থিয়েটারে অভিনয় করতে গিয়ে বিপদে পড়ে গেল এক ছদ্মবেশী বিড়াল। ডাকাতি হলো থিয়েটারে। দোষ পড়ল ঐ বিড়ালের ঘাড়ে। সাক্ষ্য-প্রমাণ যা পাওয়া গেল, তাতে ওকেই সন্দেহ হয়। তার পক্ষেই ডাকাতিটা করা সম্ভব - আবার তার পক্ষেই অসম্ভব। এক জটিল ধাঁধাঁ। সন্দেহভাজনদের একটা তালিকা তৈরি করল তিন গোয়েন্দা। বেরিয়ে পড়ল সাতজন। ডাকাত ধরতে সাহায্য চাইলো টিটু এবং ফারিহা। চিরাচরিত নিয়মে বাগড়া দিয়ে চলল ঝামেলা করার ওস্তাদ কনস্টেবল ফগর্যাম্পারকট।
রকিব হাসান বাংলাদেশের একজন গোয়েন্দা কাহিনী লেখক। তিনি সেবা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত তিন গোয়েন্দা নামক গোয়েন্দা কাহিনীর স্রষ্টা। তিনি মূলত মূল নামে লেখালেখি করলেও জাফর চৌধুরী ছদ্মনামেও সেবা প্রকাশনীর রোমহর্ষক সিরিজ লিখে থাকেন। থ্রিলার এবং গোয়েন্দা গল্প লেখার পূর্বে তিনি অন্যান্য কাজে যুক্ত ছিলেন। তিনি রহস্যপত্রিকার একজন সহকারী সম্পাদক ছিলেন।রকিব হাসান শুধুমাত্র তিন গোয়েন্দারই ১৬০টি বই লিখেছেন। এছাড়া কমপক্ষে ৩০টি বই অনুবাদ করেছেন। তিনি টারজান সিরিজ এবং পুরো আরব্য রজনী অনুবাদ করেছেন। তাঁর প্রথম অনুবাদ গ্রন্থ ড্রাকুলা। রকিব হাসান লিখেছেন নাটকও। তিনি "হিমঘরে হানিমুন" নামে একটি নাটক রচনা করেন, যা টিভিতে সম্প্রচারিত হয়।