[কিঞ্চিৎ স্পয়লার আছে]
একটা দারুণ প্লটের কীভাবে অপমৃত্যু হতে পারে, তা-ই যেন চোখের সামনে দেখলাম। যেকোনো গল্পের প্লট সেই গল্পের প্রধান শক্তি। কিন্তু এর ভিত্তি যদি শক্তপোক্ত না হয়, তবে সেই দারুণ প্লট কোনো কাজেই আসে না। ধরুন আপনি একটি বাড়ি বানাবেন। তার স্ট্রাকচার, ব্লু প্রিন্ট খুবই দারুণ। কিন্তু এর ফাউন্ডেশন বা বাড়ি বানানোর মাল মশলা যদি দুই নম্বর হয় সেই বাড়ি অকালেই ভেঙে পড়তে পারে। “হাঙ” বইটি পড়ার পর আমার অনুভূতি এমনি। এত দারুণ একটি প্লটের এমন বিলো এভারেজ এক্সিকিউশন গল্পকে তার যথার্থ মূল্যায়ন করতে পারেনি।
মনোয়ারুল ইসলামের প্রায় সবগুলো লেখাই আমার পড়া হয়েছে। সে সুবাদে বলতে পারি “হাঙ” বইটি লেখকের কাজের নিচের দিকেই থাকবে। উপরে বা মধ্যম সারিতে রাখার কোনো উপায় দেখছি না। বইটি পড়ার পাঠ অভিজ্ঞতা এক কথায় বোরিং। লেখকের গতিময় লেখার কারণে পড়াটা সহজ হয়েছে। কিন্তু বইটির পিছনে লেখক যে শ্রম দিয়েছেন, যে শ্রম জাস্টিফাইড হয়নি। আমি ব্যক্তিগতভাবে কোনো আগ্রহ বোধ করিনি। এমন বই পড়তে গিয়ে আমার পড়াটা বারবার ধীর গতির হয়ে গিয়েছে।
গল্পটা মূলত দুইজনের। একদিকে জহির, অন্যদিকে মণিকা। জহির একজন কৃষক। পাট ক্ষেতে চাষাবাদ করে জীবন যাপন করে। অন্যদিকে মণিকা আধুনিক মেয়ে। যার অতি স্মার্টনেস ও পারিবারিক সমস্যার জন্য একাই থাকে। এই দুই সময়ের গল্প, দুই ভিন্ন ধরনের মানুষ কীভাবে এক গল্পে জুড়ে যেতে পারে এই ঘটনাপ্রবাহ ভীষণ ইন্টারেস্টিং লেগেছে আমার কাছে।
শুরুতে মণিকাকে নিয়ে কথা বলা যাক। মণিকা এক বড়লোক পরিবারের সন্তান। ছোটবেলায় বাবা মায়ের ছাড়াছাড়ি হয়ে গিয়েছিল, তখন থেকে সে মায়ের কাছে মানুষ। কিন্তু বিপত্তি বাঁধে বাকি এমন এক পরিস্থিতিতে দেখার পর, যা সে কিছুতেই মানতে পারে না। মায়ের সাথে থাকতে না চাওয়া মেয়েটা তখন থেকে নানু ও মামার কাছে মানুষ। একসময় নানু মারা যায়। মা মামাদের সম্পত্তি নিয়ে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। মণিকা তখন হয়ে পড়ে একা। আবার ফিরে আসে মায়ের কাছে। কিন্তু মায়ের কাছে থাকতে ইচ্ছে করে না।
