What do you think?


নির্বাণ
আহমেদ বাওয়ানী স্কুলের মাস্টার—পঞ্চানন পাল। মাকে দেখতে যাওয়ার পথে বাসের ভেতর পঞ্চাননের পরিচয় হলো শিশুনাগ সেন্নামতের সাথে। অত্যন্ত তীক্ষ্ণ সিক্সথ সেন্সের অধিকারী এই প্রৌঢ় এক রহস্যময় চরিত্র। ইনি খুঁজে ফিরছেন পরমানন্দ লাভের গুহ্যতত্ত্ব। পরমানন্দ হলো সব ধরনের জাগতিক-মহাজাগতিক সুখের চূড়ান্ত রূপ, যা কখনও শেষ হয় না। জিনিস যত মহার্ঘ মূল্যও তত বেশি! পাকেচক্রে এসবের সাথে সস্ত্রীক জড়িয়ে গেল ছাপোষা মাস্টার পঞ্চানন।
শেষমেশ শিশুনাগ আদৌ কি খুঁজে পেল সেই গোপন বিদ্যে? এই “ক্ষ্যাপা খুঁজে ফেরে পরশ পাথর”-এর যাত্রায় শেষমেশ কাকে, কী মূল্য চোকাতে হলো? কোথায় শুরু এই কাহিনির? আর কেনই বা তা শুরু হলো? এসব প্রশ্নের উত্তর জানতে হলে শুরু থেকে শেষ অব্দি পড়তে হবে এই উপন্যাস—নির্বাণ।
শেষমেশ শিশুনাগ আদৌ কি খুঁজে পেল সেই গোপন বিদ্যে? এই “ক্ষ্যাপা খুঁজে ফেরে পরশ পাথর”-এর যাত্রায় শেষমেশ কাকে, কী মূল্য চোকাতে হলো? কোথায় শুরু এই কাহিনির? আর কেনই বা তা শুরু হলো? এসব প্রশ্নের উত্তর জানতে হলে শুরু থেকে শেষ অব্দি পড়তে হবে এই উপন্যাস—নির্বাণ।
135 pages, Hardcover
Published February 1, 2026
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 12 of 12 reviews
May 25, 2026
তৈমূর স্যারের লেখার ধাঁচটা আমার খুব ভালো লাগে। এজন্যই স্যার আমার প্রিয়। তাই স্যারের নতুন বই প্রকাশ মানেই তা আমার কাছে অবশ্যপাঠ্য। যথারীতি এটার লেখাতেও স্যারের সেই চিরচেনা ধাঁচের দেখা পাওয়া যাবে। কিন্তু গল্পটা ঠিক যুৎসই লাগেনি। হররের হ ও নেই। তাছাড়া মূল গল্পের চেয়ে পার্শ্বগল্পটাতে বেশি ফোকাস করে ফেলেছেন স্যার। গল্পের শেষ অংশটাও আমার কাছে দায়সারা রকমের মনে হয়েছে। যাইহোক, রেটিং কোন ব্যাপার না। স্যারের লেখা আমাকে টানবে। আশা ছাড়ছি না তাই আমি মোটেই।
May 22, 2026
২.৫/৫
মুহাম্মদ আলমগীর তৈমূর কী ফুরিয়ে যাচ্ছেন?
'বংশালের বনলতা' খ্যাত মুহাম্মদ আলমগীর তৈমূরের সদ্যপ্রকাশিত উপন্যাস 'নির্বাণ' একবসায় শেষ করলাম। পরম এক জ্ঞানের সন্ধানের কাহিনির সঙ্গে অতীত ও বর্তমানের এক রোমাঞ্চকর যাত্রার নাম 'নির্বাণ'।
সুন্দরী বউয়ের জ্বালায় জীবন অতিষ্ঠ দরিদ্র স্কুল শিক্ষক পঞ্চানন পালের। একদিকে বউয়ের নানা বায়না। অন্যদিকে, মানিকগঞ্জের গ্রামে বিধবা ও অসুস্থ মা ও গরিব বোনের জন্য তার দরদ - এই দুইয়ে মিলে পঞ্চানন পাল এক অসুখী জীবনকে যাপন করছিলেন। বাসে গ্রামের বাড়ি যাওয়ার পথে মোলাকাত হয় রহস্যময় চরিত্র শিশুনাগ সেন্নামতের সঙ্গে। অতিলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী এই সেন্নামতের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন পঞ্চানন পাল।
ভূ-ভারতের প্রাচীনতম মুণ্ডেশ্বরী মন্দিরের সঙ্গে টাঙ্গাইলের পাকুটিয়া জমিদারবাড়ির একটি আশ্চর্য যোগসূত্র লেখাটিকে আলাদা মাত্রা দিয়েছে।
ইদানীং মুহাম্মদ আলমগীর তৈমূরের লেখায় আগের মতো স্বাদ পাই না। সর্বশেষ প্রকাশিত 'সাঁঝবাতি' ও 'নজ্জুমি কিতাব'-এর তুলনায় এই বইটি তুলনামূলক নিষ্প্রভ। আর, লেখকের দুর্দান্ত ছোটগল্পগুলোর সঙ্গে তো তুলনাই চলে না। তবে হ্যাঁ, তৈমূর সাহেবের লেখায় সব সময়ই চিত্ররূপময় বর্ণনা থাকে। এবারও তার ব্যত্যয় হয়নি। তার লেখা বরাবরই গতিময়। এই গুণেই কম ভালো লাগলেও একবসায় পড়া চলে 'নির্বাণ'।
সরাসরি হরর উপাদান পছন্দ করেন - এমন পাঠকের জন্য বইটি লেখা নয়। বরং ইতিহাস ও পুরাণ নিয়ে আগ্রহী পাঠককে রসবঞ্চিত করবে না 'নির্বাণ'।
মুহাম্মদ আলমগীর তৈমূর কী ফুরিয়ে যাচ্ছেন?
