মিশরের ফারাও যাবেন সূর্য দেবতার মন্দিরে। রানির হাত থেকে সুরা পান করার পর সবেমাত্র উঠে দাঁড়ালেন। হঠাৎ কেউ পিছন থেকে চেপে ধরল কেন? তৎক্ষণাৎ কণ্ঠে একের পর এক ধারালো অস্ত্রের আঘাত! রক্তাপ্লুত হয়ে পড়ে গেলেন ফারাও। কিন্তু তখনও মৃত্যু হয়নি। দৃষ্টি নির্বাপিত হওয়ার আগে দেখলেন প্রিয়তম রানি অদূরে দাঁড়িয়ে হাসছেন। কেন?
গ্রিসের রাজা ফিলিপের আজ একমাত্র কন্যার বিবাহ। তাঁকে সম্প্রদান করতে হবে। দেহরক্ষীদের বললেন, কাছে থেকো না আজ। দূরে সরে যাও। পুষ্পোদ্যানে এগিয়ে চলেছেন ফিলিপ। আচমকা পত্র করে দাঁড়ায় এক তরুণ। তার হাতে তরবারি। নিমেষে ঝলসে উঠল সেই অস্ত্র।
মগধের সম্রাট ধননন্দের রাজদরবারে যারাই যুক্ত তাদের এভাবে রহস্যময় মৃত্যু হচ্ছে কেন? কীভাবে মিশে যাচ্ছে খাদ্যে বিষ? কে এসবের পিছনে? চাণক্য নয় তো? সন্দেহ বা আর অবিশ্বাস বাড়ছে পাটলীপুত্রে।
বীর আলেকজান্ডারের সামান্য কিছুদিনের জ্বরে মৃত্যু হতে পারে? হঠাৎ এই হীনবল হয়ে যাওয়ার পিছনে কি তাহলে সেই সুদূর গ্রিসের এক নদী থেকে নিয়ে আসা বিষাক্ত উদ্ভিদ?
ইতিহাসের একঝাঁক মৃত্যু ও হত্যা কাহিনির রহস্য উন্মোচিত হয়নি যুগ যুগ ধরে। কী ঘটেছিল আসলে? সেইসব রুদ্ধশ্বাস কাহিনির সংকলন এই বই।