Jump to ratings and reviews
Rate this book

জলপাই রঙের অন্ধকার

Rate this book
জলপাই রঙের অন্ধকার (ইংরেজি: Jolpai Ranger Andhakar) বাংলাদেশের অন্যতম প্রথাবিরোধী লেখক হুমায়ুন আজাদ রচিত একটি সমালোচনা গ্রন্থ। এই গ্রন্থটির প্রত্যেক প্রবন্ধে লেখক সামরিকতার বিরুদ্ধে তাঁর আপসহীনতার সাক্ষর রেখেছেন।

104 pages, Hardcover

First published January 1, 1992

3 people are currently reading
82 people want to read

About the author

Humayun Azad

85 books297 followers
Humayun Azad (Bangla: হুমায়ূন আজাদ) was a Bangladeshi author and scholar. He earned BA degree in Bengali language and literature from University of Dhaka. He obtained his PhD in linguistics from the University of Edinburgh in 1976. He later served as a faculty member of the department of Bengali language and literature at the University of Dhaka. His early career produced works on Bengali linguistics, notably syntax. He was regarded as a leading linguist of the Bangla language.

Towards the end of 1980s, he started to write newspaper column focusing on contemporary socio-political issues. Through his writings of 1990s, he established himself as a freethinker and appeared to be an agnostic. In his works, he openly criticized religious extremism, as well as Islam. In 1992 Professor Azad published the first comprehensive feminist book in Bangla titled Naari (Woman), largely akin to The Second Sex by Simone de Beauvoir in contents and ideas.

The literary career of Humayun Azad started with poetry. However, his poems did not show any notable poetic fervour. On the other hand his literary essays, particularly those based on original research, carried significant value.

He earned a formidable reputation as a newspaper columnist towards the end of 1980s. His articles were merciless attacks on social and political injustice, hypocrisy and corruption. He was uncowed in protesting military rule. He started to write novels in 1990s. His novel Chappanno Hazar Borgomile is a powerful novel written against military dictatorship. Azad's writings indicate his distaste for corrupt politicians, abusive military rulers and fundamentalist Islam. Nevertheless, his prose shows a well-knit and compact style of his own. His formation of a sentence, choice of words and syntax are very characteristic of him. Although he often fell victim to the temptation of using fiction as a vehicle of conspicuous political and philosophical message, he distinguished himself with his unique style and diction.

On August 11, 2004, Professor Azad was found dead in his apartment in Munich, Germany, where he had arrived a week earlier to conduct research on the nineteenth century German romantic poet Heinrich Heine. He was buried in Rarhikhal, his village home in Bangladesh.

In 2012, the Government of Bangladesh honored him with Ekushey Padak posthumously. Besides this, he was honored with Bangla Academy Award in 1986.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
11 (22%)
4 stars
23 (46%)
3 stars
8 (16%)
2 stars
3 (6%)
1 star
4 (8%)
Displaying 1 - 6 of 6 reviews
Profile Image for Prithvi Shams.
111 reviews106 followers
April 27, 2015
I picked up this book hoping to learn about military rule in Bangladesh, and I put it down having learned absolutely nothing. In fact, this is characteristic of pretty much all of Azad's non-fiction writings. He uses a plethora of adjectives to paint a picture of how everything is going to the dogs but he doesn't tell you exactly what is wrong, neither does he suggest a solution. 100% rants and raves, 0% analysis and concrete info.

I'd say he is a much better Romantic than an analyst. He writes excellent poetry and fiction, but politics is not his forte.
Profile Image for Kripasindhu  Joy.
547 reviews
May 9, 2025
অনেকগুলো ছোট ছোট লেখা নিয়ে এই বই, যার অনেকগুলোই পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল। কয়েকটি ছাড়া বাকি সবগুলোই আজকের দিনে এসেও অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।
Profile Image for Rizwanur Rahman.
40 reviews7 followers
November 6, 2018
মুখবন্ধ পড়ে মনে হয়েছিল এটা বুঝি সামরিক শাসনামল নিয়ে লেখা, আদতে যা নয়। সমসাময়িক নানা বিষয় নিয়ে লেখক লিখেছেন, যার বেশির ভাগ এখনো বিস্ময়কর এবং দুর্ভাগ্যজনকভাবে প্রাসংগিক! প্রায় ৩০ বছর আগে লেখা 'সড়কে নিরাপত্তা নেই, গৃহেও নেই; জলে নেই, স্থলভাগেও নেই' কথাটা আজো অকাট্য সত্য। 'পীরে দেশ ভরে গেছে, মুরিদ উপচে পড়ছে; নামাজ-রোজা-আজান-হজ সম্প্রচারিত হচ্ছে রঙ্গিন করে, কিন্তু চারপাশে অনৈতিকতা'-৩০ বছরেও এ উক্তির আবেদন কমেনি বরং অবস্থার আরো অবনতি ঘটেছে। বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে লেখা প্রবন্ধ দুটি খুব সম্ভবত বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কালোত্তীর্ণ হয়ে যাবে! লেখক প্রেমকে এক জায়গায় উপস্থাপন করেছেন ‘পুঁজিবাদী পর্বের সবচেয়ে বড় ও জনপ্রিয় কুসংস্কার’ রূপে। প্রেমকে বলা হয়েছে বিয়ারের ক্যানের মতো, যেটা কানায় কানায় ভরা থাকে, খুললে উপচে পড়ে, তারপর শীতল হয়ে যায়। এক অদ্ভুত এবং বিরল দৃষ্টিকোণ থেকে প্রেমের সংজ্ঞা পড়েছি এখানে, যা আমার কাছে অভূতপূর্ব ছিল। সিনেমা নিয়েও লেখকের কিছু অনন্য দৃষ্টিভঙ্গি ছিল- জানিনা এরকম কেউ আর কখনো লিখেছেন কিনা! তবেঁ তৃতীয়-চতুর্থমানের লেখকদের প্রথম শ্রেণীর পরিচালকদের চেয়ে ভাল বলাটা কতটুকু সমীচীন সেটা তর্কের বিষয়। তাঁর প্রগাঢ়তা এবং স্বপক্ষে যুক্তির প্রমাণ মেলে অবশ্য অন্যখানে- ‘বই পড়তে হয়, বুঝতে হয়, উপলব্ধি করতে হয়; আর সিনেমা শুধু দেখলেই চলে। তাই এটিই হয়ে উঠেছে জনগণের মদ্য’। উপমহাদেশে সিনেমার প্রসারের পিছনে যে যুক্তি উপস্থাপন করেছেন, সেটি অবশ্য আমি দৃঢ়ভাবে সমর্থন করি।

