Rupak Saha Started his journalistic career as a freelance journalist in “AnandaBazar Patrika”, before shifting to the sports section. He later became the sports editor for” Ananda Bazar Patrika”. After serving as a sports editor for twelve years he was transferred to their films oriented magazine called “Anandalok”. In 2004 he became the editor of “Anandalok”. Here his tenure was for few years. At present he is the sports Editor of the newspaper “Sakalbela”
As a sports editor he had to cover World Cup Football, World Cup Cricket, Olympic Games and Asian Games for which he had widely traveled abroad. He is also seen as an authority on football and cricket in the panel of experts he was associated with various news channel.
In 1994, he wrote his first novel “Juwari”, when this was published in “Ananda Bazar Patrika” it brought him instant fame two of his novels “Juwari” & “Lal Ranger Prithivi” were made into films. He wrote sixteen novels the last one titled “Reality Slow” which was recently published. This new concept was well received by his fans. Even in the small screen he made his presence felt in the form of two serial “Sada Patay Kalo Daag” and Football in Zee TV. There were several telefilms and also another serial “Chorapothey Chiriakhana”. Rupak Saha also had contributed to several books on football. He was the proud recipient of the “Best Sports Journalist” award by the Govt. of West Bengal.
বেশ কয়েকবছর ধরেই শ্রীচৈতন্যের অন্তিম পরিণতি কী হয়েছিল, তাই নিয়ে বহু চর্চা এবং চিন্তন চলেছে। এ-কথা অনস্বীকার্য যে ট্রু ক্রাইমের অনুরাগী বাঙালির কাছে এই রহস্যের আবেদন চিরন্তন। বাঙালির ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ দুই যুগনায়কের অন্তিম পরিণতিই রহস্যাবৃত। তাঁদের মধ্যে সুভাষচন্দ্র বসু'র ক্ষেত্রে নথিপত্র, এমনকি সাক্ষীর অভাব নেই। কিন্তু শ্রীচৈতন্যের ব্যাপারটা সর্বার্থে কোল্ড কেস। তাঁর ঠিক কী হয়েছিল - এই নিয়ে আলোচনা তথ্য-প্রমাণের বদলে স্পেকুলেশন, শেষে স্পেকুলেটিভ ফিকশনের চেহারাই নিয়ে নেয় অচিরে। এই বই সেই ধারাকেই দীর্ঘায়িত করে একখানা ইতিহাস ও বর্তমান মেশানো থ্রিলারের চেহারা নিয়েছে। রূপক সাহা রহস্যকাহিনির লেখক হিসেবে লব্ধপ্রতিষ্ঠ। তাঁর যেকোনো লেখায় থাকে অধ্যয়ন ও গতির মিশ্রণ। এই বইয়েও তিনি পাঁচশো বছরেরও বেশি পুরোনো এক রহস্যকে মার্ডার মিস্ট্রি বানিয়েছেন সযত্নে, যাতে অতীত আর বর্তমান মিশে গেছে অনায়াসে। তাহলে মাত্র তিন তারা কেন? কারণ ক্রাইম থ্রিলারের বদলে এই আখ্যান অনেকটাই পলিটিক্যাল থ্রিলার। সেই চেহারা দিতে গিয়ে এই বিশাল কাহিনিকেও আখেরে এতটাই সরল করে দেওয়া হয়েছে, যা আমার ভালো লাগেনি। আর হ্যাঁ, চৈতন্য রহস্যের যে সমাধানটা লেখক প্রস্তাব করেছেন, তা যে সঠিক নয় - তা আমি জানি। তবু, ইতিহাস-আধারিত এই রহস্যটি নিয়ে যদি জানতে চান, যদি অনুভব করতে চান চরিত্রগুলোর প্রাচীন ও বর্তমান অবস্থান, তাহলে এই বইটি পড়তেই পারেন।
মহাপ্রভু শ্রী চৈতন্যদেবের মৃত্যু ও অন্তর্ধান রহস্য নিয়ে লেখা থ্রিলার বিষয়ক উপন্যাস 'ক্ষমা কর, হে প্রভু 'পড়লাম। এই বিতর্কিত বিষয় নিয়ে অবশ্য আজকাল প্রচুর বই লেখা , গবেষণা ও চর্চা হয়েছে। এই উপন্যাসের মাধ্যমে লেখক শ্রী চৈতন্যর অন্তর্ধান রহস্যের নিজের মতো করে সমাধান সূত্র খোঁজার চেষ্টা করেছেন। ফিকশন হিসেবে মন্দ নয়। লেখনী বেশ গতিময় ও মনোগ্ৰাহী । বর্তমান রাজনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত ঘটনাবলী বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে সামাঞ্জস্য রেখে উপন্যাসে বিভিন্ন চরিত্রের মাধ্যমে দেখানো হয়েছে।এছাড়া বেশ কিছু অলৌকিক বিষয় উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে। গোরা ,জয়দেব , সুশোভন,উপাসনা ও পুরন্দর, পদ্মনাভ এই সব চরিত্র গুলিকে সুন্দরভাবে গড়ে তোলা হয়েছে। চৈতন্য মহাপ্রভু, নিত্যানন্দ ইত্যাদি আরও কিছু ঐতিহাসিক চরিত্রগুলির উপস্থিতি ও তাঁদের কথোপকথনের মাধ্যমে পাঁচশো বছর আগে দেশের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় অবস্থান সম্পর্কে লেখক সরলভাবে বলার চেষ্টা করেছেন। ভক্তিবাদ সম্পর্কিত লেখাগুলিও সুন্দর। মূল চরিত্র গোরা কে খুব ভালো লেগেছে। ওর নিজেকে খুঁজে পাওয়া নিয়ে একটা মানসিক টানাপোড়েনের মধ্যে থাকা ও শেষে আধ্যাত্মিক উপলব্ধির দিকে এগিয়ে যাওয়া এই অংশগুলি অলৌকিকভাবে দেখানো হলেও ভালো লেগেছে।
তবে বেশ কিছু ঘটনাপ্রবাহ বড্ড বেশী নাটকীয় ,কাকতালীয় ও অপ্রয়োজনীয় মনে হয়েছে। চৈতন্যের জন্মান্তর ছাড়া অন্যান্য অলৌকিক উপাদান এত বেশী না রাখলেও চলতো। শুরু থেকে যতটা সুন্দর ভাবে এগিয়েছিল শেষের দিকে অলৌকিক, রাজনৈতিক, পুরাণ, রহস্য ও ষড়যন্ত্র নিয়ে এতো রকম ঘটনাপ্রবাহ মিশিয়ে দেওয়ায় ফলে ততটা ভালো লাগছিল না। যদিও সাবলীল লেখা তাই একঘেয়ে মনে হয়নি তবে উপন্যাসটি আরো কম্প্যাক্ট হলে বেশী ভালো লাগতো। ।
বই এর প্রচ্ছদ বিষয় অনুসারে যথাযথ। পেজ কোয়ালিটি ভালোই।ফন্ট সাইজ সামান্য একটু বড় হলে ভালো হতো।ভূমিকা থেকে জানতে পারলাম ঋতুপর্ণ ঘোষ এই উপন্যাস লিখতে লেখককে উৎসাহ দিয়েছিলেন।
যাই হোক মোটের উপর এই উপন্যাস ( অবশ্যই ফিকশন হিসাবে 😊)আমার ঠিকঠাক মনে হয়েছে। যতটুকু আমার জানা চৈতন্য দেবের অন্তর্ধান রহস্য নিয়ে আরো অনেক যুক্তিপূর্ণ তথ্য ও সুত্র পাওয়া গেছে তবু যারা শ্রী চৈতন্য সম্পর্কে পড়তে ভালোবাসেন তারা পড়তে পারেন এই উপন্যাস।
