পৃথিবীর শেষ কোথায়, পৃথিবীর চারধারে কী আছে, চাঁদ আর তারা - এরা কি অনেক দূরে, তারাগুলো এত সুন্দর কেন, বল কেন মাটিতে এসে পড়ে, গ্রীষ্মকালে সূর্যের তাপ কেন বেশি হয়, চাঁদ কেন একটা ফালির মতো দেখায় বা পৃথিবীর বাইরে আর কী কী জগৎ আছে- এই রকম নানা কথা তোমাদের নিশ্চয় জানতে ইচ্ছে হয়।
এই সব প্রশ্নের এবং এছাড়াও আরও বহু প্রশ্নের উত্তর তোমরা পাবে এই বইতে।
Pavel Vladimirovich Klushantsev (Russian: Па́вел Влади́мирович Клуша́нцев) was a Russian cameraman of higher category (1939), film director, producer, screenwriter and author who worked during the Soviet Era. He was a Meritorious Artist of Russia (1970).
He combined popular science cinema with science fiction, laying the foundation for the genre of Russian science fiction film essay.
As a child, he dreamed of becoming a writer, but he was forced, living in a communal apartment with his mother, to earn a living by making and selling chess. For this he built a lathe on his own. By the time he graduated from school, he abandoned the idea of becoming a writer and tried to enter the Technological Institute, but did not qualify for the competition and entered the Leningrad Film Technical School. After graduating from the camera department of the Leningrad Film Technical School in 1930, Pavel Klushantsev was assigned to the Belgoskino film studio, where he worked for four years as a cameraman. Subsequently, he moved to Lenfilm, where in 1935 he made his debut as a production director (the film Seven Barriers) and in 1937 founded a combined filming workshop. Invented a number of innovative photography techniques (in particular,
বাচ্চাকালে পড়ার মতো বই। অসাধারণ ইলাস্ট্রেশন। কিন্তু বাচ্চাকালে বইটা হাতে পাইনি পেয়েছি অপেক্ষাকৃত বুড়া বয়সে। সম্ভবত হাই স্কুলের শেষে বা কলেজের শেষের দিকে। মনে নাই। আসলেই বুড়ো হয়ে গিয়েছি। কিছু মনে থাকে না। অবশ্য স্বরণশক্তি আমার কোন কালেই ভালো ছিল না। বইটি গোগ্রাসে গিয়েছি সেটা সত্য না। তবে আফসোস হয়েছে এমন বই ছোট বেলায় হাতে পাইনি বলে। যা হোক অনেক কিছুই বইটার পুরণো হয়ে গিয়েছে। সেই হিসেবে 'ব্যাকডেটেড'। বিজ্ঞান বা প্রযুক্তির বই এমনটা হবেই। কিন্তু বইটা তো ভালো।
ছোটদের জন্য খুবই ভালো মানের। সবাই পাড়ার মত, আর সেই সাথে রয়েছে ইলাস্ট্রেশন। অনুবাদও অনেক সহজ সরল। সোভিয়েত থেকে অনুদিত। সকলেরই বিশেষ করে নব জ্যোতির্বিজ্ঞান প্রেমিদের ও ছোটদের এ বই পড়া উচিত৷ কলকাতায় এ বই অনুবাদ হবার পর ছোটদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলে।
To say that this book has shaped my life will be an understatement! This was one of the first books that I had read as a child ... and this book brought out the quality that I like the best in myself: curiosity.
I still read this book whenever I get a chance. It's a must read for every child.
এইরকম বই ক্লাস ৫-৬ এ পড়ানো উচিত... খুবই ভাল বই... একটাই অভিযোগ, কিছু কিছু জায়গায় বিরাম চিহ্নের ঠিক ব্যবহার না হওয়ায় লাইন ২-৩ বার করে পড়তে হয়েছে, বোঝার জন্য... এ ছাড়া এক কথায় বেশ ভাল বই...
