What do you think?
Rate this book


38 pages, Kindle Edition
First published January 1, 1927
আরে আরে! নজরুল সাহেব দেখছি খুব রসিক। যে সকল ধর্ম-প্রাণ ভাইয়েরা ইহজাগতিক কাজ শেষ করে ধর্মকে বাঁচানোর জন্য কাঁদা ছোঁড়াছুঁড়িতে লেগে যায় আর শেষে রক্তারক্তির অঞ্জলি ঘটায়; তাদের নিয়ে লিখেছেন। তাদের নামটাও তো বেশ দিয়েছেন- ধর্ম মাতাল (ধর্মের স্পেশাল সুরা পান করলেই এই মাতাল হওয়া যায়)
ইসসসশ! নজরুল সাহেব আজকের এই আধুনিক ধর্ম মাতালদের কমেন্টে কমেন্টে তরবারি চালনা যদি দেখতে পারতেন! তাহলে তো এই নামকরণের জন্য নিজেই গর্ববোধ করতেন! বলতেন- উত্তম! অতি উত্তম! ¬_¬
" সম্মুখে গভীর তিমির। পথ নাই। আলো নাই। প্রলয়-সাইক্লোনের আর্তনাদ মরণ-বিভীষিকার রক্ত-সুর বাজাচ্ছে। তারই মাঝে মাকে আমার উলঙ্গ করে টেনে নিয়ে চলেছে আর চাবকাচ্ছে যে, সে দানবও নয়, দেবতাও নয়, রক্ত-মাংসের মানুষ। ধীরে ধীরে পিছনে চলেছে তেত্রিশ কোটি আঁধারের যাত্রী। তারা যতবার আলো জ্বালাতে চায়, ততবারই নিভে নিভে যায়। তাদের আর্তকণ্ঠে অসহায়ের ক্রন্দন, ‘বোধন না হতে মঙ্গলঘট ভেঙেছে –’। শুধু ক্রন্দন, শুধু হা-হুতাশ – শক্তি নাই, সাহস নাই। "আমাদের বেশিরভাগ সাধারণ পরিবারে সেই ছোট্টবেলা থেকে শিক্ষা দেয়া হয়-