কল্পনাই করতে পারেনি তিন গোয়েন্দা সাধারণ চোর পাহারা দেয়ার ঘটনা তাদেরকে টেনে নিয়ে যাবে ভয়াবহ ফ্লোরিডা এভারগ্লেডের গভীরে; যেখানে শিকারের অপেক্ষায় ওত পেতে থাকে মানুষখেকো ভয়াল অ্যালিগেটর। মারাত্মক বিষাক্ত র্যাটলস্নেকের ছড়াছড়ি। ওসব সাপ নিয়ে লোফালুফি করা মানুষগুলো তার চেয়েও ভয়ঙ্কর। সাপের কামড় খেলো মুসা, সাংঘাতিক জলাভূমিতে রাতের বেলা আটকা পড়ল কিশোর আর রবিন। উদ্ধারের কোন উপায় দেখতে পাচ্ছে না।
রকিব হাসান বাংলাদেশের একজন গোয়েন্দা কাহিনী লেখক। তিনি সেবা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত তিন গোয়েন্দা নামক গোয়েন্দা কাহিনীর স্রষ্টা। তিনি মূলত মূল নামে লেখালেখি করলেও জাফর চৌধুরী ছদ্মনামেও সেবা প্রকাশনীর রোমহর্ষক সিরিজ লিখে থাকেন। থ্রিলার এবং গোয়েন্দা গল্প লেখার পূর্বে তিনি অন্যান্য কাজে যুক্ত ছিলেন। তিনি রহস্যপত্রিকার একজন সহকারী সম্পাদক ছিলেন।রকিব হাসান শুধুমাত্র তিন গোয়েন্দারই ১৬০টি বই লিখেছেন। এছাড়া কমপক্ষে ৩০টি বই অনুবাদ করেছেন। তিনি টারজান সিরিজ এবং পুরো আরব্য রজনী অনুবাদ করেছেন। তাঁর প্রথম অনুবাদ গ্রন্থ ড্রাকুলা। রকিব হাসান লিখেছেন নাটকও। তিনি "হিমঘরে হানিমুন" নামে একটি নাটক রচনা করেন, যা টিভিতে সম্প্রচারিত হয়।
প্লটঃ গ্যালারি পাহারা দেওয়ার ঘটনা তিন গোয়েন্দাকে পৌঁছে দিল জর্জিয়া গভীন জলাভূমিতে,যেখানে বাস করে র্যাটলস্নেক ও ভয়াবক এলিগেটর। এমনই জলাভূমিতে আটকা পড়ল রবিন আর কিশোর। প্রান নিয়ে বেঁচে ফিরবে পারবো তো তারা?
★রিভিউঃ দুইটা রহস্য একত্রে মিলিত হয়েছে গল্পে। প্রথমটা গ্যালারি চুরির ঘটনা। আর দ্বিতীয়টা,রহস্যময় ভুডু চর্চাকারী লোকদের। সেই সাথে ছিল এডভেঞ্চারের মিশেল। দারুন লেগেছে গল্পটা। বিশেষ করে শেষের টুইস্ট। ফোর স্টার!