বিশ বছর আগে মহাকাশ থেকে খসে পড়েছিল একটি মার্কিন স্পাই স্যাটেলাইট, ধ্বংস হবার পূর্বমুহূর্তে আবিষ্কার করে বসেছিল বিপুল ঐশ্বর্যের এক গোপন ভাণ্ডার।
আজ, এত বছর পর সেটাই মহাবিপদ ডেকে এনেছে মাসুদ রানার জন্য। আফ্রিকার ভয়ঙ্করতম এলাকা - ইরিত্রিয়া-সুদান সীমান্তের রণভূমিতে ছুটে যেতে হচ্ছে ওকে সেই অবিশ্বাস্য ঐশ্বর্যের সন্ধানে। এক অর্ধোন্মাদ ইটালিয়ান টাইকুন, খুনে সুদানিজ বিপ্লবীদল আর নির্দয় ইজরায়েলি চরমপন্থীদের ত্রিমুখী সংঘাতের মাঝখানে পড়তে চলেছে ও। পড়তে চলেছে তিন হাজার বছর আগে জমাট বাঁধা এক দুর্ভেদ্য রহস্যের মাঝখানে।
চারপাশে শুধু বিপদ আর বিপদ। ধৈর্য, বুদ্ধি আর সাহসের অগ্নিপরীক্ষা!
কাজী আনোয়ার হোসেন ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দের ১৯ জুলাই ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পুরো নাম কাজী শামসুদ্দিন আনোয়ার হোসেন। ডাক নাম 'নবাব'। তাঁর পিতা প্রখ্যাত বিজ্ঞানী, গণিতবিদ ও সাহিত্যিক কাজী মোতাহার হোসেন, মাতা সাজেদা খাতুন। কাজী আনোয়ার হোসেন সেবা প্রকাশনীর কর্ণধার হিসাবে ষাটের দশকের মধ্যভাগে মাসুদ রানা নামক গুপ্তচর চরিত্রকে সৃষ্টি করেন। এর কিছু আগে কুয়াশা নামক আরেকটি জনপ্রিয় চরিত্র তার হাতেই জন্ম নিয়েছিলো। কাজী আনোয়ার হোসেন ছদ্মনাম হিসেবে বিদ্যুৎ মিত্র নাম ব্যবহার করে থাকেন।
This book is the 400th installment in the Masud Rana series, and as a big fan, I was excited to dive in. It’s the first part of a standalone two-book series. While the story took some time to build up, it left off in a place where many intriguing questions arise. Hopefully, the second part will pick up the pace and be even more enjoyable.
মাসুদ রানার সাথে এবারের অভিযান আফ্রিকার ইরিত্রিয়ার দূর্গম উত্তরাঞ্চলে, দুই হাজারের বেশি বছর আগের হারিয়ে যাওয়া কিংবদন্তীর এক হীরের খনির সন্ধানে। যদিও এখনো প্রথম খণ্ডে আবিষ্কৃত হয়নি, এই হীরের খনিই হেনরি রাইডার হ্যাগার্ডের বিশ্ববিখ্যাত 'কিং সলোমন'স মাইনস' - রাজা সলোমনের হীরের খনি। তবে শুধু হারানো হীরের খনিই নয়, আরো কোনো অদ্ভুত অজানা রহস্য আছে একই জায়গায়... সবমিলিয়ে সেই হীরের খনি আর তার গুপ্তরহস্যের জন্য হন্যে হয়ে উঠেছে একাধারে ইতালির এক ধনকুবের, আমেরিকার এক রাজনীতিবিদ, ইজরায়েলি একদল চরমপন্থী, ইজরায়েলেরই আরেকদল সরকারপক্ষীয় মোসাদ এজেন্ট, ইরিত্রিয়া সীমান্তের সুদানিজ বিপ্লবী দস্যুদল। আর ত্রিমুখি-চতুর্মুখি এই সংঘর্ষের মধ্যেখানে দিশেহারা কিংকর্তব্যবিমূঢ় আমাদের মাসুদ রানা।
প্রথম খণ্ড ভালই লাগলো, যদিও ৩০০+ পৃষ্ঠা পরেও অ্যাকশন এখনো ঠিক মত শুরুই হয়নি, বলতে গেলে কেবল প্লট-ক্যারেক্টার-মোটিভ জায়গামত প্লেসমেন্ট চলল। আশা করা যায় দ্বিতীয় খণ্ড ঘাটতিটুকু পুষিয়ে দিবে। এবার শুরু হবে আসল খেলা। কে পাবে ঐশ্বর্য (রাই)?
কথোপকথনে মাঝে মাঝে ইংরেজি শব্দের অতিব্যবহার এতো মসৃণ আরামদায়ক সাবলীল পাঠানুভূতিটাকে খানিকটা হলেও বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। এমনিতেই বিদেশি কাহিনির অ্যাডাপ্টেশন, ঘটনা-চরিত্র-পটভূমি সবই বিদেশি জিনিস একমাত্র রানা বাদে, কথাবার্তা/বর্ননাও যদি দেদারসে বিদেশি শব্দবহুল হয় তাহলে দেশিগন্ধটা আর কতটুকই বা অবশিষ্ট থাকে? গত ষোল-সতেরো বছর আমার রানা (সেবার বইই) খুবই কম পড়া হয়েছে, তাই সেবার ষাট-নব্বই দশক অবধির ট্রেডমার্ক বাংলাসর্বস্বতার সাথে এযুগের পার্থক্যটা বেশি চোখে লাগছে। কে জানে মনে হয় আমারই ব্যক্তিগত সমস্যা।
মাসুদ রানা। দুনিয়ায় সেরা স্পাই। এবার আমেরিকার এক আন্ডারসেক্রেটারীর তরফ থেকে কাজ আসলো একটা হীরের খনি আবিষ্কারে যেতে হবে। মাসুদ রানা সরাসরি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে দিল। কিন্তু কারা যেনো সোহেলকেই অপহরণ করে বসলো রানাকে রাজী করানোর জন্য। অবশেষে রানা রাজী হলো। কিন্তু শুরু থেকেই গভীর ষড়যন্ত্র লেগে আছে। ইহুদিদের এই হীরের খনি প্রয়োজন। আবার সুদানীজ দস্যুদেরও এটা প্রয়োজন। অপরদিকে এক ইতালির ব্যবসায়ীরও নজর পরেছে এই খনির উপর। শেষমেশ যখন আমেরিকার ঐ আন্ডারসেক্রেটারীকে খুন করা হলো তখন নড়েচড়ে বসলেন খোদ আমেরিকার প্রেসিডেন্ট। তার জরুরী তলবে যা বেরিয়ে এলো তাতে যা বুঝা যায় ঐ খনিতে যা লুকিয়ে আছে তার তুলনায় হীরেতো স্রেফ তুচ্ছ বিষয়। এবার তিন পক্ষই চায় মাসুদ রানাকে মেরে ফেলতে।
বেশ ভালো লেগেছে। তবে প্রথম দিকটা মনযোগ দিয়ে পড়তে হবে না হলে বুঝা যাবে না। আর লাস্টের রহস্যটা জাস্ট অস্থির।
কাহিনী শুরু হতে একটু সময় নেবে। প্রথম প্রথম একটু বোরিংও লাগতে পারে। তবে ধীরে ধীরে গতি পাবে গল্পটা। শুধু থেকেই থ্রিল আর সাসপেন্স এসে ঠেসে ধরবে। বেশ উপভোগ্য বই।