Jump to ratings and reviews
Rate this book

জুড়াই এ কান আমি ভ্রান্তির ছলনে

Rate this book
অপহৃত হলো এক তরুণী—অগ্নিজিতা। ওকে উদ্ধারে অনেক যুগ পর আবারও বেরিয়ে এলো নরকের পিশাচরা। রণক্ষেত্রে হাজির হলো রহস্যময় কিছু চরিত্র—দজ্জাল, মোমিন বান্দা, সিরাজ সাঁই, লালন, জল্লাদ।
বোনকে উদ্ধারে যুদ্ধের ময়দানে নেমে পড়েছে মেসায়াহও, সেই সাথে খুঁজছে বাবার ট্রেইল। স্মৃতির ক্যানভাস থেকে তাকে উদ্ধার করতে বদ্ধপরিকর স্কুল না পেরোনো মেয়েটা।
এদিকে স্মৃতির শহরে বহুদিন পর হাজির হলো সন্ন্যাসী। জড়িয়ে পড়ল অগ্নিজিতাকে উদ্ধারের কাজে। কেন? কী সম্পর্ক ওর মেয়েটার সাথে? কেন ওকে অপরাধ জগতের মুকুটহীন সম্রাট বলা হয়? কেন লোকে ওকে আধা-সাধু, আধা-পিশাচ ডাকে?
ভ্রান্তির ছলনে থেকে কি মুক্তি মিলবে ক্যারোলিন ম্যারিনের?
এই সবের উত্তর মিলবে জুড়াই এ কান আমি ভ্রান্তির ছলনে উপন্যাসে।

223 pages, Hardcover

First published May 16, 2026

Loading...
Loading...

About the author

Mohammad Khaledul Islam Khan

37 books43 followers
খালেদ নকীব: আদি বাসস্থান ঢাকার অদূরে দোহার উপজেলার খালপাড় গ্রামে। তবে বেড়ে উঠেছেন ঢাকার রায়েরবাজারে। পড়াশুনা; রায়েরবাজার উচ্চ বিদ্যালয়, সরকারী তিতুমির কলেজ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। পরবর্তীতে এমবিএ করেছেন স্টেট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ থেকে। ব্র্যান্ড মার্কেটিং নিয়ে কাজ করেন বিভিন্ন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে।
বাবা সিরাজুল ইসলাম খান ছিলেন পদস্থ সরকারী কর্মকর্তা এবং সাহিত্যানুরাগী। তার প্রেরণাতেই লেখালেখির হাতেখড়ি। এ পর্যন্ত প্রকাশিত হয়েছে ওয়েস্টার্ন উপন্যাস ‘মরুঝড়’ এবং ‘জনক’, নিয়তি(ওয়েস্টার্ন সঙ্কলন), বাংলা ভাষায় সর্বপ্রথম জুলভার্নের পূর্নাঙ্গ অনুবাদ টুয়েন্টি থাউজেন্ড লিগস আন্ডার দ্য সি, ট্রু গ্রিট(চার্লস পোর্টিস), আ ক্ল্যাশ অব কিংস(জর্জ আর আর মার্টিন), অ্যান ইনোসেন্ট ক্লায়েন্ট(স্কট প্র্যাট), র‌্যামজি’স গোল্ড( রাসেল ব্লেইক), আ ফ্লোটিং সিটি(জুলভার্ন), দ্য ম্যান ইন দ্য হাই ক্যাসেল(ফিলিপ কে ডিক), ওডাসিটি অভ হোপÑআমেরিকান স্বপ্নের অদম্য প্রত্যাশা(বারাক ওবামা), দ্য প্ল্যানটেশন (ক্রিস কাজনেস্কি), পোস্টার্ন অভ ফেইট (আগাথা ক্রিস্টি), এ টাইম টু কিল(জন গ্রিশাম), স্টেট অফ টেরর (হিলারি ক্লিনটন, লুইস পেনি)।
প্রকাশিতব্য বইয়ের মধ্যে রয়েছে, কর্নেল কোয়ারিচ ভিসি(স্যার হেনরি রাইডার হ্যাগার্ড), ডুন(ফ্র্যাংক হারবার্ট) ইত্যাদি।


Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
0 (0%)
4 stars
2 (28%)
3 stars
3 (42%)
2 stars
2 (28%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 4 of 4 reviews
Profile Image for নাহিয়্যান.
54 reviews3 followers
June 6, 2026
এর বেশি রেটিং দেওয়া সম্ভব না আসলে।

ক্যারোলিন ম্যারিন। পেশায় একজন ডাক্তার। অগ্নিজিতা তারই বড় মেয়ে। এই অগ্নিজিতাকে অপহরণ করে শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী নিউটন। প্রশাসনের কাছ থেকে কোনোরূপ সাহায্য পাচ্ছে না ডা. ম্যারিন। হাজির হয় মোমিন বান্দা। সন্ন্যাসীর ডান হাত। এক সেকেন্ড!! আবার এই সন্ন্যাসীটা কে?? একে একে চলে আসে দজ্জাল, ডুগি, সিরাজ সাঁই এবং লালন। আরে!! এরা কারা? কোথা থেকে এলো এরা?

বইটার প্রচারণা ছিলে বেশ ভালো। বিশেষ করে লেখকের "বিহাইন্ড দ্য সিন" শিরোনামে পোস্টগুলো ইউনিক লেগেছিল। আবার বইয়ের প্রচ্ছদটাও ছিল দারুণ। এসব মিলিয়ে মনে করেছিলাম আউট অব দ্য বক্স কিছু পেতে যাচ্ছি। আসলেই কি তাই?

প্রথম দিকে পড়ার সময় মনে হয়েছিল গুপ্ত সংঙ্ঘ রিলেটেড কোনো গল্প হবে। কিন্তু যতই আগাচ্ছিলাম, বই পড়ার প্রতি অনীহা চলে আসতে লাগলো। মনে হচ্ছিল সাউথ ইন্ডিয়ান কোনো সিনেমা দেখছি। একটা কিডন্যাপ নিয়ে এত কিছু হয়ে গেল। আমি আসলে চরিত্রগুলোর নামকরণ বুঝতে পারছিলাম না। সন্ন্যাসী, মোমিন বান্দা, সিরাজ সাঁই, দজ্জাল, ডুগি ইত্যাদি ইত্যাদি এসব নামকরণের পিছনের হিস্টোরি কি? সন্ন্যাসী কীভাবে এত ক্ষমতা পেলো? এসবের সাথে লেখক স্যাটায়ার যুক্ত করেছেন। যুতসই মনে হয় নি আমার। সবমিলিয়ে বই পড়ার অভিজ্ঞতা ভালো ছিল না।

তবে যাদের মারদাঙ্গা অ্যাকশন এবং ওয়ান ম্যান আর্মি টাইপ বই পছন্দ তাদের নিশ্চয়ই ভালো লাগবে।

শেষ করি আপাতত। ভালো থাকবেন সবাই। বইয়ের সাথে ভালো সময় কাটুক।

বই : জুড়াই এ কান আমি ভ্রান্তির ছলনে
লেখক : খালেদ নকীব
প্রকাশনা : Bibliophile
প্রচ্ছদ : আশিকুর রহমান বিশাল
Profile Image for Tasfia Promy .
179 reviews33 followers
July 5, 2026
২০২৬ রিভিউ
বিষয়ঃ বই
রিভিউঃ ৩৬
বইঃ জুড়াই এ কান আমি ভ্রান্তির ছলনে
লেখকঃ খালেদ নকীব
জঁরাঃ থ্রিলার

ভ্রান্তির ছলনায় কান-মন-প্রাণ সব জুড়াই, কিন্তু সে শান্তি দেয় না যন্ত্রণা তা জানে কেন?
প্রভাবশালী ডাক্তার ক্যারোলিনের বড় মেয়ে অগ্নিজিতাকে কিডন্যাপ করা হয়েছে।

