স্বর্গ! সে কি সত্যিই কোথাও আছে? না সবটাই মানুষের কল্পনা? কী লুকোনো আছে প্রাচীন এক বুদ্ধ মূর্তিতে যার জন্য খুন হতে হল মিউজিয়ামের কিউরেটরকে? কী এমন গোপন সত্য লুকোনো আছে হিমালয়ের অভ্যন্তরে যার জন্য হিটলারের নাৎসি বাহিনী অভিযান চালিয়েছে? পাণ্ডবদের মহাপ্রস্থানের সেই পথ, সে কি সত্যিই আছে? কয়েকশো বছর আগে এক বাঙালি কেন চলেছিলেন সেই পথে? পুরাণ, রহস্য, অ্যাডভেঞ্চার সব নিয়ে সাত্যকি ফিরে এলো আবার।
শাশ্বত ধরের জন্ম ১৯৮৮ সালে। শিক্ষালাভ ও বেড়ে ওঠা হাওড়া জেলার বালিতে। বর্তমানে কর্মরত একটি তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থায়। ছোটোবেলা থেকেই বই পড়ার সুতীব্র নেশা। সেইসঙ্গে নিজের খেয়ালে অল্পস্বল্প লেখালেখির অভ্যেস। তা থেকেই পরবর্তীকালে শব্দের সঙ্গে একাত্মতা, কাহিনির সঙ্গে নিবিড় সংযোগ। নিয়মিত লিখছেন বেশ কয়েক বছর ধরেই। তাঁর লেখা ফিকশন স্থান পেয়েছে বিবিধ সংকলন তথা পত্রপত্রিকায়। প্রকাশিত বইগুলিও পাঠকমহলে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। শখ ভ্রমণ- যা তাঁকে নিত্যনতুন প্লটের সন্ধান দেয়।
মোটামুটি লাগলো। কিছু অযথা তথ্য দেওয়া হয়েছে, যেগুলো পড়তে বা জানতে ভালো লাগলেও গল্পের কোনো গতি আনেনা। গল্পের গতি খুবই মন্থর। আগের ভাগের মতো টানটান হয়নি, হতাশ হলাম। তবে লেখকের গবেষণার প্রশংসা করতেই হবে। পরের ভাগগুলোও হয়তো পড়বো, দেখা যাক কেমন লাগে। ধন্যবাদ।।