What do you think?


রিক্তের বেদন
রিক্তের বেদন কাজী নজরুল ইসলামের রচিত একটি গল্পগ্রন্থ। মোট ৮টি গল্প নিয়ে ১৯২৪ খ্রিষ্টাব্দের ফেব্রুয়ারিতে প্রথম প্রকাশিত হয় এই গ্রন্থ। প্রকাশকঃ ওরিয়েন্টাল প্রিন্টার্স এন্ড পাবলিশার্স লিমিটেড, কলিকাতা।
গল্পের তালিকা
রিক্তের বেদন
বাউন্ডেলের আত্ম-কাহিনী
মেহের নেগার
সাঁঝের তারা
রাক্ষুসী
সালেক
স্বামী-হারা
দুরন্ত পথিক
গল্পের তালিকা
রিক্তের বেদন
বাউন্ডেলের আত্ম-কাহিনী
মেহের নেগার
সাঁঝের তারা
রাক্ষুসী
সালেক
স্বামী-হারা
দুরন্ত পথিক
- GenresFictionShort Stories
72 pages, Hardcover
First published February 1, 1924
About the author
Kazi Nazrul Islam
162 books288 followersKazi Nazrul Islam (Bengali: কাজী নজরুল ইসলাম) was a Bengali poet, musician and revolutionary who pioneered poetic works espousing intense spiritual rebellion against fascism and oppression. His poetry and nationalist activism earned him the popular title of Bidrohi Kobi (Rebel Poet). Accomplishing a large body of acclaimed works through his life, Nazrul is officially recognised as the national poet of Bangladesh and commemorated in India.
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 8 of 8 reviews
July 4, 2022
এ যেন আমাদের চিরপরিচিত ‘বিদ্রোহী রনক্লান্ত’ নজরুলের খোলসে অন্যকেউ, শক্ত আবরণের ভেতরের লুক্কায়িত প্রেমময় নজরুল। আটটি ভিন্ন গল্প যার মূল সুর এক - ভালোবাসা এবং ভালোবেসে সব হারানোর বেদনা, নজরুলের ভাষায় 'রিক্তের বেদন’। সেই বেদনা কখনো প্রকাশ পেয়েছে স্বামীহারা নারীর কন্ঠে, কখনো স্বামী খুন করা রাক্ষসীর বিলাপে। কখনো রিক্ত হয়েছি প্রেমিকা হারানো অবোধ গায়ক য়ূসোফের কান্নায়, কখনো স্ত্রী হারানো মাতাল বাউণ্ডুলের আফসোসে। মেঘের কোলে লুটিয়ে পড়া পানসে জ্যোৎস্নার রাতে যখন 'আশেকের’ হাতে মাশুকের মরণ হয় সে যেন মস্ত বড় শেলের মতো বেধে পাঠকের বুকে। বই ছাপিয়ে সেই হাহাকার এসরাজের ঝঙ্কারের মতো ছড়িয়ে পড়ে পাঠকের আত্মায়। দগ্ধ হৃদয়ের যখন ছটফটানিতে বেজে ওঠে-
ফারাকে জাঁনা মে হামনে সাকী লোহু পিয়া হেয় শারাব করকে
তপে আলমূনে জিগর কো ভূনা উয়ো হামনে খায়া কাবাব করকে
(প্রিয়তমের বিচ্ছেদে আমার নিজের খুনকে শরাবের মত ক’রে পান করেছি
আর ব্যাথার তাপে আমার হৃৎপিণ্ডটাকে পুড়িয়ে কাবাব ক’রে খেয়েছি)
তখন পাঠকের কি একবারো মনেহয় না যে এ যেন আমারই প্রেমের অনুভূতি? রিক্ত পাঠকের কি একবারো মনেহয় না এই বেদনা যেন আর কারো জীবনে না আসে?