সেই মেয়েকে উদ্ধারের জন্য ঝাঁসির রাণী ফোন করে সন্ন্যাসীকে। এক ফোন কলেই জেগে ওঠে ঘুমিয়ে থাকা আগ্নেয়গিরি যেন। লাভা আর স্ফুলিঙ্গ ছড়িয়ে পড়তে থাকে চারদিকে। যেন ধ্যান ভঙ্গ হল সন্ন্যাসীর। একে একে চিত্র পটে জড়ো হয় সিরাজ সাঁই, লালল, মোমিন বান্দা, কোতয়াল, দজ্জাল, নিউটন আরো অনেকেই। একের থেকে অন্যজন যেন সাক্ষাৎ ইবলিশের রূপ। এ বলে আমাকে দেখ, ও বলে আমাকে।
ইমাম, মেসায়াহ, সন্ন্যাসী এরা ঠিক কোন অবতার রূপে আবির্ভূত হচ্ছে বোঝা মুশকিল। নির্মমতার যে রূপ এই প্রত্যেকে দেখাচ্ছে সেটা কল্পনা করাও সাধারণের পক্ষে অসম্ভব।

বাস্তব ভিন্ন একে নিছক ফিকশন বলা যায় না, স্বার্থের জন্য নিজের বাপ মায়ের বুকে যদি সন্তান ছোরা বসাতে পারে, সেখানে অন্যকে মেরে ফেলা, উচ্ছেদ করে ফেলা বা কিডন্যাপ করানো, অঙ্গহানি করা এসব তো নিছকই ছেলে খেলা।

সন্ন্যাসী কিংবা লালনদের মত মানুষের কাছে নিজের স্বার্থই বড়, একদিকে যেমন কেউ বেঈমানীর সাজা পায়, আবার ঈমানদারীর পুরুষ্কার ও জোটে। সবটাই কিন্তু এক অন্ধকার জগতে। আলোর জগতের মানুষ তাদের বলা যায় না।

ক্যারোলিন - পেশায় ডাক্তার, দুই মেয়ে। শাওন নামে তার জীবনে এক ব্যক্তি আছে, আসে সে হুট করেই। অদ্ভুত চরিত্র এই ছেলেটার। এই শাওন চরিত্রের আগমন, প্রথমে কিছুটা দোটানায় ফেলতে পারে, কে এই শাওন? যদিও কিছুটা পথ পেরোলেই তাকে চিনবেন।

স্বামী তার অনেক আগে মা/র/আ গেছে বলেই জানে সে। ছোট মেয়ে রিমঝিম। কিশোরী হলেও দুঁদে হ্যাকার। দুনিয়ার তাবৎ ওয়েবসাইট হ্যাক করা ওর কাছে পানি ভাত। মাত্র ক্লাস থ্রিতে পড়তেই সে আবিষ্কার করে এক সত্য, সেই সত্যকে খুঁজতেই ওর হ্যাকার হওয়া।

অগ্নিজিতাকে ঘিরেই এই গল্প, কিন্তু তার সম্পর্কে তথ্য খুব কম, যেটা পেলে ভালো লাগত।
সন্ন্যাসী-মেসায়াহদের আসল সত্য বের হবে এবার? ক্যারোলিন যা জানে আর যা জানে না তার মধ্যে যে বিশাল তফাৎ! সেই দূরত্ব ঘুচবে তো?
উদ্ধার হবে অগ্নি? কে করবে? কী স্বার্থে? উদ্ধারের বিনিময় মূল্য কী?

বইটার শুরু থেকেই মারাত্মক ইন্টারেস্টিং। কাজ কর্ম না থাকলে, ঠান্ডা মাথায় ঘন্টা দুই বসলেই শেষ করা সম্ভব। বইটা নিয়ে অনেক বিস্তারিত লেখা যায়, কিন্তু রিভিউ পাঠক কিংবা আমজনতার এটেনশন স্প্যান এতই কম যে এইটা নিয়ে বেশি লিখতে ইচ্ছা করলেও লেখা যাবে না।
একটা সময় ছিল, যখন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে যে কেউ ছাত্র রাজনীতির শিকার হত, খু#ন বা জখ%ম হওয়া, দুই-তিন পক্ষের কোন্দল এ তো একেবারেই নিত্য দিনের সূর্য উদয়াস্তের মত ঘটনা ছিল। তো কথা হল, আজো ছাত্র রাজনীতির শিকার অনেকেই হয়, সেই চিত্র আগের চেয়ে কিছু ভিন্ন। গল্পের ভিত হয়তো সেই রাজনীতিই ছিল কিংবা অন্য কিছু।

