মঈনুস সুলতানের জন্ম ১৯৫৬ সালে, সিলেট জেলার ফুলবাড়ী গ্রামে। তাঁর পৈতৃক নিবাস মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলায়। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ম্যাসাচুসেটস থেকে আন্তর্জাতিক শিক্ষা বিষয়ে পিএইচডি। খণ্ডকালীন অধ্যাপক ছিলেন ইউনিভার্সিটি অব ম্যাসাচুসেটস এবং স্কুল অব হিউম্যান সার্ভিসেসের। ছিলেন ইউনিভার্সিটি অব সাউথ আফ্রিকার ভিজিটিং স্কলার। শিক্ষকতা, গবেষণা ও কনসালট্যান্সির কাজে বহু দেশ ভ্রমণ করেছেন। তাঁর ‘জিম্বাবুয়ে : বোবা পাথর সালানিনি’ গ্রন্থটি প্রথম আলো বর্ষসেরা বই হিসেবে পুরস্কৃত হয়। ২০১৪ সালে ভ্রমণসাহিত্যে সামগ্রিক অবদানের জন্য পান বাংলা একাডেমি পুরস্কার। প্রাচীন মুদ্রা, সূচিশিল্প, পাণ্ডুলিপি, ফসিল ও পুরোনো মানচিত্র সংগ্রহের নেশা আছে মঈনুস সুলতানের।
এই বই পড়ার আগেই মনে হয়েছিল বইটা ভালোই লাগবে।কারন এ পর্যন্ত মঈনুস সুলতানের যে কয়টা বই পড়েছি সবগুলোই ভাল লেগেছে।বইটা লেখকের ঘোরাঘুরির অভিজ্ঞতার সংকলন।শুরু হয়েছে থাইল্যান্ডের সুকথাই থেকে।সুকথাই এর মন্দির,চিংমাইয়ের প্রজাপতির খামার,আয়ুথায়ায় নববর্ষ উৎসব...........বিচিত্র সব গল্প! পড়তে দারুন লেগেছে।বইটা ইতিমধ্যে তিনবার পড়েছি।
কাবুলের ক্যারাভান সরাই পড়ে যতটা মুগ্ধ হয়েছি, ততটা মুগ্ধ হতে পারিনি। তবে ভালো লেগেছে। থাইল্যান্ডের অনেক প্রাচীন শহর , সংস্কৃতি ও তাদের সভ্যতা সম্পর্কে জানা হলো। সুলতান সাহেরবের অনেকগুলো বই সংগ্রহে আছে, খালি সময় বের করে পড়ার অপেক্ষায়।