Jump to ratings and reviews
Rate this book

অতিপ্রাকৃত সমগ্র

Rate this book
১. অপদেবী
২. প্রণয়
৩. যমদূত
8. ঈশ্বরী
৫. ট্যাবু
৬. উখিনী
৭. নিয়তি
৮. সী-কুইন
৯. মার্জার সমাচার
১০. ইনফার্নো
১১. নিতাই ফকির
১২. মৃত্যুপুরী
১৩. হনন
১৪. প্রাগৈতিহাসিক
১৫. ছায়া-রাজ্য
১৬. ওরাকল
১৭. ডাইনী।

352 pages, Hardcover

Published January 1, 2025

Loading...
Loading...

About the author

Toufir Hasan Ur Rakib

75 books32 followers
তৌফির হাসান উর রাকিব (Toufir Hasan Ur Rakib) একজন কথাসাহিত্যিক, কবি এবং অনুবাদক। জন্ম ও বেড়ে ওঠা কুমিল্লায়। পেশায় একজন চিকিৎসক।

রহস্যপত্রিকার তুমুল জনপ্রিয় লেখক হিসেবে পরিচিতি পাওয়ার পর থেকে সাহিত্য অঙ্গনে শুরু হয় তার দৃপ্ত পথচলা। সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়তা এনে দিয়েছে তার অতিপ্রাকৃত ঘরানার বইগুলো।

সেবা প্রকাশনীতে ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে প্রথম প্রকাশিত হয় তার ‘ঈশ্বরী’ বইটি। এর পরে মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ এর সাথে যৌথ ভাবে লিখেন আগাথা ক্রিস্টির ‘সিরিয়াল কিলার’ এবং যৌথ ভাবে আরো দুইটি আগাথা ক্রিস্টির বই ‘পোয়েটিক জাস্টিস’ (২০১৭) ও ‘গেম ওভার’ (২০১৯) প্রকাশিত হয় তার। তিনি অনুবাদ করেন বিক্ষাত লেখক হেনরি রাইডার হ্যাগার্ড এর ‘ডক্টর থার্ন’। তার সম্পাদনায় বের হয় বেশ কিছু বই, যার সাথে আছে স্যার আর্থার কোনান ডয়েল ও আগাথা ক্রিস্টির ‘শার্লক হোমস ভার্সাস এরকুল পোয়ার’, কান্তজীউয়ের পিশাচ, দেবী, নিশিডাকিনী, শাঁখিনী, হাতকাটা তান্ত্রিক। কিছু অতিপ্রাকৃত ও হরর গল্পগুচ্ছ নিয়ে বর করেন ‘অপদেবী ’, ‘ট্যাবু’ সহ সব মিলিয়ে ৬টি বই। এছাড়া তৌফির হাসান উর রাকিব ও মারুফ হোসেন যৌথ ভাবে লিখেন এরিক মারিয়া রেমার্ক এর দুটি বই ‘স্পার্ক অভ লাইফ’ ও ‘হেভেন হ্যায নো ফেভারিট’। ওয়েস্টার্ন সিরিজের ২৯০তম বই ‘ডুয়েল’ এর লেখকও তিনি।

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
0 (0%)
4 stars
1 (33%)
3 stars
2 (66%)
2 stars
0 (0%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 of 1 review
Profile Image for শুভাগত দীপ.
310 reviews43 followers
March 21, 2026
প্রায় এক যুগেরও বেশি সময় ধরে বাংলা হরর ও অতিপ্রাকৃত ঘরানায় লেখালেখি করে চলেছেন তৌফির হাসান উর রাকিব। বিশেষ করে সেবা প্রকাশনীর বিভিন্ন হরর ও অতিপ্রাকৃত সঙ্কলন ও রহস্যপত্রিকায় তাঁর অনেক উপন্যাসিকা ও ছোট-বড় নানা গল্প প্রকাশিত হয়েছে। তিনি লিখেছেন বেশ কিছু মৌলিক হরর ও অতিপ্রাকৃত উপন্যাসও৷ বাংলা হরর ও অতিপ্রাকৃত ঘরানার নিয়মিত লেখকদের মধ্যে তৌফির হাসান উর রাকিবের নামটা নেহাত অপরিচিত না। তাঁর লেখা সতেরোটা মৌলিক কাহিনি নিয়ে সাজানো হয়েছে 'অতিপ্রাকৃত সমগ্র' বইটা। এগুলোর কয়েকটা নিয়ে আলোচনা করবো। সেই সাথে জানাবো আমার পাঠ প্রতিক্রিয়া। 


