ছিন্নদ্বীপ, বঙ্গোপসাগরের মাঝখানে ছোট্ট একটি দ্বীপ। সেখানে থাকে আরশাদ নামের এক তরুণ। তার ধারণা, সে নিজের শরীরে বাস করে না; তার চেতনা ঘুরে বেড়ায় বিভিন্ন মানুষের শরীরে। মনস্তত্ত্ববিদ জিব্রান আহমেদ ঠিক করলেন এই রহস্য তিনি ভেদ করবেন।
ওদিকে ঢাকায় আবির্ভাব হয়েছে একদল ভুঁইফোঁড় গোয়েন্দার। তাদের একজনের নাম অর্থী। সে অন্য ধরনের গোয়েন্দা। তার তদন্তের বিষয়-'সম্পর্ক'। যেসব স্ত্রীর সন্দেহ হয় তাদের স্বামী অন্য কারো সাথে সম্পর্কে জড়িয়েছে, তাদের হয়ে গোয়েন্দাগিরি করে। এমনই এক সন্দেহবাতিকগ্রপ্ত স্ত্রীর অনুরোধে সে পিছু নিল সালেহিন নামের এক সম্ভাব্য প্রতারক স্বামীর। কিন্তু যা আবিষ্কার করল, তাতে পিলে চমকে গেল পুরো শহরবাসী।
এএসপি রুদ্র তালুকদার, নিশ্চিন্তপুরের হত্যা রহস্য সমাধান করার পর বদলি ও পদোন্নতি নিয়ে এসেছে পিবিআই হেডকোয়ার্টারে, তার হাতে এসেছে এমন এক কেস, যার সমাধান লুকিয়ে আছে বঙ্গোপসাগরের সেই ছিন্নদ্বীপে। শুরু হলো একটি জটপাকানো রহস্যের... কিন্তু থামবে কোথায় গিয়ে?
Mohammad Mohaiminul Islam, known as Mohaiminul Islam Bappy is a Bangladeshi thriller and SciFi writer. Born in Barisal. Grew up in Chittagong. Currently Living in Dhaka. He completed B. Sc. (Hon's) and M. Sc. (Thesis) from the University of Chittagong. His first novel "Je Shohore Golpo Lekha Baron" (The Town is Forbidden for Storytellers) was published by the renowned Bangladeshi publisher- Batighar Prokashoni in 2020.
জিব্রান ও রুদ্র তালুকদারের যুগলবন্দির সাথে আমার পরিচয় “যে শহরে গল্প বলা বারণ” বইটির মাধ্যমে। তাই যখন তারা আবার কোনো রহস্যে আবির্ভূত হচ্ছে, প্রত্যাশা কিছুটা হলেই বাড়তি ছিল। “খুনের অনুরণন” বইটি তাই কেমন লাগল, তা জানানোর আগে এর গল্পের মূলভাব জানা প্রয়োজন।
জিব্রানের জীবনে কোনো পিছুটান নেই। সাইকোলজি বিভাগের শিক্ষকতার পাশাপাশি মনস্তত্ত্বের নানান অসুখ নিয়ে কাজ করে সে। সে এমন এক ব্যক্তিত্ব যে প্রেমে ডুবে গেলেও কোনো কমিটমেন্ট রাখতে চায় না। বরং তার জীবনটা স্বাধীন, যেখানে কারো সাথে বেঁধে পড়া তার ব্যক্তিত্বের সাথে যায় না। তবে তার একটা দুর্বলতা আছে। নিজের বোন তিথি। নিজের ভাগ্য নিজেই নির্ধারণ করতে যখন তিথি বিদেশের পথে উড়াল দিলো, তখনই কেমন এক শূন্যতা অনুভব করে জিব্রান। বোনকে ছাড়া থাকবে কীভাবে?
