চ’ বা হালকা কৌতুকধর্মী ‘বেঁচে থাকো সর্দিকাশী’র সাথে ‘পাদটীকা’ গল্পে ঐপনিবেশিক বাস্তবতায় পণ্ডিত জীবনের তিক্ত চিত্রও তুলে ধরেছেন লেখক। ‘লাটের তিন ঠ্যাংগের কুকুরের পিছে খরচ পচাত্তর টাকা আর পন্ডিতের আটজনের সংসারের জন্য মাসিক বরাদ্দ পঁচিশ টাকা’ – লাইনটা যতটা বাস্তব ততটাই প্রতীকি।
October 17, 2019
ইবরাহিম ভাই একবার বলসিল, মুজতবা আলী সাহেবের সেরা হচ্ছে চাচা কাহিনী। বইটা অনেকদিন পর আবার পড়লাম, এবং ভেবে দেখলাম—কথাটা সত্য হলেও হতে পারে।
সৈয়দ মুজতবা আলী এত রস পান কোত্থেকে—কে জানে! টইটম্বুর হয়ে আছে একেকটা লেখা। আর কী অনুবাদের শক্তি—জার্মান মেয়ে হাসতে হাসতে বলছে, ‘ডু লীবার গের গট্’—সেটার অনুবাদ তিনি করছেন—‘হে মা কালী!’
তবু এই বইটার বিশেষত্ব এই যে, মুজতবা আলীর রস কেবল নিরবিচ্ছিন্ন আনন্দের না। আদ্ধেকটা বই-ই তোমাকে কাঁদাবে। চাচা কাহিনী পড়তে পড়তে যদি কেউ এক পশলা কেঁদে নেয়—তাহলে বলা মুশকিল ও কান্না কীসের।
তবে কিনা, কান্না যেটারই হোক—সেটার কারণ যে বেশ গভীর হবে—এতে সন্দেহ থাকার কথা না। তিন পাঅলা কুকুরের গল্পটা তো বোধহয় এদেশে কিংবদন্তীই হয়ে থাকবে। নিশ্চয়ই সৈয়দ মুজতবার চারপাশের সব মানুষ এমন রঙ লাগিয়ে, মসলা মাখিয়ে কথা বলেন না। কাজেই লেখা যে ঝলমল করতে দেখি, আর স্বাদে যে মনে জল এসে পড়ে—ওর দায় মুজতবা সাহেবের ঘাড়েই বর্তানো যায়।
আগেও বলেছি, বলতেই হবে, মুজতবা আলীর ভাষার জোর অসাধারণ!
সৈয়দ মুজতবা আলী এত রস পান কোত্থেকে—কে জানে! টইটম্বুর হয়ে আছে একেকটা লেখা। আর কী অনুবাদের শক্তি—জার্মান মেয়ে হাসতে হাসতে বলছে, ‘ডু লীবার গের গট্’—সেটার অনুবাদ তিনি করছেন—‘হে মা কালী!’
তবু এই বইটার বিশেষত্ব এই যে, মুজতবা আলীর রস কেবল নিরবিচ্ছিন্ন আনন্দের না। আদ্ধেকটা বই-ই তোমাকে কাঁদাবে। চাচা কাহিনী পড়তে পড়তে যদি কেউ এক পশলা কেঁদে নেয়—তাহলে বলা মুশকিল ও কান্না কীসের।
তবে কিনা, কান্না যেটারই হোক—সেটার কারণ যে বেশ গভীর হবে—এতে সন্দেহ থাকার কথা না। তিন পাঅলা কুকুরের গল্পটা তো বোধহয় এদেশে কিংবদন্তীই হয়ে থাকবে। নিশ্চয়ই সৈয়দ মুজতবার চারপাশের সব মানুষ এমন রঙ লাগিয়ে, মসলা মাখিয়ে কথা বলেন না। কাজেই লেখা যে ঝলমল করতে দেখি, আর স্বাদে যে মনে জল এসে পড়ে—ওর দায় মুজতবা সাহেবের ঘাড়েই বর্তানো যায়।
আগেও বলেছি, বলতেই হবে, মুজতবা আলীর ভাষার জোর অসাধারণ!
January 14, 2014
He amuses as always. the entertaining light humorous style narration but with a deep philosophical message. You will enjoy reading this one.
January 15, 2026
একমাত্র হাবশীরাই শুনেছি আপন চামড়ার কদর বোঝে। তাই সায়েবদের দিকে তারা তাকায় অসীম করুণা নিয়ে- আহা, বেচারীদের ও-রকম ধবল কুণ্ঠ হয় কেন?
spot on!
spot on!
