Jump to ratings and reviews
Rate this book

সপ্তশ

Rate this book
একটা ছেলে। থ্যালাসেমিয়ার রোগী। মা-কে নিয়ে খুব কষ্টের জীবন তার। আর তার বাবা? থাক, তার বাবার কথা আর না-ই বা বললাম।
একজন প্রাইভেট ইনভেস্টিগেটর। প্রচণ্ড মেধাবী। আকস্মিকভাবে জড়িয়ে পড়লেন অদ্ভুত এবং রহস্যময়, একইসাথে হাস্যকর এক কেসে। তদন্তে কেঁচো খুঁড়তে গিয়ে বেরিয়ে এল সাপ।
একজন ছাপোষা মানুষ। টাইপিস্ট। অফিসের সবাই তাকে নিয়ে মজা করে। কোনদিনও অফিস টাইমে কাজ শেষ করতে পারেন না। প্রায় প্রতিদিনই ওভারটাইম করেন। তার একমাত্র শখ, মানুষকে নিয়ে সাইকোলজিক্যাল এক্সপেরিমেন্ট করা!
এই তিনটি গল্প একসময় মিলে গেল এক বিন্দুতে, শেষের দিকে এসে গল্পের প্রধান চরিত্র এবং পাঠক উভয়েই বুঝতে পারলেন এতক্ষণ ধরে তিনি যা ভাবছিলেন ঘটনা আসলে মোটেও তা নয়! কাহিনী সম্পূর্ণ ভিন্ন!

144 pages, Hardcover

First published February 27, 2015

94 people want to read

About the author

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
20 (11%)
4 stars
39 (23%)
3 stars
69 (40%)
2 stars
26 (15%)
1 star
15 (8%)
Displaying 1 - 30 of 33 reviews
Profile Image for Nu Jahat Jabin.
149 reviews244 followers
March 5, 2015
হাতে ৭টা নতুন বই থাকার পর ও সপ্তশ বেছে নেবার কারন কি? ওকে কারন গুলা হল
১ - সাহেল তিয়াস - এফবি টা আমার কাছে পুরাই আজাইরা একটা জায়গা যেটা আমি মূলত ফ্রেন্ড ফ্যামিলি মেম্বারদের সাথে কন্টাক্ট রাখার জন্য ইউজ করি আর মন মেজাজের উপর ডিপেন্ড করে কিছুক্ষণ পর পর আজাইরা স্টাটাস দেই। এফবিতে এমনিতেই প্রচুর পরিমান লেখকের ছড়াছড়ি, দুক্ষজনক হল আমি এফবিতে বেশ খ্যাতিমান লেখদের কিছু পড়ি নি। সালেহ তিয়াসের কোন এক স্টাটাসে কাজিনের লাইক কমেন্ট দেখে তার নোট গুলা পড়ি । পড়ে প্রথম এক্সপ্রেশনটা ছিল আরে এই না হল লেখা। টুইস্টের পর টুইস্ট সাথে সাইকোলজিক্যাল প্যাচ।

২য় কারনটা হল বইটার নাম - এই বছর বই মেলায় প্রকাশিত আজিব নামের বই গুলা (আর্কন, ঋভু, ডক্টর কিজিল) সত্যিকার ভাবে খুবই ভাল।

উপরের পুরোটাই ছিল প্ররম্ভিকা টাইপ জিনিস, এইবার আসল কথায় আসি।
পুরো উপন্যাস টা ২টা ধারায় লেখক বর্ননা করেছেন ১অতীত সময় ২ বর্তমান সময়
বইটা এক মা সাদিয়া আর তার ছেলে সায়েমের কাহিনী। যে মা তার থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত ছেলেকে নিয়ে অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার যুদ্ধ চালাচ্ছেন প্রতিনিয়ত। আবার কাহিনীটা এক সফল গোয়েন্দার যে কিনা তার প্রাক্তন মিথ্যাকথা বলা বন্ধুর সামান্য হাস্যকর সমস্যা নিয়ে আগাতে গিয়ে ভয়াবহ রকমের গোলমাল এ পড়ে যান। কেচোঁ খুড়তে গিয়ে সাপ নিয়ে টানাটানি ।
অন্যদিকে গল্পটা এক সামান্য টাইপিস্ট এর যে কিনা শখের বসে বিভিন্ন ধরনের সাইকোলজিক্যাল এক্সপেরিমেন্ট চালান মানুষের উপর।
আলাদা আলাদা ৩টা কাহিনী ,এই ৩টা কাহিনী যখন এক সাথে মিলে তখন শেষটা হয় অবাক করার মত। অসাধারন রকমের।

প্রথমেই আসি বইটার ভাল দিক নিয়ে।
* বইটা শুরু করেছিলাম খেতে বসে কিছুক্ষণ পর খাওয়া বাদ দিয়ে বইয়ের ভিতর ঢুকে গিয়েছি। কি কি হতে পারে ক্যালকুলেশন করতে গিয়ে খাবার রেখে আগে বই তারপর খাওয়া। বুঝতেই পারছেন টানটান ধরনের বই। এক পেজ পড়লে নিজে দায়িত্ব এ পরের পেজ এ যাবেন।
*কোড ব্রেকিং - বইয়ের শুরুতেই কিছু কোড দিয়ে কাহিনী শুরু। যেটা আগ্রহ আরো বাড়িয়ে দিয়েছে।
* এক সাথে অনেক গুলা ঘটানা নিয়ে লিখেছেন কিন্তু এক বার ও মনে হয় নি এই জিনিস গুলা বাড়তি অংশ বা দূর এইগুলান কি।

খারাপ দিক? !!!
ওকে ওনার বই পড়ার সময় সব সময় ট্রাই করি কে কাজ টা করতে পারে সেটা বের করার। সচেতন ভাবে পড়লে সবাই হয়ত বুঝে ফেলবেন কে আসলে কোড গুলা দিচ্ছে। এই জিনিসটা একটু হতাশ করেছে। অন্য কেউ হলে খুব খুশি হতাম। (কি বলতে চাইছি সেটা বুঝতে হলে বইটা পড়তে হবে)

সমাধান অর্ধেক করতে পারলেও পরিশিষ্ট পরে যথেষ্ট তব্দা খেয়েছি। তবে পরিশিষ্ট এর সাথে কিছুটা ডি ক্যাপ্রিওর কোন এক মুভির শেষ দিকের সাথে কিছুটা মিল মিল লেগেছে।

যে কোন দিক থেকে অসাধারন বই। বইটা পড়ে অবশ্যই মজা পাবেন মাথা খাটাতে পারবেন। আর কি লাগে? !!!