চরিত্রায়ণ, ঘটনার ঘনঘটা, অতীত আর বর্তমান, নিখুঁত হাতেই সামলেছেন লেখক, ঘটনা মুহুর্তে মুহুর্তে যেভাবে পাল্টেছে, লেখক যেভাবে সামলেছেন সেটা সত্যিই চমৎকার।

সাধারণ ঘরানার বাইরের প্রচ্ছদ সবচাইতে সুন্দর। এই ফোর হর্সমেন প্রজেক্টের এইই বইটার প্রচ্ছদ আমার সবচাইতে বেশি ভালো লেগেছে। আশিকুর রহমান বিশাল ভাইকে এর জন্য অনেক বড় ধন্যবাদ প্রাপ্য।
প্রতিটা চরিত্র নিয়ে একটা ধোঁয়াশা রাখা হয়েছে, কিছু তথ্য আছে আবার কিছু নেই। এই খানে লেখক হয়তো পাঠকের কল্পনার উপরে অনেক কিছুই ছেড়ে দিয়েছেন।
সাধারণত যারা মানুষের জান নিতে দু বার ভাবে না, ওদের মত শয়তান-যমের দূতের শায়েরী তো দূর দু ছত্র কবিতাও পছন্দ না! এরকম পাষাণ দিল একজনের রুমী-গালিবের শায়েরি বেশ পছন্দ।

শাওন, অগ্নি, রিমঝিম এরাও কেউ রুমীর কবিতা পছন্দ করে, আবার কেউ গালিবের শায়েরি।

“জান তুম পার নিসার করতা হুঁ,
ম্যায় নেহি জানতা দুয়া ক্যা হ্যায়।”

আমি তোমার ওপর আমার জীবন উৎসর্গ করি;
এর বাইরে আমি আর কোনো প্রার্থনা বা দোয়া জানি না।
শাওনের মনের কথা হয়তো এটাই ছিল, ক্যারোলিনের জন্য।
Profile Image for A. Rahman Bishal.
313 reviews15 followers
June 6, 2026
বইটার পটেনশিয়াল ছিল; কিন্তু কতটুকু ডেলিভার করতে পারসে, সেইটা হচ্ছে প্রশ্ন। আর তার অন্যতম কারণ সম্ভবত মূল টেক্সট থেকে অনেক পরিমাণে কাটছাঁট করা (লেখক নিজেই বলেছেন)।

যা ভালো লাগসে:
- নামটা চমৎকার। গতানুগতি থ্রিলার বইয়ে সাধারণত এমন নাম দেখা যায় না। আগ্রহ জাগানোর জন্য বেশ কার্যকরী। তবে, সার্থক ছিল কি?
- চরিত্রগুলোর নামকরণ; একটু উদ্ভট বটে, কিন্তু ভালো লাগার মতো। এমন নাম কেন হইতে পারে, সেইটা আন্ডারস্ট্যান্ডেবল; কিন্তু আসলেও কি বাস্তবে তাই হয়?
- চরিত্রগুলা নিজেরাও বেশ ইন্টারেস্টিং। বলাই বাহুল্য, বিশেষ করে সন্ন্যাসী।
- লেখা বেশ ঝরঝরে। তরতর করে পড়ে যাওয়া যায়।
- শায়েরীর সাথে ব্লেন্ড। ভালো লাগসে ব্যাপারটা; তবে মাঝে সাঝে একটু বেশি হলো কি?
- থেকে থেকে কিছু হিউমার ভালোই লেগেছে।