September 21, 2022
জার্মানি, বিশেষত বার্লিনের প্রেক্ষাপটে লেখা সৈয়দ মুজতবা আলীর বই "চাচা কাহিনী"।
চাচার আসল নাম ইরশাদ চৌধুরী। বার্লিনের ''হিন্দুস্থান হৌসে'' রেস্তোরায় লেখক নিজে, চাচা, পুলিন সরকার, শ্রীধর মুখুয্যে, সূর্য রায়, মৌলবী সাহেব, গোলাম মৌলা- এরকম কজন মিলে আড্ডা। আর সেই আড্ডাগুলোয় উঠে আসে হরেক রকম কাহিনী। জীবনকে আবিষ্কারও করা যায় নানাভাবে।
বইটিতে এমন গল্প আছে মোট এগারোটি। প্রতিটি গল্প যেমন হাসাবে তেমনি কাঁদাবে। মনে হবে যেন আপনিও চাচাদের সাথে বসে আড্ডা দিচ্ছেন। বাঙালির আড্ডা যে কত মধুর, পান্ডিত্য আর হাস্যরসে ভরপুর ছিল তা অনুধাবন করতে পারবেন। মনে হবে আপনি স্বর্গে বসে আড্ডা দিচ্ছেন।
সৈয়দ মুজতবা আলীর মতো রসবোধ, পান্ডিত্য, ভাষাজ্ঞান আর ভ্রমণপিয়াসু নরম মন খুব স্বল্প লেখকেরই ছিল। তার প্রতিটি বই বিশ্বসাহিত্যের অমূল্য সম্পদ, অপরূপ সৃষ্টি। আমার মনের গভীর প্রদেশে সৈয়দ মুজতবা আলীর বাস। তার মতো হওয়ার ইচ্ছা আমার প্রবল।
এগারোটি গল্পের রিভিউ ১১ লাইনে লিখব।
স্বয়ংবরাঃ জার্মান এক তরুণী চিরকুমার চাচাকে গাঁটছড়া বেঁধেই বিয়ে করতে চেয়েছিলেন! শেষ পর্যন্ত কি হয়েছিল বিয়ে!!!
কর্ণেলঃ সংকরায়ণ বিরোধী জার্মান হের ওবের্স্ট নামে এক কর্ণেলের বাড়িতে কেমন কেটেছিল চাচার দিন! রক্তের বিশুদ্ধতা রক্ষা করতে কি পেরেছিলেন কর্ণেল!!!
মা-জননীঃ কুমারী-মা সিবিলা লোকলজ্জার ভয়ে তার সন্তানের সাথে কি করেছিল! চাচার ভূমিকা কি ছিল!! সমাজ নাকি মাতৃত্ব- কার জয় হলো!!!
তীর্থহীনাঃ ভালোবাসায় প্রতারিত যক্ষ্মায় আক্রান্ত গ্রেটে নামের তরুণীর কি হয়েছিল অবশেষে! আর তার সাথে মুজবা আলী ও গির্জার কি সম্পর্ক!!
বেলতলাতে দু-দু’বারঃ চাচার সাথে অস্কারের জার্মান পরিবারের সম্পর্ক কেমন ছিল! অস্কারের প্রেমিকা এবং জার্মান প্রেমিক যুগলের সাথে চাচার কি ঘটেছিল!! অস্কার চাচাকে কতটা ভালোবাসতো এবং চাচা নাজি পার্টি করা অস্কারের প্রতি কৃতজ্ঞ কেন!!!
কাফে-দে-জেনিঃ ফ্রান্সের এক অভিজাত ক্যাফেতে যে ভাষা-বিশারদ ও চিত্রশিল্পীর সাথে চাচার কথা হয় তারা কেমন ছিল! তাদের কথা আর সৃষ্টিকর্মের মধ্যে ফারাক কতটুকু!! তারা কি সত্যিই উঁচুমানের শিল্পী নাকি সবই ভুয়া!!!
বিধবা-বিবাহঃ বরোদার মহারাজা সয়াজি সিং এক হাবশি রাজার থেকে উপহার পেয়েছিলেন একজোড়া সিংহ-সিংহী। কিছুদিন পর সিংহ মারা যাওয়ার ফলে নতুন স্বামীকে কি মেনে নিতে পেরেছিল মানুষের মতো এত প্রেম মনের সঙ্গোপনে লুকিয়ে রাখা বিধবা সিংহী!!
রাক্ষসীঃ পশ্চিম ভারতের পার্সি সম্প্রদায়ের বৃদ্ধা মহিলার শেষকৃত্যে ভয়ঙ্কর কি এমন ঘটেছিল যে তাতে ভয়ে মারা যায় অনেকে এবং পাগল হয়ে যায় বাকি সবাই!!
পাদটীকাঃ লেখকের জবানিতে বলা মর্মস্পর্শী গল্পটা পড়ে যে কেউ কাঁদবে! স্কুল পরিদর্শনে আসা সাহেবের কুকুরের প্রতিটা পা এর খরচের সমতুল্য অর্থে চলে পণ্ডিত মশাইয়ের সুবিশাল পরিবার! অগাধ জ্ঞান আর অসীম অভাব কি পেরেছিল পন্ডিত মশাইকে গ্লানিবোধ থেকে বাঁচাতে!! পন্ডিত মশাইয়ের জ্ঞানের কি কোনো মূল্য নেই!!!
পুনশ্চঃ ফ্রান্সের বেশ্যা জেলির সাথে লেখকের কেমন সম্পর্ক ছিল! জীবনের সংকটাপন্ন অবস্থায় জেলি শহরে বেশ্যাগিরি না করে আত্মহত্যা করতে গ্রামে গিয়েছিল কেন!! লেখক কেন জেলিকে সাহায্য করল না!!!
বেঁচে থাকো সর্দিকাশিঃ জার্মানির মিউনিখের ডাক্তারের প্রেমের সাথে লেখকের সর্দি-কাশির কি সম্পর্ক! রোমান্টিক কমেডি কাকে বলে!!