ঠিক তখনই জিব্রানের কাছে কল আসে তারই ছাত্র ইশতিয়াকের। ছিন্নদ্বীপে শরণার্থীদের মনস্তত্ত্ব নিয়ে একটা প্রজেক্টে কাজ করার আহবান জানানো হয়। আর যখন অঢেল সময়, বোনের চিন্তায় মন অস্থির, তখন কাজের পাশাপাশি জনজীবন থেকে বিচ্ছিন্ন এক দ্বীপ থেকে ঘুরে আসা যায়-ই! কিন্তু জিব্রান তখনও জানে না তার জীবনে দুইটা সারপ্রাইজ আছে। অতীত যেমন তার হুট করে সামনে চলে আসে, তেমনি পরিচয় হয় এক তরুণের সাথে। যে দাবি করে, সে অন্যের মস্তিষ্কে প্রবেশ করতে পারে। দেখতে পারে এমন কিছু, যা তার দেখার কথা না। দেখা উচিত না। এটা কীভাবে সম্ভব? সব কি সত্যি? না-কি কল্পনার সাথে বাস্তবতার মিশেলে নিছকই ভ্রান্ত ধারণা ওই তরুণের। জিব্রান জড়িয়ে পড়ে এর সাথে। আর উন্মোচন হয় এক বিস্ময়কর সত্যের।
অর্থী বড়লোকের সন্তান। বাবা মায়ের ছাড়াছাড়ির পর একাই থাকে। একা থাকা বড়লোক মেয়ের স্বভাব, আচরণ কেমন হতে পারে তা হয়তো বলে দিতে হবে না। তবে সে গোয়েন্দাগিরি করতে পছন্দ করে। বিশেষ করে যেসব নারীর স্বামী প্রতারণা করে তাদের গোপন জীবনের অংশ খুঁজে বের করে। সত্য থাকে ঠিকই, তার সাথে মিশে কিছুটা মিথ্যেও। এখনকার প্রযুক্তির যুগে এ কাজ করা খুবই সহজ। আর যদি সাথে থাকে সৌমিকের মতো আইটি জিনিয়াস, তাহলে তো কথাই নেই! তবে এই কাজ করতে গিয়ে যে বিপদে সে পড়েছে, আগে থেকে আঁচ করতে পারলে কিছুতেই সে এর সাথে নিজেকে জড়াত না। কৌতুহল খুবই খারাপ জিনিস। আর এই কৌতূহল বিপদ ডেকে আনতে পারে। তা-ই যেন কাল হলো অর্থীর জীবনে।
আর এই দুই ভিন্ন ঘটনা জুড়ে যাবে একসাথে। যেখানে জিব্রানের কিছু তথ্যের ভিত্তিতে রুদ্র খুঁজবে এমন এক মানুষকে যার আসলেই কোনো অস্তিত্ব আছে? না-কি নিছকই কল্পনা?
মোহাইমিনুল ইসলাম বাপ্পীর “খুনের অনুরণন” বইটা খুব যে খারাপ আমি বলব না, লেখক মনস্তত্ত্বের এক অদ্ভুত রোমাঞ্চ উপস্থাপন করেছেন। তবে এটা ঠিক বইটা প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি। বইয়ের শুরুটা বেশ ইন্টারেস্টিং। বেশিরভাগ বইতে শুরুতেই লেখক রহস্যকে একটা আকার দান করার চেষ্টা করেন, যাতে পাঠক আগে থেকে রহস্যের সাথে নিজেকে জড়িয়ে নিতে পারে। কিন্তু এখানে লেখক শুরুতে রহস্যের দিকেই যাননি। বরং এর মূল চরিত্রগুলোর সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন। তাদের স্টোরিগুলো তুলে ধরেছেন যাতে চরিত্রগুলো মোটামুটি একটা আকার পায়।
তারপর ধীরেসুস্থে গল্পের মূল উপাদানে লেখক প্রবেশ করেছেন। আমার এই বিষয়টা ভালো লেগেছে। যদিও অনেকের হয়তো পছন্দ হবে না। অনেক দূর পড়ার পর যদি রহস্যের ছিটেফোঁটা না পাওয়া যায়, তাহলে বোরিং লাগতে পারে। আমি অবশ্য এই ধরনের বই পছন্দ করি। যেহেতু এই বইয়ের বিশাল অংশ জুড়ে মনস্তত্ত্ব গুরুত্ব পেয়েছে, সেহেতু শুরুতে চরিত্রের মনস্তত্ত্বে প্রবেশ করা আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ।
লেখকের লেখার মধ্যে এক ধরনের নিজস্বতা আছে। ভাষা অত্যন্ত চমৎকার। প্রকৃতির বর্ণনা লেখক দারুণভাবে দেন। কিছু কিছু বর্ণনা ও সংলাপের যে কারুকার্য, পড়তে বেশ লাগে। তবে এতকিছুর পর এই গল্পের মূল রহস্য ঠিক কোথায়? কেউ যখন অন্যের মস্তিষ্কে প্রবেশ করে ঘটনাক্রম দেখে, সে বিষয়কে কি বাস্তব বলা যায়? বিজ্ঞানের ভাষায় এর ব্যাখ্যা কি আছে?