'বংশালের বনলতা' খ্যাত মুহাম্মদ আলমগীর তৈমূরের সদ্যপ্রকাশিত উপন্যাস 'নির্বাণ' একবসায় শেষ করলাম। পরম এক জ্ঞানের সন্ধানের কাহিনির সঙ্গে অতীত ও বর্তমানের এক রোমাঞ্চকর যাত্রার নাম 'নির্বাণ'।
সুন্দরী বউয়ের জ্বালায় জীবন অতিষ্ঠ দরিদ্র স্কুল শিক্ষক পঞ্চানন পালের। একদিকে বউয়ের নানা বায়না। অন্যদিকে, মানিকগঞ্জের গ্রামে বিধবা ও অসুস্থ মা ও গরিব বোনের জন্য তার দরদ - এই দুইয়ে মিলে পঞ্চানন পাল এক অসুখী জীবনকে যাপন করছিলেন। বাসে গ্রামের বাড়ি যাওয়ার পথে মোলাকাত হয় রহস্যময় চরিত্র শিশুনাগ সেন্নামতের সঙ্গে। অতিলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী এই সেন্নামতের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন পঞ্চানন পাল।
ভূ-ভারতের প্রাচীনতম মুণ্ডেশ্বরী মন্দিরের সঙ্গে টাঙ্গাইলের পাকুটিয়া জমিদারবাড়ির একটি আশ্চর্য যোগসূত্র লেখাটিকে আলাদা মাত্রা দিয়েছে।
ইদানীং মুহাম্মদ আলমগীর তৈমূরের লেখায় আগের মতো স্বাদ পাই না। সর্বশেষ প্রকাশিত 'সাঁঝবাতি' ও 'নজ্জুমি কিতাব'-এর তুলনায় এই বইটি তুলনামূলক নিষ্প্রভ। আর, লেখকের দুর্দান্ত ছোটগল্পগুলোর সঙ্গে তো তুলনাই চলে না। তবে হ্যাঁ, তৈমূর সাহেবের লেখায় সব সময়ই চিত্ররূপময় বর্ণনা থাকে। এবারও তার ব্যত্যয় হয়নি। তার লেখা বরাবরই গতিময়। এই গুণেই কম ভালো লাগলেও একবসায় পড়া চলে 'নির্বাণ'।
সরাসরি হরর উপাদান পছন্দ করেন - এমন পাঠকের জন্য বইটি লেখা নয়। বরং ইতিহাস ও পুরাণ নিয়ে আগ্রহী পাঠককে রসবঞ্চিত করবে না 'নির্বাণ'।
May 22, 2026
নির্বাণ:
শ্রদ্ধেও মুহম্মদ আলমগীর তৈমূর স্যার রচিত "নির্বাণ" পড়ে শেষ করলাম। দু'টি কথা বলার ইচ্ছে জাগল বইটি নিয়ে। আলমগীর তৈমূর স্যার এর লেখার প্রধান উপাদান দুইটি-
• ইতিহাস অর্থাৎ গল্পের ভিতর গল্প। আবার বলা যায় গল্পের ছলে ইতিহাস জানানো।
• পুজা-অর্চনা/ অভিচারক্রিয়া/দেবতাদের সন্তুষ্টিলাভের পুজো/তন্ত্রসাধনা ইত্যাদি।
এর সাথে অতিপ্রাকৃত ব্যাপার স্যাপার থাকলেও তা থাকে সহকারী উপাদান হিসেবে। অল্পখানিক জায়গা নেয়। বইটি পড়া শুরু করতেই সাঁঝবাতির কথা মনে পড়ে যাবে পাঠকের।
সম্মোহনী লেখার ভঙ্গী:
ছোটো গল্প হোক বা উপন্যাস, মুহম্মদ আলমগীর তৈমূর এর লেখন শৈলীতে যে একটা সম্মোহনীভাব আছে তা পাঠকদের স্বীকার করতেই হবে। ভূমিকা পড়েই মনে হচ্ছিল যে, এটা একটা ছোটো গল্প! কীভাবে "বালিয়াটি জমিদার বাড়ি" প্রশাসনিক জটিলতার কারণে দেখতে না পেরে "পাকুটিয়া জমিদার বাড়ি" দর্শন আর তা থেকে গল্প লেখার রূপরেখা অঙ্কন, অল্প কথা দারুণভাবে ফুটে উঠেছে ভূমিকায়।
অল্প কথায় গল্প:
স্কুল শিক্ষক পঞ্চানন পাল সুন্দরী তরুণী বধুর আবদার সামলাতে দিশেহারা অবস্থা। মানিকগঞ্জে গ্রামে এক মাত্র কলেজ পড়ুয়া বোন থাকে বৃদ্ধা মাকে নিয়ে। না পারে মায়ের জন্য খচর করতে না পারে বউ রাধারাণীর চাহিদা ঠিকঠাক মতো মেটাতে। বেহাল দশা। তবুও দিন চলে যাচ্ছিল। ঘটনা যেদিন থেকে শুরু, পঞ্চাননের গ্রামে মায়ের কাছে বাসে করে যাওয়ার সময় একজন মধ্যবয়সী রহস্যময় যাত্রীর সাথে পরিচয় হয় নাম "শিশুনাগ সেন্নামত"। তার কাছ থেকেই পরবর্তীতে পঞ্চানন জানতে পারে পাকুটিয়া জমিদার বাড়ির ইতিহাস। এর সাথে তিনি এও জানান যে তিনি আছেন "পরমানন্দ লাভের গুহ্যতত্ত্ব" এর সন্ধানে। শিশুনাগ আদৌ খুঁজে পেয়েছিল সেই গোপন বিদ্যা?