সৈয়দ মুজতবা আলী ''চাচা কাহিনী'' গ্রন্থে চাচা, মৌলবি সাহেব কিংবা নিজের জবানিতে জার্মানি, ভারত বা ফ্রান্সের পটভূমিতে লিখেছেন গল্পগুলো। প্রতিটি গল্পে যেন মানবজীবনের আয়না, সুখ-দুখে, আনন্দ-বেদনায় ভরপুর।
বৈঠকী আবহ, অপরূপ রসবোধ, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিভিন্ন কবিতা বা গানের বাণীর ব্যবহার "চাচা কাহিনী'' কে পূর্ণতা দান করেছে।
সৈয়দ মুজতবা আলী প্রতিটি বই (দেশে বিদেশে, শব্নম, পঞ্চতন্ত্র, হিটলার) আমায় হাসায়, কাঁদায়, অন্তরে গভীর প্রেমবোধ জাগায়, বিশ্বের নাগরিক হতে, নতুন নতুন ভাষা আর বিশ্ব ভ্রমণ করতে উৎসাহিত করে। বহুভাষাবিদ, আফ্রিকা, ইউরোপ, এশিয়া ঘুরে বেড়ানো, গভীর রসবোধ, প্রেমিক, পাণ্ডিত্য এবং রম্যবোধে পরিপুষ্ট সৈয়দ মুজতবা আলীকে কুর্ণিশ।
চাচার আসল নাম ইরশাদ চৌধুরী। বার্লিনের ''হিন্দুস্থান হৌসে'' রেস্তোরায় লেখক নিজে, চাচা, পুলিন সরকার, শ্রীধর মুখুয্যে, সূর্য রায়, মৌলবী সাহেব, গোলাম মৌলা- এরকম কজন মিলে আড্ডা। আর সেই আড্ডাগুলোয় উঠে আসে হরেক রকম কাহিনী। জীবনকে আবিষ্কারও করা যায় নানাভাবে।
বইটিতে এমন গল্প আছে মোট এগারোটি। প্রতিটি গল্প যেমন হাসাবে তেমনি কাঁদাবে। মনে হবে যেন আপনিও চাচাদের সাথে বসে আড্ডা দিচ্ছেন। বাঙালির আড্ডা যে কত মধুর, পান্ডিত্য আর হাস্যরসে ভরপুর ছিল তা অনুধাবন করতে পারবেন। মনে হবে আপনি স্বর্গে বসে আড্ডা দিচ্ছেন।
সৈয়দ মুজতবা আলীর মতো রসবোধ, পান্ডিত্য, ভাষাজ্ঞান আর ভ্রমণপিয়াসু নরম মন খুব স্বল্প লেখকেরই ছিল। তার প্রতিটি বই বিশ্বসাহিত্যের অমূল্য সম্পদ, অপরূপ সৃষ্টি। আমার মনের গভীর প্রদেশে সৈয়দ মুজতবা আলীর বাস। তার মতো হওয়ার ইচ্ছা আমার প্রবল।
এগারোটি গল্পের রিভিউ ১১ লাইনে লিখব।
স্বয়ংবরাঃ জার্মান এক তরুণী চিরকুমার চাচাকে গাঁটছড়া বেঁধেই বিয়ে করতে চেয়েছিলেন! শেষ পর্যন্ত কি হয়েছিল বিয়ে!!!
কর্ণেলঃ সংকরায়ণ বিরোধী জার্মান হের ওবের্স্ট নামে এক কর্ণেলের বাড়িতে কেমন কেটেছিল চাচার দিন! রক্তের বিশুদ্ধতা রক্ষা করতে কি পেরেছিলেন কর্ণেল!!!
মা-জননীঃ কুমারী-মা সিবিলা লোকলজ্জার ভয়ে তার সন্তানের সাথে কি করেছিল! চাচার ভূমিকা কি ছিল!! সমাজ নাকি মাতৃত্ব- কার জয় হলো!!!
তীর্থহীনাঃ ভালোবাসায় প্রতারিত যক্ষ্মায় আক্রান্ত গ্রেটে নামের তরুণীর কি হয়েছিল অবশেষে! আর তার সাথে মুজবা আলী ও গির্জার কি সম্পর্ক!!
বেলতলাতে দু-দু’বারঃ চাচার সাথে অস্কারের জার্মান পরিবারের সম্পর্ক কেমন ছিল! অস্কারের প্রেমিকা এবং জার্মান প্রেমিক যুগলের সাথে চাচার কি ঘটেছিল!! অস্কার চাচাকে কতটা ভালোবাসতো এবং চাচা নাজি পার্টি করা অস্কারের প্রতি কৃতজ্ঞ কেন!!!
কাফে-দে-জেনিঃ ফ্রান্সের এক অভিজাত ক্যাফেতে যে ভাষা-বিশারদ ও চিত্রশিল্পীর সাথে চাচার কথা হয় তারা কেমন ছিল! তাদের কথা আর সৃষ্টিকর্মের মধ্যে ফারাক কতটুকু!! তারা কি সত্যিই উঁচুমানের শিল্পী নাকি সবই ভুয়া!!!
বিধবা-বিবাহঃ বরোদার মহারাজা সয়াজি সিং এক হাবশি রাজার থেকে উপহার পেয়েছিলেন একজোড়া সিংহ-সিংহী। কিছুদিন পর সিংহ মারা যাওয়ার ফলে নতুন স্বামীকে কি মেনে নিতে পেরেছিল মানুষের মতো এত প্রেম মনের সঙ্গোপনে লুকিয়ে রাখা বিধবা সিংহী!!
রাক্ষসীঃ পশ্চিম ভারতের পার্সি সম্প্রদায়ের বৃদ্ধা মহিলার শেষকৃত্যে ভয়ঙ্কর কি এমন ঘটেছিল যে তাতে ভয়ে মারা যায় অনেকে এবং পাগল হয়ে যায় বাকি সবাই!!
পাদটীকাঃ লেখকের জবানিতে বলা মর্মস্পর্শী গল্পটা পড়ে যে কেউ কাঁদবে! স্কুল পরিদর্শনে আসা সাহেবের কুকুরের প্রতিটা পা এর খরচের সমতুল্য অর্থে চলে পণ্ডিত মশাইয়ের সুবিশাল পরিবার! অগাধ জ্ঞান আর অসীম অভাব কি পেরেছিল পন্ডিত মশাইকে গ্লানিবোধ থেকে বাঁচাতে!! পন্ডিত মশাইয়ের জ্ঞানের কি কোনো মূল্য নেই!!!