বই কিনতে ৳ লাগে৷ কিন্তু কোন বয়সে কোন বইটা পড়া উচি, সেই নির্দেশনা দিতে বা নিতে কিন্তু ৳ লাগেনা। এই কৈশোরের শেষ সীমানায় এসে এই বই পড়তে একটু আশ্চর্য ঠেকছিল বৈ কী! এই বইটা আমার পড়া উচিত ছিল শৈশবে। কিন্তু একজন ভালো অভিভাবকের অভাব ছিল, তাই হয়তো পড়া হয়ে ওঠেনি। যাইহোক, এসব বই একেকটি অমূল্য রত্ন। যেমন সুন্দর বর্ণনা, তেমনই সুন্দর ছবি😍।
একজনকে জ্যোতির্বিদ্যার হাতেখড়ি দিতে এই বইয়ের চেয়ে ভালো অপশন হবে বলে আমার অন্তত মনে হয় না। একদম, পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল ভেদ করে আমাদের নিজেদের সৌরজগতের সবগুলো সদস্যসহ তাদের চাঁদকে নিয়ে পর্যন্ত আলোচনা করা আছে। আরও আছে কল্পনায় প্রতিটি গ্রহের মাটি স্পর্শ করার অনুভূতি। যদিও পড়ার সময় আমার বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছিলো এতো সুন্দর বর্ণনা বাস্তব আর প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা ছাড়া দেওয়া সম্ভব৷ অনেক বইই আছে যা পড়তে পড়তে বিরক্ত ধরে যাই, কারণ, লেখকের বর্ণনাভঙ্গিই থাকে শিক্ষক সুলভ, যেন তা আমাকে আগামীকাল পরীক্ষার খাতায় লিখতে হবে। কিন্তু এই বইটা তার ব্যতীক্রম। একটুও বিরক্ত লাগেনি৷ সবশেষে, ছোঁয়া দেওয়া আছে এই আমাদের সৌরজগতের বাইরের গ্রহগুলি সম্বন্ধে। যা, পাঠককে প্রলুব্ধ করে রাখবে পরবর্তী এবং আরও দূরবর্তী জগত সম্বন্ধে জানতে।
আমার এক বন্ধুর অনুরোধে বইটি পড়া শুরু করি।বইটি বিষয় বস্তু সম্পর্কে আগে জানা হলেও এর স্থাপনটা ছিল অসাধারন।সাথে ছবি গুলো দিকে দেখলে তাকাই থাকতে মনে করে।চোখ ফিরাতে মনে করে না।আর গ্রীক এর চাদ,সূর্য ও নক্ষত্র নিয়ে পুরান গল্প গুলোতো আরো ধারুন লাগলো।জানি গল্প গুলো সত্য নয়। সর্বশেষ আপসোস একটাই এমন বই আগে পড়ে নাই কেনো।লেখক যেভাবে বুধ,মঙ্গল,শুক্র,শুনি ও বৃহস্পতি বর্ননা দিয়েছে মনে হয়েছে যেন তিনি সেখানে গিয়েছে এবং নিজের চোখে দেখে এসে বর্ননা দিচ্ছে।পড়তে পড়তে মনে হচ্ছিল আমি যেন মঙ্গল গ্রহে চলে গেছি।বুধের মাঝে ঘুরাঘুরি করছি।কী সব ধারন বর্ননা। 🤓🤓🤓🤓🤓🤓🤓🤓🤓
মানুষ আদিকাল থেকেই আকাশ কে দেখত আর কিভাবে আকাশ পাড়ি দেওয়া যায় তা ভাবত! কালের বিবর্তনে আজ মানুষ আকাশ চড়ে বেড়াচ্ছে! মানুষের সমতল পৃথিবীর ধারণা থেকে কিভাবে বেড়িয়ে গোলকীয় পৃথিবীর ধারণায় চলে এল সে ধারণা এ বইয়ে খুব চমৎকার ভাবেই উল্লেখ আছে!
বইটা যে কোনো নবীন পাঠকেই অনুপ্রানিত করবে! বইটি যেহেতু শিশুদের জন্য লেখা তাই বড়রা পড়ে মজা নাও পেতে পারেন! আমার মত হলে মজা পাবেন! বইয়ে আছে প্রচুর রঙ বেড়ঙ এর কার্টুন! আছে অনেক মজার থট এক্সপেরিমেন্ট!
বইটি যদিও আমার ছোট বোনের জন্য কিনেছিলাম, কিন্তু মজা লুফে নিতে কে না চায় বলুন! তাই আমিও পড়ে মজা নিয়ে নিলাম! ❤️