অপদেবী: জাহিদ একজন উঠতি লেখক। প্রতিবেশী মিজান সাহেবকে সে বিশেষ পছন্দ করে না বেশি কথা বলার জন্য। কিন্তু একদিন এই মিজান সাহেবই জাহিদকে এমন অদ্ভুত আর অবিশ্বাস্য একটা গল্প শোনালেন যে সে নিজেও বিশ্বাস-অবিশ্বাসের দোলাচলে পড়ে গেলো৷ মিজান সাহেবের সেই গল্পে আছেন এক মহাশক্তিধর অপদেবী জোয়ালা আর এক ভয়ঙ্কর চুক্তির কথা। গল্পটা শোনার সময়ও জাহিদ জানতো না যে এই গল্পই তার জীবনকে সম্পূর্ণভাবে পাল্টে দিতে চলেছে।


'অপদেবী' খুব সম্ভব তৌফির হাসান উর রাকিবের লেখালেখি জীবনের শুরুর দিকের কাজ। এই উপন্যাসিকাটা আমি এর আগেও পড়েছিলাম। তবে সেটা পড়েছিলাম অন্য কোথাও। যাই হোক, 'অপদেবী' আমার কাছে মোটামুটি লেগেছে৷ মূল প্লটটা ইন্টারেস্টিং, তবে অনেক কিছুই আগে থেকে আন্দাজ করা যাচ্ছিলো। এই কারণে পুরোপুরি উপভোগ্য হয়ে উঠতে পারেনি উপন্যাসিকাটা। বেশ কিছু অতিবর্ণনাও লক্ষ্য করেছি, কলেবর বৃদ্ধি করা ছাড়া যেগুলোর কোন প্রয়োজনীয়তা ছিলো না।


প্রণয়: সদ্য স্ত্রীকে হারিয়েছে মানিক। দাঁত থাকতে নাকি মানুষ দাঁতের মর্ম বোঝে না। মানিকেরও হয়েছে একই অবস্থা। স্ত্রী মরিয়মকে হারানোর পরই সে বুঝতে পারলো স্ত্রীকে সে কতোটা ভালোবাসতো। শোকে রীতিমতো পাগলের মতো হয়ে গেলো সে। সেদিন আকাশে ছিলো ভরা পূর্ণিমার চাঁদ৷ আর সেই রাতেই মানিকের বুকের মধ্যে জেগে উঠলো এক অদ্ভুত প্রণয়ের ঝড়।


গল্পটা শেষ করে একটা কথাই বেরিয়েছে আমার মুখ থেকে - ব্রিলিয়ান্ট! অসাধারণ লেগেছে আমার কাছে 'প্রণয়'। বেশ ভালো রকম ভয়ের আবহ ছিলো পুরো গল্পটা জুড়ে। পড়ার সময় দারুণ উপভোগ করেছি। আমার মতে এটাই এই বইয়ের সবচেয়ে সেরা গল্প।


ট্যাবু: প্রচণ্ড আহত অবস্থায় হিউগো নামের এক বৃদ্ধকে উদ্ধার করলো তরুণ কাউবয় মিচেল। লোকটা কোমাঞ্চি ইন্ডিয়ানদের হাতে এতোটাই আহত হয়েছে যে তাকে বাঁচানোই কঠিন একটা ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। মুমূর্ষু বুড়ো হিউগোও যেন ব্যাপারটা বুঝতে পারলো। সে মিচেলকে শোনালো এক অদ্ভুত গল্প। যে গল্পে আছে লোভ, ভয় আর প্রাচীন এক দানবের উল্লেখ।


ওয়েস্টার্ন ঘরানার সাথে ক্রিয়েচার থ্রিলারের সংমিশ্রণে তৌফির হাসান উর রাকিব 'ট্যাবু' লিখেছেন৷ বহুদিন পর ওয়েস্টার্ন ধাঁচের কোন লেখা পড়লাম৷ উপরি পাওনা হিসেবে সাথে জুটলো সামান্য ভয়ের উপকরণ। 'ট্যাবু' আমার কাছে মোটামুটি ভালোই লেগেছে। এর শেষটা আমাকে সামান্য কনফিউশনে ফেলে দিয়েছে। তবে শেষের টুইস্টটা ভালো ছিলো।


