Jump to ratings and reviews
Rate this book

মহাকর্ষ তরঙ্গ-কণার সন্ধান

Rate this book

80 pages, Hardcover

First published February 1, 2015

1 person is currently reading
53 people want to read

About the author

Abdul Gaffar

15 books16 followers

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
4 (40%)
4 stars
4 (40%)
3 stars
1 (10%)
2 stars
0 (0%)
1 star
1 (10%)
Displaying 1 of 1 review
Profile Image for Kamruzzaman  Emon.
10 reviews
March 10, 2015
আমাদের মহাবিশ্বকে বুঝতে হলে, ব্যাখ্যা করতে হলে সবথেকে বেশি প্রয়োজন হল পদার্থবিদ্যা। এই পদার্থবিদ্যাই মহাবিশ্বকে সবথেকে সুন্দর ভাবে বিশ্লেষণ আর ভবিষ্যৎবাণী করতে পারে। যদি জিজ্ঞাস করা হয় পদার্থবিদ্যার ভিত্তি কি? তাহলে প্রথমেই মনে আসে থিওরি অফ রিলেটিভিটি আর কোয়ান্টাম মেকানিক্স এর কথা। এই দুটো থিওরিই মহাবিশ্বকে সব থেকে সুন্দর ভাবে ব্যাখ্যা করতে পারে।
আব্দুল গাফফার রনি ভাইয়ের ‘মহাকর্ষ তরঙ্গ-কণার সন্ধানে’ বইটাতে উপরোক্ত দুইটি বিষয়ে অনেক সহজ ভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। নিউটনের মাথায় আপেল পড়ার গল্প থেকে শুরু করে বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রার গল্প, বিভিন্ন বিজ্ঞানীর নোবেল প্রাইজ পাওয়ার কাহিনী, বহু তত্ত্বের আবিস্কারের বর্ণনা করে শেষে সমকালীন আবিস্কার ‘স্ট্রিং থিওরির’ বিস্তারিত বিবরণের মাধ্যমে বইটা শেষ করা হয়েছে।
আমাদের মহাবিশ্ব কিভাবে কাজ করে? মৌলিক বলগুলো কোথা থেকে এল? এদের আচরন কেমন? এদের কিভাবে একীভূত করতে চাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা? কেনইবা একীভূত তত্ত্বের দরকার? স্ট্রিং থিওরিই বা আসলে কি? এসব প্রশ্নের অত্যন্ত সুন্দর কিন্তু সহজভাবে উত্তর দেয়া হয়েছে বইটিতে।
নিউটনের মহাকর্ষ তত্ত্বের সাথে আইনস্টাইনের মহাকর্ষ তত্ত্বের বিরোধ কোথায় আর মহাকর্ষ তরঙ্গের বিস্তারিত বিবরণ রয়েছে এই বইতে। নিউটনের সেই মহাকর্ষ বল আবিস্কার থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত কিভাবে ধাপে ধাপে বিজ্ঞানের উন্নতি হয়েছে আর কিভাবে পরিমার্জিত হয়েছে আমাদের জানাশোনা তত্ত্বগুলো তার উল্লেখ রয়েছে এখানে। মহাকর্ষ বলের সীমা কতদূর পর্যন্ত বিস্তৃত আর এই বল কিভাবে কাজ করে সেই সম্পর্কে সুন্দরভাবে বলা হয়েছে উক্ত বইতে। নিউক্লিয় বল তড়িৎ চৌম্বক বল একীভূত করা হল কিভাবে তা জানা যাবে এই বইয়ে।
আইনস্টাইন কিভাবে তার রিলেটিভিটি তত্ত্ব উপস্থাপন করলেন আর এর প্রমান কিভাবে হল সেই গল্পের বর্ণনা রয়েছে এখানে। তাছাড়া দ্বিমাত্রিক জ্যামিতি আর ত্রিমাতৃক জ্যামিতির মাধ্যমে কিভাবে আপেক্ষিক তত্ত্ব প্রমান করা যায় আর সেটা কিভাবে কাজ করে সেটা অত্যন্ত সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। ভর কিভাবে কাজ করে আর কিভাবে এইটা অন্য কনাদের সাথে মিথস্ক্রিয়া করে সেই ব্যাপারে বলা হয়েছে বইতে।
মহাবিশ্বের বক্রতা, স্থান কালের মাত্রা, মৌলিক কনার স্পিন, সম্প্রসারিত মহাবিশ্বের প্রমান, নিউট্রন তারার অস্তিত্ব, গ্রাভিটন কনার পেছনে বিজ্ঞানীদের ছোটা এসব জটিল বিষয়গুলোকে লেখক অত্যন্ত সহজভাবে উপস্থাপন করেছেন এই বইতে।
মূলত লেখক অত্যন্ত নৈপুণ্যতার সাথে পদার্থ বিজ্ঞানের অনেক জটিল বিষয়গুলো কোন প্রকার গনিত ছাড়াই স্পস্টভাবে ব্যাখ্যা করতে সক্ষম হয়েছেন। সর্বশেষে প্রায় সবকিছুর তত্ত্ব স্ট্রিং তত্ত্বের ব্যাপারে খুবই সুন্দরভাবে বর্ণনা করেছেন। এই বইটি নিঃসন্দেহে তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের প্রতি কিশোর-কিশোরিদের আগ্রহ বাড়াতে সাহায্য করবে। তারা একেবারে শুরু থেকে বর্তমান পর্যন্ত জানতে পারবে এই বইটা পড়ে। এই বইয়ের সবথেকে আশ্চর্যের বিষয় হল বইয়ের ভাষা আর বর্ণনাভঙ্গি। একেবারে সাধারন মানুষ যার বিজ্ঞানে একেবারে প্রায় কিছুই জানা নেই সেও বইটা পড়ে বুঝতে পারবে বইয়ে উল্লখিত বিষয়গুলো।
সবশেষে একটা কথা বলতেই হয় যে, আমি অনেক কম বই পড়েছি তবুও এ পর্যন্ত যতগুলো বই পড়েছি তার মধ্যে পদার্থবিজ্ঞানের উপর বাংলা ভাষায় পড়া সবথেকে ভালো বই এটা। কারন এই ছোট বইটাতে অত্যন্ত ক্ষুদ্র পরিসরে ব্যাপক তথ্যের ভান্ডার রয়েছে। আশা করি এই বইটা পদার্থবিজ্ঞানের প্রতি সকলের কৌতূহল জাগাতে সক্ষম হবে।
Displaying 1 of 1 review

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.