দেশী-বিদেশী থৃলার গল্পের সম্ভার। বাতিঘর প্রকাশনীর একটি ভিন্নধর্মী প্রচেষ্টা। থৃলারভক্ত পাঠকের তৃষ্ণা মেটাবে সেইসাথে বাংলা ভাষায় থৃলারচর্চায় নতুন মাত্রা যোগ করবে এই বইটি।
MOHAMMAD NAZIM UDDIN (Bengali: মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন) is a writer and Translator of more than 26 novels..His original works are NEMESIS, CONTRACT, NEXUS, CONFESSION,JAAL, 1952: nichok kono number noy, KARACHI, RABINDRANATH EKHANE KOKHONO KHETE ASENNI and KEU KEU KATHA RAKHE. These six Thriller novels are highly acclaimed by the readers.
আসলে আমি সত্যিই কনফিউজড বইটার রেটিং নিয়ে। কতগুলো গল্প অসাধারণ ছিল। কিন্তু কয়েকটা অতি মাত্রায় বাজে ছিল। যাইহোক ভালো লাগার পরিমাণ টাই বেশী ছিল। কয়েকজন নতুন লেখকের লেখা সত্যিই মুগ্ধ করেছে। তবে আবারও দু:খের বিষয় কোন লেখিকার লেখা পেলাম না।
সাম্প্রতিক কালে আমার পড়া যাবতীয় দেশি-বিদেশি, ইংরেজি-বাংলা সংকলনের মধ্যে খুব-খুবই উঁচু জায়গায় থাকবে এটি৷ কিছু গল্প পচা হলেও ভালো গল্পের সংখ্যা ছিল অনেক বেশি। তাতে ডার্ক হিউমার ও মাকাবরের মিশ্রণও ছিল চমকপ্রদ স্তরের। এই সংকলনে আমার সবচেয়ে প্রিয় লেখাগুলো হল~ ১. কর্মপুলিশ: তানজীম রহমান ২. অল ইউ জম্বিস: অনুবাদ রবিন জামান খান ৩. ডেমোলিশন ডার্বি: নাবিল মুহতাসিম ৪. চোরাস্রোত: তৌফিক হাসান উর রাকিব ৫. কিং অফ স্পেড: রবিন জামান খান ৬. কাকতাড়ুয়া: জাহিদ হোসেন ৭. শিকার: শরীফুল হাসান ৮. ডেড এন্ড: রবিন জামান খান ৯. উদঘাত: কিশোর পাশা ইমন ১০. মর্নিংক্লাশ: মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান আখন্দ ১১. প্রমাণ নেই: আবুল ফাতাহ মুন্না ১২. ঘোরলাগা ঘোর: আক্তার উজ্জামান মুন্না মোট আঠেরোটা লেখার মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশই যখন মনে গেঁথে যায়, তখন মুক্তকণ্ঠে তারিফ করতেই হয়। মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিনকে কুর্নিশ করি৷ এইরকম একটা সংকলন সম্পাদনা করা সত্যিই বিশাল কৃতিত্বের পরিচায়ক। সুযোগ পেলে অবশ্যই পড়ুন।
বইটা খুবই ভালো লেগেছে। যদিও কিছু কিছু গল্প শুরুটা দুর্দান্তভাবে করলেও শেষ করতে গিয়ে হতাশ করেছে এবং মন তীব্র বিরক্তিতে ভরে উঠেছিলো। কিন্তু সেসব সাইডে রাখলে বাকি সবটাই অনবদ্য। বিশেষ করে দেশী কয়েকটা গল্প মাথা ঘুরিয়ে দেবার মত। সাথে ফ্রেডরিক ফরসাইথ আর স্টিফেন কিং এর গল্প আরও সরেস করে তুলেছে বইটাকে।
