মর্মান্তিক এক অগ্নি দুর্ঘটনায় স্ত্রী-পুত্র হারিয়ে সিগন্যাল শহরে এসেছিল লেন সয়্যার কষ্ট ভুলতে। সুরা যা পারেনি, শীলা বার্ডের ভালোবাসা বাঁচার সেই নতুন স্পৃহা জাগিয়ে তুলল ওর মাঝে। অন্যদিকে, সুসানা বুশ নিজের উচ্চাভিলাষ চরিতার্থ করতে সুযোগ নিল লেনের সরলতার। জমে উঠল সংঘাত। রেঞ্জ ওঅর ও চিরন্তর ত্রিভুজ প্রেমের শিহরন রয়েছে এ কাহিনীর পরতে পরতে।
রওশন জামিল বাবার কাছ থেকে পেয়েছেন লেখালেখির করার অনুপ্রেরণা। জীবনে প্রথম লেখা ক্লাস ফাইভে। স্কুল ম্যাগাজিনে। এর পর দীর্ঘ বিরতি দিয়ে আবার শুরু পত্রিকায় রিপোর্ট/ফিচার লেখার মধ্যদিয়ে, যখন তিনি মাস্টার্সে পড়েন। লেখালেখির পাশাপাশি তার আরো একটা পেশা আছে সেটা হলো সাংবাদিকতা। স্ত্রী গৃহিণী, দুই সন্তানের জনক তিনি। বড় ছেলে ও ছোট মেয়ে নিয়ে তার পরিবার।
সেবা প্রকাশনীতে তার প্রথম বই বই প্রকাশিত হয় কাজীদার সাথে যৌথ ভাবে ১৯৮৫ সালের জুন মাসে দাগী আসামী-১ দিয়ে। পরবর্তিতে দুইটি কিশোর ক্লাসিক হাকলবেরি ফিন প্রকাশিত হয় ফেব্রয়ারী ১৯৮৬ এবং দ্বিতীয়টি দি ওল্ড ম্যান অ্যান্ড দ্য সী নভেম্বর ১৯৮৭তে প্রকাশিত হয়। এছাড়া শিশু ক্লাসিক পিটারপ্যান-ও তিনি লিখেন ১৯৮৯ সালে।
তিনি ছিলেন ওয়েস্টার্ন সিরিজে একজন সফল লেখক। প্রথম ওয়েস্টার্ন বই "ফেরা" প্রকাশিত হয় ১৯৮৬ সালে। ওসমান পরিবার এবং সাবাডিয়া নামের সাথে আমরা সবাই কম বেশি পরিচিত। সেবা প্রকাশনীতে তার একক ভাবে ৩৫টিরও বেশি ওয়েস্টার্ন বই বের হয়।
১৯৯৪ সাল পর্যন্ত নিয়মিত লিখলেও সে বছর আমেরিকায় প্রবাসী হলে বিরতিতে চলে যান তিনি। তবে সাবাডিয়ার ফেরা, না-ফেরা বই এর মধ্য দিয়ে তিনি আবার লেখায় ফিরেন ২৪ বছর পর ২০১৮ সালে। আর এর আগে ২০১২ সালের ঈদসংখ্যা ইত্তেফাকে ওসমান পরিবারকে ফিরিয়ে আনেন "সেই ওরিন ওসমান" নামে একটি উপন্যাসিকার মাধ্যমে।
স্বাধীনচেতা মেয়ে সুসানা। যাকেই ভালোবেসেছে বাপ আর ফ্রাংক আইভি মিলে তাকে সরিয়ে দিয়েছে সুসানার জীবন থেকে। প্রতিশোধ নিতে নিজেই র্যাঞ্চ চালু করে জমি দখল করতে শুরু করে। সাথে আছে ভালোবাসার মানুষ লেন সয়ার। বেধে ওঠে সংঘাত। এদিকে লেনকে ভালোবাসে শীলা নামের শান্ত শিষ্ট মেয়েটি। কিন্তু লেন সয়ার ভালোবাসে কাকে? শীলা নাকি সুসানা? পুরো অস্থির লেভেলের একটা ওয়েস্টার্ন কাহিনী।