এই বই থেকে মরফিক রেজন্যান্স নামের এক টার্ম জানতে পারে। যার আসলে বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। একে অনেকক্ষেত্রে কাকতালীয় হিসেবেও উপস্থাপন করা যায়। তবে আরশাদ ছেলেটার এমন এক ক্ষমতা বেশ আকর্ষণীয়, আর সে এমন কী দেখে সেটা এই বইয়ের গতিপ্রকৃতি ঠিক করে দিবে।
গল্পের একটা পর্যায়ে পরকীয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিল। বর্তমান সমাজে আর প্রভাব ও বিস্তার খুবই আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। এক পাক্ষিক সমস্যার থেকে দ্বিপাক্ষিক ইচ্ছেতেই যে এর প্রবণতা বাড়ে, তা বোধহয় সঠিক। লেখক এখানে বাড়াবাড়ি রকমের মানসিক টানাপোড়েন দেখিয়েছেন। মানুষ যে কীভাবে নিজের মনের কাছে বন্দী হতে পারে তার খণ্ডচিত্র বইটি। কেউ আসলে সাধু না। সবার অভ্যন্তরেই নিকৃষ্ট মনের বাস থাকলেও থাকতে পারে। কারোটা প্রকাশ পায়, কেউ আবার আড়ালে রেখে পার পেয়ে যায়। কেউ অবশ্য অনুভূতিহীন ভালো মানুষ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে।
আমি হতাশ হয়েছি লেখকের তাড়াহুড়ো দেখে। খুব সহজে অপরাধী পর্যন্ত পৌঁছে যাওয়া ঠিক ভালো লাগেনি। মনে করেছিলাম অপরাধী জাঁদরেল কেউ হবে। কিন্তু তেমন কিছুই পাইনি। বরং রুদ্র যেন খুব সহজেই অপরাধী পর্যন্ত পৌঁছে গেল। এত সহজে প্রযুক্তি ব্যবহার করে অপরাধী ধরতে পারলে তো সব অপরাধী চৌদ্দ শিকের ভিতরে থাকত। এসব বিষয়ে আমার জ্ঞান সীমিত। তাই বোধহয় আরেকটু জটিল ঘটনাপ্রবাহ আশা করছিলাম। প্রযুক্তির ব্যবহারে সহজ সাধ্য কাজ মনঃপূত হয়নি।
এ-ও ঠিক, অপরাধী হিসেবে যাকে ধরা হয়েছে, সে সাধারণ একজন মানুষ। নিজের অতীতের এক ঘটনা ও স্ত্রীর প্রতারণার কারণে যে মানসিক আঘাত পেয়েছে তাকে বদলে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। মানুষের যখন মানসিক অবনতি ঘটে কেউ জানে না। এভাবেই তো একজন সিরিয়াল কিলারের জন্ম হয়।
আমি ব্যক্তিগতভাবে আরেকটু প্রত্যাশা করেছিলাম। কিছু প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায়নি। লেখক হাইপোথিসিসের উপর দাঁড় করিয়ে ঘটনার ইতি টেনেছেন। রহস্য এক পর্যায়ে এসে ঝিমিয়ে পড়েছিল। যদিও পড়তে খারাপ লাগেনি। লেখকের ভাষাশৈলী ও গল্পের গতির কারণে পড়া এগিয়েছে বেশ ভালোভাবেই।