নিয়তি: ইদানীং রবি একটা অদ্ভুত সমস্যায় ভুগছে। ব্যাপারটা আর সবার জন্য যেমন হাস্যকর, তেমনি রবি'র জন্য আবার বেশ ভয়ঙ্কর। রবি যে ঘরে থাকে সেটার সমস্ত আসবাবপত্র রাত হলেই যেন জীবন্ত হয়ে ওঠে। রীতিমতো হুমকি দিতে থাকে তাকে। এটা কি রবি'র মানসিক সমস্যা, নাকি সত্যিই এসবের পেছনে অলৌক কোন কিছুর হাত আছে?


এই গল্পের শুরুটা অত্যন্ত ভালো লেগেছে আমার। আর শেষটাও ছিলো যথেষ্ট ভয় জাগানিয়া। কলেবরে ছোট হলেও 'নিয়তি' তৌফির হাসান উর রাকিবের অন্যতম সেরা কাজ আমার মতে। ঘরের চিরচেনা আসবাবপত্র নিয়ে যে এমন হরর গল্পও লেখা যায় তা 'নিয়তি' না পড়লে বুঝতাম না।


সী-কুইন: মালবাহী জাহাজ সী-কুইন এগিয়ে চলেছে ইংল্যান্ডের উদ্দেশ্যে। অন্যান্য অনেক জিনিসের সাথে জাহাজটা বহন করে নিয়ে চলেছে কষ্টিপাথরের এক অদ্ভুত মূর্তি। মূর্তিটা তাসং উপজাতির অভিশাপের দেবতা তাখাপোং-এর৷ সী-কুইন যখন মাঝসমুদ্রে, ঠিক তখনই যেন জাহাজ জুড়ে অদ্ভুত কিছু ঘটনা ঘটতে শুরু করলো। জাহাজের খালাসি ও নাবিকরা কেমন যেন ভয় পেতে লাগলো। একজন আদর্শ ক্যাপ্টেন হিসেবে রবার্ট বায়রন তাঁর ক্রুদের সমস্যাটা বোঝার চেষ্টা করলেন।


তৌফির হাসান উর রাকিবের 'সী-কুইন' গল্পটা একজন অপদেবতা ও তাঁর অভিশাপ কেন্দ্রিক। ভালোই লাগলো গল্পটা। কাহিনিতে যথেষ্ট পরিমাণ ইনসেইন কর্মকাণ্ড আর কেওসের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। 'সী-কুইন'-এর শেষটা যথেষ্ট ভয়ের লেগেছে আমার কাছে। গল্পটা কলেবরে ছোট হলেও উপভোগ্য ছিলো পুরোটাই। 


মার্জার সমাচার: আফতাব সাহেব বিড়াল অপছন্দ করেন। অপছন্দ বলতে একরকম ঘৃণাই করেন তিনি বিড়াল নামক প্রাণীটাকে। বিড়ালের ওপর ভয়ঙ্কর এক বিদ্বেষ সবসময় তাঁর মনে ঘোরাফেরা করে। লোকে বলে, বিড়ালের নাকি নয়টা জীবন। তাদেরকে সহজে মারা যায় না। বিড়ালের প্রতি এই ক্ষোভ আর বিদ্বেষ আফতাব সাহেবকে কতোদূর নিয়ে যাবে?


