Jump to ratings and reviews
Rate this book

জার্মানীর শহরে বন্দরে

Rate this book

160 pages, Hardcover

First published January 1, 1975

2 people are currently reading
55 people want to read

About the author

Jasim Uddin

56 books86 followers
Jasimuddin (Bangla: জসীম উদদীন; full name: Jasimuddin Mollah) was a Bengali poet, songwriter, prose writer, folklore collector and radio personality. He is commonly known in Bangladesh as Polli Kobi (The Rural Poet), for his faithful rendition of Bengali folklore in his works.

He obtained his BA degree in Bengali from the University of Calcutta in 1929 and his MA in 1931. From 1931 to 1937, Jasimuddin worked with Dinesh Chandra Sen as a collector of folk literature. Jasimuddin is one of the compilers of Purbo-Bongo Gitika (Ballads of East Bengal). He collected more than 10,000 folk songs, some of which has been included in his song compilations Jari Gaan and Murshida Gaan. He also wrote voluminously on the interpretation and philosophy of Bengali folklore.

Jasimuddin started writing poems at an early age. As a college student, he wrote the celebrated poem Kabar (The Grave), a very simple tone to obtain family-religion and tragedy. The poem was placed in the entrance Bengali textbook while he was still a student of Calcutta University.

Jasimuddin is noted for his depiction of rural life and nature from the viewpoint of rural people. This had earned him fame as Polli Kobi (the rural poet). The structure and content of his poetry bears a strong flavor of Bengal folklore. His Nokshi Kanthar Maath (Field of the Embroidered Quilt) is considered a masterpiece and has been translated into many different languages.

Jasimuddin also composed numerous songs in the tradition of rural Bengal. His collaboration[4] with Abbas Uddin, the most popular folk singer of Bengal, produced some of the gems of Bengali folk music, especially of Bhatiali genre. Jasimuddin also wrote some modern songs for the radio. He was influenced by his neighbor, poet Golam Mostofa, to write Islamic songs too. Later, during the liberation war of Bangladesh, he wrote some patriotic songs.

Jasimuddin died on 13 March 1976 and was buried near his ancestral home at Gobindapur, Faridpur. A fortnightly festival known as Jasim Mela is observed at Gobindapur each year in January commemorating the birthday of Jasimuddin. A residential hall of the University of Dhaka bears his name.

He was honored with President's Award for Pride of Performance, Pakistan (1958), DLitt. by Rabindra Bharati University, India (1969) Ekushey Padak, Bangladesh (1976), Independence Day Award (1978).

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
1 (3%)
4 stars
11 (37%)
3 stars
15 (51%)
2 stars
2 (6%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 11 of 11 reviews
Profile Image for Harun Ahmed.
1,668 reviews433 followers
March 11, 2024
৩.৫/৫

জসীম উদদীনের মধ্যে বিরল কিছু বৈশিষ্ট্য ছিলো। তিনি সহজেই মুগ্ধ হতেন, ছিলেন সংস্কারমুক্ত উদার মনের ও নতুনকে সাদরে গ্রহণ করতে পারার সক্ষমতাসম্পন্ন। ১৯৭২ সালে তার জার্মানি ভ্রমণ নিয়ে লেখা "জার্মানির শহরে বন্দরে"র প্রধান গুণই হচ্ছে লেখকের সারল্য, কৌতূহল ও নতুনকে জানার আগ্রহ।জার্মানির সঙ্গে বাংলাদেশের সংস্কৃতির ফারাক অনেক।  লেখক সেই সত্তরের দশকে জার্মানির শিল্প ও সংস্কৃতির বৈশিষ্ট্য নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের চেষ্টা করেছেন এবং (আমার) বিস্ময়ের উদ্রেক করেছেন। যেমন - অপেরা দেখতে যেয়ে জসীম উদদীন তাতে একটি দৃশ্য দেখতে পান যা তিনি বর্ণনা করেছেন এভাবে -