***কিন্তু বাতিঘর প্রকাশনীর প্রতি সেই চিরাচরিত অভিযোগটা রয়েই গেলো, বানানের অবস্থা খুবই বাজে।***
মিশ্র অনুভুতি। সংকলনের কয়েকটি গল্প খুব বেশি ভাল, আবার কয়েকটা গল্প শুরুতে একদম শ্বাসরুদ্ধকর হলেও, শেষ করেছি চরম বিরক্তি নিয়ে। আর দুই-একটা গল্প একদমই ভাল লাগেনি। যাই হোক, সব মিলিয়ে ভালই বলা যায়।
সংকলনের সেরা গল্প হিসেবে অবশ্যই নাজিম উদ্দিন ভাইয়ের 'কজিতো" এর নাম উল্লেখ করতে হয়। শুনেছি আগামী বইমেলায় এ গল্পের পুরনাংগ উপন্যাস সংস্করণ বের হবে, তার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। তানজীম রহমানের কর্মপুলিশ আরেকটি অসাধারণ গল্প, বেশ ভয় লেগেছে পড়ার পর। তাছাড়া বাস,শিকার আর ঘোরলাগা ঘোর গল্পগুলোও ভাল লেগেছে।
১৮ টা গল্প। স্টিফেন কিং এবং ফ্রেডারিক ফরসাইথের দুটো অনুবাদ সহ মোট চারটে অনুবাদ গল্প বাদে বাকি সব মৌলিক থ্রিলার গল্প। কজিতো - মো নাজিম উদ্দি্ন। সাইফাই থ্রিলার গল্প, আরও বড় করা যেত, ক্লিফহ্যাঙ্গার রেখেছেন লেখক, ভবিষ্যতে উপন্যাস আসতে পারে। ভাল লেগেছে। কর্মপুলিশ - তানজীম রহমান। অতিপ্রাকৃত থ্রিলার গল্প, প্রায় পুরো গল্পটাই দুর্দান্ত লেগেছে, শুধু শেষ অংশটুকু ছাড়া। উদঘাত - কিশোর পাশা ইমন। লঞ্চে করে সুন্দরবন ট্যুরে বের হয়েছে বিভিন্ন বয়সী একদল মানুষ, এর মধ্যে রহস্যময়ভাবে খুন হতে থাকে একের পর এক। পিওর মার্ডার মিস্ট্রি। সংকলনের অল্প কিছু ভাল লাগা গল্পের একটা। কাকতারুয়া - জাহিদ হোসেন। গ্রামের ভেতর এক বখাটে খুন হয়েছে। চমৎকার ভাবে রহস্য জমিয়ে তুলেছিলেন, কিন্তু শেষটা মেরে দিয়েছে। শরীফুল হাসানের 'বিপ্রতীপ' সম্পর্কেও একই কথা। আসলে সংকলনের বেশিরভাগ মৌলিক গল্প সম্পর্কেই এই কথা খাটে। তবে মনিরুজ্জামান আখন্দ এর 'মর্নিংক্লাস' নিয়ে দু'কথা না বললেই নয়। সিরিয়াসলি মাথায় ঢুকতেছে না, এই গল্প কিভাবে এই সংকলনে স্থান পায়! এক লোক এসে রোড এক্সিডেন্টের গল্প শুনায়ে গেল, পরে দেখা গেল, সেই লোক আসলে সেই অ্যাক্সিডেন্টে মারা গেছে! এই রকম ভূতের গল্প প্রতি সপ্তাহে ভূত এফএমে শুনায়ে যায় লোকজন। যাই হোক, আসল কথা হলো, প্রত্যাশা যতটা ছিল, ততটা পূরণ হয়নি, অনেকটাই ঘাটতি রয়ে গেল। বইয়ের প্রচ্ছদ যথারীতি দুর্দান্ত ছিল।
বইটি নিয়ে আসলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া আছে। কিছু কিছু গল্প যেমন অনেক বেশি ভালো লেগেছে তেমন কিছু কিছু গল্প অতটা বাজে লেগেছে। তবে, ভালোলাগা গল্পের সংখ্যা বেশি।