পুরো লেখাটা ভয়ে ভয়ে দিলাম আশা করি স্পয়লার না দিয়েই লিখতে পেরেছি। আর আমার প্যানপ্যানানি টাইপ রিভিউ পড়ে যদি মনে হয় দূর পড়ব না এই বই সেটার দায় আমার। আমাকে এই দায় থেকে মুক্তি দিয়ে বইটা হাতে তুলে নেন আশা করি আপনার ১৩০টাকা লস হবে না। আর পড়া শেষ করে বলবেন আরে এইটা কি পড়লাম!!
Profile Image for সালমান হক.
Author 67 books2,011 followers
May 20, 2015
ভালো লাগে নি। একদমই ভালো লাগে নি। লেখকের লেখা আমি আগে ফেসবুকে পড়েছি। সেই থেকে অনেকটা উচ্চাশা নিয়েই পড়া শুরু করেছিলাম বইটা। কিন্তু হতাশ হতে হয়েছে। এই বছর বাতিঘর থেকে বের হওয়া বইগুলোর মধ্যে রেটিং এ এটিই বোধহয় সবার নিচে থাকবে। কাহিনী প্রেডিক্টেবল। সেই তুলনায় বড় কোন ধরণের টুইস্ট নেই । আরেকটা জিনিস যার কারণে বেশী বিরক্তি লেগেছে তা হচ্ছে প্রায় এক অনুচ্ছেদ পরপর কাহিনীর টাইমলাইন আর দৃশ্যপট পরিবর্তন। গল্পের মূল কাহিনী যাকে ঘিরে অথবা যাদের ঘিরে তাদের মধ্যেও সেরকম আকর্ষনীয় কিছু নেই। তবে লেখকের গল্প বলার স্টাইলটা ভালো লেগেছে আর কাহিনী বেশ দ্রুতই এগিয়ে গিয়েছে।

কাহিনী সংক্ষেপে বলার মত কিছু পাচ্ছি না। অবসরে পড়ে দেখতে পারেন , তবে না পড়লেও সে ধরণের কিছু মিস করবেন না। :)
Profile Image for Zabir Rafy.
315 reviews12 followers
January 10, 2025
এই বইটা ভালো লাগার জন্য দ্বিতীয়বার পড়া আবশ্যক। বই রিলেটেড গ্রুপ গুলোতে সপ্তশের মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে, যেটা রয়েছে আমারও।

প্রথমবারে পড়ে ভালো লাগেনি। বুঝি নাই হয়তো, তখন কেবল থ্রিলার পড়া শুরু করেছি, মাসুদ রানার বাইরে। কাজেই রগরগে একশন, মিস্ট্রির বাইরে এরকম একটা স্লোবার্ন বই যেটা কি না মাত্র ১৪৪ পেজের, বারবার টাইমলাইন পরিবর্তন হচ্ছে আর আমি খাবি খাচ্ছি; পড়তে বিরক্তই লাগছিলো।

দ্বিতীয়বারে পড়ে বুঝলাম সাইকোলজিক্যাল এই থ্রিলারটা প্রথমবার পড়ে যে বিরক্তি এসেছিলো, সেইটা অযৌক্তিক ছিল।

স্টার্টিং বাজে হলেও লেখকের গদ্যশৈলী বেশ ভালো। খপাখপ টাইমলাইন পরিবর্তন হওয়ায় বুঝতে অসুবিধা হচ্ছিলো, দ্বিতীয়বারে যেটা হয়নি। শেষের টুইস্টটা ভালো ছিল।
Profile Image for Maria.
127 reviews8 followers
April 30, 2021
ছোটখাটো একটা বই। এক বসাতেই শেষ। ভালোই কেটেছে সময়টা।
Profile Image for শালেকুল পলাশ.
274 reviews35 followers
January 2, 2018
গল্পের শুরুটা একটা সাংকেতিক ম্যাসেজ দিয়ে। ডিকোড করা কঠিন কিছু না। তারপরও বই এর পেছনের অংশে ডিকোড কিভাবে করতে হবে দেওয়া আছে। কিন্তু ডিকোড করলেই অনেকটা স্পয়লার খাইতে হবে। এত বড় স্পয়লার তিয়াস ভাই কি জন্য বই এর প্রথম পেজে দিয়েছেন আমার মাথায় আসছে না। কাহিনী মূলত আরিফ সাহেব কে নিয়ে, যে কিনা প্রাইভেট ইনভেস্টিগেটর। তাকে ঘিরেই গল্পের কাহিনী গড়ে উঠেছে। আরো ভাল ভাবে বললে তার নেওয়া একটা কেসকে নিয়ে। যা মূলত শহরের ধনী বাবা মা এর শিশুদের নিয়ে। যারা জড়িয়ে গিয়েছে একটা গোপন সংগঠনের সাথে। যাদের মৌখিক লক্ষ্য হল তারা তাঁদের বাবা মা কে বুঝাতে চায় তাঁদের জন্য যা দরকার তার চেয়ে অনেক বেশী তাঁদের কাছে আছে সো তারা যেন শেয়ার করে গরীবদের সাথে। বাহিরে থেকে লক্ষ্য অনেক সুন্দর আর মহৎ বলে মনে হলেও আরিফের তাঁদের এপ্রোচ ভাল লাগে নাই। তাই সে তদন্ত করে বের করতে চায়।

এছাড়াও গল্পের সাথে প্যারালাল ভাবে কয়েকবছর আগের ঘটে যাওয়া কিছু টুকরও ঘটনা নিয়ে এগোতে থাকে। প্রথম দৃষ্টিকে এগুলোকে মূল গল্পের সাথে অসামাঞ্জস্য মনে হলেও আস্তে আস্তে যতই সামনে যাওয়া যায় বোঝা যেতে থাকে কেন এগুলো বলা হয়েছে। আর শেষে যেতে চমক দেখানো হয়েছে।

❀পাঠপ্রতিক্রিয়াঃ বইটি আমাদের মেডিকেলের এক সিনিয়র ভাইয়ের লিখা। স্বভাবতই একধরনের অন্য রকম আগ্রহ নিয়ে বইটা পড়েছি। গল্পের পেসিং ভালই লেগেছে, কিন্তু অন্য সবার মতই আমারো অভিযোগ একসাথে ২ টাইমলাইন চালানো নিয়ে। অল্প কিছু পরপরই টাইমলাইন চেঞ্জ হবার ফলে দুই দিকে মনোযোগ রাখা টাফ হয়ে যায়।
Profile Image for আকাশ আব্দুল্লাহ.
93 reviews33 followers
March 14, 2015
রিভিউঃ সপ্তশ
লেখাঃ সালেহ তিয়াস
মূল্যঃ ১৩০ টাকা (গায়ের মূল্য)


একটা ছেলে।থ্যালাসেমিয়ার রোগী।মা-কে নিয়ে খুব কষ্টের তার জীবন।আর তার বাবা? থাক,তার বাবার কথা আর না-ই বা বললাম।একজন প্রাইভেট ইনভেস্টিগেটর,প্রচন্ড মেধাবী।আকস্মিকভাবে জড়িয়ে পড়লেন অদ্ভূদ এবং রহস্যময়,একইসাথে হাস্যকর এক কেসে।তদন্তে কেচো খুড়তে বেতিয়ে এলো সাপ।

