কোথায় ওই ক্যাসিনো? সব দেশের সিক্রেট সার্ভিস খুঁজছে ওটাকে। কেন? গোটা দুনিয়ার লেজে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে এক ভয়ানক দুবৃর্ত। ওই ক্যাসিনো থেকেই নাকি আসছে সেই ড্রাগ। একবিংশ শতাব্দীর অভিশাপ। পাগল হয়ে উঠেছে গোটা বিশ্বের তরুণ-যুবা। এমন নেশা যে, একবার নিলে কী মরলে! আক্রমণাত্মক হয়ে উঠছে ওরা ড্রাগ না পেলে। শুধু ঢাকা শহরেই গত ছয় মাসে দেড় হাজার অ্যাডিক্ট খুন করেছে সতেরো হাজার নিরীহ মানুষকে। প্রথম সুযোগেই ঢুকে পড়ল রানা ওই ক্যাসিনোয়। জানে না, ও শিকার না শিকারী ।
কাজী আনোয়ার হোসেন ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দের ১৯ জুলাই ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পুরো নাম কাজী শামসুদ্দিন আনোয়ার হোসেন। ডাক নাম 'নবাব'। তাঁর পিতা প্রখ্যাত বিজ্ঞানী, গণিতবিদ ও সাহিত্যিক কাজী মোতাহার হোসেন, মাতা সাজেদা খাতুন। কাজী আনোয়ার হোসেন সেবা প্রকাশনীর কর্ণধার হিসাবে ষাটের দশকের মধ্যভাগে মাসুদ রানা নামক গুপ্তচর চরিত্রকে সৃষ্টি করেন। এর কিছু আগে কুয়াশা নামক আরেকটি জনপ্রিয় চরিত্র তার হাতেই জন্ম নিয়েছিলো। কাজী আনোয়ার হোসেন ছদ্মনাম হিসেবে বিদ্যুৎ মিত্র নাম ব্যবহার করে থাকেন।
'অপরাজিত' পড়ার পর একটা লাইট কিছু পড়তে চাচ্ছিলাম।এরকম ক্ষেত্রে মাসুদ রানা অদ্বিতীয়।হালকা মুডে সময় কাটানোর জন্যে সেবা প্রকাশনীর মাসুদ রানা কিংবা তিন গোয়েন্দার তুলনা নেই।
মাসুদ রানার বেশিরভাগ গল্পই বিদেশি গল্পের এডাপটেশন,যা আমরা সবাই জানি।সেক্ষেত্রেও সেবার এডাপটেশন বিশ্বমানের, ঝরঝরে,পড়তে দারুণ লাগতো।কিন্তু এবারের বইতে তার ছিঁটেফোঁটাও পাইনি।অনেক ক্ষেত্রেই মনে হচ্ছিলো গুগল ট্রান্সলেটরের অনুবাদ পড়ছি।যা বেশ বিরক্তিকর।
তাছাড়া মাসুদ রানা মানেই এক দুর্ধর্ষ,বুদ্ধিদীপ্ত স্পাই।যার চোখেমুখে বুদ্ধির ঝলক,যার স্মার্টনেসের গুণমুগ্ধ সবাই।কোথায় আমাদের সেই মাসুদ রানা?এই বইয়ের মাসুদ রানা যেন বিভ্রান্ত,জড়বুদ্ধি,ক্লান্ত প্রাণ এক...
New Masud Rana books are complete waste of time, this one is no difference, story is not good and quality of writing has decreased aswell. Kinda disappointed.