যে গল্পগুলো রয়েছে বইটিতে: ১। কজিতো - মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন ২। বিপ্রতীপ - শরিফুল হাসান ৩। কর্মপুলিশ - তানজীম রহমান ৪। অল ইউ জম্বিস - রবার্ট এ হেইনলেন / অনুবাদ: রবিন জামান খান ৫। ডেমোলিশন ডার্বি - নাবিল মুহতাসিম ৬। চোরাস্রোত - তৌফির হাসান উর রাকিব ৭। কিং অব স্পেড - রবিন জামান খান ৮। দ্যা মিরাকল - ফ্রেডারিক ফরসাইথ / অনুবাদ: সায়ীম শামস ৯। কাকতাড়ুয়া - জাহিদ হাসান ১০। শিকার - শরিফুল হাসান ১১। ডেড এন্ড - রবিন জামান খান ১২। দ্যা ম্যান ইন দ্যা আন্ডারপাস - রামসি ক্যাম্পবেল / অনুবাদ: তানজীম রহমান ১৩। উদঘাত - কিশোর পাশা ইমন ১৪। মর্নিং ক্লাস - মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান আখন্দ ১৫। অটোপসি রুম ফোর - স্টিফেন কিং / অনুবাদ: তারক রায় ১৬। প্রমাণ নেই - আবুল ফাতাহ মুন্না ১৭। বাস - জিশান নিয়াজ ১৮। ঘোরলাগা ঘোর - আকতার উজ জামান মুন্না
এই বইটিকে মূল্যায়ন করবো কিভাবে সে ব্যাপারে আমি একরকম বিভ্রান্তই বলা যায়। যেকোন গল্পসংকলনের গল্পগুলো হওয়া উচিত কাছাকাছি মানের। হয় গল্পগুলি হবে ভালো, খুব ভালো, বেশি ভালো নয়তো হতে হবে খারাপ, খুব খারাপ, বেশি খারাপ কিংবা সামান্য ভালো । এতে সার্বিক দিক বিবেচনা করে একটা মতামত দেয়া যায় কিন্তু এসব তত্ত্ব আলোচ্য বইটিতে খাটে না।
বইটিতে এমন কিছু গল্প রয়েছে যেগুলো সত্যিই দারুন উপভোগ্য। যেমন মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিনের 'কোজিতো' আকতার উজ জামান মুন্নার "ঘোর লাগা ঘোর", তানজিম রহমানের "কর্মপুলিশ" নাবিল মুহতাসিমের "ডেমোলিশন ডার্বি এবং অনুদিত গল্পগুলো। অপরদিকে একটা-দুটো গল্পের মান এতোটা খারাপ যে, এ গল্পটি ছাপার অক্ষরে দেখতে হচ্ছে এটা ভেবেই মন খারাপ হয়।
কিছু গল্প দারুন জমিয়ে ফেলেছিল কিন্তু শেষে গিয়ে সেই জমাটি ভাবটা আর থাকে না। অর্থ্যাৎ লেখক গল্পের মান একইরকম রাখতে পারেননি।
আবার, কিছু গল্প পড়ে অনুধাবন করলাম লিখতে লিখতে লিখতে Maturity ভাব চলে এলে তবেই বই আকারে লেখাটি প্রকাশ করা উচিত 🙂
বই���়ের প্রচ্ছদটি দারুন। সম্পাদকের ভূমিকাটিও যথেষ্ট চমকপ্রদ ছিল কিন্তু বইটি পড়ে শেষ করার পর মনে হলো ভূমিকাটি একটু অতিরঞ্জিত।
যাইহোক, সব থেকে সহজ কাজ হলো সমালোচনা করা, সেটাই করলাম। এরকম একেকটা গল্প দাঁড় করানো কষ্টকর এবং শ্রমসাপেক্ষ ব্যাপার। সুতরাং লেখকদের শুভকামনা অবশ্যই প্রাপ্য।
থৃলার সংকলন, থৃলার সংকলন ২,৪ ও সংগ্রহ করার প্রতি আগ্রহ জেগেছে। একদিন হয়তো এই তিনটি বইও পড়া হবে....