পুনশ্চঃ ফ্রান্সের বেশ্যা জেলির সাথে লেখকের কেমন সম্পর্ক ছিল! জীবনের সংকটাপন্ন অবস্থায় জেলি শহরে বেশ্যাগিরি না করে আত্মহত্যা করতে গ্রামে গিয়েছিল কেন!! লেখক কেন জেলিকে সাহায্য করল না!!!
বেঁচে থাকো সর্দিকাশিঃ জার্মানির মিউনিখের ডাক্তারের প্রেমের সাথে লেখকের সর্দি-কাশির কি সম্পর্ক! রোমান্টিক কমেডি কাকে বলে!!
সৈয়দ মুজতবা আলী ''চাচা কাহিনী'' গ্রন্থে চাচা, মৌলবি সাহেব কিংবা নিজের জবানিতে জার্মানি, ভারত বা ফ্রান্সের পটভূমিতে লিখেছেন গল্পগুলো। প্রতিটি গল্পে যেন মানবজীবনের আয়না, সুখ-দুখে, আনন্দ-বেদনায় ভরপুর।
বৈঠকী আবহ, অপরূপ রসবোধ, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিভিন্ন কবিতা বা গানের বাণীর ব্যবহার "চাচা কাহিনী'' কে পূর্ণতা দান করেছে।
সৈয়দ মুজতবা আলী প্রতিটি বই (দেশে বিদেশে, শব্নম, পঞ্চতন্ত্র, হিটলার) আমায় হাসায়, কাঁদায়, অন্তরে গভীর প্রেমবোধ জাগায়, বিশ্বের নাগরিক হতে, নতুন নতুন ভাষা আর বিশ্ব ভ্রমণ করতে উৎসাহিত করে। বহুভাষাবিদ, আফ্রিকা, ইউরোপ, এশিয়া ঘুরে বেড়ানো, গভীর রসবোধ, প্রেমিক, পাণ্ডিত্য এবং রম্যবোধে পরিপুষ্ট সৈয়দ মুজতবা আলীকে কুর্ণিশ।
This entire review has been hidden because of spoilers.
July 13, 2024
"পানশাস্ত্রে এর চেয়ে বড় নাস্তিকতা আর কিছুই হতে পারে না। বিয়ারে জল!"
৯ বছর আগে যেমন হেসেছিলাম, আজও হাসলাম। আবার ৯ বছর পর হাসা যাবে।
৯ বছর আগে যেমন হেসেছিলাম, আজও হাসলাম। আবার ৯ বছর পর হাসা যাবে।
January 28, 2026
যদিও শেষ হয় নি, তাও read লিস্টে রাখলাম। এত বিখ্যাত একটা বই কিন্তু আমি কোনোভাবেই এঞ্জয় করতে পারলাম না। দুইটা চ্যাপ্টার পড়ার পর আর ধৈর্য রাখতে পারছি না পড়ার।
ভাষা কঠিন সেটাও বলতে পারছি না। কারণ এর থেকেও কম্পলিকেটেড ভাষার বই খুব আগ্রহ নিয়ে এঞ্জয় করে শেষ করেছি। কিন্তু এই বইটার মধ্যে কোনো হাস্যকরও আমি পাই নি। খুব কম বই-ই আমার এমন হয়েছে। তারমধ্যে এটা এড হয়ে গেলো। 🙂
যদি বছরখানেক পর মনে হয় বইটা পড়ে এঞ্জয় করতে পারবো তাহলে আবার শুরু করবো 💯
ভাষা কঠিন সেটাও বলতে পারছি না। কারণ এর থেকেও কম্পলিকেটেড ভাষার বই খুব আগ্রহ নিয়ে এঞ্জয় করে শেষ করেছি। কিন্তু এই বইটার মধ্যে কোনো হাস্যকরও আমি পাই নি। খুব কম বই-ই আমার এমন হয়েছে। তারমধ্যে এটা এড হয়ে গেলো। 🙂
যদি বছরখানেক পর মনে হয় বইটা পড়ে এঞ্জয় করতে পারবো তাহলে আবার শুরু করবো 💯
May 20, 2019
সৈয়দ মুজতবা আলী সাহেবের আপদমস্তক ছিলো বিশুদ্ধ সাহিত্যরসে পরিপূর্ণ৷ কখনো জর্মনির বার্লিনে 'হিন্দুস্থাব হৌসে'র এককোণে বাঙালিদের আড্ডার গপ্পো অথবা প্যারিসের সংকীর্ণ গলিতে স্মৃতিকথার যোগসূত্রে লেখকের ১১টি গল্পের উপাখ্যান৷ যেখানে ঠাঁই পেয়েছে 'তীর্থহীনা' 'মা-জননী'র মত বেদনার বিবর্ণ কাব্য, আবার 'বেঁচে থাকা সর্দি-কাশি'র মত অমৃত নির্যাস! অবশ্য পাঠ্য৷ ধন্য হে আলী সাহেব! ধন্য!
May 1, 2018
দম ফাটানো হাসির গল্পের বই নয়,কিন্তু সূক্ষ্ম হাস্যরস যে তার থেকে কম মূল্যবান কিছু নয় এরই উদাহরণ 'চাচা কাহিনী'।হাস্যরসের সাথে ছিল 'মা জননী','তীর্থহীনা'র মতো বিষাদের স্পর্শ পাওয়া গল্প, আর ছিল অসাধারণ সব দর্শনের প্রয়োগ।
"বহু বৎসর হয়ে গিয়েছে,সেই ইস্কুলের সামনে সুরমা নদী দিয়ে অনেক জল বয়ে গিয়েছে কিন্তু আজো...."