"গিউলিটারের সমস্ত অঙ্গ হইতে কামনার অগ্নি ছড়াইয়া পড়িতেছিল। তার চলনে-বলনে নাচে-গানে শুধু রতিক্রিয়ার প্রলোভন। আর এই প্রলোভনে পড়িতে হফম্যানের বেশি সময় লাগিল না। সে যখন এই মেয়েটির সঙ্গে রতিক্রিয়ায় রত হইল তখন স্টেজের দুইধারে অন্তত একশতজন যুবক-যুবতী জোড়ায় জোড়ায় অনুরূপভাবে রতিক্রিয়ায় রত হইল। সত্যি সত্যিই রতিক্রিয়া নয়। প্রত্যেকটি মেয়ের বুকের উপর এক-একটি যুবক শয়ন করিয়া রতিক্রিয়ার অনুকরণ দেখাইতে লাগিল।
আমাদের দেশে এমন দৃশ্য দেখাইলে দর্শকদের মধ্যে যে-প্রতিক্রিয়া হইত তা ভাবিলে আতঙ্কিত হইতে হয়। কিন্তু এখানকার দর্শক ও শ্রোতারা অভিনয় মঞ্চে শিল্পকলার অসামান্য নৈপুণ্য দেখিতে আসিয়াছে। রুচি-অরুচির কথা তাহারা চিন্তা করে না। তাহাদের পক্ষে অরুচি হয় রসভঙ্গে, অভিনয়ের অনৈপুণ্যে, আর বিষয়বস্তুর অসামঞ্জস্যতায়।"


জার্মানির তরুণ প্রজন্মের জীবনযাপনের ধরন নিয়ে তিনি সরাসরি প্রশ্ন করেছেন। এই প্রশ্নোত্তর পর্ব বেশ আকর্ষণীয়। লক্ষণীয় বিষয়, লেখক ভিন্ন সংস্কৃতির প্রতি পুরোমাত্রায় শ্রদ্ধাশীল এবং নিজস্ব ধারণা ও বিচার দিয়ে তিনি অন্যদের অহেতুক সমালোচনা করেননি। একটা অংশ এমন -


"বলো তো তোমরা যৌনকামনাকে কি মনে কর?"
“প্রকৃতির তাড়নায় আমরা যা কিছু করি আমাদের দেশের ছেলেমেয়েরা তা স্বাভাবিক বলিয়াই মনে করে। এখনকার হেলেনের জন্য কোনো ট্রয় নগর ধ্বংস হয় না। তবে একথা সত্য যার-তার সঙ্গে যৌনসম্পর্ক হয় না। দুজনের মধ্যে ভালোবাসা থাকা চাই। এই ভালোবাসা ভালোলাগা কোনো অর্থের বিনিময়ে হয় না।"


লেখক জার্মান নারীদের সৌন্দর্যের অকুণ্ঠ প্রশংসা করেছেন এবং তাদের সাথে কথা বলার সময়ও তা প্রকাশে কার্পণ্য করেননি। সেই প্রকাশ মার্জিত ও লালিত্যময়।
লেখকের ব্যক্তিত্বের এসব দিক কিন্তু তার কবিতায় সম্পূর্ণ অনুপস্থিত। কেন সে প্রশ্নটা রয়েই যাবে।
Profile Image for Aishu Rehman.
1,106 reviews1,084 followers
October 17, 2020
বইটি ভ্রমণ কাহিনী হিসেবে মনে দাগ কাটে নাই, কিন্তু সদ্য পরাধীনতা থেকে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি দেশের অন্যতম প্রধান কবি হিসেবে পশ্চিম জার্মানির বেশ অনেক জায়গা ভ্রমণের বর্ণনা নিঃসন্দেহে কৌতূহলদ্দীপক। সেই সাথে কবির কৌতূহলী মনের প্রকাশ আসলেই প্রশংসার দাবীদার যে কারণে তিনি যে কোন পেশায়, বয়সের মানুষের সাথে মিশতে আগ্রহ দেখিয়েছিলেন বিধায় এমন একটি রোজনামচা জাতীয় বই লিখতে পেরেছিলেন।
Profile Image for Yeasin Reza.
514 reviews89 followers
September 14, 2024
জসীম উদ্দীন বইটি লিখেছেন একদম শেষ বয়সে এসে। তিনি দীর্ঘ জীবনে অনেক কিছু দেখেছেন, তারপরও যে কিভাবে শৈশবের সারল্য আর মুগ্ধবোধ বজায় রাখতে পেরেছিলেন! ভেবে অবাক হতে হয়। জসীম উদ্দীমের গদ্য ট্র্যাডিশনাল স্টাইলের হলেও এতে পাঠককে আত্মভূত করার ক্ষমতা আছে।