তাই বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া মেয়েটা সিদ্ধান্ত নেয় একা থাকবে। টাকা পয়সা নিয়ে সমস্যা নেই। রূপ, যৌবন তার এমন উজ্জ্বল, চাইলেই অনেক কিছু করতে পারে। কিন্তু বিপত্তি বাঁধে নতুন এই ফ্ল্যাট নিয়ে। কেমন যেন ছমছমে অনুভূতি। কিছু একটা রহস্য আছে এই বাসাতে। কেন ছাদে যাওয়া নিষেধ? ফ্রিজ থেকে মাংস কোথায় চলে যায়? এই ফ্ল্যাটে কিছু একটা আছে, এমন অনুভূতি বারবার আসে কেন? ছাদের ওই কোটরে থাকা মূর্তিটার কাহিনি কী? কেন বাড়ির মালকিন একটা সামান্য মূর্তির জন্য অজস্র টাকা সাধতে দ্বিধা করে না? মণিকা যেন এ রহস্যে জড়িয়ে গিয়েছে। কিছুটা নিজের ভুলে, বাকিটা অনিচ্ছায়।
জহির একদিন দেখে পাতক্ষেতের অদূরে সবুজ এক ঢেউ। কীসের ঢেউ এসে বুঝতে পারে না। কিন্তু এমন কিছু সে এর আগে দেখেনি। মনের মধ্যে একটু দ্বিধা, কিছুটা ভয়। আজকে আরও ক্ষেতে কাজ করতে যেতে ইচ্ছা করে না। তাও সদ্য বিবাহিত স্ত্রী আম্বিয়ার কথায় যেতে হয়। কিন্তু তবুও একটু ভয় লাগে। পানিতে নামার পর অদ্ভুত অনুভূতি হয়। কীসের জন্য কে জানে? সত্যি কি কিছু ঘটবে? না-কি পুরোটাই ওর কল্পনা?
জহিরের গ্রামের ছেলে রহমত বদলে গেল এক নিমিষেই। ভালো ছেলেটা ক্ষেত থেকে কাজ করে এলো, তারপর সেই যে পড়ল আর দাঁড়াতে পারল না। নিজের মধ্যে অদ্ভুত এক পরিবর্তন লক্ষ্য করছে ও। মনে হচ্ছে শরীরের সমস্ত হাড় উধাও হয়ে যাচ্ছে। জিহ্বা বড় হচ্ছে। নিজের শরীর হয়ে যাচ্ছে এক থকথকে মাংস পিণ্ড। খাবার হিসেবে এখন মাংস পছন্দ হয়। তাও রান্না করা না, কাঁচা মাংস। ছেলেকে নিয়ে মায়ের শঙ্কায় দিন যায়। বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করে। কিন্তু এমন এক রাক্ষসকে কী করে রক্ষা করবে? গ্রামের মানুষ জানলে তো পিটিয়ে মেরে ফেলবে। ছেলেকে বাঁচাবে কীভাবে? আর এভাবে লুকিয়ে রাখলে নিজেদের জীবনও শঙ্কায় কাটবে। উপায় কী হবে? জহিরই বা কীসের প্ররোচনায় পড়েছে? পানির নিচে কালো ছায়ার মতো কী যেন একটা ভেসে বেড়ায়। জহির কি নিস্তার পাবে এর থেকে?
এই দুই সময়ের গল্পের মধ্যে যদি তুলনা করি তবে জহিরের কাহিনি বেশি গোছানো ছিল, রহস্যময় ছিল। ভালোই সাসপেন্স ক্রিয়েট করতে পেরেছে। অন্যদিকে মণিকার ঘটনাগুলো ছিল অগোছালো। মণিকার চরিত্রের ফিরিস্তি দিতে দিতেই ঘটনা এগিয়েছে। পাঠক হিসেবে একই বিষয় জানতে জানতে একসময় বিরক্তিতে পড়েছি। মনিকার প্রেম করা, ছেলেদের নাকে দড়ি দিয়ে ঘুরানো, কার সাথে শুয়ে পড়ে, কার সাথে কীভাবে চ্যাট করে, টিকটক করে এসব জেনে আমার কী লাভ ছিল?