ইতিহাসের কথা:
৩৫পৃষ্ঠা থেকে ৮৬পৃষ্ঠা পর্যন্ত পুরোটাই বিহার থেকে আগত রামকৃষ্ণ সাহা মণ্ডলের রাখাল থেকে মানিকগঞ্জের পাকুটিয়া জমিদার হয়ে ওঠার ইতিহাস। এই ইতিহাস একজন ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে বর্ণনা করলেও এটি মূলত তৎকালীন পাট, গুড়, লবণ, কাপড় ইত্যাদির বাণিজ্যিক অবস্থার বয়ান। রামকৃষ্ণ কীভাবে ইংরেজদের অধীনে কাজ করে নিজের আখের গুছিয়ে নিয়ে জমিদার হয়েছিল এসব পড়তে একটুও একঘেয়ে লাগার কোনো উপায় রাখেনি লেখকের শব্দের জাদুতে ভরা অসাধারণ বর্ণনাশৈলীর জন্য।
নিজের অভিমত:
সহজ সরলভাবে বর্ণিত কাহিনি, সংলাপ, ইতিহাসের সাথে সামান্য অতিপ্রাকৃতের মিশেল সবকিছু মিলিয়েই বইটি হয়েছে সুখপাঠ্য। এককথায় বলা যায়, মুহম্মদ আলমগীর তৈমূর এর পাঠক কে আবিষ্ট করে রাখার ক্ষমতা অসীম।
বই পরিচিতি:
নাম: নির্বাণ
লেখক: মুহম্মদ আলমগীর তৈমূর
প্রকাশনী: বিবলিওফাইল
মূল্য: ৪০০৳
শ্রদ্ধেও মুহম্মদ আলমগীর তৈমূর স্যার রচিত "নির্বাণ" পড়ে শেষ করলাম। দু'টি কথা বলার ইচ্ছে জাগল বইটি নিয়ে। আলমগীর তৈমূর স্যার এর লেখার প্রধান উপাদান দুইটি-
• ইতিহাস অর্থাৎ গল্পের ভিতর গল্প। আবার বলা যায় গল্পের ছলে ইতিহাস জানানো।
• পুজা-অর্চনা/ অভিচারক্রিয়া/দেবতাদের সন্তুষ্টিলাভের পুজো/তন্ত্রসাধনা ইত্যাদি।
এর সাথে অতিপ্রাকৃত ব্যাপার স্যাপার থাকলেও তা থাকে সহকারী উপাদান হিসেবে। অল্পখানিক জায়গা নেয়। বইটি পড়া শুরু করতেই সাঁঝবাতির কথা মনে পড়ে যাবে পাঠকের।
সম্মোহনী লেখার ভঙ্গী:
ছোটো গল্প হোক বা উপন্যাস, মুহম্মদ আলমগীর তৈমূর এর লেখন শৈলীতে যে একটা সম্মোহনীভাব আছে তা পাঠকদের স্বীকার করতেই হবে। ভূমিকা পড়েই মনে হচ্ছিল যে, এটা একটা ছোটো গল্প! কীভাবে "বালিয়াটি জমিদার বাড়ি" প্রশাসনিক জটিলতার কারণে দেখতে না পেরে "পাকুটিয়া জমিদার বাড়ি" দর্শন আর তা থেকে গল্প লেখার রূপরেখা অঙ্কন, অল্প কথা দারুণভাবে ফুটে উঠেছে ভূমিকায়।
অল্প কথায় গল্প:
স্কুল শিক্ষক পঞ্চানন পাল সুন্দরী তরুণী বধুর আবদার সামলাতে দিশেহারা অবস্থা। মানিকগঞ্জে গ্রামে এক মাত্র কলেজ পড়ুয়া বোন থাকে বৃদ্ধা মাকে নিয়ে। না পারে মায়ের জন্য খচর করতে না পারে বউ রাধারাণীর চাহিদা ঠিকঠাক মতো মেটাতে। বেহাল দশা। তবুও দিন চলে যাচ্ছিল। ঘটনা যেদিন থেকে শুরু, পঞ্চাননের গ্রামে মায়ের কাছে বাসে করে যাওয়ার সময় একজন মধ্যবয়সী রহস্যময় যাত্রীর সাথে পরিচয় হয় নাম "শিশুনাগ সেন্নামত"। তার কাছ থেকেই পরবর্তীতে পঞ্চানন জানতে পারে পাকুটিয়া জমিদার বাড়ির ইতিহাস। এর সাথে তিনি এও জানান যে তিনি আছেন "পরমানন্দ লাভের গুহ্যতত্ত্ব" এর সন্ধানে। শিশুনাগ আদৌ খুঁজে পেয়েছিল সেই গোপন বিদ্যা?