সিনেমা আর অন্যান্য মাধ্যমে জার্মান দেশ থেকে সম্পর্কে আমার যে ধারণা জন্মেছিলো, তার থেকে এক ভিন্ন জার্মান দেশের সন্ধান পেলাম কবি জসীম উদ্দীনের বরাতে। অবশ্য কবি শুধু একতরফা মুগ্ধতা ই প্রকাশ করেছেন, যাকে বলে ক্রিটিক বা সমালোচনা তেমন করেননি। তবে পূর্ব আর পশ্চিম জার্মানীর মাঝে চলতে থাকা বিভেদ নিয়ে কবি উষ্মা প্রকাশ করেছেন। বইতে জার্মানদের লোকাচার, সঙ্গীত, সাহিত্য নিয়ে কবির গভীর কৌতূহল আর বিশ্লেষণ রয়েছে। একটা জিনিস আমায় খুব মুগ্ধ করেছে ; তিনি যেখানে যাচ্ছিলেন সেখানের সাধারণ মানুষদের সাথে মেশার চেষ্টা করেছেন। তিনি নিজে বিখ্যাত লোক হিসেবে জার্মানী তে গিয়েছেন, যেখানেই যাচ্ছিলেন সমাজের উঁচু স্তরের মানুষদের থেকে আতিথেয়তা পাচ্ছিলেন। কিন্তু তিনি মনে করেন কবি হিসেবে একটা জাতিকে সামগ্রিক বুঝতে হলে সেই দেশে সাধারণ মানুষদেন সুখ-দুঃখ, ভালোবাসা, বেদনার সাথে পরিচিত হতে হবে।

জসীম উদ্দীন চিন্তাভাবনায় যথেষ্ট আধুনিক ছিলেন। অবশ্য তাঁর কবিতায় আধুনিকতার প্রতিফলন ক্যান পরিলক্ষিত হয় নাই এটা নিয়ে হারুন ভাইয়ের রিভিউতে আক্ষেপ লক্ষ্য করলাম। যাইহোক নারীর রূপের প্রতি তাঁর কবিসুলভ মুগ্ধতার স্ট্রেটকাট বহিঃপ্রকাশ আমার ভালো লেগেছে। জসীম উদ্দীনের অন্যান্য গদ্য রচনা পড়বার আগ্রহবোধ করছি।
Profile Image for Nusrat Faizah.
99 reviews37 followers
August 3, 2023
জার্মানি বিভক্ত হওয়ার পর ১৯৭২ সালে লেখকের পশ্চিম জার্মানি ভ্রমণের গল্প।সুনীলের ইতিহাসের স্বপ্নভঙ্গ(আমার অন্যতম প্রিয় বই) পড়ে জার্মানি একত্র হওয়ার পরের সময়ের ধারণা পাওয়া যায় আর এই বইটা পড়ে বিভক্ত জার্মানির।

এছাড়া আছে পল্লীকবির পরিবার,নাতিদের প্রতি স্নেহ,অপেরা দেখতে যাওয়া,লেখক সম্মেলন,মিউজিয়াম ঘুরে দেখা,মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ইত্যাদি নিয়ে লেখা।