থৃলার গল্প সংকলনের ৩য় সংকল। সব মিলিয়ে এই সংলনে ১৮ টি গল্প রয়েছে। একেকটা একেকধর্মী। কোনোটা ভালো লেগেছে আবার কোনোটা একদম বাজেও লেগেছ। মাঝের কয়েকটাটে একদম বিরক্ত হয়ে গেছি। আমি আসলে যে বই পড়ি তা শেষ করে তারপরই পড়া বন্ধ করি। পড়লে সম্পূর্ণতাই পড়ি, নাহলে মাঝপথেই পড়া বন্ধ করে দিতাম। অভ্যাসবসতই পুরোটা পড়ছি। অবশ্য কয়েকটা পড়তে ভালোই লাগছে। বিশেষকরে শেষেরগুলোই দারুণ ছিল।
এমন যদি হত মৃত্যুর পরও আপনি থেকে যেতে পারতেন। কথা বলতে পারতেন সাবার সাথে। তবে কেমন হতো ? গল্পে তেমটাই দেখা গেছে। মারা যাওয়ার পর সে ইন্টারনেটে আটকে আছে। ঘুরে বেরাতে পারে ইন্টারনেট সংযুক্ত আসে এমন সব বস্তু ভেতরে। জাফর ইকবাল এর বাইরে গিয়ে নতুন ধরণের একটা সাইন্সফিকশন পড়লাম। গল্পের শেষে আনন্দের চিৎকার করতে ভুলে যায় নি। কি পড়লাম রে মাম্মা।
৩।। কর্মপুলিশ - তানজীম রহমান
অতিপ্রাকৃত গল্প আমার খুব একটা ভালো লাগে না। কিন্তু এটা ভালোই লেগেছে । যেমন কর্ম তেমন ফল। গল্পের নায়কের কর্মফল খুব দ্রুতই হয়ে যায়।
৪।। অল ইউ জম্বিস - রবার্ট এ. হেইনলেন।
না এটা জম্বিস বা ভূতের গল্প না। এটা আমার জীবনে পড়া অদ্ভুত একটা সাইন্সফিকশন গল্প। গল্পটাকে সহজ ভাবে আপনাদের বুঝিয়ে দিচ্ছি,“আমিই আমার মা, আমিই আমার বাবা। আমিই আমার বউ অবার আমিই আমার স্বামী। আমিই আমার সন্তুান।” WTF এই সব কি লিখছি আমি ? আমি লিখিনাই। পড়লেই বুঝবেন ঘটনা কী। প্রি ডিস্টিনেশন নামে এই গল্প নিয়ে সিনেমাও আছে। যদি কেউ খুজে পান মুভিটি তবে আমারে দেওয়া অনুরোধ রইল।
৬।। চোরাস্রোত - তৌফির হাসান মুহতাসিম
হায়রে ভালোবাসা। একটা মানুষ কাউকে কেম্মে এতো ভালোবাসা ? যার জন্য বউকে খুন করেও পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করে খুনি বলে।
৯।। কাকতাড়ুয়া - জাহিদ হোসেন বর্তমান সময় লেখক জনপ্রিয় তার দুধ চা খেয়ে গুলি করে দিব উপন্যাসের জন্য। আমার পড়া হয়নি দুধ চা। এই ছোট গল্প পড়েই পরিচিত হলাম লেখকের রম্য গল্পের সাথে। রম্য থৃলার বলা যায় হয়তো। সকালে গ্রামের মানুষ গুলো ঘুম থেকে উঠে একটা লাশ দেখতে পায় খেতে পরে আছে। মাছ ধরার বর্শা দিয়ে গেথে ফেলা হয়েছে তাকে। যে খুন হয়েছে তার সাথে গ্রামের সবার কোন না কোনো ভাবে ঝামেলা চলছিলো। একজন আরেকজনকে খুনের দোষী করতে লাগলো। আসল খুনি কে হতে পারে এটাই এখন জানতে হবে। বেশ উপভোগ করেছি গল্পটি।
১১।। ডেড এন্ড - রবিন জামান খান পুরনো বন্ধুদের সাথে অনেক দিন পর দেখা। তিন বন্ধু চলল একজনের বাসায় বদ খেতে খেতে আড্ডা দিতে। বরফ আনতে ফ্রিজে গিয়ে দেখল একটা মেয়ের লাশ সেখানে! কে? কেন? কি করে এটা এখানে রাখল?