একজন ছাপোষা মানুষ,টাইপিস্ট।অফিসের সবাই তাকে নিয়ে মজা করে।কোনদিনও অফিস টাইমে কাজ শেষ করতে পারেন না।প্রায় প্রতিদিনই ওভার টাইম করেন।তার একমাত্র শখ মানুষকে নিয়ে সাইকোলজিকাল এক্সপেরিমেন্ট করা।এই তিনটা গল্প একসময় মিলে গেলো একবিন্দুতে।শেষের দিকে এসে গল্পের প্রধান চরিত্র এবং পাঠক উভয়েই বুঝতে পারলেন এতক্ষন ধরে তিনি যা ভাবছিলেন,মোটেও তা নয়! কাহিনী সম্পূর্ন ভিন্ন!





সালেহ তিয়াস।ফেসবুকের অন্যতম বিখ্যাত লেখক।সাধারনত সাইকো থ্রিলার লিখে থাকেন।এছাড়াও তার অসাধরন কিছু রম্য আছে প্রফেসর মিরাজ চিরিত্রটিকে নিয়ে।আগে কিছু গল্প সংকলনের বইয়ে তার গল্প প্রকাশিত হলেও সপ্ততই তার প্রথম একক বই।

এবার বইমেলায় বাতিঘর প্রকাশনি বলতে গেলে পুরাই ফাটায় দিছে! নতুন পুরাতন লেখকের আটটা মৌলিক থ্রিলার বই বের হয়েছে বাতিঘর থেকে।সালেহ তিয়াসের বই বের হবে বাতিঘর থেকে এরকম কোন খবরের চোখে পড়ে নি।ফেসবুকে বাতিঘরের কান্ডারী নাজিম ভাই একদিন অসাধারন প্রচ্ছদের একটা ফটো পোস্ট দিয়ে জানালেন- সালেহ তিয়াসের সপ্তশ বের হচ্ছে বাতিঘর থেকে।


বাতিঘরের আর্কন,রবীন্দ্রনাথ, করাচী,২৫ শে মার্চ হাতে থাকার পরও সবার আগে সপ্তশ ধরলাম।এখানে বলে রাখি, অনলাইন লেখালেখির জগতে সালেহ তিয়াস আমার সবচে প্রিয় লেখক(দ্বিতীয়তে আছেন আরেক বস নাজিম উদ দৌলা)। তার গল্পের টুইস্ট গুলো পড়ে আমার মাথা নষ্ট করে ফেলতে ভালোই লাগে।এমনকি তার ফেসবুকের স্ট্যাটাসগুলোও আমাকে চুম্বকের মতো টানে।সেজ্যুতি থেকে প্রকাশিত তার পিডিএফ বইগুলোও আমার পড়া আছে।আক্ষেপের কথা হচ্ছে, বিখ্যাত এই লেখক আমাকে অকারনেই ব্লক করে রেখেছেন।অন্তত আমি কোন কারন খুজে পাইনি।


এবার বইয়ের কথায় আসি।প্রথমেই লেখকের লেখার স্টাইল সম্পর্কে। যারা তার লেখার সাথে পরিচিত তারা জানেন সালেহ তিয়াসের লেখার ধরন একটু অন্যরকম।অন্যরকমটা কেমন সেটা পাঠক পড়লেই বুঝতে পারবেন।যেমম হিসেবে বলা যায়- কোন কথায় জোড় দিতে দিতে চরিত্ররা একটা শব্দ চার পাচ বার ব্যবহার করেছে।যেমন- অবশ্যই অবশ্যই অবশ্যই অবশ্যই।পাঠক লেখার এই ধরনটা উপভোগই করবেন।গল্পের প্লটটা ভালো ছিলো।ক্যারেক্টারাইজেশনও ভালো।বর্ননা সুপষ্ট ছিলো।গল্পে বর্তমান কাহিনীর একই সমান্তরালে লেখক অতীতের কিছু কাহিনীর একটা প্রবাহ চালিয়ে নিয়ে গেছেন।একটা সময় এই অতীত আর বর্তমান একসাথে মিলিত হয়।বইটা ধরার আগে আমি ভেবেছিলাম এটা একটা সাইকো থ্রিলার হবে হয়তো।কিন্তু যতই পড়ছিলাম ততই আমার এই ধারনা হচ্ছিলো যে বইটা ক্রাইম থ্রিলার টাইপ হবে।যেখানে বই শেষে রহস্য উদঘাটন হবে আর গিলটি ধরা খাবে।সে দিক থেকে আমি কিছু টা হতাশই হয়ে ছিলাম।কারন আমি লেখকের সাইকো থ্রিলারের ভক্ত।মূলত তার কারনেই সাইকো থ্রিলার জনরাটা আমার প্রিয় জনরা।২০১৩ সালে তার আর নাজিম উদ দৌলার অসাধারন সাইকো থ্রিলার গল্প গুলোই আমাকে এও জনরার সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়।এরপর রবার্ট ব্লচের সাইকো,থমাস হ্যারিসের সাইলেন্স অব দ্যা ল্যাম্বস,এলোন কেইম এ স্পাইডার সহ বিখ্যাত বিখ্যাত বইগুলো যখনই পেয়েছি-নাদানের মতো গিলেছি।

তো এই হতাশ মন নিয়ে বই শেষ হবার পথে।আমি পড়ে যাচ্ছি.....

...টুইস্টটা ঠিক ধাম করেই এলো।আমার মাথা উড়ে যাবার দশা টুইস্টের ধাক্কায়।কি থেকে কি! বইয়ের ফ্ল্যাপে লেখা " শেষের দিকে এসে গল্পের প্রধান চরিত্র এবং পাঠক উভয়েই বুঝতে পারলেন এতক্ষন ধরে তিনি যা ভাবছিলেন,মোটেও তা নয়! কাহিনী সম্পূর্ন ভিন্ন! "

এক্কেবারে ঠিক! লেখক পাঠক এমনকি গল্পের মূল চরিত্রকেও বোকা বানিয়েছেন!