মণিকার ব্যাকস্টোরি শক্তপোক্ত করতে গিয়ে লেখক কাহিনির দিকেই নজর দিতে পারেননি। ফলে যে গল্পের উপর ভিত্তি করে বইটা দাঁড়িয়ে থাকার কথা, তাই যেন হারিয়ে গিয়েছিল। বইয়ের তিন চতুর্থাংশ পড়ার পরও এই রহস্যের কিছুই বুঝতে পারিনি। শুধু দুই সময়ের সাসপেন্স আর পাঠকদের অন্ধকারে রাখা। বাকি এক চতুর্থাংশে কিছুটা আভাস দেওয়া হলেও আমার কাছে যথেষ্ট মনে হয়নি।
ব্যাকস্টোরি দেওয়া হয়েছে জহিরের ঘটনাতেও। কিছু বিষয় অপ্রয়োজনীয় মনে হয়েছে আমার। তারপরও এখানে গল্পের গাঁথুনি কিছুটা হলেও পোক্ত ছিল। যদিও বইয়ের শেষের দিকে এসে জানতে পারি ঘটনাটা ব্রিটিশ আমলের। কিন্তু সেই সময়টা কোনোভাবেই বইতে ফুটে ওঠেনি। হয়তো গুরুত্বপুর্ণ ছিল না। কিন্তু বই তো সমাজের আয়না, ঘটনাপ্রবাহে সেই সময়টা কিছুটা হলেও দেখানো যেত।
আমি বরাবরই এমন ব্যাকস্টোরি পছন্দ করি। এতে চরিত্রগুলোর ডেপথ ভালো বোঝা যায়। কিন্তু যদি এমন গভীরতা বোঝাতে অপ্রয়োজনীয় বিষয় চলে আসে আর মূল ঘটনাকে সংক্ষিপ্ত করে ফেলা হয়, তাহলে আসলে এত ডিটেইলিংয়ের কোনো মূল্য থাকে না। বিশেষ করে মণিকার কথা ধরা যাক। তার চরিত্রের যে ফিরিস্তি, গোসল করার যে বর্ণনা, কোন ছেলের সাথে কী চ্যাট করছে, এসবের উপর গুরুত্ব দেওয়ার দরকার ছিল না। এরচেয়ে শেষের গল্পে প্রাধান্য দেওয়ার দরকার ছিল। এমন জগাখিচুড়ি সমাপ্তি দেখে আমার একটা কথাই মনে হয়েছে, লেখক হয়তো বইটা লিখতে গিয়ে জন্য কারণে উঠে গিয়েছে। তারপর আর লিখতে মন চায় নাই। বইমেলা চলে আসছিল বলে সেই অসমাপ্ত পাণ্ডুলিপি পাঠিয়ে দিয়েছে। ব্যাস, হয়ে গেল একটা বই।
এই দিকেও লেখকের প্রতি আমার অভিযোগ আছে। লেখক তো প্রতি বছরই দুইটা করে বই লিখেন। তারপর একটা শেষ করেন না। এমন জায়গায় গল্প শেষ করেন, সেটা না হয় পুরো গল্পের ঠিকঠাক সমাপ্তি, না করা যায় অপেক্ষা। তার উপর অর্ধ সমাপ্ত বইয়ের সিক্যুয়াল না এনে পরের বছর নতুন কোনো বই আনেন। সেই কবে নয়ন তারা নামের একটা বই শেষ করেছিলেন, আজও তার সিক্যুয়াল এলো না। একটা সিরিজ শেষ করে আরেকটা লেখা ধরা যৌক্তিক হয় কি না, আমার জানা নেই। পাঠককে এভাবে অপেক্ষা করানোর কারণ কী হতে পারে? ঠিক এই কারণে এখন আর লেখকের বই পড়তে ইচ্ছা করে না। ঘটনাক্রমে বইটা হাতে না এলে পড়াও হতো না।
