সান্তা মনিকা পর্বতে রহস্যময়ভাবে নিখোঁজ হয়ে গেল ছোট্ট একটি বিমান। খুনের গন্ধ পেল গোয়েন্দাপ্রধান কিশোর পাশা। দুই সহকারী মুসা আর রবিনকে নিয়ে তদন্তে নামল সে। খুনির গন্ধ শুঁকে শুঁকে, প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে পৌঁছল গিয়ে নেভাডা মরুভূমিতে। ‘এক্স’,‘ওয়াই’ ও ‘জেড’-এর জটিল রহস্যের সমাধান না করে তারা ছাড়বে না। কিন্তু মরুভূমির আকাশে রাতের বেলা অদ্ভুত ভায়া হয়ে যা ওড়ে, ওটা আসলে কী?
রকিব হাসান বাংলাদেশের একজন গোয়েন্দা কাহিনী লেখক। তিনি সেবা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত তিন গোয়েন্দা নামক গোয়েন্দা কাহিনীর স্রষ্টা। তিনি মূলত মূল নামে লেখালেখি করলেও জাফর চৌধুরী ছদ্মনামেও সেবা প্রকাশনীর রোমহর্ষক সিরিজ লিখে থাকেন। থ্রিলার এবং গোয়েন্দা গল্প লেখার পূর্বে তিনি অন্যান্য কাজে যুক্ত ছিলেন। তিনি রহস্যপত্রিকার একজন সহকারী সম্পাদক ছিলেন।রকিব হাসান শুধুমাত্র তিন গোয়েন্দারই ১৬০টি বই লিখেছেন। এছাড়া কমপক্ষে ৩০টি বই অনুবাদ করেছেন। তিনি টারজান সিরিজ এবং পুরো আরব্য রজনী অনুবাদ করেছেন। তাঁর প্রথম অনুবাদ গ্রন্থ ড্রাকুলা। রকিব হাসান লিখেছেন নাটকও। তিনি "হিমঘরে হানিমুন" নামে একটি নাটক রচনা করেন, যা টিভিতে সম্প্রচারিত হয়।
কাহিনী শুরু হয় সান্তা মনিকা পাহাড়ে এক রহস্যময় বিমান দুর্ঘটনা দিয়ে। এরপর কিশোর, মুসা আর রবিন তদন্ত করার দায়িত্ব নেয়। শুরুতে এটি স্রেফ বিমান নিখোঁজ রহস্য মনে হলেও, ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসে খুন, অদ্ভুত প্রযুক্তি আর ভয়ংকর ষড়যন্ত্রের গন্ধ।
তাদের তদন্ত গড়ায় নেভাডা মরুভূমি পর্যন্ত। সেখানে ঘটে একের পর এক রহস্যময় ঘটনা—রাতের আকাশে অদ্ভুত ছায়া,ভয়ংকর হাইপারসনিক পরীক্ষার গুজব,এবং রহস্যে ঘেরা X, Y, Z চরিত্র।
এই রহস্য পাঠককে ভালোমতোই ভাবায়। লেখক রহস্যের মাধ্যমে প্রযুক্তি ও অপরাধের দুর্দান্ত মিশ্রণ ঘটিয়েছেন।
আমি গত কয় দিন ধরে কয় দিন ধরে একটা কেস সলভ করার চেষ্টা করতে ছিলাম তিন গোয়েন্দার সাথে। কেসটা প্রথম দিকে ইক্টু সহজ মনে হলেও ধীরে ধীরে কঠিন হতে লাগল। কারণ কোনো ক্লু পাওয়া যাচ্ছিল না। যাইহোক, অবশেষে ডপলার ও পিটকে হাইপারসনিক প্লেন এর নকশাটা বিক্রি করা থেকে আটকানো গেল। আর সেই সাথে হাইপারসনিক প্লেনটা দেখারও সুযোগ হয়ে গেল।