হাফ ছাড়লাম... অসাধারন একটা সাইকো থ্রিলার পড়লাম :-)

যে সকল বিষয় ভালো লাগে নিঃ
* বাতিঘরের সেই আগের সমস্যা।ছাপাখানার ভুত! বানানে অনেক ভুল।বিশেষ করে 'নষ্ট' শব্দটা প্রথম দিকে যত জায়গায় আছেবসব জায়গায় লেখা 'ন' আর 'ন্ড' এর জায়গায় - চিহ্নটা।


*প্লটটা ভালো হলেও আমার মনে হয় এটা একটা উপন্যাসের জন্য যথেষ্ট বড় নয়।এটাকে সর্বোচ্চ ৪০ পৃষ্ঠার একটা গল্প হিসেবেই লিখে ফেলা যেত।যেহেতু লেখক পুরো একটা বই লিখবেন এই প্লটের উপর তাই সম্ভবত বইটাকে আরেকটু বড় করার জন্য সাদিয়া আর সায়েমের অধ্যায় গুলো অহেতুক বাড়িয়েছেন।অতীত কাহিনীটা কয়েক পৃষ্ঠাতেই বর্ননা করা সম্ভব ছিলো।বিশেষ করে মনির চরিত্রটা আমার একেবারেই অহেতুক সৃষ্টি বলে মনে হয়েছে।এ না থাকলেও কাহিনীর উপর কোন প্রভাব ফেলতো না।লেখক কাহিনীটাকে বড় করতে গিয়ে অতীতের বিষাদময় তিক্ত কাহিনী তৈরী করেছেন। আমার মনে হয় এরচে মূল রহস্যটাকেই আরেকটু পেচিয়ে-ঘুরিয়ে দুর্বোধ্য টাইপ কিছু করে বই বড় করলেই ভালো করতেন।তাহলে আরো বেশি উপভোগ্য হতো।
* গোয়েন্দা আরিফকে প্রচন্ড মেধাবী হিসেবে পরিচয় করানো হলেও তেমন মাথাঘুরানো টাইপ অগ্রগতি সে কেসে দেখাতে পারেনি।একজায়গায় স্কুল পড়ুয়া শান্তর কাছে নাস্তানাবুদ হয়ে তার পুরো সেটাপটাই বিফলে যায়।তাকে আরেকটু চালাক হিসেবে উপস্থাপন করলে ভালো হতো।

*পুরো বইয়ে কোডিং এর কিছু না বুঝেই পুরো বই শেষ করে দেখি সেখানে এর ব্যাখ্যা। কেমন লাগে?
ব্যাখ্যাটা বইয়ের প্রথমেই বুঝিয়ে দিলে আরো ভালো হতো।


যাই হোক,এটা সবে লেখকের প্রথম বই।প্রথমেই এরকম দারুন একটা বই যিনি লিখেছেন,ভবিষ্যতে তিনি যে আরো উরাধুরা মাথা নষ্ট করা বই দেবেন সে সম্পর্কে আমি নিঃসন্দিহান।
Profile Image for Shuk Pakhi.
524 reviews334 followers
September 2, 2019
বইয়ের কাহিনী ঠিকই চলতেছিল কিন্তু শেষটায় গিয়ে কি জানি হয়ে গেল।
Profile Image for Riju Ganguly.
Author 39 books1,880 followers
January 18, 2020
এও 'বাতিঘর' থেকে প্রকাশিত বই?!
এতদিন ভাবতাম, দুনিয়ার সবচেয়ে বেকার আর আজাইরা জিনিস মেলে আনন্দবাজার পত্রিকায়। এখন দেখছি, ধারণাটা ভুল ছিল। এইরকম একটা জঞ্জালও যদি 'মৌলিক থ্রিলার' প্রকাশের জন্য খ্যাত সংস্থা থেকে সাড়ম্বরে প্রকাশিত হয়, তাহলে আনন্দবাজার রবিবাসরীয়-তেও কিছু পড়ার মতো মিলতে পারে।
আমি অবশ্য দুটোর কোনোটাই পরীক্ষা করে দেখতে চাই না। দুনিয়ায় বহু ভালো জিনিস আছে পড়ার মতো। আনন্দবাজার পড়ার স্তর পেরিয়ে এসেছি আগেই। মনে হচ্ছে, 'বাতিঘর'-এর সঙ্গে যোগাযোগও ছিন্ন হতে চলেছে।
দেখি, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আর ক'টা 'মৌলিক থ্রিলার' পড়তে হয়।
Profile Image for Shashoto Sharif.
116 reviews8 followers
March 7, 2017
লেখার মূল কনসেপ্ট অসাধারণ বলতেই হবে।লেখকের চরিত্রচিত্রন এবং গল্পকথনের ধরনও অতি চমৎকার।আমার মতে,বই এর একমাত্র দূ্র্বল দিক হচ্ছে এর সমাপ্তি।তবে নতুন লেখকের লেখা হিসেবে এটুকু বোধহয় কনসিডার করা যায়।৫ রেটিং না দিলে বোধহয় অবিচার হয়ে যাবে!!
Profile Image for Shariful Sadaf.
213 reviews106 followers
January 25, 2020
বইটি পড়ে মনে হলো বর্তমান ভবিষ্যৎ খেলা খেললাম।
লেখক সাধারণ জিনিসকে অতিমাত্রায় প্রদর্শন করার চেষ্টা করছেন। যাই হোক বইটি পড়ে তৃপ্তি পায়নি।
Profile Image for Salman Sakib Jishan.
275 reviews159 followers
January 26, 2021
সালেহ তিয়াসের 'সপ্তশ' শেষ করলাম।
বেশ কিছুদিন ধরেই TPA গ্রুপে বইটি নিয়ে আলোচনা, আন্ডাররেটেড দাবী করা দেখে বেশ আগ্রহ নিয়েই পড়া শুরু করা। ছোট একটা বই। মাত্র ১৪৪ পৃষ্ঠা! বাসে যেতে যেতেই পড়ে ফেলেছি।
লেখকের প্রথম বই। শুরুতেই নবীন এই লেখকদের জন্য সাধুবাদ তারা এত সাহস করে নিজেদের গল্প মলাটবন্দী না করলে আমরা এতসব বিচিত্র বই পেতাম না।
আসল কথায় আসি। সপ্তশ আমার খুব একটা ভালো লাগেনি। একেবারেই লাগেনি তা নয়। ভালো লেগেছে প্লট। ভিন্ন চিন্তাভাবনা। কিন্তু ভালো লাগেনি গল্প বলার ধরণ। বেশ টিপিক্যাল আর প্রেডিক্টেবল। আর খানিকটা জোর করে রহস্য তৈরি করা। এই অতিত, পরের পৃষ্ঠায় আবার বর্তমান। একবার এই কাহিনী আবার ওই। এত ইন্টার্ভাল দেয়ায় খাপছাড়া লাগছিলো খুব। বইটার প্লট ভালো। এই প্লটে গল্প এমনিতেই জমে যেত। এত জোর করে রহস্য করবেন তারা, যাদের প্লট দূর্বল।
বইটায় প্রচুর ক্যারেক্টার আর প্রচুর কোড। কোড গুলো যদিও বেশিরভাগ নরমাল আইকিউ দিয়েই বের করা যায়। শুরুর দিকে ইন্টারেস্ট নিয়ে ডিসাইফার করে আগাচ্ছিলাম। পরে গল্পে আর কোডে মিলেমিশে খেই হারিয়ে ২-৩দিন ফেলে রাখতে হয়েছে। ৫০ পৃষ্ঠার পর আগ্রহ পেয়েছিলাম আবার। টানা পড়ে ফেলেছি বাসে বসেই।
যাহোক, প্রথম বই হিসেবে আসলে ভালোই একটা বই। ভবিষ্যতে লেখক থেকে বিচিত্র আরও প্লট পাবো আসা করি!
Profile Image for Melody.
87 reviews19 followers
February 14, 2018
উনার লেখা প্রথম পড়লাম, সাবলীল লেখেন।

