What do you think?


আসলে উনি কে
96 pages, Hardcover
Published February 1, 2026
About the author
সুমন ভূঁইয়া
3 books3 followersSumon Bhuiyan is a Bangladeshi author who writes contemporary fiction, psychological mystery, and horror.
His stories explore human emotions, relationships, memory, and the hidden side of everyday life.
His published works include
*Mrittu*,
*Asole Uni Ke...?*,
*Nishash* (eBook), and
*10 Seconds*.
Through his writing, he aims to create stories that connect with readers and leave a lasting impression.
========
সুমন ভূঁইয়া একজন বাংলাদেশি লেখক। তিনি সমকালীন গল্প, মনস্তাত্ত্বিক রহস্য এবং হররধর্মী লেখা নিয়ে কাজ করেন।
তাঁর লেখায় উঠে আসে মানুষের আবেগ, সম্পর্ক, স্মৃতি এবং জীবনের অদেখা দিকগুলো।
তাঁর প্রকাশিত বইয়ের মধ্যে রয়েছে
‘মৃত্যু’,
‘আসলে উনি কে...,
‘নিঃশ্বাস’ (ই-বুক) এবং
‘১০ সেকেন্ড ’।
সহজ গল্পের মাধ্যমে পাঠকের মনে দীর্ঘস্থায়ী অনুভূতি তৈরি করাই তাঁর লেখালেখির অন্যতম উদ্দেশ্য।
His stories explore human emotions, relationships, memory, and the hidden side of everyday life.
His published works include
*Mrittu*,
*Asole Uni Ke...?*,
*Nishash* (eBook), and
*10 Seconds*.
Through his writing, he aims to create stories that connect with readers and leave a lasting impression.
========
সুমন ভূঁইয়া একজন বাংলাদেশি লেখক। তিনি সমকালীন গল্প, মনস্তাত্ত্বিক রহস্য এবং হররধর্মী লেখা নিয়ে কাজ করেন।
তাঁর লেখায় উঠে আসে মানুষের আবেগ, সম্পর্ক, স্মৃতি এবং জীবনের অদেখা দিকগুলো।
তাঁর প্রকাশিত বইয়ের মধ্যে রয়েছে
‘মৃত্যু’,
‘আসলে উনি কে...,
‘নিঃশ্বাস’ (ই-বুক) এবং
‘১০ সেকেন্ড ’।
সহজ গল্পের মাধ্যমে পাঠকের মনে দীর্ঘস্থায়ী অনুভূতি তৈরি করাই তাঁর লেখালেখির অন্যতম উদ্দেশ্য।
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 1 of 1 review
August 9, 2026
আসলে উনি কে? — ভয়টা যখন চোখের সামনে নয়, মাথার ভেতরে
“আসলে উনি কে?” প্রথম দেখায় রহস্য কিংবা অতিপ্রাকৃত ঘটনার গল্প মনে হলেও, পড়তে পড়তে বোঝা যায়—এর মূল লড়াইটা আসলে বিশ্বাস আর যুক্তির মধ্যে।
গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র আনিস। শহরে পড়াশোনা শেষ করে চাকরিসূত্রে সে যায় রাউতি নামের এক প্রত্যন্ত গ্রামে। নতুন জায়গা, নতুন মানুষ—সবকিছুই তার কাছে অপরিচিত। কিন্তু গ্রামে পৌঁছানোর আগেই ঘটে এমন একটি ঘটনা, যেটাকে প্রথমে খুব সাধারণ মনে হলেও পরে সেটিই পুরো গল্পের রহস্যের দরজা খুলে দেয়।
রাউতিতে এসে আনিসের সামনে একের পর এক অদ্ভুত ঘটনা এবং মানুষের মুখে প্রচলিত নানা বিশ্বাস উঠে আসতে থাকে। গ্রামের মানুষ যেসব ঘটনাকে অলৌকিক বলে মেনে নিয়েছে, আনিস সেগুলো সহজে বিশ্বাস করতে চায় না। বরং প্রতিটি ঘটনার পেছনে যুক্তি খোঁজে। ভয়, স্মৃতি, বিভ্রম কিংবা মানুষের মন—সবকিছুরই সে কোনো না কোনো ব্যাখ্যা দাঁড় করাতে চেষ্টা করে।
আর এখানেই বইটির সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক।
পাঠক হিসেবে কখনো মনে হবে আনিসই ঠিক—ঘটনাগুলোর নিশ্চয়ই স্বাভাবিক কোনো ব্যাখ্যা আছে। আবার কয়েক পৃষ্ঠা পরেই এমন কিছু সামনে আসবে, যা আগের সিদ্ধান্ত নিয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করবে। লেখক সরাসরি ভয় দেখানোর বদলে বারবার সন্দেহ তৈরি করেছেন—যা ঘটছে, তা সত্যিই ঘটছে তো? নাকি মানুষের বিশ্বাসই ধীরে ধীরে সত্যের জায়গা দখল করছে?
