চলছে ঘড়িঃ টিক-টক টিক-টক টিক-টক! কাঁটার দিকে চেয়ে কেঁপে উঠল রবিন - তিনটা বাজতে পাঁচ! হাল ছেড়ে দিল সে। একমাত্র অলৌকিক কিছুই কেবল এখন বাঁচাতে পারে ওদের।
প্রচন্ড বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল বাড়িটা। ঘোরের মধ্যে সামনের জানালাটার দিকে তাকিয়ে রইল রবিন। নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারল না। সত্যি দেখছে তো?
রকিব হাসান বাংলাদেশের একজন গোয়েন্দা কাহিনী লেখক। তিনি সেবা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত তিন গোয়েন্দা নামক গোয়েন্দা কাহিনীর স্রষ্টা। তিনি মূলত মূল নামে লেখালেখি করলেও জাফর চৌধুরী ছদ্মনামেও সেবা প্রকাশনীর রোমহর্ষক সিরিজ লিখে থাকেন। থ্রিলার এবং গোয়েন্দা গল্প লেখার পূর্বে তিনি অন্যান্য কাজে যুক্ত ছিলেন। তিনি রহস্যপত্রিকার একজন সহকারী সম্পাদক ছিলেন।রকিব হাসান শুধুমাত্র তিন গোয়েন্দারই ১৬০টি বই লিখেছেন। এছাড়া কমপক্ষে ৩০টি বই অনুবাদ করেছেন। তিনি টারজান সিরিজ এবং পুরো আরব্য রজনী অনুবাদ করেছেন। তাঁর প্রথম অনুবাদ গ্রন্থ ড্রাকুলা। রকিব হাসান লিখেছেন নাটকও। তিনি "হিমঘরে হানিমুন" নামে একটি নাটক রচনা করেন, যা টিভিতে সম্প্রচারিত হয়।
ক্লাসিক তিন গোয়েন্দা। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত টান টান উত্তেজনা। বনের মধ্যে পুরোনো বাড়ি, গুপ্তঘর, টাইম লক, গ্র্যান্ডফাদার ক্লক, থ্রেট দেওয়া চিরকুট, চুরি, কিডন্যাপ, গাড়ি, বোট, ঝড়, বৃষ্টি, ধাওয়া, পাল্টাধাওয়া সব মিলিয়ে মারদাঙ্গা বই। বুদ্ধির চেয়ে একশন বেশি। আর শেষের দিকে তিন গোয়েন্দার অতিরিক্ত লাক ফেভার করলো বলে এক তারা কম।
কাহিনী বেশ ভাল, তবে ফাইভ স্টার দেয়ার মত নয়। মাঝে দিয়ে কয়েকটা অংশ একটু বিচ্ছিন্ন লেগেছিল এই যাহ।
বর্ণনা দেয়ার অংশগুলো একটু জটিল ছিল, দৃশ্যপটটা যেহেতু মাথায় ভাবতে হয়েছে। সেদিক থেকে আরেকটু বিশদ হতে পারতো। মাঝে মধ্যে মনে হয়, রকিব হাসান ভাষা নিয়ে আরেকটু কারিশমা দেখালে খারাপ হতো না নিশ্চয়ই। I wanted to give a 3.5 star, but...