এই বইতে অসংখ্য প্লটহোল আছে। একে একে আলোচনা করছি। কিঞ্চিৎ স্পয়লার উঠে আসবে। তাই আগেই বলে নিচ্ছি, যারা বইটি পড়তে চান এই অংশ এড়িয়ে যাবেন।
১. প্রথমত যে মূর্তি নিয়ে এত আয়োজন, সেই মূর্তির কোনো ডিটেইল নাই। কীসের মূর্তি, এর গুরুত্ব কোথায় তার কোনো ব্যাখ্যা নাই। জহির মূর্তিটা পাওয়ার পর কীভাবে বুঝল এটা তাদের ভাগ্য ফেরাবে? সেই বিষয়ও উল্লেখ করা হয় নাই।
২. জহিরের যে পরিণতি হলো, এরপর আম্বিয়া সম্পূর্ণ একা। এই একা থাকা এই মানুষটার তারপর কী হলো? কীভাবে সেই পরিবার তিন পুরুষে এসে এর প্রতিপত্তির মালিক হলো, তার ব্যাখ্যা নাই। যেন হাওয়ায় হাওয়ায় বড়লোক হওয়া যায়।
৩. ওই মূর্তির সাথে অদ্ভুত প্রাণীটির যোগসাজশ কী, সেটাও খোলাসা করা হয়নি। সেই প্রাণীটি আসলে কী সেটাও বলা হয়নি। শুধু একটি কালো ছায়া, তার আক্রমণ করা, তারপর মানুষের বদলে যাওয়া। সেই সাসপেন্স ধরে রাখা হয়েছিল শেষের জন্য। আমি একটা বিষয় মনে করি, লেখকের ঘটনা বলার চেয়ে ঘটনা দেখানো পাঠককে আরও আকৃষ্ট করে। রহমতকে কীভাবে আক্রমণ করেছিল, সেটা যদি ব্যাকস্টোরির মতো দেখানো যেত উপভোগ্য হতো। ভয়ের একটা অনুভূতি ফুটিয়ে তোলা যেত। কিন্তু লেখক সাসপেন্স ধরে রেখেছিলেন। শেষে জহিরের মাধ্যমে আবছাভাবে দেখানোর চেষ্টা করেছিলেন।
৪. এই গল্পে ভয়ের কোনো উপাদান পাইনি। হ্যাঁ, এটা ঠিক যে, কিছু গা শিউরে ওঠা বর্ণনা ছিল। তাও সীমিত আমার মনে হয়েছে এটা অর্ধেক মণিকার চারিত্রিক সার্টিফিকেট, অর্ধেক জহিরের জীবনযাপনের বর্ণনা। তার মধ্যে কিছুটা ভয় দেখানোর চেষ্টা। অথচ বইটা সম্পর্কে জেনেছিলাম গত দুই তিন বছরের সেরা হরর। এমনই সেরা হরর যেটা আমাকে ভয় দেখাতে এভাবে ব্যর্থ হবে বুঝিনি। এরচেয়ে নাবিল মুহতাসিমের অনাহুত বেশ ভয়ের ছিল।
৫. বাংলা সিনেমার মতো টাকার ছড়াছড়ি। মামার কাছ থেকে টাকা চাইলে এক বান্ডিল টাকা দিয়ে দেয়। দিলরুবা মূর্তি পাওয়ার জন্য একবার বান্ডিল টাকা দেয়, আরেকবার চেক লিখে দেয়। পুরোনো বাংলা সিনেমায় কিছু হলেই চৌধুরী সাহেব যেমন টাকার বড়াই করে ঠিক তেমন অবস্থা ছিল!
