একশাে বছর আগের ভবিষ্যদ্বাণী । বিজ্ঞানীরা আদাজল খেয়ে মাঠে নেমেছিলেন। কিন্তু মিলছিল না মহাকর্ষ তরঙ্গ। অবশেষে অপেক্ষার অবসান হলাে ২০১৬ সালে। বিজ্ঞানীদের পাতা ফাঁদে ধরা পড়ল মহাকর্ষ তরঙ্গ। শত বছরে তাে কম জল ঘোলা হয়নি। স্বয়ং আইনস্টাইনই বাতিল করতে চেয়েছিলেন। আবার এই তরঙ্গই কাল হলাে জোসেফ ওয়েবারের জীবনে। কিন্তু কেন? কী এমন বৈশিষ্ট্য এর? মহাকর্ষ তরঙ্গ নিয়ে যে বিজ্ঞানী ও বিজ্ঞানপ্রেমীদের এত উচ্ছাস, তারই বা কারণ কী? কী দেবে এই তরঙ্গ? বাংলাদেশি বিজ্ঞানীরাই বা কীভাবে জড়ালেন এই মহাযজ্ঞে?