পল্লীকবির দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষে ধ্বংসস্তুপে পরিণত হওয়া জার্মানির ঘুরে দাঁড়ানোর খবর মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী বাংলাদেশের মানুষকে জানানোর তাগাদা অনুভব করার কথা ফুটে উঠেছে বইয়ে।
Profile Image for Nafisa Awal.
34 reviews10 followers
October 23, 2021
দুই জার্মানী বিচ্ছিন্ন থাকাকালীন সময়ে কবির সহজ সরল বর্ণনা। আমি সুনীলের ইতিহাসের স্বপ্নভঙ্গ পড়ে জার্মানীর এক হবার পরের অবস্থা সম্পর্কে অবগত ছিলাম তবে, দ্বিখণ্ডিত থাকাকালীন অবস্থা সম্পর্কে ভালো জানতাম না।
অনেক সরল বর্ণনা এবং সহজপাঠ্য।
Profile Image for প্রিয়াক্ষী ঘোষ.
364 reviews34 followers
November 5, 2021
অনেক দেশ ঘুরেছেন, সে দেশের নামি-দামি সব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পেয়েছেন বড় বড় সব উপাধি কিন্তু আদর করে দেশবাসীর দেওয়া " পল্লীকবি " উপাধিটা তিনি ভাবোবেসে নিজের নামের সাথে জুড়ে দিয়ে সবার কাছে হয়ে রইলেন পল্লীকবি জসীম উদ্ দীন।

১৯৭২ সালে ন্যাশনালী নামে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কবিকে জার্মানীতে ঘুরতে যাওয়ার সুযোগ করে দেন। সেই সময়ে কবির দুই ছেলে সেখানে পড়ালেখা করতেন, তাছাড়া কবির দুই নাতী ও ছেলের বৌ জার্মানীতেই থাকতেন। তাদের জন্য মনে আকুলি ব্যাকুলির জন্য তিনি এ সুযোগটা সাদরে নিয়ে রওনা দিলেন।

তবে সেখানে গিয়ে তিনি অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি থাকেন বেশ কিছু দিন�� নিজের ছেলে ও নাতীদের সাথে বেশ কিছু দিন থেকে তিনি জার্মানীর সমুদ্রতীর, বাজার, বার্লিন শহর ঘুরে দেখেন। সেখানকার লেখক সংঘের সাথে অধিবেশন ছাড়াও বেশ কিছু বক্তৃতা দেন তিনি। সে দেশের বিশিষ্টজনের সাথে দেখা করা ছাড়াও সেখানকার লোকসংস্কৃতি র সাথে যেমন পরিচিত হয়েছেন তেমনি নিজেদের লোকসংস্কৃতি সেখানে উপস্থাপন করেছেন।

