সেনাবাহিনী থেকে পলাতকদের ধাওয়া করছে ট্রুপার সেথ ব্রাইটল। ধাওয়াকারী এবং পলাতকদের পিছু নিয়েছে মোহাভে ইন্ডিয়ানদের এক খুনে দল। আর তাদের সবার পিছু নিয়েছে মরুভূমির ধূলিঝড়। ঝড় থেকে বাঁচতে পাহাড়ের এক গুহায় সঙ্গীদের নিয়ে আশ্রয় নিল পলাতক দলের নেতা মাইকেল হানরাহান। গুহার ভেতর আবিষ্কার করে বসল অঢেল সোনা। জমে উঠল সোনা, নারী আর অলৌকিকতার রহস্যে বোনা এক গল্প।
মাসুদ আনোয়ারের জন্ম ১ জানুয়ারি, ১৯৫৯ সালে (সন্দ্বীপ, চট্টগ্রাম)। বর্তমানে সাংবাদিকতার ও বার্তা বিভাগের অন্যান্য কাজের পাশাপাশি আমাদের জন্য লিখে যাচ্ছেন ওয়েস্টার্ন বই। সেবা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত তার বই এর সংখ্যা ১৫ ছাড়িয়ে গেছে বেশ আগে।
বুনো পশ্চিমের গল্প। তখন বিদ্যমান দলগুলো (ইউ.এস. আর্মি, মোহাভে ইন্ডিয়ান) নিজেদের মাঝে টিকে থাকার লড়াইয়ে লিপ্ত। আপাতত আদিবাসী বনাম দখলদার লড়াই দেখালেও, নিজ স্বার্থে এবং মূল্যবোধে আর্মিকে সাহায্য করছে এক কাহুইলা ইন্ডিয়ান। আর্মির কমান্ডার আম্বারহাইন, আর মামুলি সৈনিক ব্রাইটল'র মধ্যকার ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব দেখিয়ে কাহিনী শুরু, যা কিনা সার্জেন্ট হানরাহানকে ব্রাইটল'র বন্ধু বানিয়ে দেয়, যে হানরাহান দুচক্ষে দেখতে পারতো না তাকে। কারণ? দুজনের রক্ত। একজন আইরিশ প্রটেস্ট্যান্ট, আরেকজন ব্রিটিশ ক্যাথলিক। বুনো পশ্চিমের দুরূহ ভূমিরূপ যম হয়ে দেখা দেয় ফোর্টের বাইরে পা বাড়ালেই, যেখানে নদীগুলো বালিঝড়ে চাপা পড়ে গেছে, আর টিকে থাকতে লড়তে হয় প্রকৃতি এবং ইন্ডিয়ানদের সাথে।
ওয়েস্টার্ন বলতে বন্দুকবাজির ধুন্ধুমার গল্প আশা করলে এই বইয়ে তা নেই, বরং বুনো পশ্চিমে আমেরিকার বিস্তারের সময়টা কেমন ছিল, তার একটা নমুনা দেখাতে পারে বইটা।
T V Olsen এর লেখা The Burning Sky বইয়ের এডাপ্টেশন এই উপন্যাস।