বড়দিনের ছুটি, গোবেল বীচে বেড়াতে এসেছে তিন গোয়েন্দা। সামনে পরীক্ষা, তাই বেড়াতে এসেও শান্তি নেই। জিনার বাবা মিস্টার পারকার সাফ বলে দিয়েছেন ছুটির মধ্যেও পড়াশোনা চালিয়ে যেতে হবে। নতুন একজন শিক্ষকেরও ব্যবস্থা করেছেন তিনি। 'নতুন স্যার'কে মোটেও টিচারের মত লাগল না ওদের কাছে, বেঁটে, মোটা, দাড়ি রেখেছেন নাবিকদের মত। দেখেই অপছন্দ করল জিনা। এঁর কাছে পড়তে হবে! ছোহ! পড়তে পড়তেই জড়িয়ে গেল এক নতুন রহস্যে, রহস্য আর অ্যাডভেঞ্চার... এবং তারপর... ঢেঁকি স্বর্গে গেলেও ধান ভানে, আর গোয়েন্দারা করে গোয়েন্দাগিরি...
রকিব হাসান বাংলাদেশের একজন গোয়েন্দা কাহিনী লেখক। তিনি সেবা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত তিন গোয়েন্দা নামক গোয়েন্দা কাহিনীর স্রষ্টা। তিনি মূলত মূল নামে লেখালেখি করলেও জাফর চৌধুরী ছদ্মনামেও সেবা প্রকাশনীর রোমহর্ষক সিরিজ লিখে থাকেন। থ্রিলার এবং গোয়েন্দা গল্প লেখার পূর্বে তিনি অন্যান্য কাজে যুক্ত ছিলেন। তিনি রহস্যপত্রিকার একজন সহকারী সম্পাদক ছিলেন।রকিব হাসান শুধুমাত্র তিন গোয়েন্দারই ১৬০টি বই লিখেছেন। এছাড়া কমপক্ষে ৩০টি বই অনুবাদ করেছেন। তিনি টারজান সিরিজ এবং পুরো আরব্য রজনী অনুবাদ করেছেন। তাঁর প্রথম অনুবাদ গ্রন্থ ড্রাকুলা। রকিব হাসান লিখেছেন নাটকও। তিনি "হিমঘরে হানিমুন" নামে একটি নাটক রচনা করেন, যা টিভিতে সম্প্রচারিত হয়।