Munier Chowdhury (Bangla: মুনীর চৌধুরী), born in 1925 at Manikganj, Dhaka, hailed from Noakhali, was a Bangladeshi educationist, playwright, literary critic and political dissident. He's the brother of Kabir Chowdhury.
Munier studied English literature for his Bachelors degree (with honors, 1946) and Masters (1947) at the Dhaka University. In 1954, he completed a second Masters degree, summa cum laude, in Bengali. In 1958, he obtained another Masters in Linguistics from Harvard University. He joined the Dhaka University in 1950 and taught both in English and Bengali language departments between 1950 and 1971. Students flocked to his class, many from other departments, as he lectured in his inimitable fashion on Mir Mosharraf Hossain, Bankim Chandra and Rabindranath, among others. To this day he is fondly remembered as an extraordinary teacher who was able to kindle in his students a genuine love for great literature. He was honored with Bangla Academy Award in 1962.
Munier Chowdhury actively participated in the Language Movement of 1952, and was imprisoned by the Pakistan government. He wrote his famous symbolic drama, Kabar (The Grave) in Bengali during his imprisonment. 'Kabar' is a shadow of Irwin Shaw's 'Bury the Dead'. He also fought against any type of cultural repression during the late 1950s and 1960s. In 1967, he protested the Pakistan government's ban on Tagore songs on radio and television. In the late 1960s there was a movement in Pakistan to replace the Bengali language alphabet with the Arabic alphabet. As a linguist and writer, Munier Chowdhury protested this move to undermine the native language of East Pakistan. He actively participated in the non-cooperation movement during the early part of 1971 and renounced his award Sitara-e-Imtiaz (awarded by Pakistan Govt in 1966).
After the Pakistani army crackdown in 1971 in the Dhaka University area from which Munier Chowdhury luckily escaped like many, he moved to his parents' house but he couldn't mentally adjust to the idea of fleeing from his beloved motherland. He preferred to stay back and surrendered to his 'fate'.
On 14 December, 1971 Munier Chowdhury, along with a large number of Bengali intellectuals, educators, doctors and engineers, was kidnapped, later tortured and executed by the Pakistan Army and its Bengali collaborators Al-Badr, Al-Shams, only 2 days before the end of the Liberation War. His dead body could not be identified. A witness who survived the killing had narrated how he recognized Munier as he screamed while his fingers were chopped off. "Have mercy" that is all Munier had said. As this was being done the butcher said, "write your famous essays on Rabindranath Tagore." That was the last that anyone saw of him.
মুনীর চৌধুরীর সাথে পরিচয় কবর নাটক আর রক্তাক্ত প্রান্তর নাটক দিয়েই৷ তার এই নাটকটির সাথে পরিচয় ছিলো না। নাটকটি বেশ ভালো৷ কমেডি ধাঁচে মাঝে বেশ সাহিত্য গুন সম্বলিত । ভালো লেগেছে।
জীবনে যদি প্রথম কোন নাটক পড়ে থাকি, তো সেটা কবর, মুনীর চৌধুরীর৷ পরেরটার পাঠ্য হিসেবে রক্তাক্ত প্রান্তর। এরপর আরো নানান নাটক পড়া হয়েছে, তবে নাটক পড়ার হাতেখড়ি পাঠ্যবই এবং মুনীর চৌধুরীর মাধ্যমে। তাঁর উল্লেখযোগ্য নাটকের মধ্যে চিঠির কথা বরাবরই পড়ে এসেছি৷ মজার কোন লেখা পড়তে ইচ্ছে করছিল, তাই চিঠি বেছে নিলাম। মঞ্চায়ন নিঃসন্দেহে অনেক বেশি উপভোগ্য হত, তবে পড়তেও বেশ লাগল। কয়েক জায়গায় হা হা করেই হেসেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গুচ্ছ ছাত্র ছাত্রীদের সাথে নিজেকে খানিকটা রিলেট ও করতে পেরেছি বিধায় আরো ভালো লেগেছে। সংলাপগুলি চমৎকার। দারুণ লেগেছে হাসান আর আসাদের কথোপকথন। আর শেষের নাটকীয়তাটুকুর তুলনা হয় না। এই নাটকখানা পড়তে গিয়ে কেন যেন প্রেমেন্দ্র মিত্রের ওরা থাকে ওধারে নাটকটির কথা মনে পড়ে গেল। ওইটা পড়েও খুব হেসেছিলাম, আর উত্তম-সুচিত্রা-ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় এর চিত্রায়নটাও এক ফাঁকে দেখে নিয়েছিলাম। এই নাটকটাও চাক্ষুষ দেখতে পারলে আরো ভালো লাগত।
মুনীর চৌধুরীর নাটকের সাথে পরিচয় হই কবর নাটক পড়ার মাধ্যমে।এরপর চিঠি নাটকটি পড়লাম।
চিঠি একটি কমেডি ধাঁচের নাটক। নাটকটি শুরু হয় একটা চিঠিকে কেন্দ্র করে আর কতো গুলো গন্ডগোলের মাধ্যমে। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রী-শিক্ষক কে নিয়ে কাহিনীর বেড়ে উঠা।স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় সমূহে সমস্যার যে তীব্র অবস্থা তা মুনীর চৌধুরীর 'চিঠি' নাটকে বাস্তব হয়ে ধরা দিয়েছে।
নাটকের প্রধান চরিত্র সোহরাব,খালেদ,তাহের,মীনা ও রুমা।এরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ছাত্রছাত্রী।সোহরাব,খালেদ ও তাহের একই রুমে থাকে।
তবে মূল কাহিনী শুরু হয় হঠাৎ করে তাদের রুম থেকে সোহরাবের খাতা হারিয়ে যাওয়ায়।খাতা হারিয়ে গেছে সেটা ব্যপার না।ব্যপার হলো তার ভেতর একটা চিঠি।যদিও সোহরাবের লেখা নয় তবুও।মীনা জোর করে খাতা নিয়ে নেয়।শুরু হয় তার দুশ্চিন্তা!