আমাদের মনস্তত্ত্ব এমনভাবে গড়ে ওঠে আমরা জানি সে আমাদের সাথে প্রতারণা করছে, তবুও ছেড়ে থাকা যায় না। একে অন্যের উপর এমন নির্ভরশীলতা তৈরি হয়। পিছুটান না থাকলে যেকোনো কিছু করা সম্ভব। পিছুটান মাঝে মাঝে দুর্বলতার কারণ হয়ে ওঠে। এই যেমন, জিব্রানের প্রেম ভালোবাসা বা কমিটমেন্টের কোনো বালাই নেই। তবুও পুরোনো প্রেম কাকলীকে কি ছেড়ে থাকা গেল? ইশতিয়াক নিজের ভুল বুঝতে পেরে ঠিকই স্ত্রীর কাছে ফিরে গেল। একে সম্ভবত ভালোবাসার চেয়ে নির্ভরশীলতা বলে।
বাতিঘর প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত বইটির প্রোডাকশন ভালো হয়েছে। প্রচ্ছদটা সুন্দর। যেন এই জনমানুষের নগরী ছেড়ে কখনও একা দূরে এভাবে বসে থাকতে হয়। বাতিঘর প্রকাশনীর সম্পাদনার ত্রুটির যে অভিযোগ, তা অনেকাংশেই কমেছে। আরও হয়তো ভালো হতে পারে।
পরিশেষে, জিব্রান আর রুদ্র তালুকদারের যুগলবন্দীর আরও গল্প সামনে চাই। “খুনের অনুরণন” বইটা মন মতো না হলেও সামনে হয়তো ভালো কোনো গল্পের দেখা পাব। তাছাড়া যে রহস্যের উন্মোচনের চেয়ে হাইপোথিসিস গুরুত্ব পেয়েছে তারও একটা সমাধা কাম্য। লেখক কতটুকু করবেন, তিনিই জানেন।
বায়োলোজিস্ট রুপার্ট শেলড্রেক এর একটি হাইপোথিসিস আছে। নাম "মরফিক ফিল্ডস"। এই হাইপোথিসিস অনুসারে, প্রকৃতিতে এক ধরণের "মেমোরি" আছে যা সরাসরি ফিজিক্যাল লিংক ছাড়াই বিভিন্ন সময় ও স্থানে ইনফরমেশন ট্রান্সমিট করতে পারে।
Interesting hypothesis, isn't it? এটির উপর ভিত্তি করে লেখক গল্পের প্লট সাজিয়েছেন।
বঙ্গোপসাগরের মাঝে ছোট্ট একটি দ্বীপ ছিন্নদ্বীপ। আরশাদ নামে অদ্ভুত এক তরুণ থাকে সেখানে। আরশাদের উপর রিসার্চ করার জন্য সাবেক ছাত্র ইশতিয়াকের প্রস্তাবে ছিন্নদ্বীপে আসে জিব্রান। অন্যদিকে ঢাকা শহরে ঘটে চলেছে একের পর এক সিরিয়াল কি*লি*ং। তদন্তে নেমে পড়ে রুদ্র তালুকদার এবং তার সহযোগী প্রিয়াম।
"যে শহরে গল্প লেখা বারণ"- পড়ে ভালো লেগেছিল। সেই সুবাধে "খুনের অনুরণন"- নিয়ে হাই এক্সপেকটেশন ছিল আমার। কিন্তু যে উৎসাহ নিয়ে পড়া শুরু করেছিলাম শেষ করার বেশ বেশ হতাশ হয়েছি। কি*লা*র এর মোটিভ বেশ টিপিক্যাল। আশা করেছিলাম রুদ্র এবং জিব্রান ধুরন্দর এক এন্টাগোনিস্ট এর মুখোমুখি হবে। কিন্তু না। ক্যারেক্টারাইজেশন যুতসই মনে হয় নি আমার কাছে। অর্থী নামে চরিত্রটিও ইমপ্যাক্টফুল নয়। তাছাড়া লেখায় তাড়াহুড়ো'র প্রবণতা ছিল। লেখক সময় নিতে পারতেন।
