ভারতের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞানের তিন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, মহাত্মা গান্ধী ও জওহরলাল নেহেরু। তাঁরা জীবনব্যাপী কর্ম-উদ্দীপনার মাধ্যমে বিশ্ববাসীর কাছে ভারতের পরম্পরাবাহিত সংস্কৃতির বার্তা পৌঁছে দিয়েছেন। কিন্তু এই আলোক-উদ্ভাস চরিত্রের অন্তরালে আছে এমন কিছু অমানিশা-আচ্ছন্ন বিবর যাদের নির্মোহ মূল্যায়ন হওয়া দরকার। এই প্রথম একজন আপোষবিহীন নির্ভিক প্রতিবেদক হিসেবে পৃথ্বীরাজ সেন তাঁর সোনার কলমে উন্মোচিত করেছেন ঐ তিন ব্যক্তিত্বের বিতর্কিত জীবনের কলঙ্ককথা যা পাঠক পাঠিকাদের শিহরিত ও বিস্মিত করবে। আগামী দিনের গবেষকদের কাছে বিবেচিত হবে এক আকর গ্রন্থ হিসেবে। আমাদের বিশ্বাস, দীর্ঘ অন্বেষণ-প্রসূত এই সারস্বত নিবেদন বাংলা প্রবন্ধ সাহিত্যের ইতিহাসে এক দিকচিহ্ন স্বরূপ বিরাজ করবে।
কোন পাপে এ বই ধরেছিলাম কে জানে।ও, হ্যা।পাপটা মনে পড়েছে। এক জ্ঞানীর দেয়া তথ্য যাচাই করতে গিয়ে আমার এ পাপ। ভেবেছিলাম বাজারে কতিপয় চালু কথার পেছনে ফ্যাক্টভিত্তিক কিছু জানতে পারবো। ন্যূনতম সেসবের ধার ধারেন নি পৃথ্বীরাজ মশাই। মন মতো কেচ্ছা লিখে, অকল্পনীয় সব 'হাইপোথিসিস' দাঁড় করিয়েছেন!