Jump to ratings and reviews
Rate this book

ঢাকা সমগ্র ১

Rate this book
ঢাকার ইতিহাস চর্চার সঙ্গে ড. মুনতাসীর মামুনের নাম অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। গত দু’দশকে তাঁর নিরলস চেষ্টায় ঢাকার ইতিহাস আক্ষরিক অর্থে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে, ঢাকা নিয়ে গবেষণার অনুপ্রেরণা যুগিয়েছেন অনেক। শুধু তাই নয়, ঢাকার ইতিহাস চর্চার প্রাতিষ্ঠারনিক রূপ দিয়েছেন ঢাকা নগর জাদুঘর স্থাপন করে ।
ঢাকা সমগ্র-এর প্রথম খণ্ডে সংকলিত হয়েছে ড. মামুনের গ্রন্থ। সেগুলো হলো হৃদয়নাথের ঢাকা শহর (১৯৮৫), স্মৃতিময় ঢাকা (১৯৮৯), পুরানো ঢাকা : উৎসব ও ঘরবাড়ি (১৯৮৯) কর্নেল ডেভিডসন যখন ঢাকায় (১৯৯০) এবং ঢাকার হারিয়ে যাওয়া কামান ।

368 pages, Hardcover

First published December 1, 1995

3 people are currently reading
65 people want to read

About the author

Muntassir Mamoon

272 books42 followers
Muntassir Mamoon (Bangla: মুনতাসীর মামুন) is a Bangladeshi author, historian, scholar, translator and professor of University of Dhaka. He earned his M.A. and PhD degree from University of Dhaka.
Literary works

Mamoon mainly worked on the historical city of Dhaka. He wrote several books about this city, took part in movements to protect Dhaka. Among his historical works on 1971 is his Sei Sob Pakistani, in which many interviews with leading Pakistanis was published. Most of them were the leading Pakistani characters during the liberation war of Bangladesh.

জন্ম এবং পরিবার
মুনতাসীর মামুনের জন্ম ১৯৫১ সালের ২৪ মে ঢাকার ইসলামপুরে নানার বাড়িতে। তাঁর গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলার গুলবাহার গ্রামে। তাঁর বাবার নাম মিসবাহউদ্দিন এবং মায়ের নাম জাহানারা খান। পিতামাতার তিন পুত্রের মধ্যে তিনি জ্যেষ্ঠ। তিনি ১৯৭৫ সালে বিয়ে করেন। তার স্ত্রী ফাতেমা মামুন একজন ব্যাংকার। মুনতাসির মামুনের দুই ছেলে মিসবাহউদ্দিন মুনতাসীর ও নাবীল মুনতাসীর এবং কন্যা রয়া মুনতাসীর।

কর্মজীবন
বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়ই দৈনিক বাংলা/বিচিত্রায় সাংবাদিক হিসেবে যোগ দেন মুনতাসীর মামুন। ১৯৭৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগে অধ্যাপক পদে কর্মরত আছেন। এর পাশাপাশি ঢাকা শহরের অতীত ইতিহাস নিয়ে তিনি গবেষণা করেছেন। এছাড়া তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের 'মুক্তিযুদ্ধ বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ গবেষণা ইন্সটিটিউটে' সন্মানিক প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হিসেবে ১৯৯৯-২০০২ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। কৈশর থেকে লেখালেখির সাথে জড়িত হয়ে ১৯৬৩ সালে পাকিস্তানে বাংলা ভাষায় সেরা শিশু লেখক হিসেবে প্রেসিডেন্ট পুরস্কার লাভ করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেয়ার পর অনুবাদ, চিত্র সমালোচনা ও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে রচনা করেন অনেক বই। তাঁর লেখালেখি ও গবেষনার বিষয় উনিশ, বিশ ও একুশ শতকের পূর্ববঙ্গ বা বাংলাদেশ ও ঢাকা শহর।

সাংগঠনিক কর্মকান্ড
স্বাধীন বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত ডাকসুর প্রথম নির্বাচনে মুনতাসীর মামুন ছিলেন সম্পাদক। একই সময়ে তিনি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাংস্কৃতিক সংসদের সভাপতি। ডাকসুর মুখপত্র "ছাত্রবার্তা" প্রথম প্রকাশিত হয় তাঁর সম্পাদনায়। তিনি বাংলাদেশ লেখক ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও যথাক্রমে প্রথম যুগ্ম আহ্ববায়ক ও যুগ্ম সম্পাদক। তিনি জাতীয় জাদুঘরের ট্রাস্টি বোর্ড ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী এবং জাতীয় আর্কাইভসের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ছিলেন। ঢাকা নগর জাদুঘরের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা তিনি। ঢাকার ইতিহাস চর্চার জ্য তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন সেন্টার ফর ঢাকা ষ্টাডিজ (ঢাকা চর্চা কেন্দ্র)। এ কেন্দ্র থেকে ঢাকা ওপর ধারাবাহিক ভাবে ১২টি গবেষণামূলক গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছিল। তিনি বাংলা একাডেমীর একজন ফেলো এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিল ও সিনেটের নির্বাচিত সদস্য হয়েছেন কয়েকবার। '৭১-এর ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির তিনি একজন প্রতিষ্ঠাতা ও সক্রিয় সদস্য। তিনি এবং তাঁর স্ত্রী ফাতেমা মামুন প্রতিষ্ঠা করেছেন মুনতাসীর মামুন-ফাতেমা মামুন ট্রাস্ট। এ ট্রাস্ট গরিব শিক্ষার্থী ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারদের নিয়মিত সাহায্য করছে।