গল্পের গ্রামীণ পরিবেশটাও রহস্য তৈরিতে বড় ভূমিকা রেখেছে। নির্জন রাস্তা, রাতের অন্ধকার, গ্রামের মানুষের মুখে ছড়িয়ে থাকা গল্প এবং অতীতের কিছু ঘটনা—সব মিলিয়ে একটা চাপা অস্বস্তি প্রায় পুরো বইজুড়েই থেকে যায়।
আনিস চরিত্রটিও ভালো লেগেছে। কারণ সে শুরু থেকেই ভয় পাওয়া কোনো চরিত্র নয়। সে প্রশ্ন করে, ব্যাখ্যা খোঁজে, নিজের যুক্তির ওপর ভরসা রাখে। তাই যখন সেই মানুষটির যুক্তিতেই ধীরে ধীরে ফাটল ধরতে শুরু করে, তখন ঘটনাগুলো পাঠকের কাছেও আরও রহস্যময় হয়ে ওঠে।
বইটির ভাষা সহজ এবং দ্রুত পড়া যায়। আঞ্চলিক সংলাপ গল্পের গ্রামীণ আবহের সঙ্গে মানিয়েছে। অধ্যায়গুলোও এমন জায়গায় শেষ হয় যে পরের অধ্যায়ে কী আছে, সেই কৌতূহলটা থাকে।
তবে একটি বিষয় মাথায় রাখা ভালো—এটি একটি বড় গল্পের প্রথম অংশ। তাই শেষ পৃষ্ঠায় পৌঁছে সব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে না। বরং কিছু রহস্যের উত্তর পাওয়ার বদলে আরও কিছু নতুন প্রশ্ন তৈরি হয়। যারা প্রতিটি রহস্যের সমাধান একই বইয়ে চান, তাদের কাছে শেষটা কিছুটা অসম্পূর্ণ মনে হতে পারে। আবার সিরিজধর্মী রহস্য পছন্দ করলে এই অসমাপ্ত অনুভূতিটাই দ্বিতীয় খণ্ডের প্রতি আগ্রহ তৈরি করবে।
সব মিলিয়ে “আসলে উনি কে?” ভূতের গল্পের চেয়ে মানুষের ভয়, বিশ্বাস, স্মৃতি এবং যুক্তিকে ঘিরে তৈরি একটি মনস্তাত্ত্বিক রহস্যের গল্প। বইটি শেষ করার পর রহস্যের চেয়েও একটি প্রশ্নই মাথায় বেশি ঘুরতে থাকে—
সব ঘটনার কি সত্যিই যুক্তিসংগত ব্যাখ্যা থাকে?
নাকি কখনো কখনো আমরা ব্যাখ্যা খুঁজতে খুঁজতেই এমন একটি জায়গায় পৌঁছে যাই, যেখানে যুক্তি আর বিশ্বাসের মাঝের সীমারেখাটা আর স্পষ্ট থাকে না?