সৈয়দ মুজতবা আলী <3
গর্ব করবার মতো যথার্থ বলতে যাকে বোঝায়, তিনিই তিনি।
"বহু বৎসর হয়ে গিয়েছে,সেই ইস্কুলের সামনে সুরমা নদী দিয়ে অনেক জল বয়ে গিয়েছে কিন্তু আজো...."
সৈয়দ মুজতবা আলী <3
গর্ব করবার মতো যথার্থ বলতে যাকে বোঝায়, তিনিই তিনি।
June 4, 2018
One of my favorite writers without doubt. Wit, subtlety alongside linguistic wisdom. The perfect combo to snatch readers when travelling was still a daylight's dream to many. A Bengali who refused to be E. Pakistani to be an Indian and then again became Bangladeshi.
The Assamese scholar Syed Mujtaba Ali.
Only if he could restrict his bad habits!
the tales in Weimer Germany
The Assamese scholar Syed Mujtaba Ali.
Only if he could restrict his bad habits!
the tales in Weimer Germany
August 3, 2016
এর কোনো জবাব হয় না!
February 14, 2025
অসাধারণ...!!
February 9, 2023
অতুলনীয়, অনবদ্য, অনন্য, অসাধারণ… বিশেষণের কমতি পড়বে নির্ঘাত তবুও এই বই নিয়ে আমার মুগ্ধতা “অপ্রকাশিত”ই রয়ে যাবে! উফফ! কীভাবে এই রত্ন আমি সাতবছর যাবৎ বুকশেলফে ফেলে রেখেছিলাম? যাক গে, সবুরে মেওয়া ফলে, আমার ফললো “চাচা কাহিনী”।
সত্য বলতে কী, মুজতবা রস আস্বাদনের জন্যে হয়ত আমি নিজেই এতদিন প্রস্তুত ছিলাম না, প্রস্তুত “হচ্ছিলাম”! বাংলা সাহিত্যের প্রবাদপ্রতিম এই লোকের লেখা ঠিক “লঘুপাচ্য” না, তাকিয়ে থাকবো আর পড়া হয়ে যাবে, এমন না। এই ভদ্রলোকের লেখা “এটেনশন” ডিজার্ভ করে। তবে একবার ঠিক ঠিক তা দিতে পারলে, ওয়াও, পুরো “আঁশাঁতে” (Enchanted) হয়ে পড়তে হয়!
এই গল্পগ্রন্থের পটভূমির সামান্য অংশ প্যারিসে, বেশিরভাগই জার্মানিতে। আলী সায়েব পড়তে গিয়েছিলেন “জর্মনি”-তে, অদ্ভুত এক সময়ে, একদম প্রথম আর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মাঝামাঝি সময়ে। সেখানেই জন কয়েক ভারতীর আড্ডাখানা “হিন্দুস্তান হৌস”-এ (Hindustan House) বসে চক্রবর্তী চাচা গল্প বলেন আর তা মুগ্ধ হয়ে শোনেন শ্রীধর মুখুয্যে, পুলিন সরকার, সূর্য রায়, গোলাম মৌলারা। আর এদের সাথে সেই হিন্দুস্থান হৌসের ভেতরে আমাদের চোখ কান হিসেবে থাকেন লেখক, নিজের মুখে সেই গল্প শুনিয়ে যেতে থাকেন আমাদেরকে। তাঁর সাথে আমরা চলি কখনো বার্লিন, কখনো মিউনিখ, কখনো রাইনল্যান্ডে… হা করে গিলতে থাকি সেসব কাহিনী। এমন আলাপী ঢঙে, এমন ভঙ্গিতে, এমন তীক্ষ্ণ রসবোধের সাথে, এমন সরেস গল্প বাংলা ভাষায় আমাদেরকে আর কেউ শুনিয়েছেন? আমি জানি না…
কালজয়ী লেখা বোধকরি সেগুলোই যেগুলো আমাদেরকে একই সাথে একাধিক বীপরিত অনুভুতির সাগরে ফেলে দিয়ে হাবুডুবু খাওয়াতে পারে। চাচার মুখে “স্বয়ংবরা” শুনে মুচকি হেসেছি, “কর্নেলের কাহিনী” শুনে তার ঋজু শিরদাঁড়ার পরিচয় পেয়ে মাথা নিচু করে মাটির দিকে তাকিয়েছি, “মা-জননী” পড়ে সন্তানের প্রতি মায়ের ভালোবাসা দেখে চোখে পানি এসেছে, “রাক্ষসী” পড়ে ভয়ে গা হিম হয়ে এসেছে, “পাদটীকা” পড়ে শিক্ষকেরা আজও যে আমাদের সমাজে কী দূরবস্থায় রয়েছেন তা ভেবে ডুকরে কেঁদে উঠেছে মন আর “পুনশ্চ” এবং “বেঁচে থাকো সর্দি-কাশি” পড়ে হো হো করে হেসে উঠেছি, একই সাথে খুব করে ইচ্ছে করেছে প্রেমে পড়তে। মাত্র ১২৩টা পাতার কলেবর, এরমধ্যেই এতগুলো অনুভূতির সমাহার, অসাধারণ বললেও কম বলা হয় না কি?
