চশমা খুলে রুমাল দিয়ে ভাল করে কাঁচ পরিষ্কার করলেন বিজ্ঞানী। 'আরও একটা জিনিস নিয়ে কাজ করছি আমি। সেটা তোমাদের বলা যাবে না, সরি। আপাতত গোপনই রাখতে চাই। যাই হোক...' মুখ তুলে হাসলেন তিনি, 'ওটার জন্য তোমাদের কাছে আসিনি আমি। আমার সমস্যাটা গুটিপোকা, মথ আর রেশমগুটি নিয়ে - উধাও হয়ে যাচ্ছে।' অবাক হলো কিশোর, 'চুরি?' ভ্রুকুটি করলেন বিজ্ঞানী, 'জানি না। সমস্যাটা এখানেই। চুরি হচ্ছে কিনা এ ব্যাপারে শিওর হতে পারছি না আমি। গ্রীনহাউসে সব সময় তালা দিয়ে রাখি।' 'তালা খুলে চুরি করা যায়।' 'সে জন্যই বার্গলার অ্যালার্মের ব্যবস্থা করেছি।' 'হু,' নিচের ঠোঁটে চিমটি কাটল কিশোর। অনুমান করল, রেশমগুটি উধাওয়ের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ কোন ব্যাপার ঘটছে ভেতরে ভেতরে। 'বেশ, আসব আমরা। তদন্ত করে দেখব রহস্যটা কি।'
রকিব হাসান বাংলাদেশের একজন গোয়েন্দা কাহিনী লেখক। তিনি সেবা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত তিন গোয়েন্দা নামক গোয়েন্দা কাহিনীর স্রষ্টা। তিনি মূলত মূল নামে লেখালেখি করলেও জাফর চৌধুরী ছদ্মনামেও সেবা প্রকাশনীর রোমহর্ষক সিরিজ লিখে থাকেন। থ্রিলার এবং গোয়েন্দা গল্প লেখার পূর্বে তিনি অন্যান্য কাজে যুক্ত ছিলেন। তিনি রহস্যপত্রিকার একজন সহকারী সম্পাদক ছিলেন।রকিব হাসান শুধুমাত্র তিন গোয়েন্দারই ১৬০টি বই লিখেছেন। এছাড়া কমপক্ষে ৩০টি বই অনুবাদ করেছেন। তিনি টারজান সিরিজ এবং পুরো আরব্য রজনী অনুবাদ করেছেন। তাঁর প্রথম অনুবাদ গ্রন্থ ড্রাকুলা। রকিব হাসান লিখেছেন নাটকও। তিনি "হিমঘরে হানিমুন" নামে একটি নাটক রচনা করেন, যা টিভিতে সম্প্রচারিত হয়।