ইতিহাসের কথা:
৩৫পৃষ্ঠা থেকে ৮৬পৃষ্ঠা পর্যন্ত পুরোটাই বিহার থেকে আগত রামকৃষ্ণ সাহা মণ্ডলের রাখাল থেকে মানিকগঞ্জের পাকুটিয়া জমিদার হয়ে ওঠার ইতিহাস। এই ইতিহাস একজন ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে বর্ণনা করলেও এটি মূলত তৎকালীন পাট, গুড়, লবণ, কাপড় ইত্যাদির বাণিজ্যিক অবস্থার বয়ান। রামকৃষ্ণ কীভাবে ইংরেজদের অধীনে কাজ করে নিজের আখের গুছিয়ে নিয়ে জমিদার হয়েছিল এসব পড়তে একটুও একঘেয়ে লাগার কোনো উপায় রাখেনি লেখকের শব্দের জাদুতে ভরা অসাধারণ বর্ণনাশৈলীর জন্য।
নিজের অভিমত:
সহজ সরলভাবে বর্ণিত কাহিনি, সংলাপ, ইতিহাসের সাথে সামান্য অতিপ্রাকৃতের মিশেল সবকিছু মিলিয়েই বইটি হয়েছে সুখপাঠ্য। এককথায় বলা যায়, মুহম্মদ আলমগীর তৈমূর এর পাঠক কে আবিষ্ট করে রাখার ক্ষমতা অসীম।
বই পরিচিতি:
নাম: নির্বাণ
লেখক: মুহম্মদ আলমগীর তৈমূর
প্রকাশনী: বিবলিওফাইল
মূল্য: ৪০০৳
June 6, 2026
Quality book. Genuine storyline. Everything was nice.
June 30, 2026
আলমগীর তৈমুর স্যারের রাইটিং স্টাইলের ভক্ত আমি। রহস্য পত্রিকায় প্রথম পড়েছিলাম ওনার গল্প "বজ্রযোগীর প্রত্যাবর্তন"। আমার ভীষণ পছন্দের একটা গল্প। পরবর্তীতে ওনার সব গল্পই পড়া হয়েছে আস্তেধীরে। উপন্যাস, উপন্যাসিকাও৷ মিশ্র অনুভূতি থাকলেও আমার ভালো লেগেছে সবই৷ কোনোটা বেশি, কোনোটা একটু কম। তবে এ বইয়ের ক্ষেত্রে অনুভূতি ভিন্ন আমার। গল্পটা ঠিক জমলো না...
যেভাবে গল্প আগাচ্ছিলো ভেবেছিলাম চমকপ্রদ কিছু হবে। তবে একেবারেই সাদামাটা হয়ে গেলো। এন্ডিং ও খাপছাড়া। শিশুনাগ চরিত্রটাকেও বিশেষ কিছু মনে হয়নি
পার্সোনাল রেটিং- ২.৫/৫
যেভাবে গল্প আগাচ্ছিলো ভেবেছিলাম চমকপ্রদ কিছু হবে। তবে একেবারেই সাদামাটা হয়ে গেলো। এন্ডিং ও খাপছাড়া। শিশুনাগ চরিত্রটাকেও বিশেষ কিছু মনে হয়নি
পার্সোনাল রেটিং- ২.৫/৫
May 25, 2026
“নির্বাণ” দিয়েই এই লেখকের লেখার সাথে প্রথম পরিচয় হলো। উনার অন্যান্য বইয়ের চমৎকার সব রিভিউ এবং এই বইটি নিয়ে পাঠকদের অপেক্ষা দেখে আমার প্রত্যাশা হয়তো একটু বেশিই ছিল। বইটির সারসংক্ষেপ পড়ে অনেক আগ্রহ নিয়েই শুরু করেছিলাম কিন্তু শেষ করে কিছুটা হতাশই হয়েছি। শুরুতে একটি চরিত্র বেশ ইন্টারেস্টিং লেগেছিল, তবে গল্প যত এগিয়েছে সেই আগ্রহটা আর ধরে রাখতে পারিনি। শেষটাও ব্যক্তিগতভাবে খুব একটা ভালো লাগেনি।
আমার মনে হয়েছে মূল গল্পটা আসলে বেশ ছোট ছিল (তবে আমার এই ধাঁচের গল্প বেশ পছন্দের যে কারণে এই বই বেছে নেওয়া), কিন্তু সেটাকে একটু বেশি টেনে বড় করা হয়েছে (যাদের এই ধাঁচের ইতিহাস পছন্দ তারা হয়তো মজা পাবেন যেহেতু সেখানে লেখক অনেক সময় দিয়েছেন) আর সেই সময়টায় আগ্রহ ধরে রাখার মতো যথেষ্ট শক্তিশালী পরিস্থিতি বা টান আমি পাইনি। সে কারণেই শেষের দিকের ঘটনাও যেহেতু পছন্দ হয়নি তাই কষ্ট করে পড়ে যাওয়াটা rewarding মনে হয়নি।
সম্ভবত লেখকের লেখার স্টাইলটা আমার সাথে কানেক্ট করতে পারেনি। আর লেখকের অন্যান্য বই নিয়ে এত ইতিবাচক রিভিউ ও প্রশংসা দেখে প্রত্যাশা একটু বেশি ছিল বলেই হতাশাটাও হয়তো বেশি।