পুরোটা বইয়ের লেখনী, শব্দের পর শব্দের খেল, তুলনা, উপমা, বিশেষণ সবই অতুলনীয়, চাইলে পুরো বইটাই তুলে দেয়া যায়। কিন্তু নিজে যেহেতু একইসাথে প্রকৃতিপ্রেমী আর ভালোবাসার কাঙাল, তাই বুঝি সবচাইতে বেশি হৃদয় ছুঁয়ে গিয়েছে এক রূপসীর রূপের বর্ণনা, হুবুহু তুলে দিলাম তা নিচে -
আমার কেন যেন খুব আনন্দ হচ্ছে, বহু বহু সময়ের প্রচেষ্টার পর কিছু একটা পাবার আনন্দ। এত এত প্রিয় মানুষের মুখে শুনেছি মুজতবা আলীর লেখা নাকি ঘোর লাগা, অসাধারণ, ৬-৭ বছর ধরে চেষ্টা করেছি, সে লেখার সাথে “কানেক্ট” করে উঠতে পারিনি। এত বছর পর শেষ পর্যন্ত বুঝতে পারছি, সৈয়দ মুজতবা আলী কেন “গুরু মুজতবা আলী”। আমার আনন্দ হবে না বলো?
সত্য বলতে কী, মুজতবা রস আস্বাদনের জন্যে হয়ত আমি নিজেই এতদিন প্রস্তুত ছিলাম না, প্রস্তুত “হচ্ছিলাম”! বাংলা সাহিত্যের প্রবাদপ্রতিম এই লোকের লেখা ঠিক “লঘুপাচ্য” না, তাকিয়ে থাকবো আর পড়া হয়ে যাবে, এমন না। এই ভদ্রলোকের লেখা “এটেনশন” ডিজার্ভ করে। তবে একবার ঠিক ঠিক তা দিতে পারলে, ওয়াও, পুরো “আঁশাঁতে” (Enchanted) হয়ে পড়তে হয়!
এই গল্পগ্রন্থের পটভূমির সামান্য অংশ প্যারিসে, বেশিরভাগই জার্মানিতে। আলী সায়েব পড়তে গিয়েছিলেন “জর্মনি”-তে, অদ্ভুত এক সময়ে, একদম প্রথম আর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মাঝামাঝি সময়ে। সেখানেই জন কয়েক ভারতীর আড্ডাখানা “হিন্দুস্তান হৌস”-এ (Hindustan House) বসে চক্রবর্তী চাচা গল্প বলেন আর তা মুগ্ধ হয়ে শোনেন শ্রীধর মুখুয্যে, পুলিন সরকার, সূর্য রায়, গোলাম মৌলারা। আর এদের সাথে সেই হিন্দুস্থান হৌসের ভেতরে আমাদের চোখ কান হিসেবে থাকেন লেখক, নিজের মুখে সেই গল্প শুনিয়ে যেতে থাকেন আমাদেরকে। তাঁর সাথে আমরা চলি কখনো বার্লিন, কখনো মিউনিখ, কখনো রাইনল্যান্ডে… হা করে গিলতে থাকি সেসব কাহিনী। এমন আলাপী ঢঙে, এমন ভঙ্গিতে, এমন তীক্ষ্ণ রসবোধের সাথে, এমন সরেস গল্প বাংলা ভাষায় আমাদেরকে আর কেউ শুনিয়েছেন? আমি জানি না…
কালজয়ী লেখা বোধকরি সেগুলোই যেগুলো আমাদেরকে একই সাথে একাধিক বীপরিত অনুভুতির সাগরে ফেলে দিয়ে হাবুডুবু খাওয়াতে পারে। চাচার মুখে “স্বয়ংবরা” শুনে মুচকি হেসেছি, “কর্নেলের কাহিনী” শুনে তার ঋজু শিরদাঁড়ার পরিচয় পেয়ে মাথা নিচু করে মাটির দিকে তাকিয়েছি, “মা-জননী” পড়ে সন্তানের প্রতি মায়ের ভালোবাসা দেখে চোখে পানি এসেছে, “রাক্ষসী” পড়ে ভয়ে গা হিম হয়ে এসেছে, “পাদটীকা” পড়ে শিক্ষকেরা আজও যে আমাদের সমাজে কী দূরবস্থায় রয়েছেন তা ভেবে ডুকরে কেঁদে উঠেছে মন আর “পুনশ্চ” এবং “বেঁচে থাকো সর্দি-কাশি” পড়ে হো হো করে হেসে উঠেছি, একই সাথে খুব করে ইচ্ছে করেছে প্রেমে পড়তে। মাত্র ১২৩টা পাতার কলেবর, এরমধ্যেই এতগুলো অনুভূতির সমাহার, অসাধারণ বললেও কম বলা হয় না কি?