লেখককে মনে হয়েছে বিপুল নৈরাশ্যবাদী, রাষ্ট্রযন্ত্রের সবকিছুকে 'রাজাকার', 'প্রতিক্রিয়াশীল' কোটায় যাচাই করা অনর্থক লেগেছে। উনি নিঃসন্দেহে মানবিক; সুতীক্ষ্ণ প্রখরতার অধিকারী যুক্তিবাদী লেখক। তাঁকে কোনভাবেই যাচাই করছি না, অর্বাচীন আমার সে ক্ষমতা নেই; কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে এত নিরাশার প্রতিচ্ছবি পড়তে পড়তে ক্লান্তি অনুভব করেছি। লেখক নিজেই অবশ্য সেটি স্বীকার করেছেন, বর্ণনা করেছেন তাঁর ‘নৈরাজ্যবাদের’ কারণ- ‘আশাকে আমার কাছে বেশ স্থূল ব্যাপার মনে হয়, হতাশাকে মনে হয় অনেক গভীর ও সত্য। মানুষের চরম পরিণতি তো হতাশা; যেখানে কবরে বা আগুনে সমাপ্তি সবকিছুর, ধ্বংসই যেখানে শেষ কথা, সেখানে আশাকে খুবই হাস্যকর মনে হয়।' লেখকের এ চিন্তার সাথে দ্বিমত করার হাজারটা কারণ আছে! আমি কখনোই বিশ্বাস করি না যে- কোন দেশে, কোন কালে ভালকিছু নিয়ে, আশাবাদী করার মত বিষয়ে লেখার কিছুই নেই, তা সে যে কালই হোক না কেন! সাথে ‘ধর্মবিশ্বাসীদের মস্তিষ্ক সম্ভবত সবচেয়ে অবিকশিত’ এরকম বয়ান উগ্র ধর্মান্ধতার বিপরীতে উগ্র প্রগতিশীলতা মনে হয়েছে। নামের সাথে সামঞ্জস্যতা পাই নি প্রথমেই বলেছি, আশির দশ্কের সার্থক প্রতিচ্ছবি অবশ্যই বইটি নয়।

বইটার সেরা ৫ উক্তি (আমার অসাধারণ লেগেছে)-

'একবার রাজাকার মানেই চিরকাল রাজাকার; কিন্তু একবার মুক্তিযোদ্ধা মানেই চিরকাল মুক্তিযোদ্ধা নয়।'

'শিশুরা তোমরা বেড়ো না, শিশু থেকে যাও। যদি বাড়ো, কিছু পাবে না; শুধু স্বপ্নটুকু হারাবে। তুমি যদি বেড়ে উঠো শিশু তবে দেখবে পাপের কোন শেষ নেই, তুমিও জড়িয়ে পড়বে এই পাপে। এ সমাজ নষ্ট করবে তোমাকে, যদি তুমি নষ্ট না হও তবে বিনষ্ট করবে তোমাকে। এ রাষ্ট্র তোমার ভিতরের মানুষটিকে করে তুলবে পশু। এ সভ্যতা তোমাকে পরিণত করবে মধ্যযুগের অন্ধে।'