এটা একটা ভ্রমণকাহিনী তবে মোটেই গতানুগতিক ভ্রমণ কাহিনি নয়। বইটা পড়ে মনে হলো লেখক নিজের মতকরে গল্প বলে গেলেন আর আমি শুনে নিলাম। বর্ণনার আধিক্য নাই নাই ঘটনার বাহুল্যতা, কি পরিপাটি সুন্দর গোছানো এক ভ্রমনের বর্ণনা। যেখানে অন্য দেশের বর্ণনা করতে গিয়ে বার বারও উঠে এসেছে নিজের দেশের কথা, দেশের লোকের কথা। একটা বই কেমনে মন হরণ করে নেয়। চমৎকার একটা বই তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
Profile Image for Noshin.
51 reviews
February 28, 2019
বাঙালি বিদেশে গিয়ে যাই দেখবে তাই ভালো লাগবে এবং সব সাদা চামড়া মাত্রই সুন্দরী মহিলা- এই দুইটা জিনিস শিখলাম। প্রথমে বিরক্ত লাগলেও সব ছাপিয়ে পল্লিকবির সরলতাই সবচেয়ে ভালো লেগেছে,আর কিছু না।
Profile Image for Ayesha Siddiqua.
87 reviews44 followers
March 5, 2025
"আমার 'বাংলাদেশ' ব্রহ্মদেশ আর ভারতের মাঝখানে বিস্তৃত এক সমতল ভূমি। এক স্থান হইতে জল গড়াইয়া সমস্ত দেশে ছড়াইয়া পড়ে। তেমনি এদেশে আসে মাঝে মাঝে প্রাণের বন্যা, ভালোবাসার বন্যা। সিলেট জেলার শাহ্ জালালের দরগাহ হইতে আরম্ভ করিয়া মাইজ মান্ডার, নুরেল্লাপুর, সুরেশ্বর প্রভৃতি স্থান হইতে প্রাণের বন্যা, ভালোবাসার বন্যা উত্থিত হইয়া কালে কালে সমস্ত দেশকে প্লাবিত করিয়াছে। সেইসঙ্গে কত কেচ্ছা, কত কাহিনী, কত কথা আর কত সুর। পাখির গানের মতো সুরে সুরে তা বাঙালির ঘরে ঘরে ছড়াইয়া পড়িয়া এক অপরকে ভালোবাসিতে শিখাইছে। এই নদীরেখাপরিবৃত দেশটি যেন এক অপূর্ব বীণ-যন্ত্র। এই আঁকাবাঁকা জলপথের রুপালি তারে কোমল অঙ্গুলি ছোঁয়াইয়া কোনো অদৃশত সুরকার এদেশের মর্ম কথাটি সুরে সুরে আকাশে বাতাসে ছড়াইয়া দিতেছে।"

পল্লীকবির জার্মানীর এক বেতারে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এই কথাগুলোই ভীষণ মনকে নাড়িয়ে দেয় এই বইয়ে! দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে এই বইটি আছে আমার সাথে। একবার বাসা থেকে হলে ফিরে দেখি, পুরো ব্লক ভূতুড়ে প্রায়,কেউ নেই! শুধুই একা। এই বইটিকে নিয়েই চলে এলাম নিচে আরেকজনের রুমে! ভীষণ অস্থির সময়,ঘুম নেই,কিছু নেই, এই বইটিই হৃদয়ে দিয়েছিলো এক অদ্ভুত আনন্দ, প্রশান্তি। বইয়ের শুরুতে নানা হিসেবে দুই নাতি আমিন ও আরিফ আনোয়ারের প্রতি কবির যে মমত্ব,ভালোবাসা, বিষাদ; তা যেন আমার ছোটবেলাকেই মনে করিয়ে দেয়! ছোটবেলার নানা নানির প্রগাঢ় মায়ামাখানো সেই দিনগুলো আর এই বইয়ের কিছু পাতা মিলেমিশে চোখে পানি এনে দেয়!

জার্মানী, অন্যতম প্রিয় দেশ। কেন এই দেশ নিয়ে নানা লেখা আমাকেও এতো টানে জানিনা নিজেও। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের পরপরই কবি গেলেন সেই দেশে, প্রতিটি অভিজ্ঞতা, ঘুরে বেড়ানো, সরল ভাষায় কি চমৎকারই না বর্ণনা করেছেন! সেই সাথে জার্মানীর থেকে আমাদের কত কিছু যে শেখার আছে তা বলে গেছেন অকপটে। কবি আকুতি রেখেছেন কেউ একজন নিজে থেকে এগিয়ে আসবে যে বাংলা লোকগীতি নিয়ে ভাববে, সেগুলো বাঁচিয়ে রাখবে। শিক্ষা, শিল্প, সুর, সাহিত্য, সঙ্গীতে আমাদের দেশও এগিয়ে থাকবে একদিন।

পল্লীকবি যখন ভ্রমণে গিয়েছিলেন পূর্ব জার্মানী, পশ্চিম জার্মানী তখনও বিচ্ছিন্ন। সাধারণ মানুষের জীবনযাপন, বার্লিন অপেরা, আল্পস পর্বতমালা, হাইডেলবার্গ কিংবা গ্যেটের ফ্রাঙ্কফুর্ট ভ্রমণের কবির অভিজ্ঞতা লিখে গেছেন অত্যন্ত সহজ ভাষায়!