পুরোটা বইয়ের লেখনী, শব্দের পর শব্দের খেল, তুলনা, উপমা, বিশেষণ সবই অতুলনীয়, চাইলে পুরো বইটাই তুলে দেয়া যায়। কিন্তু নিজে যেহেতু একইসাথে প্রকৃতিপ্রেমী আর ভালোবাসার কাঙাল, তাই বুঝি সবচাইতে বেশি হৃদয় ছুঁয়ে গিয়েছে এক রূপসীর রূপের বর্ণনা, হুবুহু তুলে দিলাম তা নিচে -
“রেস্তোরায় ঢুকেই থমকে দাড়ালাম। দেখি, এক কোণে এক অপরূপ সুন্দরী। নর্থ সী দেখেছেন? তবে বুঝতেন হবো হবো সন্ধ্যায় তার জল কী রকম নীল হয় - তারই মতো সুন্দরীর চোখ। দক্ষিণ ইতালিতে কখনো গিয়েছেন? না? তবে বুঝতেন সেখানে সোনালি রোদে রূপালি প্রজাপতির কী রাগিণী - তারই মত তার ব্লন্ড চুল। ডানয়ুব নদী দেখেছেন? না? তাহলে আমার সব বর্ণনাই বৃথা। ডানয়ুব নদীর শান্ত-প্রশান্ত ভাবখানা তাঁর মুখের উপর। অথচ জানেন, ডানয়ুব অগভীর নদী নয়। আর ডানয়ুবের উৎপত্তিস্থল দেখেছেন? না? তাহলে বুঝতেন সেখানে তন্বঙ্গী ডানয়ুব যে রকম লাজুক মেয়ের মত এঁকেবেঁকে আপন শরীর ঢাকতে ব্যস্ত, এ-মেয়ের মুখে তেমনি ছড়ানো রয়েছে লজ্জার কেমন যেন একটা আঁকুবাঁকু ভাব।”
আমার কেন যেন খুব আনন্দ হচ্ছে, বহু বহু সময়ের প্রচেষ্টার পর কিছু একটা পাবার আনন্দ। এত এত প্রিয় মানুষের মুখে শুনেছি মুজতবা আলীর লেখা নাকি ঘোর লাগা, অসাধারণ, ৬-৭ বছর ধরে চেষ্টা করেছি, সে লেখার সাথে “কানেক্ট” করে উঠতে পারিনি। এত বছর পর শেষ পর্যন্ত বুঝতে পারছি, সৈয়দ মুজতবা আলী কেন “গুরু মুজতবা আলী”। আমার আনন্দ হবে না বলো?
August 25, 2023
অনেক অনেক দিন ধরে ক্যারি করে পড়ে শেষ করলাম বইটা। মুজতবা আলীর বইয়ের সুধা ফুরাবার নয়।
September 28, 2018
শুরু করেছিলাম সেই কবে! পড়াই হচ্ছিল না। আজকে অলস সন্ধ্যায় চাচাকাহিনী পড়ে ফেললুম। বাংলায় রম্য কাহিনী লেখায় তার জুড়ি মেলা ভার। আমার অন্যতম প্রিয় রম্য লেখক। তবে তাই বলে যে সবগুলো গল্পই রঙ্গরসে ভরা তাওনা। কিছু গল্প পড়ে রীতিমত মন খারাপই হয়েছে। বিশেষ করে মা-জননী।
মাঝে মাঝে মনে হয় এত আধুনিক মানসিকতার লেখক কী আর আছে বাংলাদেশে? ভ্রমণ তো আমরা কতজনই করি, তবুও তার মত করে লিখতে পারি কই! আমি নিজে যখন থেকে আমার ভ্রমণ কাহিনী লিখতে শুরু করেছি, চেষ্টা করেছিলাম বোরিং না করে হাস্যরসের মাধ্যমে লিখতে। কিন্তু সে আর হল কোথায়! তখনই বুঝলাম রম্য গল্প লেখা আমার কম্য নয়। লেখককে স্যালুট। ছোটোবেলায় তার লেখা না পড়লে ভ্রমণের স্বাধ এভাবে জাগতো কিনা কে জানে! বড়বেলায় আরেকবার পড়ে নিলাম যেন ইউরো ট্যুরে মিলিয়ে দেখতে পারি কী কী পরিবর্তন হল। কোনো একদিন তখন আমিও হয়তো লিখব আবার নতুন করে। লেখকের জন্য একরাশ ভালবাসা।
৫ তারা না দিয়ে আর উপায় কী?
মাঝে মাঝে মনে হয় এত আধুনিক মানসিকতার লেখক কী আর আছে বাংলাদেশে? ভ্রমণ তো আমরা কতজনই করি, তবুও তার মত করে লিখতে পারি কই! আমি নিজে যখন থেকে আমার ভ্রমণ কাহিনী লিখতে শুরু করেছি, চেষ্টা করেছিলাম বোরিং না করে হাস্যরসের মাধ্যমে লিখতে। কিন্তু সে আর হল কোথায়! তখনই বুঝলাম রম্য গল্প লেখা আমার কম্য নয়। লেখককে স্যালুট। ছোটোবেলায় তার লেখা না পড়লে ভ্রমণের স্বাধ এভাবে জাগতো কিনা কে জানে! বড়বেলায় আরেকবার পড়ে নিলাম যেন ইউরো ট্যুরে মিলিয়ে দেখতে পারি কী কী পরিবর্তন হল। কোনো একদিন তখন আমিও হয়তো লিখব আবার নতুন করে। লেখকের জন্য একরাশ ভালবাসা।
৫ তারা না দিয়ে আর উপায় কী?
June 12, 2022
বাঙালীর আন্তর্জাতিক রসিকতার চূড়ান্ত নমুনা বিদগ্ধ লেখকের কলমে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে র সলতে পাকানোর কাজ করছে তখন হিটলার আর তার নাৎসি পার্টি।সেই সময়কালের জার্মান সমাজের ভেতরের চেহারার খুঁটিনাটি খানিকটা আন্দাজ পাওয়া যায়। দেশীয় ভাষার যাদুতে বিদেশী উজ্জ্বলতার আভাস মেলে। পরতে পরতে মাখনের মতো মসৃণ ব্যঙ্গ এবং মানবিকতার আস্বাদ। রসিকতার ভাষা অথবা ভাষার রসিকতা....