সাহিত্য কর্ম
মুনতাসীর মামুনের প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা ২২০+। গল্প, কিশোর সাহিত্য, প্রবন্ধ, গবেষনা, চিত্র সমালোচনা, অনুবাদ সাহিত্যের প্রায় সব ক্ষেত্রেই মুনতাসীর মামুনের বিচরণ থাকলেও ইতিহাসই তার প্রধান কর্মক্ষেত্র। ।


পুরস্কার
বাংলা একাডেমী পুরস্কার, লেখক শিবির পুরস্কার, সিটি আনন্দ আলো পুরস্কার, একুশে পদক, নূরুল কাদের ফাউন্ডেশন পুরস্কার, হাকিম হাবিবুর রহমান ফাউন্ডেশন স্বর্ণপদক পুরস্কার, ইতিহাস পরিষদ পুরস্কা, অগ্রণী ব্যাংক পুরস্কার, অলক্ত স্বর্ণপদক পুরস্কার, ডঃ হিলালী স্বর্ণপদক, প্রেসিডেন্ট পুরস্কার (১৯৬৩), মার্কেন্টাইল ব্যাংক স্বর্ণপদক, এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নিউ অর্লিয়েন্স শহর তাঁকে 'অনারেবল ইন্টারন্যাশনাল অনারারী সিটিজেনশিপ' প্রদান করে।

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
5 (26%)
4 stars
12 (63%)
3 stars
2 (10%)
2 stars
0 (0%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 2 of 2 reviews
40 reviews3 followers
May 17, 2017
চমৎকার বই। ইতিহাসের বই, অথচ এমন নেশা লেগে গেলো যে আগের রাতে শুরু করে পরের রাতের ভেতর ৩৭২ পাতার বইটা খতম। মুনতাসির মামুনের লেখনীর প্রশংসা করতেই হবে। ঘেঁটে ঘেঁটে এত তথ্য তিনি জোগাড় করেছেন, পর্যাপ্ত রেফারেন্স সহ এতো চমৎকার ভাষায় তা আবার লিপিবদ্ধ করেছেন, এইটা তো সহজ কথা না। কিছু প্রবন্ধ, যেমন রমনা নিয়ে যেটা, আহমদ হাসান দানী, হৃদয়নাথ মজুমদারের বইটা নিয়ে যে প্রবন্ধ- এগুলো একই সঙ্গে তথ্যবহুল আর দরকারি। কত কিছু জানলাম। কত তথ্য করতলগত হলো, যা জেনে এই যে এলাকাটা দিয়ে হাঁটি, তাকে নতুন করে আবিষ্কারও করলাম। ঢাকা কেমন ছিলো, কী হত এখানে, কারা ছিলেন, আর্থ সামাজিক অবস্থা, মানুষের ভেতর আন্তঃসম্পর্ক, তার আর্কিটেকচার- সবকিছু নিয়ে অবশ্যপাঠ্য একটা বই।

তবে খারাপ দিক অবশ্যই আছে। এই বইতে ম্যাপ সংযোজন করা খুব জরুরি ছিলো, আমাদের সিরিয়াস লেখকরাও শেষমেশ পর্যাপ্ত সিরিয়াস হন না, তার একটা উদাহরণ এটা। আমি নাহয় এই এলাকা হাতের নখের মতন অতটা না হোক, মোটামুটি চিনি। আমার পক্ষে পড়াটা যত সহজ, যে চেনে না, তার জন্যে এই বই পড়া শুধু কঠিন না, বিরক্তিকর বটে।

তবু সমালোচনা এক পাশে রেখে কালে খাঁর বিরহী ডাক শুনার জন্যে বইটা পুনঃ পুনঃ পাঠ করাই যায়।

জগন্নাথ হলে এক বিকালে এই বিষয়ে বিস্তর পড়াশুনা করে লেকচার দিয়ে আগ্রহ চাগিয়ে তুলেছিলো বন্ধুবর থিওরিমুনি প্রীতম। পিডিএফটাও তার দেয়া। তাকে ভালবাসা।
Profile Image for Abhishek Saha Joy.
191 reviews56 followers
July 20, 2020
ইতিহাস নিয়ে লেখা সবসময়ই একটি কঠিন ব্যাপার কিন্তু সেই ইতিহাসকেই যখন লিখনশৈলীর দ্বারা রসযুক্ত করে বর্ণনা করা হয় তখন তার চেয়ে মধুর আর কিছু হতে পারে না।
ঢাকা নিয়ে যারা লিখেছেন তাদের মধ্যে মুনতাসীর মামুন অগ্রগণ্য।তিনি বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করেছেন আর সেগুলোকে একত্রিত করেছেন এই বইতে।কিন্তু তার লেখনীতে যেটা নেই তা হলো আগ্রহ তৈরির ক্ষমতা।সেজন্যে পড়তে বিরক্ত হতে হয় বারবার।তাছাড়া বানান ভুল আর সন-তারিখের উল্টাপাল্টা তো আছেই।
তবে ঢাকা আমাদের শহর,আমাদের জানতে হবে ঢাকা নিয়ে,এর ইতিহাস সম্পর্কে,এর গৌরব সম্পর্কে।ঢাকার ইতিহাস ভবিষ্যতে কেউ আরও সুন্দর ভাষায় বর্ণনা করবেন এই প্রত্যাশা রইলো।
Displaying 1 - 2 of 2 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.