বইটা আসলে মাঝপথে এসে খুব বেশি প্রেডিক্টেবল লাগছিল। কিন্তু, শেষের দিকে গিয়ে ধাক্কা খেয়েছি হালকা। ওইটার জন্য ৪ তারকা দিলাম। ভালোই। :D

কোডগুলা আগে পড়েছিলাম তিন গোয়েন্দার কোন বইয়ে। তাই ইন্টারেস্টিং লাগে নি তেমন।
Profile Image for তান জীম.
Author 4 books287 followers
March 10, 2018
ডিফারেন্ট একটা থৃলার। সবসময় রগরগে অ্যাকশান, সিক্রেট সোসাইটি, হাজার বছরের পুরনো ঘটনার সাথে বর্তমান সময়ের কোন ঘটনার সাদৃশ্য টাইপ প্লট ভালো লাগে না। মাঝে মাঝে 'সপ্তশ' এর মত প্লেইন প্লট এর গল্পও ভালো লাগে। সালেহ তিয়াশ ভাই লেখালিখিটা চালিয়ে গেলে বাতিঘরের অনন্য মূল্যবান সম্পদে পরিণত হতেন।
Profile Image for Elin Ranjan Das.
88 reviews5 followers
July 26, 2021
লেখার ভঙ্গী ভালো। সমান্তরালে বর্তমান অতীতের কাহিনী টেনে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বিরক্তি না জাগিয়েই। টুইস্টগুলো ভালোও ছিল। ক্যারেক্টারগুলো বেশ ইন্টারেস্টিং। কিন্তু সাবপ্লটগুলোর আরো সন্তুষ্টিজনক আউটকাম দেয়া উচিত ছিল, লুজ থ্রেডের মত হয়ে গেছে। আর প্লটটা সাদামাটা হয়ে গেছে এন্ডিংএর কাছে। কলেবর আরেকটু বাড়ালে জমতো। আর নামকরণের মানেও জানতে পারলাম না।
প্রথম উপন্যাসের সিকুয়েলে পরিপক্বতার ছাপ দিয়েছেন এমন উদাহরণ অনেক দেখেছি আমি। আশা করি সপ্তশের সিকুয়েল আসবে যেটা প্রত্যাশা পূর্ণ করবে।
Profile Image for Taniya Tahsin Tanjila.
25 reviews
February 27, 2022
নতুন বই, নতুন লেখক।
পূর্বে কখনো নাম শুনিনি, লিখাও পড়িনি। ফেসবুকের কল্যাণেও কখনো উনার লিখা পড়া হয়নি।


আশা না রেখে শুরু করেছিলাম, আশাহত হতে হয়নি। 🌼
Profile Image for Jenia Juthi .
258 reviews68 followers
May 11, 2021
বইটা একদম খারাপ ছিলো না। তবে একবার এপাড়ে আরেকবারে ওপাড়ে, আউলায় না গেলেও বিরক্ত লাগছিলো।
তবে কাহিনী ভালোই ছিলো!
Profile Image for রায়হান রিফাত.
256 reviews8 followers
December 18, 2021
❛সপ্তশ❜
👉🏾সালেহ তিয়াস

❝প্যারেন্টিং নিয়ে আমাদের মধ্যে সচেতনতা খুব ই কম|| বাচ্চাদের সাথে কেমন ব্যবহার করা উচিৎ , তাদের সামনে কোন ধরণের ব্যবহার করা উচিৎ , তাদের সাথে কিভাবে মানিয়ে নেওয়া উচিৎ ইত্যাদি ইত্যাদি||এগুলো আমরা জাতি হিসেবেই সচেতন নয়||অকথ্য ভাষার ফুলঝুরি নিয়ে পশরা সাজিয়ে ফেলি তাদের সামনে|| নিজেদের অজান্তেই নিজেদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম কে কুয়ায় ফেলে দেই আমরা|| তার উপর যদি সন্তান প্রতিবন্ধী হয় তবে ত কথায় নেই,অভিশাপ ভেবে জীবন টাই কাটিয়ে দেই|| প্রতিবন্ধীত্ব কোনো অভিশাপ নয় - এই কন্সেপ্ট টা আর ও বহুল পরিচিত করা উচিৎ || ❞


সপ্তশ বই এর মূল বিষয়বস্তু হল- একজন রাগী পিতার কৃতকর্ম আর তার অনুশোচনা ||
সাধারণ একজন মানুষ ট্রমাটাইজড হয়ে কত ভয়ংকর অস্ত্রে পরিণত হতে পারে এমন কি নিজের সন্তানের বিপরীতেও যেতে পারে ; তার ফলাফল নিয়েই এই বই এর যাত্রা||



⚫️আখ্যান—
"বিশ্ববিদ্যালয় এর পূণর্মিলনীতে এসে কথায় কথায় আরিফ কে তার বাসার একটি অদ্ভুত ঘটনা জানায় নাহিদ|| আরিফ প্রাইভেট ইনভেস্টিগেটর হওয়ার সুবাধে তাকে এই অদ্ভুত ঘটনার তদন্ত করতে বলে আরিফ|| তদন্ত করতে করতে আরিফ খোজ পাই ঢাকার অনেক ধনী ব্যক্তিদের বাসায় এমন ঘটনা ঘটছে|| তদন্তে সে জানতে পারে এইসব ঘটনার সাথে প্রত্যেক বাড়ির বাচ্চা রা জড়িত যারা ইন্টারনেটের কল্যাণে কোনো না কোনো ভাবে পরিচিত||
গল্প এরপর নিজের গতিতেই আগাতে থাকে!!

