মানবিক সম্পর্কের এই মর্মস্পর্শী আখ্যানের বাইরের মোড়কে বাংলার যাত্রাপালা আর তার কুশীলব। ভিতরে নানা ছলনায় আবৃত মানবজীবন, পতন, আবার উত্তরণও। কাহিনির এক পাশে অন্ধকারাচ্ছন্ন দুনিয়ার পাপ, অবৈধ প্রণয়, শরীরসর্বস্বতা। অন্য পাশে রয়েছে এক জননীর আন্তরিক ভালবাসা তাঁর সন্তানের প্রতি। অথচ এই সন্তান তাঁর গর্ভজাত নয়। সৎ মায়ের প্রতি সন্তানের তীব্র ঘৃণা, বীতস্পৃহ মনোভাবের কি বদল হবে কোনও দিন? ঘৃণা কি কখনও উত্তীর্ণ হবে অমেয় ভালবাসায়? জননী কি হয়ে উঠতে পারবেন প্রকৃত শিক্ষয়িত্রী? মঞ্চে আলোড়ন তোলা অভিনেত্রীর জন্য আর কী কী দায়িত্ব-কর্তব্য তুলে রেখেছে জীবন? অন্যায় অনাচার শেষ অবধি কোথায় নিয়ে যায় মানুষকে? আর এই সবের অন্তরালে নিয়তির মতো অবস্থান করে এক কেয়াবন এবং সর্প-দম্পতি— কী ভাবে তারাও হয়ে ওঠে উপন্যাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ?
অভিজিৎ চৌধুরীর জন্ম ১ সেপ্টেম্বর ১৯৬৩, মধ্য কলকাতায়। ইংরেজি সাহিত্যে এম এ। পি জি ডি পার্সোনাল ম্যানেজমেন্ট। ওয়েস্ট বেঙ্গল সিভিল সার্ভিস(এক্সিকিউটিভ)। বর্তমানে তেহট্ট, নদীয়ার বিডিও।প্রকাশিত উপন্যাস ‘মন্থরা’, ‘সমাগত মধুমাস’(১ম ও ২য় খণ্ড), ‘ধর্মান্তর’, ‘ধর্মে আছি জিরাফে নেই’ ইত্যাদি। ছোটগল্পের বই ‘দশটি গল্প’। পেয়েছেন মদনমোহন তর্কালংকার সম্মাননা ২০১৭। ‘মন্থরা’ উপন্যাসটি ওড়িয়া ভাষায় অনূদিত।