ইসলায়েলকে অন্ধ সমর্থনের পেছনে পশ্চিমা বিশ্বে যে সাফাই সবসময় দেওয়া হয়ে থাকে, সেটা হলো ইসরায়েলে মধ্যপ্রাচ্যের একমাত্র 'গণতান্ত্রিক' দেশ; তাই যে কোনো মূল্যে ইসরায়েলের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। বলা হয়, আরব নাগরিকেরা ইসরায়েলে পূর্ণ অধিকার পান। এ ধারণাগুলো কতখানি সঠিক? ইসরায়েলের আরব নাগরিকরা কি ইসরায়েলের 'গণতন্ত্রের' সমান অংশীদার? নাকি ইসরায়েলের ইহুদি ও অইহুদি নাগরিকদের মাঝে রয়েছে কোন বর্ণবাদী বন্দোবস্ত? এমনই অজস্র সব কৌতূহলের উত্তর দেবে বহুল আলোচিত ইসরায়েলি আরব নাগরিকদের নিয়ে বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ ও মৌলিক গ্রন্থ ইসরায়েলের আরব জনগোষ্ঠী : বঞ্চনা ও প্রান্তিকতার ইতিবৃত্ত।
এম. ইদ্রিস আলী ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মুন্সিগঞ্জ-৩ (গজারিয়া ও মুন্সিগঞ্জ সদর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য। তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব ও একজন মুক্তিযোদ্ধা।
এম. ইদ্রিস আলী পাকিস্তান সেন্ট্রাল সুপিরিয়র সার্ভিসে ১৯৭০ সালে যোগদান করেন এবং বাংলাদেশ সরকারের একজন সচিবরূপে ২০০২ সালে অবসরগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৬৮ সালে সমসাময়িক ইতিহাসে এম.এ. এবং ১৯৮৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের দ্য আমেরিকান ইউনিভার্সিটি থেকে ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস-এ এম.এস. ডিগ্রি অর্জন করেন।