April 29, 2024
ত্রি-চরণে স্মরি: চাচা-কাহিনি
এক চাচা ও তাঁর ভক্তবৃন্দ মূল চরিত্র, বিদেশ-বিভুঁইয়ে চাচার জীবনে ঘটে যাওয়া ঘটনার ঘনঘটা। হাসি-কান্না-দুঃখ-বেদনা সমস্ত অভিজ্ঞতায় ঠাসা গল্পগুচ্ছ। চাচার টেবিলের সদস্য এবং পাঠক মাত্রই মুগ্ধ হবেন।
এক চাচা ও তাঁর ভক্তবৃন্দ মূল চরিত্র, বিদেশ-বিভুঁইয়ে চাচার জীবনে ঘটে যাওয়া ঘটনার ঘনঘটা। হাসি-কান্না-দুঃখ-বেদনা সমস্ত অভিজ্ঞতায় ঠাসা গল্পগুচ্ছ। চাচার টেবিলের সদস্য এবং পাঠক মাত্রই মুগ্ধ হবেন।
January 7, 2014
A must read....
January 12, 2020
ভালো বইগুলো সবসময়ই দেরিতে পড়ি 🙂
April 4, 2024
বেঁচে থাকো সর্দি-কাশি
চিরজীবী হয়ে তুমি
অসাধারণ একটা বই। বইটার বেশিরভাগ গল্প বিদেশের পটভূমিতে রচিত এবং তা চাচা ইরশাদ চৌধুরীর অভিজ্ঞতা থেকে বর্ণিত। এখানে গল্পগুলো বলা হচ্ছে আড্ডার ছলে। অর্থাৎ চাচা এবং তাঁর কিছু বন্ধু বার্লিনের 'হিন্দুস্তান হাউস' নামক এক হোটেলে বসে যেন নিজেদের মধ্যে আড্ডা দিচ্ছে। হয়তো কোনো একটা বিষয় যেমন বিয়ে, নাৎসিবাদ, মা-মেয়ের দ্বন্দ্ব ও ভালোবাসা ইত্যাদি সম্পর্কে কথা উঠল আড্ডায় আর তখনই চাচা তার অভিজ্ঞতা থেকে অনুরূপ কোনো নিজের জীবনের কাহিনী বললেন। প্রতিটা গল্পই অসাধারণ, হাস্যরসে ভরপুর। তবে সে হাস্যরস কখনোই স্থুল নয়, অতি সূক্ষ্ম। আর তার সাথে অতি উচ্চমানের দার্শনিক কথাও বলেছেন সমানতালে, এটা বোধহয় মুজতবা আলী বলেই সম্ভব হয়েছিল। আবার যৌবনে শান্তিনিকেতনে পড়ার কারণেই হোক আর যে কারণেই হোক তাঁর উপর রবীন্দ্রনাথের প্রভাবও স্পষ্ট, প্রায় প্রতিটা গল্পেই কবিগুরুর বিভিন্ন কবিতা ব্যবহৃত হয়েছে।
বইয়ে মোট ১১টি গল্প স্থান পেয়েছে। তাদের কোনোটি যেমন হাস্যরসের যোগান দেয় আবার কোনোটি তেমনি আপনাকে বিষণ্ণও করবে। প্রতিটা গল্পই তার প্রবাসে অবস্থানকালের। 'মা-জননী' -এর মতো হৃদয় ছোঁয়া গল্প যেমন আছে এতে, তেমন 'বেঁচে থাকো সর্দিকাশি' -র মতো নির্মল রসের গল্প আছে।
এককথায়- সুখপাঠ্য!
চিরজীবী হয়ে তুমি
অসাধারণ একটা বই। বইটার বেশিরভাগ গল্প বিদেশের পটভূমিতে রচিত এবং তা চাচা ইরশাদ চৌধুরীর অভিজ্ঞতা থেকে বর্ণিত। এখানে গল্পগুলো বলা হচ্ছে আড্ডার ছলে। অর্থাৎ চাচা এবং তাঁর কিছু বন্ধু বার্লিনের 'হিন্দুস্তান হাউস' নামক এক হোটেলে বসে যেন নিজেদের মধ্যে আড্ডা দিচ্ছে। হয়তো কোনো একটা বিষয় যেমন বিয়ে, নাৎসিবাদ, মা-মেয়ের দ্বন্দ্ব ও ভালোবাসা ইত্যাদি সম্পর্কে কথা উঠল আড্ডায় আর তখনই চাচা তার অভিজ্ঞতা থেকে অনুরূপ কোনো নিজের জীবনের কাহিনী বললেন। প্রতিটা গল্পই অসাধারণ, হাস্যরসে ভরপুর। তবে সে হাস্যরস কখনোই স্থুল নয়, অতি সূক্ষ্ম। আর তার সাথে অতি উচ্চমানের দার্শনিক কথাও বলেছেন সমানতালে, এটা বোধহয় মুজতবা আলী বলেই সম্ভব হয়েছিল। আবার যৌবনে শান্তিনিকেতনে পড়ার কারণেই হোক আর যে কারণেই হোক তাঁর উপর রবীন্দ্রনাথের প্রভাবও স্পষ্ট, প্রায় প্রতিটা গল্পেই কবিগুরুর বিভিন্ন কবিতা ব্যবহৃত হয়েছে।
বইয়ে মোট ১১টি গল্প স্থান পেয়েছে। তাদের কোনোটি যেমন হাস্যরসের যোগান দেয় আবার কোনোটি তেমনি আপনাকে বিষণ্ণও করবে। প্রতিটা গল্পই তার প্রবাসে অবস্থানকালের। 'মা-জননী' -এর মতো হৃদয় ছোঁয়া গল্প যেমন আছে এতে, তেমন 'বেঁচে থাকো সর্দিকাশি' -র মতো নির্মল রসের গল্প আছে।
এককথায়- সুখপাঠ্য!
Displaying 1 - 30 of 79 reviews