পল্লীকবি এজন্যেই প্রিয়।
Profile Image for Payel Nusrat.
89 reviews17 followers
September 22, 2020
জার্মানীর শহরে বন্দরে-জসীমউদদীন
১৯৭২ সালে জার্মানীর ন্যাশনালি বিশ্ববিদ্যালয়ের আমন্ত্রণে কবি পশ্চিম জার্মানী সফরে যান,সেই সফরের উপর ভিত্তি করেই পরবর্তীতে এই বইটি লেখেন।জার্মানীতে তখন কবির দুই ছেলে এবং তাদের সন্তান-পরিবার থাকতেন,তাই এই সফরটি কবির জন্য শুধু সম্মাননা সফর নয়,ছিলো প্রাণের টানে যাত্রা।তাই আল্পস পর্বতমালার উপর দিয়ে উড়োজাহাজে উড়ে কবি প্রথমেই গেলেন কিল শহরে যেখানে তার সন্তানরা আছেন।সেখানে গিয়ে কবির অ্যাপেন্ডিসাইটিস ধরা পড়ে এবং অপারেশন হয়।সুস্থ হয়ে এরপর সফর করেন বার্লিন,মিউনিক,ব্যাভেরিয়া,অস্ট্রিয়া,উত্তর ও দক্ষিণ কৃষ্ণবন,ফ্লায়ারবার্গ,হাইডেলবার্গ,ফ্রাঙ্কফোর্ড,বন শহরে।প্রত্যেক শহরে তিনি অপেরা,নাটক,লোকসংগীত,বিশ্ববিদ্যালয় দর্শন করেন এবং অতিথি বক্তা হিসাবে বক্তব্য রাখেন কিন্তু তাও সফরের ব্যাপারে তার আক্ষেপ ছিলো যে কোনো দেশকে জানার সর্বোত্তম উপায় হচ্ছে সেখানকার গ্রামের তৃণমূল পর্যায়েত লোকের সাথে মিশে যাওয়া যেটা করার সুযোগ তিনি পাননি।এছাড়াও বইয়ের অনেকখানি অংশ জুড়ে জার্মানীর চিকিৎসা-সমাজ-শিক্ষা-লোকশিল্প-সংগীত-বাজনা বিভিন্ন ব্যবস্থার কোন কোন অংশ বাংলাদেশের জন্য অনুকরণীয় সে ব্যাপারে বিশদ মতামত দিয়েছেন (যদিও আমার মনে হয়েছে এই আক্ষেপমিশ্রিত তুলনাগুলো অমূলক কারণ যে দেশে মানুষের নুন আনতে পান্তা ফুরায় সেখানে পূর্ণিমার চাঁদ তথা সঠিক নিয়মে শিল্পচর্চা বেশিরভাগ মানুষের জন্য ঝলসানো রুটি)।আর যাত্রাপথে প্রচুর মানুষের সাথে তিনি মিশেছেন,অনেক সুন্দরী নার্স,গাইড,হোস্ট,ছাত্রীর সঙ্গ পেয়েছেন,বইয়ের অনেকখানি অংশ জুড়ে তাদের রূপের স্তুতি আছে।মোটামুটি জার্মান সংস্কৃতি এবং অনেকগুলো শহর সম্পর্কে ভালো ধারণা পাওয়া যাবে বইটি পড়লে এবং যেহেতু লেখক স্বয়ং পল্লীকবি,প্রকৃতির রূপ-রসও নিপুণভাবে বর্ণিত এবং সহজপাঠ্য।
Profile Image for Saima  Taher  Shovon.
527 reviews197 followers
October 16, 2021
অনেক আশা নিয়ে বইটা ধরেছিলাম বলেই বোধকরি এতো আশাহত মনে হচ্ছে।
Displaying 1 - 11 of 11 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.