'আমাদের সমাজরাষ্ট্র এমন জনক, যে তার উত্তরাধিকারীদের যৌবনেই মুমূর্ষু করে ফেলে; যযাতির মতো সন্তানের যৌবন, সংরাগ্, কামনা-বাসনা কেড়ে সম্ভোগ করে নিজে। সমাজরাষ্ট্র যারা চালাচ্ছে, নিয়ন্ত্রণ করছে রাজনীতি, অর্থ, শিক্ষা তারাই এই মুমূর্ষু প্রজন্মের জনক। তারা ভাবছে না তরুণতরুণীদের কথা, যারা সুস্থভাবে বেড়ে উঠে নিজেদের প্রতিভায় রুপান্তরিত করে দিতে পারে সমাজকে। বরং জনকেরা ব্যস্ত নিজেদের নিয়ে, তারা নিজেদের কামনায় থরথর করে কাঁপছে, বাসনায় উত্তেজিত থাকছে, উদ্দীপ্ত থাকছে সম্ভোগে।'

'সমাজ এখন নানা প্রজাতির মহাপুরুষে ভরে গেছে। মহাপুরুষেরা সবাই অবিতর্কিত থাকার সাধক্; অবিতর্কিত বটবৃক্ষের নিচে বসে তারা অবিতর্কিত সত্য লাভের আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন, এদের সমষ্টিগত সাধনায় বাংলায় চতুষ্পদী সমাজ প্রায় প্রতিষ্ঠিত। সমাজ সম্পর্কে যখন কথা বলেন মহাপুরুষেরা, কথা বলেন সাবধানে; রাষ্ট্র সম্পর্কে সাবধানে, ইতিহাস সম্পর্কে সাবধানে, ধর্ম-শিল্প-সাহিত্য সম্পর্কে কথা বলেন সাবধানে। ......... যে সমাজে কোনো বিতর্ক নেই, সে সমাজ মিথ্যায় আক্রান্ত; যে সমাজে কেউ বিতর্কিত কথা বলে না বা বিতর্কিত কাজ করে না, সে সমাজ সমর্থিত মিথ্যার পায়ে।'

'যে পরিবেশে বাস করছি তাতে যদি পাগল না হই, তাহলে আমাদের মনুষ্যত্ব নিয়ে সন্দেহ করতে হবে। এ পরিবেশে যারা সুস্থ, তারা মানুষ নয়; পশুও নয়। তার চেয়েও ইতরতর কিছু।'
Profile Image for Tamanna Binte Rahman.
184 reviews140 followers
June 22, 2020
এ বইটি যে বেশিরভাগ মানুষের পছন্দ হবেনা সেটা বইয়ের প্রথম লেখাটা পড়েই বুঝেছি। নাম দেখে মনে হতে পারে এটা সামরিক শাসনামল নিয়ে লেখা আদতে তা নয়। মূলত অনেকগুলো রাষ্ট্রীয় রাজনীতি, সমাজ, শিক্ষার বিভিন্ন অসংগতি নিয়ে লেখকের নিজস্ব চিন্তা, মতামত তুলে ধরেছেন। বইটির নামকরণ করা হয়েছে বইয়ের প্রথম প্রবন্ধের নামে। এই বইটির অনেক বাক্যই পরবর্তীতে বিখ্যাত হয়ে গেছে। কিছু কিছু লেখা পড়লে মাঝে মাঝে মনে হবে মাত্রই লেখা হয়েছে এতটাই বাস্তবধর্মী এসময়ে এসেও।
সাম্প্রদায়িকতা, রাষ্ট্রীয় নেতৃত্বে অদূরদর্শীতা, দূর্ণীতিগ্রস্থ আমলাতন্ত্র, পোশাক বেনিয়া, ভংগুর শিক্ষা ব্যাবস্থার বিরুদ্ধে লেখাগুলো নগ্নভাবে অনেককে আহত করবে তাই সবার কাছে বইটা ভাল লাগবেনা। সেটা নাই লাগতে পারে। সত্য সবসময়ই তেতো।
8 reviews
March 7, 2019
সমাজ, শিক্ষা, অর্থনীতি, রাষ্টের বিভিন্ন অসঙ্গতি '৮০ 'র এবং ৯০'র দশকের সমকালীন অনেক বিষয় নিয়ে নিজস্ব মতামত ও দর্শন দিয়ে সমালোচনা করেছেন প্রবন্ধগুলোতে।
কিছু কিছু সমালোচনা এখনো খুবই প্রাসঙ্গিক। পড়লে মনে হবে এটা এই সময়ে লেখা। আবার কিছু কিছু মতামত বা ভবিষ্যৎবাণী যা তিনি প্রায় ৩০ বছর আগে করে গেছেন আজকে এসে তা ফলে গেছে।
খুব ছোট-ছোট কিন্তু প্রাঞ্জল এবং অল্প কথায় যা ���লতে চেয়েছেন তা বলেছেন।
Profile Image for Ayon Bit.
147 reviews13 followers
August 13, 2021
দেশ চলে তিন তন্ত্রে। রাজনীতিতন্ত্র, সেনাতন্ত্র, আমলাতন্ত্র। এর মাঝে আমলাতন্ত্রীরাইবসব থেকে সুখী। ৮০ ও ৯০ দশ দেশের চললাম পরিস্থিতির বিষদ বিবিরণ।
Displaying 1 - 6 of 6 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.