বনের মাঝে এক পুরানো পুকুর। পানিতে নামলে কে যেন পা টেনে ধরে। সাঁতার কাটতে গেল মুসা আর ফারিহা। আট বছরের ছোট্ট, সুন্দর এক ছেলে ফারিহার সঙ্গে ফেলতে এল। মুসার মনে হলো, পানির নিচ থেকে উঠে এসেছে। খানিক পর মারত্মক বিপদে পড়ল ফারিহা। আরেকদিন, আকাশ কালো করে ঝড়বৃষ্টি শুরু হলো। টের পেল মুসা, ওর পাশে এসে দাঁড়িয়েছে কেউ! ফিরে তাকিয়ে দেখে, কেউ নেই! লকেটের রহস্য উদ্ধার করতে গিয়ে বুঝতে পারল, সত্যি সত্যি ভূতের খপ্পরে পড়েছে এবার!
রকিব হাসান বাংলাদেশের একজন গোয়েন্দা কাহিনী লেখক। তিনি সেবা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত তিন গোয়েন্দা নামক গোয়েন্দা কাহিনীর স্রষ্টা। তিনি মূলত মূল নামে লেখালেখি করলেও জাফর চৌধুরী ছদ্মনামেও সেবা প্রকাশনীর রোমহর্ষক সিরিজ লিখে থাকেন। থ্রিলার এবং গোয়েন্দা গল্প লেখার পূর্বে তিনি অন্যান্য কাজে যুক্ত ছিলেন। তিনি রহস্যপত্রিকার একজন সহকারী সম্পাদক ছিলেন।রকিব হাসান শুধুমাত্র তিন গোয়েন্দারই ১৬০টি বই লিখেছেন। এছাড়া কমপক্ষে ৩০টি বই অনুবাদ করেছেন। তিনি টারজান সিরিজ এবং পুরো আরব্য রজনী অনুবাদ করেছেন। তাঁর প্রথম অনুবাদ গ্রন্থ ড্রাকুলা। রকিব হাসান লিখেছেন নাটকও। তিনি "হিমঘরে হানিমুন" নামে একটি নাটক রচনা করেন, যা টিভিতে সম্প্রচারিত হয়।