চিঠিতে তারেকের ব্যাকুল প্রেমানুভূতি প্রকাশ পায়। কিন্তু এতে হাতের লেখা ছিলো খালেদের। এই খাতা নিয়ে তিন বন্ধুর অস্তিরতা কেন না সোহরাব ভাবছে, যেহেতু তার খাতা মীনা ভাববে এটা সে লিখেছে। খালেদের হাতে লেখা তাই সেও চিন্তিত। আবার তাহের ভাবছে তার হাত থেকে খাতা টা নিয়েছে যদি তাকে ভুল ভাবে মীনা!
অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছু ছাত্র পরিক্ষা পেছানোর জন্য আন্দোলন শুরু করে। পরীক্ষা পেছানোর পক্ষে অনেকে কিন্তু সোহরাব ও মীনা এর বিপক্ষে থাকে।মীনা যাতে পরীক্ষায় খারাপ করে এ কারনে মীনার নোট খাতাগুলো চুরি হয়ে যায়।সেই নোটগুলোর মাঝে ছিলো মীনার পার্সোনাল খাতাও(ডাইরি টাইপ)।
এই খবর শুনে সোহরাব মরিয়া হয়ে উঠে খাতা গুলো পাবার জন্য, কেননা মীনার খাতা গুলোর সাথে মীনার একটা রাফখাতাও ছিলো।অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে সে খাতা গুলো তার আয়ত্বে নিয়েও যায়। সোহরাবের কাছে মীনার রাফখাতা! মীনা এটা জানার পর, সিদ্ধান্ত নেয় সে আত্মহত্যা করবে। এবার কি হবে?মীনার খাতায় কি লেখা ছিলো?মীনা কি সত্যিই আত্মহত্যা করে?নাকি মীনার ভালোবাসার মানুষের সাথে মিলন ঘটে? উত্তরগুলো জানতে হলে পড়তে হবে নাটকটি...
কোথায় যেন পড়েছিলাম নাটকের সাফল্য নির্ভর করে সংলাপের উপর। সেই দিক হিসাব করলে চিঠি নাটকের সবচেয়ে শক্তিশালী দিক এর সংলাপ।কখনো সংগ্রামী আদর্শের উত্তাপ,কখনো বন্ধুর সাথে বন্ধুর ঝগড়া,কখনো অস্থির সময়ের চিন্তাভাবনা,কখনো সুপ্ত ভালোবাসার কথা! সবমিলিয়ে বেশ সহজ ও সাবলীল ভাষায় লিখিত সংলাপগুলো।নাটকটিও বেশ সরল গতিতে এগিয়েছে। মুনীর চৌধুরী একটি চিঠির মাধ্যমে একটি উত্তাল সময়,বিশ্ববিদ্যালয় জীবন,ভালোবাসা,বন্ধুত্ব,হিংসা ও মনস্তাত্ত্বিক দিক তুলে ধরেছেন।যাদের নাটক ভালো লাগে তাদের কাছে বেশ ভালই লাগবে। প্লট এতই অসাধারণ যে এটা নিয়েও একটা দারুন উপন্যাস লেখা যেতে পারতো... তবে মুনীর চৌধুরী তা না লিখে নাটক লিখে নিজের বুদ্ধিদীপ্ত চিন্তাভাবনা ও সময় কে সংলাপের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন।যা হয়তো উপন্যাসে সহজে ফুটে উঠতো না।তাই সময় করে পড়ে ফেলুন নাটকটি...
This entire review has been hidden because of spoilers.