ফারাকে জাঁনা মে হামনে সাকী লোহু পিয়া হেয় শারাব করকে
তপে আলমূনে জিগর কো ভূনা উয়ো হামনে খায়া কাবাব করকে
(প্রিয়তমের বিচ্ছেদে আমার নিজের খুনকে শরাবের মত ক’রে পান করেছি
আর ব্যাথার তাপে আমার হৃৎপিণ্ডটাকে পুড়িয়ে কাবাব ক’রে খেয়েছি)
তখন পাঠকের কি একবারো মনেহয় না যে এ যেন আমারই প্রেমের অনুভূতি? রিক্ত পাঠকের কি একবারো মনেহয় না এই বেদনা যেন আর কারো জীবনে না আসে?
March 9, 2023
"রিক্তের বেদন" কাজী নজরুল ইসলামের নান্দনিক গল্পগ্রন্থ। প্রতিটি গল্প বিষয় বস্তু তিনি প্রেম-ভালোবাসা, দুঃখ দিয়ে আদ্র করেছেন। না পাওয়া কিংবা ভালোবাসার বেদনা পাথরের ন্যায় কতটা শক্ত করতে পারে তার ভিন্ন চিত্র তিনি এঁকেছেন। প্রতিটি চরিত্র নিজেদের মাঝে ভেঙে পড়া মাস্তুল। নিজের গহ্বরে আটকে থাকা ক্রোধ, না বলা প্রিয়ার সৌরভ বিচ্ছিন্নতা বিশেষ করে ফুঁটে উঠে। দেবতা শুধু মানুষের মাঝে বাস করে না, মানুষই যে দেবতার মতো প্রতিটি বাক্যে গুঞ্জরিত হয়েছে তার গল্পে।
মাতৃভূমির প্রতি প্রেম যেন মানুষকে সৈনিক করে তুলে। "রিক্তের বেদন" গল্পে তিনি যুদ্ধে পাঠানো সন্তান হারা মায়েদের বলেছেন দেবী। কেউ হয়তো দশ হাজার টাকা দান করে তাকে ত্যাগ বলে না ,দান বলে। সে নিজেকে রিক্ত করে সর্বস্ব বিলিয়ে দিতে না পারল, সে তো ত্যাগী নয়। মায়েদের এই ত্যাগ উঁচু পাহাড়ের মতো কেউ ছুঁতে পারবে না। তাদের এই গোপন বরেণ্য ত্যাগের মহিমা কবি লিখেছেন রিক্তের বেদন। দেশের জন্য ত্যাগ করাই জীবনের মূল দর্শন হওয়া উচিত সকল মানুষের। ঘরের ভিতর থেকে বাহির হতে তিনি আদেশ করেছে। তিনি বলেন,
আচ্ছা মা! তুমি বি এ পাশ করা ছেলের জননী হতে চাও, না বীর মাতা হতে চাও?
এই প্রশ্ন তিনি সকল মায়েদের উদ্দেশ্য করে বলেছেন। মরণকে মাথায় রেখে বরমাল্য পড়তে বলেছেন তিনি। "মেহের নেগার, সাঁঝের তারা, রাক্ষসী " গল্পে তিনি প্রেম বিরহ কতটা ক্ষত করে মানুষের মাঝে তা তুলে ধরেছেন। "স্বামীহারা" গল্পে তিনি আশ্চর্যজনক ইতিবৃত্ত বলেছেন। মানুষে। মাঝে দেবতার বাস তিনি দেখিয়েছেন। নিজের জীবন সর্বস্ব দান করে একটা মানুষ দেবতা হতে পারে কী ভাবে আমরা তা দেখি এবং সমাজের নিষ্ঠুর জাত প্রথা কীভাবে নারীর জীবন ধ্বংস করে তার বাস্তব চিত্র ফুঁটে উঠেছে।
সব সুন্দর হলেও জীবন দর্শন নেয়। তিনি যা উপলব্ধি করেছেন, তার চির তারুণ্য মানুষ উপলব্ধি করবে না।
মাতৃভূমির প্রতি প্রেম যেন মানুষকে সৈনিক করে তুলে। "রিক্তের বেদন" গল্পে তিনি যুদ্ধে পাঠানো সন্তান হারা মায়েদের বলেছেন দেবী। কেউ হয়তো দশ হাজার টাকা দান করে তাকে ত্যাগ বলে না ,দান বলে। সে নিজেকে রিক্ত করে সর্বস্ব বিলিয়ে দিতে না পারল, সে তো ত্যাগী নয়। মায়েদের এই ত্যাগ উঁচু পাহাড়ের মতো কেউ ছুঁতে পারবে না। তাদের এই গোপন বরেণ্য ত্যাগের মহিমা কবি লিখেছেন রিক্তের বেদন। দেশের জন্য ত্যাগ করাই জীবনের মূল দর্শন হওয়া উচিত সকল মানুষের। ঘরের ভিতর থেকে বাহির হতে তিনি আদেশ করেছে। তিনি বলেন,
আচ্ছা মা! তুমি বি এ পাশ করা ছেলের জননী হতে চাও, না বীর মাতা হতে চাও?