আমার ব্যক্তিগত রেটিং ২.৫/৫, তবে গুডরিডসে সেই অপশন না থাকায় ৩/৫ দিলাম।
আমার মনে হয়েছে মূল গল্পটা আসলে বেশ ছোট ছিল (তবে আমার এই ধাঁচের গল্প বেশ পছন্দের যে কারণে এই বই বেছে নেওয়া), কিন্তু সেটাকে একটু বেশি টেনে বড় করা হয়েছে (যাদের এই ধাঁচের ইতিহাস পছন্দ তারা হয়তো মজা পাবেন যেহেতু সেখানে লেখক অনেক সময় দিয়েছেন) আর সেই সময়টায় আগ্রহ ধরে রাখার মতো যথেষ্ট শক্তিশালী পরিস্থিতি বা টান আমি পাইনি। সে কারণেই শেষের দিকের ঘটনাও যেহেতু পছন্দ হয়নি তাই কষ্ট করে পড়ে যাওয়াটা rewarding মনে হয়নি।
সম্ভবত লেখকের লেখার স্টাইলটা আমার সাথে কানেক্ট করতে পারেনি। আর লেখকের অন্যান্য বই নিয়ে এত ইতিবাচক রিভিউ ও প্রশংসা দেখে প্রত্যাশা একটু বেশি ছিল বলেই হতাশাটাও হয়তো বেশি।
আমার ব্যক্তিগত রেটিং ২.৫/৫, তবে গুডরিডসে সেই অপশন না থাকায় ৩/৫ দিলাম।
August 19, 2026
মুহম্মদ আলমগীর তৈমূর স্যারের লেখা "নির্বাণ" পড়ে শেষ করলাম আজকে। তৈমূর স্যার বাংলা অতিপ্রাকৃত সাহিত্যের ধারায় নিজস্ব একটি সিগনেচার স্টাইল গড়ে তুলেছেন। স্টাইলটা অনেকটা এরকম, কাহিনির শুরুটা হয় একজন সাধারণ চরিত্রের হাত ধরে, যে নিজে সরাসরি প্রোটাগনিস্ট নয় বরং একজন সূত্রধর। সেই চরিত্রের সাথেই আকস্মিক সাক্ষাৎ ঘটে মূল প্রোটাগনিস্টের। এরপর সেই মূল চরিত্রের মুখেই উন্মোচিত হতে থাকে প্রাচীন ইতিহাস, মিথ আর এক জটিল ব্যাকস্টোরি। প্রোটাগনিস্ট যখন নিজের নির্দিষ্ট লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যায়, আমরা গল্পটি দেখি সেই প্রথম চরিত্রের বিস্ময়ভরা চোখ দিয়ে। আর সবশেষে, ঠিক শুরুর সেই চরিত্রের অনুভূতি ও অভিজ্ঞতার বৃত্তেই অদ্ভুত এক ঘোরলাগা আবহে সমাপ্তি ঘটে পুরো কাহিনীর। ‘নির্বাণ’ উপন্যাসেও স্যার তাঁর এই পরিচিত ফর্মুলাই বজায় রেখেছেন।
স্যারের অন্যান্য গল্পের মতোই এই উপন্যাসের শুরুটা হয় আপাতদৃষ্টিতে সাধারণ একজন মানুষকে কেন্দ্র করে। ঢাকার আহমেদ বাওয়ানী স্কুলের ছাপোষা মাস্টার পঞ্চানন পাল। সুন্দরী তরুণী স্ত্রী রাধারাণীর আবদার মেটানো আর গ্রামের বৃদ্ধা মায়ের টানাপোড়েনে পঞ্চাননের জীবন যখন দিশেহারা, ঠিক তখনই বাসে করে বাড়ি যাওয়ার সময় তার পরিচয় ঘটে শিশুনাগ সেন্নামত নামের এক প্রৌঢ়, রহস্যময় চরিত্রের সাথে। পঞ্চানন মূল প্রোটাগনিস্ট না হয়েও পুরো কাহিনির সংযোগকারী সূত্র হিসেবে কাজ করেছেন এই গল্পে। বাড়িতে এলে শিশুনাগের মুখে শোনা গল্পের ভেতর দিয়ে কাহিনি মোড় নেয় এক ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে। বিহারের প্রাচীন মুণ্ডেশ্বরী দেবী এবং পাকুটিয়া জমিদার বাড়ির রাখাল থেকে জমিদার হয়ে ওঠা রামকৃষ্ণ সাহা মণ্ডলের উত্থান-পতনের ইতিহাসের মাধ্যমেই গল্প মধ্যগগণে পৌছায়। একইসাথে সামনে আসে এক চিরন্তন রহস্য: "পরমানন্দ লাভের গুহ্যতত্ত্ব" বা আধ্যাত্মিক পরম সত্যের সন্ধান কি আদৌ পাওয়া সম্ভব?