এই ছিল বই নিয়ে আলোচনা। ভালো থাকবেন সবাই। বইয়ের সাথে ভালো সময় কাটুক। ধন্যবাদ।
বই : খুনের অনুরণন লেখক : মোহাইমিনুল ইসলাম বাপ্পী প্রকাশনা : বাতিঘর প্রচ্ছদ : ডিলান
ধরুন আপনি আপনার রুমে বসে আছেন তারপর হুট করে অনুভব করলেন আপনি একজনের শরীরে প্রবেশ করে তার কর্মকান্ড দেখতে পাচ্ছেন । কিন্ত এমন একজনের শরীরেই প্রবেশ করতে পারছেন যে খুনি ,খুন করবে এমন কেউ । ব্যাপারটা অদ্ভুত না? আসলেই কিন্ত অদ্ভুত । তেমন এক কনসেপ্ট এর উপরেই এবারের গল্প " খুনের অনুরণন" । লেখক 'মোহাইমিনুল ইসলাম বাপ্পী' আমার খুবই পছন্দের একজন । উনার প্রতিটা গল্পের প্লটই থাকে ইউনিক তাই পড়তে খুব ভাল্লাগে । শুরুতে দেখতে পাই 'অর্থী' নামে এক মেয়ে যে অন্যের বউ বা স্বামী কার সাথে কি করলো ,মেলামেশা করলো এগুলো তদন্ত করে বের করে, হঠাত করে এমন একজনের পিছে লেগে যায় যে জীবন নিয়েই টানাটানি হয়ে যায় । আর জিব্রানকে হয়তো চিনবেন যারা উনার আগের কোন বই পড়েছেন । চরিত্রের বিল্ড আপ করতেই ৮০ পেজ চলে যায় কিন্ত রহস্য আর আসে না । কিন্ত যেই ৮০ পেজ পার হই ওমনি প্রথম ধাক্কাটা আসে । গল্পে রহস্যের ফ্লোটা চলে আসে । শুরু হয় জিব্রান আর তার বন্ধু রুদ্রের তদন্ত প্রক্রিয়া । তারা কি পারবে নতুন এই সিরিয়াল কিলারকে ধরতে ? কি তার মোটিভ খুন করার?
লেখক খুব সুন্দর করে আস্তে আস্তে গল্পের ধারা বজায় রেখেছে । প্রথম ৫০ পেজ পড়তে হয় হাল্কা বিরক্ত হতে পারেন কিন্ত পড়ার পর বুঝতে পারবেন ওগুলো দরকার ছিলো গল্প আগানোর জন্য । গল্পের যেই দিকটা লেখক তুলে ধরেছে তা আসলেই আমাদের সমাজে অহরহ হচ্ছে । অনেকেই একাধিক রিলেশনে জড়িত বা কেউ বিয়ের পরও পরকীয়া করছে । যেগুলো আসলে করা ঠিক না । আর রোহিংগা সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পেরেছি । অতটা ফাস্ট থ্রিলার না হলেও ভালো একটা সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার বলা যায় । যারা থ্রিলার লাভার তাদের জন্য এটা ভালো লাগবে । হ্যাপি রিডিং ।
বইয়ের প্রোডাকশন ভালো ছিলো , সাথে বইয়ের প্রচ্ছদটাও চলে ।
বইঃ খুনের অনুরণন লেখকঃ মোহাইমিনুল ইসলাম বাপ্পি প্রকাশনীঃ বাতিঘর প্রকাশনী