৬. বর্তমানের সাথে অতীতের সংযোগ ভালো ছিল। তবে এই সংযোগের ক্ষেত্রে যে সিঁড়ি বিয়ে ওঠার প্রয়োজন ছিল সেটা ছিল না। মূর্তিটা কী করে এখানে এসেছে, সেটা নাহয় বোঝা গেল। কিন্তু তার সাথে সেই প্রাণীটা কীভাবে এই চার দেয়ালে এলো উল্লেখ করা হয় নাই।
৭. একটা ঘটনা ছিল এমন। মণিকা সকালে অনুভব করে যে তার বাসায় কেউ আছে, হাঁটছে। প্রচণ্ড ভয় পায় এরপর বাইরে যায়, প্রেমিককে নিয়ে বাসায় এসে দেখে সব অগোছালো। কিন্তু মণিকা তখন ভয় পায় না। আগেই ধরে নেয় এই কাজ কেয়ারটেকারের। মনে হলো লেখক আগেই যা ভেবে রেখেছিলেন, সেটাই মণিকার মধ্যে ঢুকিয়ে দিয়েছেন। অথচ পরিস্থিতির বিচারে মণিকার আতঙ্কিত হওয়া উচিত ছিল। তাছাড়া কারো অবর্তমানে বাসায় কেউ বাসায় তল্লাশি চালিয়ে গেলে সে সব অগোছালো করে রাখবে সেটা সম্ভব না। লুকিয়ে খোঁজাখুঁজি করে আবার সব ঠিক করে রাখায় যুক্তিসঙ্গত। যেন কেউ বুঝতে না পারে ঘরে কেউ ঢুকেছিল। অথচ দেখা যায় বিশেষ সেই বস্তুটি খোঁজাখুঁজি করে সব মাটিতে ফেলে রাখার মতো বালখিল্য কাজ করে রেখেছে যেন মণিকা বুঝতে পারে ঘরে কেউ এসেছিল।
৮. হুট করে মণিকার ফ্ল্যাট পুরোটা পানিতে ডুবে যায়। সব জায়গায় পানি। কিন্তু কীভাবে এ পানি এলো ব্যাখ্যা করা হয়নি। বরং মনে হয়েছে লেখক বইটা রহস্যময় ও মণিকাকে ভয় দেখানোর কারণে এই কাণ্ড ঘটিয়েছেন। যার আসলে যুক্তিসঙ্গত কোনো ব্যাখ্যা হয় না। ব্যাখ্যা থাকলেও লেখকের মুড ছিল না পাঠককে জানানোর।
এমন আরও অনেক ভুলভ্রান্তি ছিল। সবকিছু ব্যাখ্যা করলে একটা ছোটখাট বই লিখে ফেলা সম্ভব, তাই সেটা করছি না। মনোয়ারুল ইসলামের লেখা সহজ ও সাবলীল। ভাষা সুন্দর। পড়তে ভালো লাগে। কিন্তু এর সহজবোধ্য ভাষায় লিখলেও কী হবে, যদি গল্পটা মন জয় করতে না পারে। প্রচ্ছদটা সুন্দর। তবে বইয়ের নাম ও মূর্তিটির নাম কেন হাঙ সেটা বই শেষ করেও বুঝতে পারিনি।
পরিশেষে, বইটা আমাকে ভীষণ হতাশ করেছে। যে প্রত্যাশা নিয়ে বইটা ধরেছিলাম তা পূরণ করতে পারেনি। বরং বলা যায়, এরচেয়ে লেখকের আরও ভালো ভালো লেখা আছে। যেখানে ব্যাখ্যাগুলো যৌক্তিক। প্লটের প্রতি সুবিচার করা হয়েছে। হতে পারে লেখক এই বইয়ের সিক্যুয়াল লিখবেন। সেখানেই সবকিছু ব্যাখ্যা করবেন। কিন্তু এই বই পড়ে যে বিরূপ অনুভূতি হলো, সিক্যুয়াল এলে কি পড়ার আগ্রহ থাকবে? অবশ্য লেখক সিক্যুয়াল আনবেন কি না, কবে আনবেন তাও একটা রহস্য। হয়তো আগামী বছর নতুন বই দেখা যাবে। তাও অসমাপ্ত কাহিনিগুলো পূর্ণ হবে না।
▪️বই : হাঙ
▪️লেখক : মনোয়ারুল ইসলাম
▪️ব্যক্তিগত রেটিং : ২.৫/৫