Jump to ratings and reviews
Rate this book

রবীন্দ্রনাথ : কথাসাহিত্য

Rate this book

140 pages, Hardcover

First published May 1, 1955

Loading...
Loading...

About the author

Buddhadeva Bose

105 books124 followers
Buddhadeva Bose (also spelt Buddhadeb Bosu) (Bengali: বুদ্ধদেব বসু ) was a major Bengali writer of the 20th century. Frequently referred to as a poet, he was a versatile writer who wrote novels, short stories, plays and essays in addition to poetry. He was an influential critic and editor of his time. He is recognized as one of the five poets who moved to introduce modernity into Bengali poetry. It has been said that since Tagore, perhaps, there has been no greater talent in Bengali literature. His wife Protiva Bose was also a writer.

Buddhadeva Bose received the Sahitya Akademi Award in 1967 for his verse play Tapaswi O Tarangini, received the Rabindra Puraskar in 1974 for Swagato Biday(poetry) and was honoured with a Padma Bhushan in 1970.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
5 (38%)
4 stars
4 (30%)
3 stars
0 (0%)
2 stars
2 (15%)
1 star
2 (15%)
Displaying 1 - 2 of 2 reviews
Profile Image for Harun Ahmed.
1,747 reviews506 followers
October 5, 2025
রবীন্দ্রনাথের কথাসাহিত্যে শোভা ও শিল্পিতার অভাব নেই; নেই বুদ্ধদেবের গদ্যেও। বইয়ের বড় একটা অংশ জুড়ে আছে কঠোর সমালোচনা ; অথচ কোথাও তা আক্রমণ হয়ে ওঠে না। রবীন্দ্রসাহিত্যের মূল্যবান অন্তঃসার সেখানেও পাওয়া যায়। বাংলাসাহিত্যের প্রধান পুরুষের মনোবাস্তব ও বাহ্যবাস্তব বুদ্ধদেব অভিনিবেশী হয়ে উন্মোচন করেন। গল্পগুচ্ছ সম্বন্ধে তার মন্তব্য "রবীন্দ্রনাথের বিস্ময়কর কৃতিত্ব এইখানে যে তাঁর পাত্রপাত্রীরা তাদের অব্যবহিত পরিবেশ থেকে কোনোখানেই বিচ্যুত নয়, অথচ তারা এক দেশকালাতীত ভাবলোকেরও অধিবাসী।"
"ঘরে বাইরে" তে গ্রন্থরচয়িতা অবিচার করেছেন 
("অবিচার এই হিশেবে যে নিখিলেশকে জিতিয়ে দেবার জন্যই সন্দীপকে অযোগ্য হতে হলো।")

"শেষের কবিতা" নিয়ে মন্তব্যটা সম্ভবত রবীন্দ্রনাথের প্রায় সব উপন্যাসের ব্যাপারেই খাটে ("আমাদের অতৃপ্তি থেকে যায় সেখানে, যেখানে এই সব মানুষ, তাদের স্রষ্টার দ্বারা আরোপিত অসামান্যতার ভার বইতে গিয়ে, ঠিক যেন মানুষ হয়ে উঠতে পারে না।"
শেষদিকে "চোখের বালি"র সমালোচনা সবচেয়ে অব্যর্থ ও লক্ষ্যাভিমুখী ("সম্পূর্ণভাবে জীবনযোগ্য ও জীবনবঞ্চিত বিনোদিনীকে নির্বাসনে পাঠিয়ে সুখের সংসার ফিরিয়ে দিলেন সেই হীনস্বভাব মহেন্দ্রকে - নষ্ট হবার ইচ্ছেটা যার পুরোপুরি আছে, অথচ নষ্ট হবার শক্তিও নেই।") এটা পড়ে হি-হি করে হাসলাম অনেকক্ষণ।
অবশ্য বইতে "গোরা", "দুই বোন", "মালঞ্চ", "চার অধ্যায়" এর বিশদ আলোচনার পাশে "ঘরে বাইরে" আর "চতুরঙ্গ"র সমালোচনা অসম্পূর্ণ বলে খেদ রয়ে যায়। কারণ এখানে বুদ্ধদেব গুরুত্ব দেন শুধু ভাষা ও রচনাকৌশলে, উপন্যাসের মূল বক্তব্য নিয়ে আলোচনা তিনি যেন হেলায় এড়িয়ে যান।

(পরিশিষ্ট অংশে "শেষের কবিতা"র পক্ষে বিপক্ষে অমিয় চক্রবর্তী আর বু.ব.-র দুটো পাল্টাপাল্টি লেখা আছে। মজার ব্যাপার, আমি দুই লেখকের সাথেই সম্পূর্ণ একমত পোষণ করলাম। এখানেই সম্ভবত রবীন্দ্রনাথের জিত।)
Profile Image for Suranjana.
76 reviews16 followers
March 28, 2015
বুদ্ধদেব বসুর বুদ্ধিদীপ্ত লেখা পড়ে ভালো লাগলো। রবীন্দ্রনাথের লেখা নিয়ে মানুষের সমালোচনা পড়লে প্রায়ই মনে হয়, লোকজন খুঁত ধরার একটা জায়গা খুঁজছিল, যেখানে মনের খায়েশ মিটিয়ে কিছুক্ষণ নিজের জ্ঞান জাহির করতে পারবে। বুদ্ধদেব বসুর সমালোচনা পড়ে মনে হয়নি তিনি নিজের জ্ঞান জাহির করার জন্য সমালোচনা করতে বসেছিলেন। তবে ওনার সাথে মত সম্পূর্ণ মিলেছে, তেমনও না।
কেউ কিছু লিখলে, অন্য কেউ যখন সেটা 'এমন হলে ভালো হত' বা 'উনি যেমন বললেন বাস্তবে এমন হয় না' জাতীয় মন্তব্য করে, সেটা খুব বিরক্ত লাগে। সবাই নিজের পায়ের মাপে, অন্যের জুতাটা কাটছাঁট করে নিতে চায়। কেন?
একজনের কাছে বাস্তব সম্মত হওয়া জরুরী হতে পারে, আরেকজনের কাছে তা নাও হতে পারে। নিজের ইচ্ছাটাই ভালো, আর অন্যেরটা অতও ভালো না, এই আক্ষেপ না করে নিজের ইচ্ছামত লেখা বানিয়ে নিয়ে খুশি হোলেই বেশি মানায়।

মোটের উপর, সমালোচনা ভালো লেগেছে।
Displaying 1 - 2 of 2 reviews