⚫️পাঠ প্রতিক্রিয়া ও পর্যালোচনা—

❛সপ্তশ❜ এভারেজ একটি বই। উত্তেজনাকর পরিপূর্ণ থ্রিলার ছিল প্রায় 85 ভাগ সময় কিন্তু শেষে এসে খেই হারিয়ে গেছে||
গল্প ছিল সাবলীল আর আকর্ষণীয়।কিন্তু কেন যেন পরিণতি ভাল না হওয়ায় একটা প্লটের অকাল পতন ঘটালো||
সুন্দর রোমাঞ্চকর একটা প্লট ছিল,মনে মনে গল্পের শাখা প্রশাখা বিস্তৃত করে এমন এক জায়গায় গিয়ে ধাক্কা খেলাম যে,দুনিয়া ওলট পালট হয়ে গেলো :3
ভাল লাগেনি একেবারে|| তবে শেষে যে টুইস্ট ছিল তা ভাল লেগেছে||

⚫️সূত্রপাত—

নাহিদ এবিং আরিফ দুই ভার্সিটি জীবনের বন্ধু ||
পূণর্মিলনী তে এসে কথায় কথায় নাহিদ আরিফ কে জানায় হুট করে তার বাসার এসি নষ্ট হয়ে যাই এবং এসির কাস্টোমার কেয়ার সার্ভিস থেকে জানানো হয়,এই ত্রুটি কোনো ব্যক্তির হস্তক্ষেপ ছাড়া হওয়া সম্ভব নয়||কোনো মানুষ এর ইচ্ছাকৃত ভাবে করা এই ত্রুটি কিন্তু বাসায় বাইরের কেও প্রবেশ করেনি এমন কি নাহিদের স্ত্রী পুরোটা সময় রুমেই ছিল|| এই অদ্ভুত ঘটনা ইনভেস্টিগেট করতে গিয়ে আরিফ জানতে পারে শুধু তাত বন্ধু নাহিদ না, ব্রং ঢাকার আর ও অনেক ধনী পরিবারের সাথেও এক ই ঘটনা ঘটেছে|| আর সকল ঘটনার একমাত্র যোগসাজশ হল - প্রত্যেক এর বাসায় একজন করে স্কুল পড়ুয়া ��াচ্চা আছে,যারা প্রত্যেকেয় এক জন আরেকজনের সংগে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে জড়িত ইন্টারনেটের মাধ্যমে|| তদন্তে আরিফ জানতে পারে www.makeusproud.com নামে একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তারা এসব কাজ করছে আর তাদের উদ্দেশ্য হল : নিজের বিলাসিতা ত্যাগ করা || কিন্তু তদন্তের এক পর্যায়ে জানতে পারে এবার খুন হবে একজন||ভিক্টিম কে বাচাতে আরিফের দৌড়াদৌড়ি নিয়েই এগিয়েছ এই গল্প||


⚫️চরিত্রায়ন—

চরিত্রায়নের সফলতা তখন ই আসে,যখন আপনি কোনো চরিত্রের প্রতি বায়াসড হতে পারবেন|| বই এর কোনো চরিত্র ই আমার কাছে আহামরি মনে হয়নি একমাত্র মোতালেব সাহেব;অসাধারণ একটা চরিত্র|| তাকে ইমাজিন করছিলাম আমি শুধু||


⚫️খুচরা আলাপ—

আমার কাছে মনে হল এই বই এ বেশ কিছু ইংগিত রয়েছে||
যেমন:

-প্যারেন্টিং,আজকাল বাবা মা'রা নিজেরাই অনেক বেশি ডিভাইস কেন্দ্রিক||বাচ্চাদের সাথে তাদের কমিউনিকেশন খুব ই কম||পাশাপাশি তাদের কে মোরালিটি শিখানোর ব্যাপারে বাবা মা অনেক অনাগ্রহী||পাশাপাশি বাচ্চাদের সামনে আমাদের ব্যবহার,শব্দচয়ন সবকিছুই অনেক ভেবে চিন্তে করা উচিৎ || এই বয়সে তারা যা শিখবে তা মাথায় গেথে যাবে|| তাই তাদের সামনে আমাদের ব্যবহার আর শব্দচয়নে অনেক বেশি সচেতন হওয়া জরুরী ||

-প্রতিবন্ধীত্ব এখন আ অনেকে অভিশাপ স্বরূপ নিয়ে থাকেন||যেটা উচিৎ নয়||কারো ত্রুটির কারণে এমন হয়না||এখন ও গ্রামে গঞ্জে প্রতিবন্ধীত্ব এর জন্য মা'কে দায়ী করা হয়||

-ইন্টারনেটের ব্যাপকতা || ইন্টারনেট ব্যবহারের সহজলভ্যতা খেলার মাঠ কমার সাথে ব্যস্তানুপাতিক হারে বাড়ে||যার ভয়াবহতা এখন ও উল্লেখযোগ্য হার নজরে না পড়লেও খুব শীঘ্রই তা পরিলক্ষিত হবে|| অনেক মোবাইলেই কিডস মুড আছে||অনেক গার্জিয়ান এখন ও সচেতন নয় তাদের সন্তানের ইন্টারনেট ইউজ সম্পর্কে||সচেতনতায় নিরাপত্তা মনে রাখতে হবে||

-অর্থের লোভ মানুষ কে কত নিচুতে নামাতে পারে তার একটা যথার্থ উদাহরণ||


রেটিং:5/10
Profile Image for Peal R.  Partha.
211 reviews13 followers
October 16, 2021
● সপ্তশ | সালেহ তিয়াস

২০১৫ সালে বের হওয়া বই পড়া হয়েছে কি-না ২০২১ সালে এসে! অনেক দেরি-ই বটে। তবে কিছু বই দেরিতে পড়া ভালো। বলছি সালেহ তিয়াসের লেখা রম্য, মনস্তত্ত্ব ও কোড ব্রেকিং থ্রিলার ❛সপ্তশ❜ নিয়ে। শুরুতেই বিদঘুটে কিছু কোডের আদান-প্রদানের সূচনা, এক বাচ্চা ছেলে বিদঘুটে সেই কোডের উত্তর দিচ্ছে সাবলীলভাবে। অন্যদিক তুমুল ঝগড়া আর অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ চলছে তার বাবা-মা’র মধ্যে। গল্পটি তৈরি হয়েছে অনেকগুলো চরিত্রকে ঘিরে। সমাজের কিছু বাস্তব চিত্র লেখক তুলে এনেছেন গল্পের ছলে। অদ্ভুত যত চিন্তা ও মানবতা দিয়ে আকৃষ্ট করে রেখেছেন পুরোটা সময়। কী ঘটছে বা ঘটবে তা বোঝার জন্য অপেক্ষা করতে হবে শেষ পর্যন্ত।