ইতিহাস ও আখ্যানের মেলবন্ধনে গল্পের ভেতর আরেক গল্প বলা তৈমূর স্যারের কলমের অন্যতম বড় শক্তি। পঞ্চানন ও শিশুনাগের বর্তমান সময়ের যাত্রার সমান্তরালে লেখক দক্ষতার সাথে তৎকালীন সময়ের পাট, গুড়, লবণের বাণিজ্য এবং পাকুটিয়ায় জমিদারি বিস্তারের এক ক্ষুদ্র ইতিহাস তুলে ধরেছেন। ইতিহাসের এমন খুঁটিনাটি তথ্য অনেক সময় সাধারণ পাঠকের কাছে ভারী মনে হতে পারে, তবে আমার মত যারা নিখুঁত তথ্য ও আঞ্চলিক পটভূমির সমন্বয়ে নির্মিত রহস্য পছন্দ করেন, তাদের কাছে এটি দারুণ উপভোগ্য লাগবে।
লোকশ্রুতি, তন্ত্রসাধনা, দেব-দেবীর উপাসনা এবং নিরেট ইতিহাসের এক মেলবন্ধনের সাবলীল বর্ণনাভঙ্গির কারণে বইটি এক বৈঠকেই পড়ে ওঠার মত। তবে যেইটা সবসময় বলি, স্যার বর্ণনায় অনেক সময় বাড়তি উপমা ব্যবহার করেন ,এটি পড়ার ফ্লো কমিয়ে দেয়। এই খুঁতটুকু বাদে বাকি গল্প চমৎকার। নির্বাণের শেষটা কিছুটা দ্রুতগতিতে এগোলেও একটি ঘোরলাগা, মায়াবী অনুভূতি রেখে গিয়েছে আমার পাঠকমনে।
আর বিবলিওফাইলের প্রোডাকশন, প্রচ্ছদ আর পেইজ কোয়ালিটি টপনচ। তবে ভিতরের ছবিগুলো এআই না করে হাতে আকলে আরো ভালো দেখাতো।
স্যারের অন্যান্য গল্পের মতোই এই উপন্যাসের শুরুটা হয় আপাতদৃষ্টিতে সাধারণ একজন মানুষকে কেন্দ্র করে। ঢাকার আহমেদ বাওয়ানী স্কুলের ছাপোষা মাস্টার পঞ্চানন পাল। সুন্দরী তরুণী স্ত্রী রাধারাণীর আবদার মেটানো আর গ্রামের বৃদ্ধা মায়ের টানাপোড়েনে পঞ্চাননের জীবন যখন দিশেহারা, ঠিক তখনই বাসে করে বাড়ি যাওয়ার সময় তার পরিচয় ঘটে শিশুনাগ সেন্নামত নামের এক প্রৌঢ়, রহস্যময় চরিত্রের সাথে। পঞ্চানন মূল প্রোটাগনিস্ট না হয়েও পুরো কাহিনির সংযোগকারী সূত্র হিসেবে কাজ করেছেন এই গল্পে। বাড়িতে এলে শিশুনাগের মুখে শোনা গল্পের ভেতর দিয়ে কাহিনি মোড় নেয় এক ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে। বিহারের প্রাচীন মুণ্ডেশ্বরী দেবী এবং পাকুটিয়া জমিদার বাড়ির রাখাল থেকে জমিদার হয়ে ওঠা রামকৃষ্ণ সাহা মণ্ডলের উত্থান-পতনের ইতিহাসের মাধ্যমেই গল্প মধ্যগগণে পৌছায়। একইসাথে সামনে আসে এক চিরন্তন রহস্য: "পরমানন্দ লাভের গুহ্যতত্ত্ব" বা আধ্যাত্মিক পরম সত্যের সন্ধান কি আদৌ পাওয়া সম্ভব?
ইতিহাস ও আখ্যানের মেলবন্ধনে গল্পের ভেতর আরেক গল্প বলা তৈমূর স্যারের কলমের অন্যতম বড় শক্তি। পঞ্চানন ও শিশুনাগের বর্তমান সময়ের যাত্রার সমান্তরালে লেখক দক্ষতার সাথে তৎকালীন সময়ের পাট, গুড়, লবণের বাণিজ্য এবং পাকুটিয়ায় জমিদারি বিস্তারের এক ক্ষুদ্র ইতিহাস তুলে ধরেছেন। ইতিহাসের এমন খুঁটিনাটি তথ্য অনেক সময় সাধারণ পাঠকের কাছে ভারী মনে হতে পারে, তবে আমার মত যারা নিখুঁত তথ্য ও আঞ্চলিক পটভূমির সমন্বয়ে নির্মিত রহস্য পছন্দ করেন, তাদের কাছে এটি দারুণ উপভোগ্য লাগবে।
লোকশ্রুতি, তন্ত্রসাধনা, দেব-দেবীর উপাসনা এবং নিরেট ইতিহাসের এক মেলবন্ধনের সাবলীল বর্ণনাভঙ্গির কারণে বইটি এক বৈঠকেই পড়ে ওঠার মত। তবে যেইটা সবসময় বলি, স্যার বর্ণনায় অনেক সময় বাড়তি উপমা ব্যবহার করেন ,এটি পড়ার ফ্লো কমিয়ে দেয়। এই খুঁতটুকু বাদে বাকি গল্প চমৎকার। নির্বাণের শেষটা কিছুটা দ্রুতগতিতে এগোলেও একটি ঘোরলাগা, মায়াবী অনুভূতি রেখে গিয়েছে আমার পাঠকমনে।
আর বিবলিওফাইলের প্রোডাকশন, প্রচ্ছদ আর পেইজ কোয়ালিটি টপনচ। তবে ভিতরের ছবিগুলো এআই না করে হাতে আকলে আরো ভালো দেখাতো।
July 14, 2026
❝মুহম্মদ আলমগীর তৈমূর স্যারের লেখার একটা সিগনেচার স্টাইল আছে। স্যারের লেখার ভক্ত ও অনুরাগী পাঠকেরা সেটার সাথে সুপরিচিত।উনার লেখার ধরন এতটাই সাবলীল যে পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা অনায়াসেই পড়ে ফেলা যায়। তবে অনেক পাঠকের অভিযোগ স্যারের লেখাগুলোর এন্ডিং নিয়ে।
আমার নিজের ক্ষেত্রে এরকম অনেক বার হয়েছে, একটা গল্প শেষ করার পর, উপসংহারে যাওয়ার পর আবার নতুন করে ভাবতে হয়েছে গল্পশেষে আসলে কি ঘটলো!!