চিঠি -মুনীর চৌধুরী মস্তিষ্ককে যদি কোনভাবে রসগোল্লা খাওয়ানোর ব্যবস্থা থাকত-না থাকায় বলতে পারি, এই যে কিছুক্ষন সময় মুনীর চৌধুরীর এই নাটকটি পড়লাম। মনে হচ্ছে আমার স্বয়ং ব্রেইন বুদ্ধি সম্পন্ন মাথাটি একটার পর একটা রসগোল্লা হজম করে যাচ্ছে। বুঝতে পারছি মুনীর চোধুরী, আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যারের ক্লাসে কেন অন্য বিভাগ থেকে ছাত্ররা এসেও ভীড় করে। একেতো নাটক, তারপরে আবার বয়সের দোষেই বলেন, আর বিয়ে করিনি সেজন্যই বলেন ঢুশঢাশ করে মাথায় স্লোগান বাজছে, সেই চিঠি দেখার অতৃপ্ত বাসনা তো আছেই। এত সাবলীল বাংলা ভাষা। এত সুন্দর। এজন্যেই মনে করি বাংলা বিভাগের প্রধানদের সবসময় খালি গবেষনামূলক লেখা না লিখে মাঝে মাঝে একটু গল্প কবিতা নাটক উপন্যাস লেখাও উচিত। কত আগের লেখা, অথচ কত আধুনিক, কঠিন শব্দগুলিও রসের আবরণে পরিপূর্ণ। হয়তো স্টেজে দেখলে এতটা মজা পেতাম না-যতটা পড়ে পেলাম। কবর, আর রক্তাক্ত প্রান্তর। একান্তই সিলেবাসে না থাকলে নাটক কবিতা পড়া হয় না। স্টেজ টা ঠিকমত কল্পনা করতে পারিনা বলে। হোস্টেল তো, স্টেজ কল্পনা করতে লাগেনি। আমার সেই ৪০১ রুম, আর চিরপ্রেমিক জুনায়েদ কে সোহরাবের আবরণে চিন্তা করেই বেশ বেশ লেগেছে। দুঃখ বা সুখ তাদের জন্য-যাদের ইহা পাঠ্যপুস্তক। সেই অনুযায়ী রিভিউ অনেক আনন্দের, অনেক স্বাধীন। মাঝখানে দুই একটা বই পড়ে নিজের বিরক্ত লাগছিল-চিঠি পড়ে বইমেলার আগে বেশ উপকার হয়ে গেল।
চিঠি -মুনীর চৌধুরী মস্তিষ্ককে যদি কোনভাবে রসগোল্লা খাওয়ানোর ব্যবস্থা থাকত-না থাকায় বলতে পারি, এই যে কিছুক্ষন সময় মুনীর চৌধুরীর এই নাটকটি পড়লাম। মনে হচ্ছে আমার স্বয়ং ব্রেইন বুদ্ধি সম্পন্ন মাথাটি একটার পর একটা রসগোল্লা হজম করে যাচ্ছে। বুঝতে পারছি মুনীর চোধুরী, আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যারের ক্লাসে কেন অন্য বিভাগ থেকে ছাত্ররা এসেও ভীড় করে। একেতো নাটক, তারপরে আবার বয়সের দোষেই বলেন, আর বিয়ে করিনি সেজন্যই বলেন ঢুশঢাশ করে মাথায় স্লোগান বাজছে, সেই চিঠি দেখার অতৃপ্ত বাসনা তো আছেই। এত সাবলীল বাংলা ���াষা। এত সুন্দর। এজন্যেই মনে করি বাংলা বিভাগের প্রধানদের সবসময় খালি গবেষনামূলক লেখা না লিখে মাঝে মাঝে একটু গল্প কবিতা নাটক উপন্যাস লেখাও উচিত। কত আগের লেখা, অথচ কত আধুনিক, কঠিন শব্দগুলিও রসের আবরণে পরিপূর্ণ। হয়তো স্টেজে দেখলে এতটা মজা পেতাম না-যতটা পড়ে পেলাম। কবর, আর রক্তাক্ত প্রান্তর। একান্তই সিলেবাসে না থাকলে নাটক কবিতা পড়া হয় না। স্টেজ টা ঠিকমত কল্পনা করতে পারিনা বলে। হোস্টেল তো, স্টেজ কল্পনা করতে লাগেনি। আমার সেই ৪০১ রুম, আর চিরপ্রেমিক জুনায়েদ কে সোহরাবের আবরণে চিন্তা করেই বেশ বেশ লেগেছে। দুঃখ বা সুখ তাদের জন্য-যাদের ইহা পাঠ্যপুস্তক। সেই অনুযায়ী রিভিউ অনেক আনন্দের, অনেক স্বাধীন। মাঝখানে দুই একটা বই পড়ে নিজের বিরক্ত লাগছিল-চিঠি পড়ে বইমেলার আগে বেশ উপকার হয়ে গেল।