বইটি এক বসাতে পড়ার উপকরণ হচ্ছে লেখকের লেখনশৈলী। ছিমছাম ও সহজ। অল্প কথায় গল্প লেখার হাত হিসেবে বেশ আকর্ষণীয়। প্লট অত বিস্তৃত না, তবে ভাবনায় তা দেওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ বটে। সমাজে বসবাসরত বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের মনস্তাত্ত্বিক বিষয় নিয়ে লেখক লিখেছেন পুরো গল্প। ভালো ও খারাপের আদলে তৈরি করেছেন প্রত্যকটি চরিত্র। হেলা করার মতো কেউ নয়। বিশেষত্ব রয়েছে সবার মধ্যে। সেই বিশেষত্বের বিচার করা যাবে সঠিকভাবে। এ-ছাড়া সমাজে ধনী-গরিব বৈষম্যের একটি বিশেষ দিক নিয়ে সিম্বোলিকের মতো বিষয় দিয়ে প্লট সাজিয়ে ইমপ্রেসও করেছে। বাচ্চাদের মনস্তাত্ত্বিক দিকটি বেশ প্রকট আকারে ফুটে উঠেছে। আছে অতীত-বর্তমান সময়ের সুতো নিয়ে খেলার চাতুরতা। সব মিলিয়ে টানটান উত্তেজনায় মধ্যে দিয়ে, ছোটো ছোটো অধ্যায়ে বইয়ের সিকোয়েন্স সাজানোর প্রসেস ভালো লেগেছে বটে। পরিচিত হবেন গতানুগতিক ধারার বাইরে এক গোয়েন্দার সাথে। ইন্টারেস্টিং!

বইয়ের প্রোডাকশন বাইরের দিকে ওকে, কিন্তু ভেতরের অবস্থা অনেকটা করুণ। তাই শুধু গল্পে ফোকাস রেখে পড়ে যাওয়া ভালো।

⊙ জনরা : সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার • প্রকাশনা : বাতিঘর • মুদ্রিত মূল্য : ১৩০ • পৃষ্ঠা : ১৪৪
Profile Image for Tasnim Tahmid.
7 reviews
January 18, 2021
সপ্তশ
- সালেহ তিয়াস

কাহিনী সংক্ষেপ :

তিন ধাঁচের তিনটে গল্প।
এক. পর্বতপ্রমাণ দুঃখ নিয়ে জীবন কাটানো মা। ছেলে থ্যালাসেমিয়ায় ভুগছে। ছেলের বাবা লাপাত্তা।
দুই. একজন প্রাইভেট ইনভেস্টিগেটর। দুনিয়ার সব যাক চুলোয়, তার কাছে তার তদন্ত শ্বাস নেয়ার চেয়ে অধিক গুরুত্বপূর্ণ। এবার এমন এক কেস হাতে পেল যার বহিঃসারশূণ্য, কিন্তু ভেতরে তা বেশ জটিল।
তিন. সাধারণ টাইপিস্ট। ছিমছাম জীবনযাপন। কিন্তু অদ্ভুত এক শখ পোষেন। দুনিয়াটা তার কাছে কোনো গবেষণাগার আর আশপাশের সকলে কোনো না কোনো কেমিক্যাল। এমনকি তিনি নিজেও। টেস্টটিউব নাড়ান আর টেস্ট করেন। সাইকোলজিক্যাল টেস্ট।

পাঠ প্রতিক্রিয়া :

বইটা শেষ করার পর আমার এক্সপ্রেশন ছিল লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিওর তালি বাজানো GIF এর মতো। যাকে নাটের গুরু ভেবে বসবেন পরে দেখবেন সে অন্য কারো হাতের পুতুল। তিয়াস ভাইয়ার লেখনি নিয়ে তো কথাই হবে না! অনেকটা নেশার মতো লেগেছে। আরেকটা পেইজ পড়ি,এরপর আরেকটা। আর কিছু পড়ুন বা না পড়ুন,এটা অবশ্যই পড়ে দেখবেন। ষোল আনা তৃপ্তি পাবেন।

বই : সপ্তশ
লেখক : সালেহ তিয়াস
প্রকাশনী : বাতিঘর
মুদ্রিত মূল্য : ১৩০৳
পৃষ্ঠাসংখ্যা : ১৪৪
Profile Image for Amin Choudhury.
63 reviews1 follower
March 30, 2021
শুরুটা একদম ছন্নছাড়া, মধ্যখানে বিরক্তিকর বর্ণনাভঙ্গি কিন্তু দারুণ একটা এন্ডিং। এই হলো এক কথায় রিভিউ। ভালো লাগেনি কারণ কিছু চরিত্রের অতীব উদ্ভট কর্মকান্ড। মানে মাত্রাতিরিক্ত উদ্ভট। গল্পের স্বার্থে উদ্ভট চরিত্র মেনে নেয়া যায়। কিন্তু এটা খুব বেশী হয়ে গেছে। দুইটা টাইমলাইনে গল্পে এগিয়েছে অনেকটা সময়। এখন যদি আধপৃষ্টা পরপর টাইমলাইম চেঞ্জ হয় তাহলে মনোযোগ ধরে রাখা যায়?

এখানে যতটা না লেখকের দোষ তারচেয়ে বেশী এডিটরের দোষ। একবার পড়লেই বুঝা যায় এই জিনিসগুলো পাঠকের চোখে পড়বেই। বিরক্ত হওয়া স্বাভাবিক তখন। ভালো সম্পাদকের হাতে পড়লে আরো ভালো কিছু হতে পারতো। হয়তো সম্পূর্ণ আলাদা দুটি পর্বে দুই টাইমলাইনের গল্প বলা যেতো। খামোকা আনরিয়েল সিনগুলো বাদ দেয়া যেতো। সত্যি বলতে লটারির সিনটা পড়ার সময় আমার হাসি পেয়েছে লেখক সত্যিই এমন ভাবেন কিনা ভেবে!

ভালো লেগেছে এন্ডিংটাই শুধু। এটার জন্য দুই তাঁরার জায়গায় তিন তাঁরা। এন্ডিংয়ে সিক্যুয়েলের আভাস আছে। যদিও ২০১৫ সালের বই। তবুও আশা করছি সিক্যুয়েল আসবে।
Profile Image for Nafim Abir.
36 reviews4 followers
August 15, 2023
ভালোই। একটানে শেষ করেছি। দুটা কারণ ছিলো তার পেছনে, দুদিন পর হসচ, আর গল্পটা ছোট।
ইজিলি পড়ার মতো গল্প। আহামরি কোনো টুইস্ট ছিলো না, গল্প মাঝে মাঝে বেশি ফাস্ট মনে হচ্ছিলো বাট ইটস ওকে।
আরাম করে পড়ার মতো বই। মাস্টারপিস না হলেও ভালো লাগার মতো।
সালেহ তিয়াসের গল্পগুলোর বেশিরভাগই সুন্দর।
Profile Image for Fahad Islam.
55 reviews1 follower
July 11, 2024
আমার মতে, একটা বই শেষ করার ২ মাস পরে যদি এর কাহিনী সম্পর্কে কিছুই মনে করতে না পারি, তাহলে সেটা আমার জন্য ভালো অভিজ্ঞতা ছিলো না। লিখনশৈলী ভালো ছিলো, শুনেছি উনি ফেসবুকে নিয়মিত লিখতেন। তবে এছাড়া কাহিনীর কিছুই মনে পড়ছে না, এসির মিস্ত্রি, ট্র্যাকার আর কি নিয়ে যেন ছিলো...😐
Profile Image for Diganto.
21 reviews3 followers
May 25, 2018
একদমই ভালো লাগেনি ।
Profile Image for Ratul Ahmed.
43 reviews
September 30, 2020
এখন অব্দি পড়া বাতিঘরের সবচেয়ে বাজে বই!
Profile Image for Jayed Malik.
8 reviews
January 26, 2023
অসম্ভব বুদ্ধিদীপ্ত আর ব্যতিক্রমী। চোখ বন্ধ করে পড়ে ফেলতে পারেন। সেরা 🌼
Profile Image for ফরহাদ নিলয়.
191 reviews62 followers
October 17, 2015
তিয়াস ভাইয়ের লেখালেখির সাথে আমার প্রথম পরিচয় ২০১২ সালে। ফেসবুকে আমি তখন নতুন, জনপ্রিয় কিছু পেইজের নিয়মিত গল্প পাঠক ছিলাম, সেখানেই তিয়াস ভাইয়ের লেখার সাথে আমার প্রথম পরিচয় ঘটে। এবং প্রথম গল্পটি পড়েই আমি তার জন্মের ভক্ত হয়ে যাই।