১২।। দ্য ম্যান ইন দ্য আন্ডরপাস - রামসি ক্যাম্পবেল
আন্ডরপাস হলে মাটির নিচ নিয়ে হাটা পথ। ১২ বছর বয়সী মেয়ের বলে যাওয়া গল্প এটা। একদল মাতাল আন্ডরপাস দখল করে কিছুদিন এর জন্য। যখন চলে যায় তখন দেয়ালে দেখা যায় অদ্ভুত সব ছবি। এই ছবির গুলোর মধ্যে যেটা সবচেয়ে বড় সেটাতে দেখা যায় নগ্ন একটা লোক কে। যার দুই পায়ের মধ্যের সুর একেবারে মুখের কাছে চলে গেছে। কিসের এই ছবি? এর পেছনে কি গল্প আছে?
১৩।। উদঘাত - কিশোর পাশা ইমন
সুন্দরবনের লঞ্চে করে ট্যুরে বের হয়ে কিছু বন্ধু। হঠাৎই লঞ্চে একটা খুন হয়ে গেল। কে যেন নষ্ট করে দিল লঞ্চটাও। ধারণা করা হচ্ছে আরো খুন হতে পারে। খুনি একজন সাইকো ও হতে পারে। কি উপায় হবে এবার? আগাথা ক্রিস্টির লেখার স্বাদ পেলাম গল্পটায়। কে খুন করেছে অাপনি কিছুতেই ধরতে পারবেন না। কে হতে পারে? কে হতে পারে ভাবতে ভাবতে ঘাম বের হয়ে যাবে আপনার।
আরো বেশ কিছু গল্প ছিল। সব নিয়ে লিখলাম না। প্রতিটি গল্প বেশ ভালো ছিল । কিছু গল্প অবশ্য ভালো ও লাগেনি। তবে খারাপ না। বই পড়ার সময়টা উপভোগ করিছি খুব। আমার রেটিং ৪/৫
এবারের থৃলার সংকলনটা পড়ে খানিকটা হতাশ হয়েছি । দুইটা গল্প এমন ছিল যে যেগুলোর একটা ইন্ডিয়ান সিআইডি আর আদালতের কাহিনী নিয়ে লেখা হয়েছে । অন্যান্য গল্প গুলোর মানও খুব ভাল ছিল না । তবে কয়েকটা গল্প বেশ ভাল ছিল আর অনুবাদ সব গুলোই চমৎকার ছিল । নাজিম ভাইকে অনুরোধ থাকবে এর পরের সংকলন টা বের করার আগে আরও খেয়াল রাখবেন ।
বাতিঘরের প্রতি মানুষের আস্থা দিনদিন বেড়েই চলেছে। না বেড়েই বা করবে কি??? নাজিম ভাই স্বয়ং বাতিঘরের প্রকাশক। এই মানুষটার প্রায় সব কাজই আমাকে মুগ্ধ করে। নবীন থ্রিলার লেখকদের উৎসাহ বাড়াতে চার চমৎকার একটি উদ্যোগ। দুইটি গল্প বাদে বাকি গল্পগুলা খুবই ভালো লেগেছে।
* আগের দুইটা সঙ্কলনের চেয়ে এইটা অনেক বেশি পরিণত হয়েছে। ভাল লেগেছে। * কয়েকটা বেশি রকমের সুন্দর, থ্রিলিং ছিল, কিছু আবার অতি জঘন্য ছিল। * বানান ভুলের পরিমাণ কিঞ্চিত কম, উন্নতি হয়েছে দেখে ভাল লাগলো।