স্যারের লেখার শেষটা ধরতে পারাটাই আসল স্বার্থকতা।❞
❝এবারের নির্বাণ বইয়ের ক্ষেত্রেও অনেক পাঠক অভিযোগ করেছেন এন্ডিং ভালো লাগেনি,শেষটা ভালো হয়নি।
আমার ক্ষেত্রে, যথারীতি এবারের নতুন বই নির্বাণের শুরু থেকেই স্টোরিটেলিং, সাবলীল বর্ণনার জন্য তড়তড় করে পড়ে যাচ্ছিলাম।আমার মনে হয়েছে স্যার চাইলে গল্পটার কলেবর আরো বড় করতে পারতেন অনায়েসেই।শিশুনাগ সেন্নামত এর চরিত্রটি বেশি নাটকীয় লেগেছে।রাধারানীর এবং পঞ্চানন পালের পরিণতি এবং শেষের দিকের কিছু বর্ণনা আরও ডিটেইলড হলে ভালো হতো; যতটুকু বর্ণনা একেবারে না দিলেই নয় ঠিক ততটুকুই দিয়েছেন লেখক।
শেষটায় কিছুটা রাশ এন্ডিং ছিল,যার কারণে অনেক পাঠকই হয়তো গল্পটা শেষ পর্যন্ত ঠিকঠাক ধরতে পারেননি।❞
❝তবে ঐ যে বলেছিলাম স্যারের লেখার বৈশিষ্ট্যই এরকম; একটা আলো-আঁধারি, অস্পষ্ট, কুহেলিকাময়
সমাপ্তি। গল্প শেষ করে আবার ভাবুন, শেষের কয়েক পাতা প্রয়োজনে আবার পড়ুন,মাঝখানের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো পুণরায় কো-রিলেট করুন।তাহলে অবশ্যই আপনি একটা রহস্যময় সমাপ্তি পাবেন।আমার মনেও কিছু বিষয় নিয়ে প্রশ্ন জেগেছে এবং তার অবশ্যম্ভাবী উত্তর ও পেয়েছি,তবে সে বিষয়ে বলতে গেলে স্পয়লার হয়ে যাবে।❞🫠
❝সবশেষে, স্যারের ভাষ্যমতে- যা লেখা হয়েছে, হয়েছে
এই নিয়ে কিছু বলতে চাই না। পাঠকরা কোনটা পছন্দ করবেন আর কোনটা করবেন না -সেইটে দৈবের উপর ছেড়ে দেওয়াই ভালো!
সুতরাং, আপনারা বইটি পড়ুন, পড়ে নিজের সুচিন্তিত মতামত জানান। পাঠকেরাই একজন লেখকের প্রাণ। ❞
♨️ব্যক্তিগত রেটিংঃ⭐⭐⭐⭐(৩.৯০/৫)
📖বইঃ নির্বাণ
✒️লেখকঃ মুহম্মদ আলমগীর তৈমূর
🪧প্রকাশনীঃ বিবলিওফাইল
আমার নিজের ক্ষেত্রে এরকম অনেক বার হয়েছে, একটা গল্প শেষ করার পর, উপসংহারে যাওয়ার পর আবার নতুন করে ভাবতে হয়েছে গল্পশেষে আসলে কি ঘটলো!!
স্যারের লেখার শেষটা ধরতে পারাটাই আসল স্বার্থকতা।❞
❝এবারের নির্বাণ বইয়ের ক্ষেত্রেও অনেক পাঠক অভিযোগ করেছেন এন্ডিং ভালো লাগেনি,শেষটা ভালো হয়নি।
আমার ক্ষেত্রে, যথারীতি এবারের নতুন বই নির্বাণের শুরু থেকেই স্টোরিটেলিং, সাবলীল বর্ণনার জন্য তড়তড় করে পড়ে যাচ্ছিলাম।আমার মনে হয়েছে স্যার চাইলে গল্পটার কলেবর আরো বড় করতে পারতেন অনায়েসেই।শিশুনাগ সেন্নামত এর চরিত্রটি বেশি নাটকীয় লেগেছে।রাধারানীর এবং পঞ্চানন পালের পরিণতি এবং শেষের দিকের কিছু বর্ণনা আরও ডিটেইলড হলে ভালো হতো; যতটুকু বর্ণনা একেবারে না দিলেই নয় ঠিক ততটুকুই দিয়েছেন লেখক।
শেষটায় কিছুটা রাশ এন্ডিং ছিল,যার কারণে অনেক পাঠকই হয়তো গল্পটা শেষ পর্যন্ত ঠিকঠাক ধরতে পারেননি।❞
❝তবে ঐ যে বলেছিলাম স্যারের লেখার বৈশিষ্ট্যই এরকম; একটা আলো-আঁধারি, অস্পষ্ট, কুহেলিকাময়
সমাপ্তি। গল্প শেষ করে আবার ভাবুন, শেষের কয়েক পাতা প্রয়োজনে আবার পড়ুন,মাঝখানের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো পুণরায় কো-রিলেট করুন।তাহলে অবশ্যই আপনি একটা রহস্যময় সমাপ্তি পাবেন।আমার মনেও কিছু বিষয় নিয়ে প্রশ্ন জেগেছে এবং তার অবশ্যম্ভাবী উত্তর ও পেয়েছি,তবে সে বিষয়ে বলতে গেলে স্পয়লার হয়ে যাবে।❞🫠
❝সবশেষে, স্যারের ভাষ্যমতে- যা লেখা হয়েছে, হয়েছে
এই নিয়ে কিছু বলতে চাই না। পাঠকরা কোনটা পছন্দ করবেন আর কোনটা করবেন না -সেইটে দৈবের উপর ছেড়ে দেওয়াই ভালো!