“আসলে উনি কে?” প্রথম দেখায় রহস্য কিংবা অতিপ্রাকৃত ঘটনার গল্প মনে হলেও, পড়তে পড়তে বোঝা যায়—এর মূল লড়াইটা আসলে বিশ্বাস আর যুক্তির মধ্যে।
গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র আনিস। শহরে পড়াশোনা শেষ করে চাকরিসূত্রে সে যায় রাউতি নামের এক প্রত্যন্ত গ্রামে। নতুন জায়গা, নতুন মানুষ—সবকিছুই তার কাছে অপরিচিত। কিন্তু গ্রামে পৌঁছানোর আগেই ঘটে এমন একটি ঘটনা, যেটাকে প্রথমে খুব সাধারণ মনে হলেও পরে সেটিই পুরো গল্পের রহস্যের দরজা খুলে দেয়।
রাউতিতে এসে আনিসের সামনে একের পর এক অদ্ভুত ঘটনা এবং মানুষের মুখে প্রচলিত নানা বিশ্বাস উঠে আসতে থাকে। গ্রামের মানুষ যেসব ঘটনাকে অলৌকিক বলে মেনে নিয়েছে, আনিস সেগুলো সহজে বিশ্বাস করতে চায় না। বরং প্রতিটি ঘটনার পেছনে যুক্তি খোঁজে। ভয়, স্মৃতি, বিভ্রম কিংবা মানুষের মন—সবকিছুরই সে কোনো না কোনো ব্যাখ্যা দাঁড় করাতে চেষ্টা করে।
আর এখানেই বইটির সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক।
পাঠক হিসেবে কখনো মনে হবে আনিসই ঠিক—ঘটনাগুলোর নিশ্চয়ই স্বাভাবিক কোনো ব্যাখ্যা আছে। আবার কয়েক পৃষ্ঠা পরেই এমন কিছু সামনে আসবে, যা আগের সিদ্ধান্ত নিয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করবে। লেখক সরাসরি ভয় দেখানোর বদলে বারবার সন্দেহ তৈরি করেছেন—যা ঘটছে, তা সত্যিই ঘটছে তো? নাকি মানুষের বিশ্বাসই ধীরে ধীরে সত্যের জায়গা দখল করছে?
গল্পের গ্রামীণ পরিবেশটাও রহস্য তৈরিতে বড় ভূমিকা রেখেছে। নির্জন রাস্তা, রাতের অন্ধকার, গ্রামের মানুষের মুখে ছড়িয়ে থাকা গল্প এবং অতীতের কিছু ঘটনা—সব মিলিয়ে একটা চাপা অস্বস্তি প্রায় পুরো বইজুড়েই থেকে যায়।
আনিস চরিত্রটিও ভালো লেগেছে। কারণ সে শুরু থেকেই ভয় পাওয়া কোনো চরিত্র নয়। সে প্রশ্ন করে, ব্যাখ্যা খোঁজে, নিজের যুক্তির ওপর ভরসা রাখে। তাই যখন সেই মানুষটির যুক্তিতেই ধীরে ধীরে ফাটল ধরতে শুরু করে, তখন ঘটনাগুলো পাঠকের কাছেও আরও রহস্যময় হয়ে ওঠে।
বইটির ভাষা সহজ এবং দ্রুত পড়া যায়। আঞ্চলিক সংলাপ গল্পের গ্রামীণ আবহের সঙ্গে মানিয়েছে। অধ্যায়গুলোও এমন জায়গায় শেষ হয় যে পরের অধ্যায়ে কী আছে, সেই কৌতূহলটা থাকে।
তবে একটি বিষয় মাথায় রাখা ভালো—এটি একটি বড় গল্পের প্রথম অংশ। তাই শেষ পৃষ্ঠায় পৌঁছে সব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে না। বরং কিছু রহস্যের উত্তর পাওয়ার বদলে আরও কিছু নতুন প্রশ্ন তৈরি হয়। যারা প্রতিটি রহস্যের সমাধান একই বইয়ে চান, তাদের কাছে শেষটা কিছুটা অসম্পূর্ণ মনে হতে পারে। আবার সিরিজধর্মী রহস্য পছন্দ করলে এই অসমাপ্ত অনুভূতিটাই দ্বিতীয় খণ্ডের প্রতি আগ্রহ তৈরি করবে।
সব মিলিয়ে “আসলে উনি কে?” ভূতের গল্পের চেয়ে মানুষের ভয়, বিশ্বাস, স্মৃতি এবং যুক্তিকে ঘিরে তৈরি একটি মনস্তাত্ত্বিক রহস্যের গল্প। বইটি শেষ করার পর রহস্যের চেয়েও একটি প্রশ্নই মাথায় বেশি ঘুরতে থাকে—
সব ঘটনার কি সত্যিই যুক্তিসংগত ব্যাখ্যা থাকে?
নাকি কখনো কখনো আমরা ব্যাখ্যা খুঁজতে খুঁজতেই এমন একটি জায়গায় পৌঁছে যাই, যেখানে যুক্তি আর বিশ্বাসের মাঝের সীমারেখাটা আর স্পষ্ট থাকে না?
Displaying 1 - 1 of 1 review


