Jump to ratings and reviews
Rate this book

ইঞ্জিল শরীফ

Rate this book
ইঞ্জিল শরীফ একটি আসমানী কিতাব। ইহা জীবন্ত খোদার কালাম। এই কালাম কমবেশী ১৯০০ বৎসর আগে লেখা হইয়াছিল।

এই কিতাবের মধ্যে ঈসা মসীহ্‌ই প্রধান। ইহাতে তাঁহার অসাধারণ জীবন, তাঁহার শিক্ষা, তাঁহার সুখবরের ক্ষমতা এবং মন্ডলী স্থাপনের কথা রহিয়াছে। এই কিতাবের ২৭ টি খন্ড। এর শেষ খন্ডে ঈসা মসীহ্‌ ভবিষ্যতে কি কি ঘটিবে তা প্রকাশ করিয়াছেন।

ইঞ্জিল আরবী শব্দ। এর অর্থ সুখবর। এই বই আসল ইঞ্জিল শরীফের বাংলা অনুবাদ। এই অনুবাদে কোন কঠিন শব্দ ব্যবহার করা হয় নাই। ফলে শিক্ষিত-অল্পশিক্ষিত সকলেই এর কথাগুলো বুঝিতে পারিবেন।

পাঠকের সুবিধার্থে প্রত্যেকটি খন্ডের আগে একটি করিয়া ভূমিকা দেওয়া হইয়াছে। এছাড়াও রহিয়াছে বিভিন্ন জায়গার মানচিত্র এবং বিভিন্ন শব্দের টীকা ও অর্থ।

760 pages, Leather Bound

14 people are currently reading
231 people want to read

About the author

Anonymous

791k books3,371 followers
Books can be attributed to "Anonymous" for several reasons:

* They are officially published under that name
* They are traditional stories not attributed to a specific author
* They are religious texts not generally attributed to a specific author

Books whose authorship is merely uncertain should be attributed to Unknown.

See also: Anonymous

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
8 (36%)
4 stars
3 (13%)
3 stars
3 (13%)
2 stars
4 (18%)
1 star
4 (18%)
Displaying 1 - 3 of 3 reviews
Profile Image for Emtiaj.
237 reviews86 followers
May 18, 2015
এই প্রথম কোন ধর্মগ্রন্থ পড়লাম। ভালো লাগলো, এই তো। ফুটপাতে চোখ রাখা হয় না অনেকদিন। ওইদিন যেতেই চোখে পড়লো লেদার বাউন্ডের স্বর্ণাক্ষরে জ্বলজ্বল করা ইঞ্জিল শরীফ। দেখেই, এই বই আমার লাগবেই। তার উপর দেখলাম, সম্পূর্ণ নতুন এবং হংকং এ প্রিন্ট করা। অতএব কিনে ফেললাম।

ভূমিকায় বলা হল এটা আসল ইঞ্জিল শরীফের বাংলা অনুবাদ। আসল কি নকল সেটা নিয়ে অবশ্য আমার মাথা ব্যাথা নেই। উইকিতে এতো ইংলিশ অনুবাদ দেখে মাথাই ঘুরে গেল। অনুবাদ নিয়ে যেটা বলার, অসাধারণ। (কিছু উচ্চারণ ছাড়া) আধুনিক বাইবেলের মত খন্ড না করে ঈসার শিষ্যরা যেভাবে লিখেছেন সেভাবেই আছে। মানে ২৭ খন্ডে। (ইহা নিউ টেস্টামেন্ট কিন্তু) প্রতিটা খন্ডের আগে আছে ভূমিকা যেটা পুরো খন্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কে ধারণা দেয়। আছে মানচিত্র এবং বিভিন্ন শব্দের অর্থ ও টীকা যেটা আসলেই বেশ ভালো।

আমার প্রথম প্রশ্ন, নাম ইঞ্জিল কেন? বলা আছে এটা আরবী শব্দ। ঈসা জাতিতে ইহুদী এবং ওনার (এবং শিষ্যরাও) ভাষা হিব্রু। তাহলে এটার নাম হিব্রু ভাষায় হওয়া উচিৎ ছিল না?

প্রথম চার খন্ড হচ্ছে ঈসার জীবনী। প্রত্যেকটার মূলভাব একই হলেও প্রতি খন্ড অন্যটা থেকে কিছুটা আলাদা। এই যেমন শুধু একটা খন্ডেই ঈসার জন্মের আগেরকার অবস্থা সম্পর্কে বলা আছে। ঈসা যে জলের পাত্রকে আঙুরের রসে পরিপূর্ণ করে দিয়েছেন সেটা কিন্তু শুধু একটা খন্ডেই আছে। এই চার খন্ড পড়েই আসলে বোঝা যায় কেন সবকিছু একসাথে নিয়ে এসে আধুনিক বাইবেল লেখা হল।

পঞ্চম খন্ডটা একেবারে শুরুর দিকে কিভাবে ঈসার বাণী প্রচার করা হল সেটারই লিখিত রূপ। এটা পড়ে জানা গেল, ঈসার মত শিষ্যদেরও অলৌকিক ক্ষমতা ছিল। অসুস্থদের সুস্থ করা, ভূত (শয়তানের আরেক রূপ) তাড়ানো, মৃতদের জীবিত করা ইত্যাদি।