এই প্রশ্ন তিনি সকল মায়েদের উদ্দেশ্য করে বলেছেন। মরণকে মাথায় রেখে বরমাল্য পড়তে বলেছেন তিনি। "মেহের নেগার, সাঁঝের তারা, রাক্ষসী " গল্পে তিনি প্রেম বিরহ কতটা ক্ষত করে মানুষের মাঝে তা তুলে ধরেছেন। "স্বামীহারা" গল্পে তিনি আশ্চর্যজনক ইতিবৃত্ত বলেছেন। মানুষে। মাঝে দেবতার বাস তিনি দেখিয়েছেন। নিজের জীবন সর্বস্ব দান করে একটা মানুষ দেবতা হতে পারে কী ভাবে আমরা তা দেখি এবং সমাজের নিষ্ঠুর জাত প্রথা কীভাবে নারীর জীবন ধ্বংস করে তার বাস্তব চিত্র ফুঁটে উঠেছে।
সব সুন্দর হলেও জীবন দর্শন নেয়। তিনি যা উপলব্ধি করেছেন, তার চির তারুণ্য মানুষ উপলব্ধি করবে না।
December 7, 2016
ভাষার গাঁথুনির সাথে মনের তরঙ্গ মিলিয়ে ফেলতেই পারলেই শেষ করার পর সত্যিকারের তৃপ্তি আসবে একটা।
July 29, 2023
৮ টি গল্পের সমাহার "রিক্তের বেদন"। চারটি গল্প মন ছুঁয়ে গেছে বলা যায়।
মেহের নেগার
আর
সাঁঝের তারা
গল্পতে প্রেমের এক অনন্য রূপ প্রত্যক্ষ কর যায়।
রাক্ষুসী গল্প
একদিকে যেমন সমাজে নারীর অবস্থানের কথা বলে, অন্যদিকে সাম্যের কথা বলে যায়। সব মিলিয়ে ভালো ছিল।ইতোপূর্বে গল্পগ্রন্থ খুব বেশি পড়া হয়নি বলে তুলনা করে বলতে পারছি না।
হ্যাপি রিডিং🖤
হ্যাপি রিডিং🖤
June 21, 2020
দুর্দান্ত কয়েকটা গল্পের সঙ্কলন। এই বইটা নজরুলের প্রথম দিককার বই কেননা, যে গল্পগুলো আছে তা পুরনো যেমনঃ 'বাউন্ডেলের আত্মকাহিনী' নজরুলের প্রথম প্রকাশিত রচনা যা প্রকাশ হয় ১৯১৯ সালে 'সওগাত' পত্রিকায়।
April 12, 2021
বইটি আপনাকে অন্য এক নজরুলের সাথে পরিচয় করিয়ে দিবে। প্রেমের নজরুল। প্রতিটি গল্পেই যেন হৃদয়য়ের রক্ত ক্ষরণ। প্রিয়জনকে না পাওয়া হৃদয়য়ের আহাকার। ব্যথাতুর হৃদয়, যেন রিক্তের বেদনা।।
December 29, 2023
এই গল্পগুলা আমার হৃদয়কে অনেক গভীরভাবে স্পর্শ করেছে।
কথাসাহিত্যিক নজরুলকে নিয়ে অতটা আলোচনা হয় না, যতটা হওয়ার দাবি রাখে।
কথাসাহিত্যিক নজরুলকে নিয়ে অতটা আলোচনা হয় না, যতটা হওয়ার দাবি রাখে।
Displaying 1 - 8 of 8 reviews