শুরুতে বেশ ভালোই লাগছিল। উপন্যাসের বিষয়বস্তুটা ইন্টারেস্টিং, তাছাড়া লেখায় গতিও ছিল বেশ। শ্রীচৈতন্য অনেকের কাছেই মহাপুরুষ বা অলৌকিক ক্ষমতা সম্পন্ন কেউ বলে বিবেচিত হতে পারেন তবে আমার দৃষ্টিতে তিনি একজন সমাজ সংস্কারক যিনি জাতপাত আর গোঁড়ামির বিরুদ্ধে আরও ৫০০ বছর আগেই ভিন্ন একটি ধারা তৈরি করতে চেষ্টা করেছিলেন। সে চেষ্টা অবশ্য ধর্মের পথ ধরেই হয়েছে তবে মানুষে মানুষে ভেদাভেদ ভুলে এক হয়ে যাওয়ার চেষ্টা অন্ততঃ তার মতবাদ বা বিশ্বাস বা আন্দোলন যাই বলি না কেন তাতে ছিল। তো এমন ঐতিহাসিক একজন মানুষের মৃত্যুর ঘটনায় যে অলৌকিকত্বের প্রচার শুনে এসেছিলাম তা সত্যি হতে পারে না, কিন্তু সত্যিটা কি। তার মৃত্যু কিভাবে হয়েছিল সেই অজানাকে জানার জন্যই বইটা পড়া।
তবে এটাও ঠিক ৫০০ বছরের আগের সত্য এখন উদঘাটন করা প্রায় অসম্ভব। তবে এটা যেহেতু ইতিহাসের বই নয়, উপন্যাস এখানে একটা সিদ্ধান্ত লেখক টানতেই পারেন এবং তা তিনি করেছেনও। কিন্তু একই সাথে তিনি এই যুগে তার পুনর্জন্ম নিয়ে এসে উপন্যাসটা মূলত সেই প্রেক্ষিতেই লিখেছেন। উপন্যাসে পুনর্জন্ম হয়েছে তার সেসময়ের কাছের মানুষদের এমনকি শত্রুদেরও। তবে হাস্যকর লেগেছে দুই জন্মে তাদের চেহারাও আবার পুরোপুরি একই। তার সাথে পুরাণ, মহাভারতের চরিত্রগুলোকেও লেখক এ যুগে নিয়ে এসে তালগোল পাকিয়ে ফেলেছেন। তার ওপর আছে মহাপ্রলয়, ২০১২ তে পৃথিবীর ধ্বংস, কাত্যায়নী নামের এক অদ্ভুত জীব এমনসব আনুসঙ্গিক বিষয়াদি। তাই উপন্যাসের মাঝের অংশ থেকে পড়তে গিয়ে বারবার হোঁচট খেতে হয়েছে, শেষ দিকে শেষ করতে কষ্টই হয়েছে। তবে শ্রীচৈতন্যের মৃত্যু রহস্য নিয়ে কাল্পনিকই হোক লেখক একটা কনক্লুশনে এসেছেন তা কাল্পনিকই হোক, অন্ততঃ সেখানে ধোঁয়াশা রাখার চেষ্টা করেন নি। শেষ করার পর মনে হলো মোটেও তো ভালো লাগলো না, তবু স্বীকার করতেই হবে শুরুর অর্ধেক বেশ ভালো লেগেছিল, ভালো লাগছিলো।
Khub e valo lekha, kintu ses ta jeno aro valo kora jeto, realistic hole aro valo hoto. aro akta bapar, howrah theke Train charle age Bally darai tarpor belur ase ata Bally er basinda hoye jana chilo na.
মহাপ্রভুর মৃত্যু রহস্যের উপর ভিত্তি করে লেখক রূপক সাহা এই উপন্যাসের শুরুটা করেছিলেন দুরন্ত, ভালো বুনোট ছিল কিন্তু শেষটা অন্যরকম হলে আরও ভালো লাগতো, শেষ দিকে যেন খেই হারিয়ে গেছে লেখার। সামগ্রিকভাবে সুখপাঠ্য।
অসামান্য ও অলৌকিক এক কাহিনী.... লেখক ঠিকই বলেছিলেন, আরও বেশ কিছু কথা লেখা যেত... . . . . . . . . . সম্পূর্ণ আলেখ্যয় একটা ভুল চোখে পড়ল, শুরুতে বলা হয় গোকুলানন্দ এঁকেছিলেন চারটি ছবি, পরে দেখি ৩ টি বলা হয়েছে...