তিয়াস ভাইয়ের লেখা আমার কেন ভাল লাগে? কারণ তার সহজ সাবলীল উপস্থাপনা। তার গল্প বলার ক্ষমতা অসাধারণ। 'টুইস্ট' শব্দটার সাথে আমার প্রথম পরিচয় তিয়াস ভাইয়ের গল্প পড়তে গিয়ে। তার প্রতিটা গল্পের, সেটা রোমান্টিক হোক, থ্রিলার হোক কিংবা সাই-ফাই হোক, টুইস্ট ছিল মারাত্মক। তার গল্পের মাথা খারাপ করা সব টুইস্টের ভক্ত হয়ে আমি তাকে ডাকতাম টুইস্ট মাস্টার!

তার প্রথম বইয়ের রিভিউ লিখতে এসে এত কথা কেন? শুধুমাত্র এটা বোঝানোর জন্য যে আমি আসলে তার লেখার কত বড় ভক্ত। তার বই বেরিয়েছে... এটা নিয়ে প্রচন্ড এক্সাইটেড ছিলাম আমি। এখন কথা হচ্ছে তার প্রথম বই কি আমার প্রত্যাশা মিটাতে পেরেছে?

সহজ কথায় উত্তর হচ্ছে 'না'। ফেসবুকে তিয়াস ভাইয়ের গল্পগুলো পড়ে তার লেখা সম্পর্কে যে উচ্চ ধারণা হয়েছিল, তার প্রথম বইটি পড়ে সে তুলনায় হতাশই হয়েছি বলা চলে।

বইয়ের স্টার্টিংটাই হয়েছিল সস্তা রসিকতা দিয়ে। উপস্থাপনায় স্বভাব সুলভ সাবলীলতা ছিল না, জোর করে পাঠক হাসানোর চেষ্টা করা হয়েছে। কিছু কিছু অংশ পড়ে মনে হয়েছে শুধুমাত্র সাইজ বৃদ্ধি করার জন্যই সেটার অবতারণা করা হয়েছে। সবচেয়ে খারাপ লেগেছে শেষের টুইস্টটা। তিয়াস ভাইয়ের টুইস্টের মারাত্মক ভক্ত ছিলাম, কিন্তু শেষের টুইস্টটা একেবারেই কমন ছিল।

সব মিলিয়ে এটুকু বলা যায়, প্রথম বই হিসেবে তিয়াস ভাইয়ের কাছ থেকে যেরকম মাস্টারপিস আসা করছিলাম, সপ্তশ তার ধারেকাছে দিয়েও যেতে পারেনি। আশা করছি, পরের বইগুলো আমাদের সবার প্রিয় টুইস্টমাস্টারকে স্বরূপে দেখতে পাবো।
Profile Image for Khandaker Sanidulla Sanid.
47 reviews24 followers
April 25, 2019
বইটা যে আগাগোড়া খারাপ তা বলবো না তবে বইটা বেশ এলোমেলো লেগেছে আমার কাছে
....
হুট করেই লেখক কিছু কিছু যায়গায় বেশ কিছু চরিত্র এনেছেন। ইনভেস্টিগেটর আরিফ এর প্রথম দিকে যে দুটি কেস এসেছিলো সেদুটো একেবারেই খাপছাড়া আবার অন্যদিকে আব্দুস সাত্তার সাহেব লটারীর টাকার জন্য একে একে কত সমস্যা বলেন টাকা পাওয়ার জন্য সেটাও কেমন যেন ভালো লাগেনি.........তবে হ্যা সাদিয়া চরিত্রটি বেশ দাগ কেটেছে মনে সন্তানের প্রতি অমন ভালোবাসা বেশ ভালোভাবেই ফুটিয়ে তুলতে পেরেছেন লেখক......😊

তবে বেশ কিছু যায়গায় কাহিনীটা কে ইচ্ছা করে টেনে বড় করা হয়েছে
...
তবে শেষ টা তে বেশ মজা পেয়েছি বলতে হবে। সাদিয়া আর মোতালেব সাহেবের জন্য ৩ দিয়েছি
Profile Image for Sumaiyah.
119 reviews31 followers
August 31, 2017
পুরোটাই টাইম লিপিং দিয়ে ভরপুর, একবার এই পাড়ে লাফ, একবার ওপাড়ে, তালগোল পাকানো না হলেও বিরক্তির উদ্রেক করে। শেষের কয়েকটা চ্যাপ্টার মোটামুটি ভালো ছিলো। এছাড়া পুরো বই-ই যেন আগে থেকে প্রেডিক্ট করে বসে আছি :(

এবং আমার ক্ষুদ্র মস্তিষ্কের অনেক অনেক ওপর দিয়ে গেছে, কেন এসি নষ্ট হলে (যেভাবে নষ্ট হয়েছে বলা হলো) কেউ প্রাইভেট গোয়েন্দা ডাকবে?
May 19, 2016
আমার পড়া বাতিঘরের সবচেয়ে বাজে বই। অতি ঝাঁকুনি দিতে গিয়ে পুরোটাই কেমন যেনো খিচুড়ির আকৃতি নিয়েছে। স্যরি টু সে, বইটা পড়ে আমি ভয়ানক হতাশ। সালেহ তিয়াস এর চাইতেও অনেক ভালো লিখেন বলেই জানতাম। টুইষ্টগুলো যথেষ্ট বিরক্তিকর। আর কাহিনী একেবারেই প্রেডিক্টেবল। গল্প বলার ধরনেও আরো অনেক ম্যাচিউরিটির দরকার।
Displaying 1 - 30 of 33 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.