৬ষ্ঠ থেকে ২৬ তম খন্ড হচ্ছে নীতিকথা। তারমধ্যে প্রথম ১৩ খন্ড হচ্ছে পৌলের লেখা। এগুলো মূলত বিভিন্ন শহরের উম্মতদের কাছে লেখা চিঠি। ভালো কাজ কর, সৎ পথে চল, ব্যাভিচার কর না, সব মানুষের প্রতি সমান ব্যবহার কর, নিয়মিত দান কর, মেয়েরা তোমরা ছেলেদের কথামত চল ইত্যাদি ইত্যাদি। এই পৌল কিন্তু ঈসার মূল বারো জন শিষ্য ছিলেন না। প্রথমদিকে তো ঈসার উম্মতদের উপর অত্যাচার করত। পরে ঈসা তাকে দেখা দিলেন এবং উনি ঈমান আনলেন। এই পৌল বিশেষভাবে অ-ইহুদীদের কাছে ঈসার বাণী প্রচার করেছেন।

শেষ খন্ডটাই সবচেয়ে ইন্ট্রেসটিং। ভবিষ্যত পৃথিবী সম্পর্কে বলা হয়েছে। কিভাবে দজ্জালের আগমন ঘটবে, কিভাবে মানুষ বিপথে যাবে, কিভাবে ঈসা আসবেন, কিভাবে উনি হাজার বছর শান্তি প্রতিষ্ঠা করবেন, কিভাবে শয়তান এই হাজার বছর বন্দী থাকবে এবং এরপর মুক্তি পেলেও কিভাবে ধ্বংস হবে, কিভাবে পৃথিবী ধ্বংস হবে, কিভাবে মানুষের বিচার হবে এবং বেহেস্ত লাভ করবে মানুষ এসব আছে। মারাত্মক মজার একটা চ্যাপ্টার। এই চ্যাপ্টারকে পাঁচে পাঁচ :D
কিন্তু এই খন্ড পড়তে গিয়ে বুঝলাম, বেহেস্তেও এলিটিজম থাকবে। ইহুদীরা এলিট হিসেবেই গণ্য হবে।

এই বই পড়তে গিয়ে আমার মাথায় একটা প্রশ্ন আসলো। কেউ যদি কোন খারাপ কাজ না করে এবং অবশ্যই ভালোভাবে চলে কিন্তু ঈসার উম্মত না হয় তবে কি সে পূণ্যবান হিসেবে গণ্য হবে? এই প্রশ্ন উদয় হতে হতেই লালন এসে মাথায় ঘাঁটি বাঁধল :D
পাপ পূণ্যের কথা আমি কারে বা শুধাই
একদেশে যা পাপ গণ্য
অন্য দেশে পূণ্য তাই।
Profile Image for লোচন.
207 reviews55 followers
August 4, 2022
|১ম খন্ড, মথি (২৫:২৯)
“যাহার আছে তাহাকে আরো দেওয়া হইবে, আর তাহাতে তাহার অনেক হইবে৷ কিন্তু যাহার নাই, তাহার যাহা আছে তাহাও তাহার নিকট হইতে লইয়া যাওয়া হইবে।”

|৪র্থ খন্ড, ইউহোন্না (১৩:২১)
“এই সমস্ত কথা বলিবার পর ঈসা অন্তরে অস্থির হইলেন। তিনি বলিলেন, ‘আমি তোমাদের সত্যই বলিতেছি, তোমাদেরই মধ্যে একজন আমাকে শত্রুদের হাতে ধরাইয়া দিবে।”

|৫ম খন্ড, প্রেরিত (৭:৪৯)
”প্রভু বলেন,
বেহেস্ত আমার সিংহাসন
দুনিয়া আমার পা রাখিবার জায়গা
আমার জন্য কী রকম ঘর তুমি তৈয়ার করিবে?”

|১৪শ খন্ড, ২ থিষলনীকীয় (৩:১৩)
“ভাইয়েরা, ভালো কাজে ক্লান্ত হইও না।”

|১৯শ খন্ড, ইব্রাণী (১১:১)
“আমরা যাহা পাইব বলিয়া আশা করিয়া আছি, তাহা যে আমরা পাইবই, এই নিশ্চয়তাই বিশ্বাস।”

|২০শ খন্ড, ইয়াকুব (৩:১৩)
“তোমাদের মধ্যে জ্ঞানী ও বুদ্ধিমান কে? সে তাহার সৎ জীবন দিয়া, জ্ঞান হইতে বাহির হইয়া আসা নম্রতাপূর্ণ কাজ দেখাক।”

|২৩শ খন্ড, ১ ইউহোন্না (৪:৮)
“যাহাদের অন্তরে মহব্বত নাই তাহারা খোদাকে জানে না, কারণ খোদা নিজেই মহব্বত।”

|২৭শ খন্ড, প্রকাশিত কালাম (১:৮)
“প্রভু-খোদা বলিতেছেন, ‘যিনি আছেন, যিনি ছিলেন, ও যিনি আসিতেছেন — আমি সেই আলফা ও ওমিগা। আমিই সমস্ত শক্তির অধিকারী।”
Displaying 1 - 3 of 3 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.