বেশ মজার একটা খবর বেরোল কাগজেঃ 'শপিং সেন্টার তৈরির জন্যে মাটি খুঁড়তে গিয়ে বেরিয়ে পড়েছে প্রায় একশো ফুট লম্বা এক অতিকায় স্টাফ করা নীল তিমি।' খাবার টেবিলে ব্যাপারটা নিয়ে আলোচনা চলছে। রবিন বলল, 'মাটির নিচ থেকে গুপ্তধন বেরোতে শুনেছি। কিন্তু স্টাফ করা তিমি! না, বাবা!' 'ওটা ওখানে এল কি করে?' মেরিচাচীর প্রশ্ন। কিশোর অনুমান করল, 'আটকা পড়েছিল হয়তো বরফযুগে।' 'কিন্তু ভুলে যাচ্ছ,' রবিন বলল, 'ওটা স্টাফ করা। বরফযুগের মানুষ কি স্টাফ করতে জানতো?' তাই তো! কি করে জানা যাবে? তদন্তে নামলো তিন গোয়েন্দা। সাংঘাতিক বিপজ্জনক আধুনিক শত্রুরা পেছনে লাগলো ওদের।
রকিব হাসান বাংলাদেশের একজন গোয়েন্দা কাহিনী লেখক। তিনি সেবা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত তিন গোয়েন্দা নামক গোয়েন্দা কাহিনীর স্রষ্টা। তিনি মূলত মূল নামে লেখালেখি করলেও জাফর চৌধুরী ছদ্মনামেও সেবা প্রকাশনীর রোমহর্ষক সিরিজ লিখে থাকেন। থ্রিলার এবং গোয়েন্দা গল্প লেখার পূর্বে তিনি অন্যান্য কাজে যুক্ত ছিলেন। তিনি রহস্যপত্রিকার একজন সহকারী সম্পাদক ছিলেন।রকিব হাসান শুধুমাত্র তিন গোয়েন্দারই ১৬০টি বই লিখেছেন। এছাড়া কমপক্ষে ৩০টি বই অনুবাদ করেছেন। তিনি টারজান সিরিজ এবং পুরো আরব্য রজনী অনুবাদ করেছেন। তাঁর প্রথম অনুবাদ গ্রন্থ ড্রাকুলা। রকিব হাসান লিখেছেন নাটকও। তিনি "হিমঘরে হানিমুন" নামে একটি নাটক রচনা করেন, যা টিভিতে সম্প্রচারিত হয়।