সুতরাং, আপনারা বইটি পড়ুন, পড়ে নিজের সুচিন্তিত মতামত জানান। পাঠকেরাই একজন লেখকের প্রাণ। ❞
♨️ব্যক্তিগত রেটিংঃ⭐⭐⭐⭐(৩.৯০/৫)
📖বইঃ নির্বাণ
✒️লেখকঃ মুহম্মদ আলমগীর তৈমূর
🪧প্রকাশনীঃ বিবলিওফাইল
June 8, 2026
এই যে এক গল্পের ভেতর দিয়ে আরেকটি গল্পে একদম বুঁদ করে দেবার ব্যাপারটাই আলাদা। সবার কম্মও নয়। এটা আমার কাছে এক বিশাল গুণ একজন লেখক সত্তার। মুহাম্মদ আলমগীর তৈমূর এই গুণে গুণান্বিত একজন, আমি আগ্রহ নিয়েই তাকে পাঠ করি। অবশ্য সবার ভালো নাও লাগতে পারে, কেননা তার লেখা অসংখ্য তথ্যে ভরপুর। বসলাম আর শেষ করলাম এমনটা হয় না। তথ্যগুলো হজম করে চলতে হয়। "নজ্জুমি কিতাব" নিয়ে যেমন অনেকেরই ধৈর্য্যচুত্যি হয়েছিল।
একজন সন্ন্যাসী শিশুনাগ এর সাথে সংসারী পঞ্চানন এর যে আকস্মিক ঐতিহাসিক এবং আধ্যাত্মিক পথের যাত্রা, তা অভূতপূর্ব বয়ানে বর্ণিত। সাথে পাকুটিয়া আর বালিয়াটি উভয় জমিদারবাড়ি দর্শনের অভিজ্ঞতা থাকায়, এককথায় জমিয়ে উপভোগ করেছি। গল্পের শেষ আশাতীত ছিল না, চাইছিলাম আরও চলুক। কিন্তু এর বেশি টানলে হয়ত এর স্বাদে ব্যাঘাত ঘটতো।
প্রকাশককে আবারও অন্ত:স্থল থেকে ধন্যবাদ। দারুণ প্রোডাকশন যেন নষ্ট না হয়।
একজন সন্ন্যাসী শিশুনাগ এর সাথে সংসারী পঞ্চানন এর যে আকস্মিক ঐতিহাসিক এবং আধ্যাত্মিক পথের যাত্রা, তা অভূতপূর্ব বয়ানে বর্ণিত। সাথে পাকুটিয়া আর বালিয়াটি উভয় জমিদারবাড়ি দর্শনের অভিজ্ঞতা থাকায়, এককথায় জমিয়ে উপভোগ করেছি। গল্পের শেষ আশাতীত ছিল না, চাইছিলাম আরও চলুক। কিন্তু এর বেশি টানলে হয়ত এর স্বাদে ব্যাঘাত ঘটতো।
প্রকাশককে আবারও অন্ত:স্থল থেকে ধন্যবাদ। দারুণ প্রোডাকশন যেন নষ্ট না হয়।
May 25, 2026
লেখক এর লেখা এই প্রথম একটা পড়ে শেষ করলাম, এর আগে দুইটা শুরু করেও শেষ করতে পারি নি।গল্প ভালোই লেগেছে, কিন্তু শেষ টা কেমন জানি হলো বুঝতে পারলাম না।রাধারানীর পরিণতি রাধারানী বা পঞ্চানন কেউ জানতো না কেমন হবে তবুও ঘটনাটা ঘটার পরও পঞ্চানন কোনো প্রতিক্রিয়া দেখালো না,যেনো কিছুই হয়নি এমনেই মেনে নিলো 😒 এইডা কোনো কথা 😕
June 4, 2026
এডভেঞ্চার হিসেবে মোটামুটি ভালোই বলা যায়।
June 11, 2026
গলির ভেতর তস্য গলি, গল্পের ভেতর আরও গল্প। কোনওটাই পরিপূর্ণ অনুভূতি দেয় না, সবকিছুই অর্ধেক অর্ধেক। পরিতৃপ্তি পাওয়া যায় না।
Displaying 1 - 12 of 12 reviews












