পুরানো একটা দুর্গ দেখতে গিয়ে নতুন রহস্যের খোঁজ পেয়ে গেল তিন গোয়েন্দা। হারানো গুপ্তধনের গল্প শুনল। ওগুলো সত্যিই আছে কিনা নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না, নিছক গুজবও হতে পারে। তবু চেষ্টা করে দেখতে দোষ কি?
তদন্তে নামলো ওরা। ভয়ঙ্কর শত্রু লাগল পেছনে, কোন কিছুই যাদের ঠেকাতে পারে না, গুপ্তধন হাতে পাওয়ার জন্যে যে-কোন অপরাধ করতে রাজি। তিন গোয়েন্দার জন্যে এ এক বিরাট চ্যালেঞ্জ।
রকিব হাসান বাংলাদেশের একজন গোয়েন্দা কাহিনী লেখক। তিনি সেবা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত তিন গোয়েন্দা নামক গোয়েন্দা কাহিনীর স্রষ্টা। তিনি মূলত মূল নামে লেখালেখি করলেও জাফর চৌধুরী ছদ্মনামেও সেবা প্রকাশনীর রোমহর্ষক সিরিজ লিখে থাকেন। থ্রিলার এবং গোয়েন্দা গল্প লেখার পূর্বে তিনি অন্যান্য কাজে যুক্ত ছিলেন। তিনি রহস্যপত্রিকার একজন সহকারী সম্পাদক ছিলেন।রকিব হাসান শুধুমাত্র তিন গোয়েন্দারই ১৬০টি বই লিখেছেন। এছাড়া কমপক্ষে ৩০টি বই অনুবাদ করেছেন। তিনি টারজান সিরিজ এবং পুরো আরব্য রজনী অনুবাদ করেছেন। তাঁর প্রথম অনুবাদ গ্রন্থ ড্রাকুলা। রকিব হাসান লিখেছেন নাটকও। তিনি "হিমঘরে হানিমুন" নামে একটি নাটক রচনা করেন, যা টিভিতে সম্প্রচারিত হয়।
ছোটবেলায় যখন পড়েছিলাম তখন খুব ভালো লেগেছিল, পাচে পাচ দেবার মতো, এখন চার দিলাম। এ বইটার অরিজিনাল নাম কেউ বলতে পারবেন? লেখার ধরনে মনে হচ্ছে এনিড ব্লাইটনের লেখা, ফেমাস ফাইভ সিরিজের না এটা নিশ্চিত, অন্তত এনিড ব্লাইটনের ফেমাস ফাইভের না ।