যা ভালো লাগে নাই:
- সন্ন্যাসীকে বারবার যেভাবে পরিচয় করানো হচ্ছিল; নরকের পিশাচ, হ্যান-ত্যান, সেইটা খানিক বিরক্তিকর। কারণ মাত্রাতিরিক্ত রিপিটেশন। সেই বিরক্তি আরও বাড়ে, যখন সেইটা কাজে দেখা যায় না। সন্ন্যাসীর এমন কোন কাজকাম নাই বইয়ে, যেটা তার এই বারংবার দেয়া পরিচয়কে জাস্টিফাই করে।
- ব্যাকস্টোরি যা আছে, সেখান থেকে সন্ন্যাসীর কেন এত পাওয়ার সেইটা ঠিক বোধগম্য হয় নাই।
- একটা অ্যাকশন হেভি থ্রিলারে অ্যাকশনের কোয়ালিটি ভালো হইতে হয়। এইখানে খারাপ না, তবে একটু বেশি রাশড আর দক্ষিণের সিনেমার মতো। ডিটেইল্ড অপারেশনাল সিন বা কমব্যাট নাই। বইয়ের ট্যাগ আর গল্প সেইটা ডিজার্ভ করে।
- গল্পের টাইমলাইন তিনটা। বর্তমান, অতীত, এবং আরও অতীত। এই তিনের মাঝে অতীতের টাইমলাইনটাই আমার বেশি ভালো লেগেছে; কেরুমেরু আর শাওনের প্রেম। তবে আমার কাছে এই তিনের প্রবাহ সাজানো একটু কেমন যেন লেগেছে। এদেরকে একটু ভিন্নভাবে সাজালে, সমান্তর ধারায় বইতে দিলে হতো আরও ভালো লাগত আমার। উদাহরণ হিসেবে বলতে পারি, একটা কিডন্যাপ হওয়া নিয়ে কাহিনীর শেষ অংশ বন্দী উদ্ধারের পর বেশিদূর আগানো উচিৎ না। তাতে মূল গল্পের প্রতি রেস্পেক্ট হারায়। শেষের ফ্ল্যাশ-ব্যাক তা ঠিকমতো গুছায়ে আগে নাই কেন? তিনটা ধারা একইসাথে একই বিন্দুতে এসে মিলতেই পারতো। সম্ভবত লেখক গল্পের ফ্লোতে না লিখে একেকটা চ্যাপ্টার আলাদা আলাদা করে লিখেছিলেন? তাই কিনা, জানা নেই।

খালেদ ভাই আরও ভালো করবেন। আরও ভালো করার পটেনশিয়াল তিনি রাখেন। শুভকামনা।

আজ এট্টুকই।
বিবলিওফাইলের প্রোডাকশন বেশ ভালো হয়েছে।
প্রচ্ছদ আমার নিজের করা, তাই প্রশংসা করাটা কেমন দেখায়। তাও বলি, ভালোই হইছে।
Profile Image for Zanika Mahmud.
207 reviews11 followers
May 26, 2026
বইয়ের নামকরনের কোন সার্থকতা নেই এটা আমার অভিমত। উচিত ছিল হওয়া “নর-পিশাচ” টাইপ কেননা গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্রকে লেখকের এই রুপটাই দেবার সর্বাত্মক চেষ্টা ছিল, শুরু থেকে শেষ অব্দি।

অতিমানবীয় চরিত্রের একজন গুন্ডা আবার গালিব প্রেমিক যিনি কিনা অপরাধ জগতের সম্রাট, যার সন্তানের গুম হওয়াকে কেন্দ্র করেই কাহিনী শুরু এবং শেষ।
মাঝে অতীত বর্তমানের প্যারাডাইমে কাহিনী এগিয়ে গিয়েছে। এই সন্ন্যাসী কি করে আজকের সন্ন্যাসীতে পরিনত হলো তার গ্লিমস সময়ে সময়ে।

অতিমানবী শুধু কেন্দ্রীয় চরিত্র না, সাইড ভিলেনরাও। সাউথ ইন্ডিয়ান মুভি থেকে ইন্সপায়েরড কিনা জানতে আগ্রহী। আবার লেখকের ওয়েষ্টার্ন প্রীতিও কারণ হতে পারে। অতি নাটকীয়তায় আমার ধৈর্য বিচ্যুতি ঘটেছে, মাঝে কিঞ্চিৎ বিরক্তিরও উদ্রেক। দাদাগিরী ভায়োলেন্স যাদের পছন্দ তারা হয়ত ইনজোয় করবে।

তবে আলাদা করে প্রকাশনীর প্রশংসা করতেই হয়। বইয়ের প্রচ্ছদ থেকে শুরু করে বাইন্ডিং এর কাজ, এক কথায় চমৎকার। এইরম প্রোডাকশনের কাজ অব্যাহত থাকুক, এই কামনা।

#সাহিত্যানুশীলন
Displaying 1 - 4 of 4 reviews