ছোট এই গল্পটা আমার কাছে ভালোই লেগেছে। গল্পটাতে বেশ কিছু কমেডি এলিমেন্টও ছিলো, যে কারণে মাঝেমাঝে হেসে উঠেছি। সবচেয়ে ভালো লেগেছে 'মার্জার সমাচার'-এর শেষটা। নিজেকে আফতাব সাহেবের জায়গায় কল্পনা করে সামান্য শিউরেও উঠেছি। আমি ব্যক্তিগতভাবে বিড়াল খুব পছন্দ করি। তাই আফতাব সাহেবের জন্য কোন সমবেদনা আমি বোধ করিনি।


ইনফার্নো: বিমল কর একজন নির্লিপ্ত স্বভাবের মানুষ। জগতের কোন কিছুতেই যেন তার কিছুই আসে-যায় না। কেউ তাকে বিশেষ পছন্দ করে না। স্ত্রী মালতির সাথেও তার সম্পর্ক খুব একটা ভালো না। এহেন মানুষ বিমল কর একদিন তার জীবনটাকে বদলানোর উদ্দেশ্যে অদ্ভুত এক সিদ্ধান্ত নিলো। সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে গেলে তাকে করতে হবে মূষিক সাধনা।


'ইনফার্নো' উপন্যাসিকাটা আমি এর আগেও কোথাও পড়েছি। সম্ভবত সেবা প্রকাশনীর কোন হরর সঙ্কলনে বা রহস্যপত্রিকায়। যাই হোক, 'ইনফার্নো' আবারও পড়ে ভালো লাগলো। তন্ত্রবিদ্যা আর আধিভৌতিক বিষয়াদির পাশাপাশি লেখক এখানে মানুষের জটিল মনস্তত্ত্বকেও চমৎকারভাবে দেখিয়েছেন। ইঁদুর সম্পর্কে অনেক ইন্টারেস্টিং তথ্যও ছিলো এখানে। সব মিলিয়ে ভালো লেগেছে উপন্যাসিকাটা।


মৃত্যুপুরী: বুনো পশ্চিমের এক ধুঁকতে থাকা শহর ফগ সিটি। ছোট্ট এই শহরটায় হঠাৎই একদিন নেমে এলো অশুভ এক কালো ছায়া। রাতারাতি শহরের সমস্ত ঘোড়া উধাও হয়ে গেলো। না, কোন ঘোড়াচোরের দলের কাজ না এটা। বরং বুড়ো এড স্টার্ক দাবী করলো এর পেছনে হাত আছে কিংবদন্তির এক প্রেত বিগ ব্ল্যাকের। ধীরে ধীরে শহরবাসীর ওপরে পড়া কালো ছায়াটা আরো গাঢ় হতে থাকলো। একদিন বুড়ো এডের মনে হলো - আচ্ছা, নরকে ঘোড়ারা কি মানুষের পিঠে চড়ে ঘুরে বেড়ায়?


এই গল্পটাও একটা সুপারন্যাচারাল ওয়েস্টার্ন ঘরানার। শুরু থেকেই গল্পে একটা চাপা টেনশন আর ভয়ের আমেজ ধরে রাখার চেষ্টা করেছেন লেখক। বিগ ব্ল্যাকের মিথটা বেশ আবেগময় লেগেছে আমার কাছে। তবে ওভারঅল গল্পটা আমাকে খুব একটা টানতে পারেনি। ছোট এই গল্পটা মাঝেমাঝে আমাকে বোর করছিলো। 


প্রাগৈতিহাসিক: ডক্টর ব্যারন একজন বিজ্ঞানী। নিজের জীবনের সিংহভাগ তিনি কাটিয়ে দিয়েছেন বিজ্ঞানের সাধনা করে। ভদ্রলোক এবার সন্ধান পেলেন বিশাল লেক আর কয়েকটা দ্বীপ মিলিয়ে এমন এক এলাকার, যেখানকার প্রকৃতি আর পরিবেশে আজও প্রাগৈতিহাসিক সব বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। ���র সেই প্রাগৈতিহাসিক এলাকায় এক অভিযানে গিয়েই অদ্ভুত কিছু অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হলেন ডক্টর ব্যারন। প্রায় প্রাণসঙ্কটে পড়ে গেলেন তিনি।


অ্যাডভেঞ্চার আর ক্রিয়েচার থ্রিলার ধাঁচের গল্প 'প্রাগৈতিহাসিক' আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে। অনেকটা সত্যজিৎ রায়ের প্রোফেসর শঙ্কু বিষয়ক কাহিনির ফিল পেয়েছি এটা পড়তে গিয়ে। এই গল্পের একদম শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একটা টানটান উত্তেজনাকর ভাব ছিলো। সেই উত্তেজনার পারদ ধীরে ধীরে ঊর্ধ্বগামী হয়েছে। 


ডাইনী: রাইটার্স ব্লক নিয়ে ভুগতে থাকা লেখক হাবীব ও নামকরা প্রকাশক বিপ্লব ভট্টাচার্য আসলেন কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের প্রত্যন্ত গ্রাম ঘাসিগ্রামে। সেখানকার রাজবাড়িতে নাকি আজও বসবাস করে এক ডাইনী। এই ভয়ঙ্কর ডাইনীর বয়সের কোন গাছপাথর নেই। তার আশেপাশে কেউ গেলেও আর নাকি জীবিত ফেরে না। অত্যন্ত কৌতুহলী স্বভাবের লেখক হাবীব ও প্রকাশক বিপ্লব কেন সেই ডাইনীর প্রতি আগ্রহী? এসব কি আসলেই সত্যি, নাকি যুগের পর যুগ ধরে মানুষের মুখে মুখে ফেরা মিথ ছাড়া কিছুই না?


'ডাইনী' মূলত একটা উপন্যাসিকা। অতিপ্রাকৃত ঘরানার সাথে এখানে সমাবেশ ঘটেছে ইনফো ফিকশনের। ব্যাপারটা বেশ ভালো লেগেছে আমার। মধ্যযুগে ইউরোপে ডাইনী সন্দেহে হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। এই বিষয়টা সহ অন্যান্য অনেক বিষয়ে প্রচুর তথ্যবহুল আলোচনা করা হয়েছে এই উপন্যাসিকায়। এর শেষটাও ভালো লেগেছে। 


উপরে উল্লিখিত হরর ও অতিপ্রাকৃত কাহিনিগুলো ছাড়াও 'অতিপ্রাকৃত সমগ্র'-তে স্থান পেয়েছে 'যমদূত', 'ঈশ্বরী', 'উখিনী', 'নিতাই ফকির', 'হনন', 'ছায়া-রাজ্য' ও 'ওরাকল'। এগুলোর কোনটা ভালো লেগেছে তো কোনটা ভালো লাগেনি। তবে যে কথাটা আমি বিশেষভাবে আমার এই রিভিউয়ে বলতে চাই সেটা হলো, লেখক তৌফির হাসান উর রাকিবের গল্প বলার ধরণটা বেশ চমৎকার। তিনি অতিপ্রাকৃত রহস্যগুলো সুচারুভাবে তুলে ধরার পাশাপাশি পারিপার্শ্বিক পরিবেশের বেশ উপভোগ্য এক ধরণের বর্ণনা দেন। যে ব্যাপারটা আমার কাছে বেশ কাব্যিক মনে হয়। পড়তে গিয়ে একটা ভালো লাগা কাজ করে তাঁর লেখা। হরর ও অতিপ্রাকৃত ঘরানা নিয়ে লেখকের লেখালেখি অব্যাহত থাকুক। তাঁর জন্য রইলো শুভ কামনা।


'অতিপ্রাকৃত সমগ্র'-এর বেশ কিছু কাহিনির মধ্যে কিছু বানান ভুল জনিত সমস্যা লক্ষ্য করেছি। পরবর্তীতে এগুলো শুধরে নেয়া হবে আশা করি। আদনান আহমেদ রিজনের করা মিলিমালিস্টিক টাইপ প্রচ্ছদটা ভালো লেগেছে। চাইলে পড়ে ফেলতে পারেন বইটা।


সবাইকে ঈদ-উল-ফিতরের অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা। ঈদ মোবারক। 


ব্যক্তিগত রেটিং: ৩.৫/৫


বই: অতিপ্রাকৃত সমগ্র 

লেখক: তৌফির হাসান উর রাকিব 

প্রকাশক: বাতিঘর প্রকাশনী 

প্রকাশকাল: নভেম্বর, ২০২৫

ঘরানা: হরর ও অতিপ্রাকৃত গল্প সঙ্কলন 

প্রচ্ছদ: আদনান আহমেদ রিজন

পৃষ্ঠা: ৩৫২

মুদ্রিত মূল্য: ৫০০ টাকা

ফরম্যাট: হার্ডকভার


(২১ মার্চ, ২০২৬, বিকাল ৩ টা ২৩ মিনিট; নাটোর)
Displaying 1 of 1 review