What do you think?


গালিবের গজল থেকে
- GenresPoetry
135 pages, Hardcover
First published January 1, 1976
About the author
Mirza Asadullah Khan Ghalib
110 books404 followersMirza Ghalib (Urdu: مرزا غالب) born Mirza Asadullah Beg Khan (Urdu/Persian: مرزا اسد اللہ بیگ خان) was a classical Urdu and Persian poet from India during British colonial rule. He used as his pen-name Ghalib (Urdu/Persian: غالب, ġhālib means dominant) and Asad (Urdu/Persian: اسد, Asad means lion. His honour title was Dabir-ul-Mulk, Najm-ud-Daula.
During his lifetime the Mughals were eclipsed and finally deposed by the British following the defeat of the Indian Revolt of 1857, events that he wrote of. Most notably, he wrote several ghazals during his life, which have since been interpreted and sung in many different ways by different people. In South Asia, he is considered to be one of the most popular and influential poets of the Urdu language. Ghalib today remains popular not only in India and Pakistan but also amongst diaspora communities around the world.
Mirza Ghalib is also known as the last great poet of the Mughal Era.
During his lifetime the Mughals were eclipsed and finally deposed by the British following the defeat of the Indian Revolt of 1857, events that he wrote of. Most notably, he wrote several ghazals during his life, which have since been interpreted and sung in many different ways by different people. In South Asia, he is considered to be one of the most popular and influential poets of the Urdu language. Ghalib today remains popular not only in India and Pakistan but also amongst diaspora communities around the world.
Mirza Ghalib is also known as the last great poet of the Mughal Era.
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 8 of 8 reviews
June 16, 2021
হায়, কেন কাঁদতে গেলাম তার কাছে!
আমি কি জানতাম বন্ধু, এতে বুকের জ্বালা আরো বেড়ে যাবে।।
আচ্ছা দুঃখ-কষ্ট কি কোনো অলিখিত নিয়মে এত আলাদা হয়েও সবাইকে কোনো এক জায়গায় একত্রিত করে? করে বোধহয়, নাহলে কিভাবে এতদিন আগে আমার মনের কথাটা কিভাবে কেউ জেনে ফেলল?
এই কিছুদিন আগে শিমিন আপু বইটা পাঠিয়েছিল। ভেতরে একলাইনে লেখা ঈদের সালামী। হাতে পেয়েই পড়তে শুরু করি। একটু করে পড়েছি, আর কত ভাবনার জঞ্জাল যে মাথার ভেতর উঁকি দিয়েছে। কখনো কখনো থমকে গেছি, আটকে থেকেছি কোনো লাইনে। অবাক হয়েছি, মুগ্ধ হয়েছি। কষ্টও এত সুন্দর হয়? এত ভালোবেসে ব্যর্থতা নিয়েও লেখা যায়?
মন তার পেয়েই যেতে গালিব;
আরো কিছুদিন বেঁচে থাকলে পারতে।।
কতবার প্রতিদানে ভালোবাসা না পেয়ে ভেবেছি, আরেকটু যদি অন্যরকম হতাম! আরও একটু যদি অপেক্ষা করতাম, যদি স্থান কাল আলাদা হত, ভালোবাসত কি সে? অথচ কত প্রশ্ন, কত আক্ষেপ, কত যদি-কিন্তুর হিসেব কত সহজে গালিব বুঝিয়ে দিলেন। কত সহজে বলে দিলেন সহস্র শতাব্দী পরেও যা পাইনি তা না পাওয়াই থাকত, তা না পাওয়ায় আমার দোষ কিছু থাকতনা, আক্ষেপটা শুধু থেকে যেত ষোল আনা!
যে কবি অবহেলাকে ফুটিয়ে তুলেছে্ন নৈরাশ্যের উদাসীনতায়-
এদিকে আমি- শত সহস্র আর্তনাদ;
ওদিকে তুমি- এক পরমাশ্চর্য না শোনা।।
সে কবিই আবার ভীষণ আর্তনাদে জানিয়েছেন প্রতিবাদ-
মন্দির নয়, কাবা নয়, কারো দরজা নয়, আস্তানা নয়;
বসে আছি পথের ধারে, সেখান থেকেও আমায় উঠিয়ে দেয় কেন?
August 7, 2020
বাংলা অক্ষরে কল্কাত্তাই উর্দু লেখার ধরন ভয়ানক বিশ্রী। ভয়ানক মানে ভয়ানক
November 26, 2024
প্রতিভা এমন একটা জিনিস যেটা শত সাধনায়ও উৎরে যাওয়া যায় না। নইলে অলস, অকর্মন্য, কিছুই না করে সারাজীবন পেনশনের উপর নির্ভরশীল, অহংকারী, মাতাল, লুইচ্চা, জুয়াড়ি, আপদমস্তক ঋণের মধ্যে ডুবে থাকা এক কাপুরুষ বুদ্ধিজীবীর কলমে এই মানের প্রাণজুড়নো ধাক্কা দেওয়ার মত পংক্তি কিভাবে আসে? বিভিন্ন জায়গায় জোর জবরদস্তি করে অতিরিক্ত রবীন্দ্রনাথ ঢোকানোর কারণে এক তারা কাটা।
April 2, 2020
পিতৃদত্ত নাম মীর নওশা। কিন্তু নওশা তিনি হতে চাননি। চেয়েছেন মির্জা গালিব হতে। প্রথম জীবনে উর্দু দিয়ে শায়েরিতে হাতেখড়ি। মাঝে ফারসি শায়েরির চর্চা করেছেন। মীর তকী মীর মারা যাওয়ার পর বাহাদুর শাহ জাফরের সভাকবি হন গালিব। জাফর নিজেও শায়েরির চর্চা করলেন। কবি জাফর নামে পরিচিত ছিলেন। মূলত ১৮৫০ সালে বাহাদুর শাহের সভাকবি হওয়ার পর পুনর্বার ফারসি কাব্য রচনায় মনোনিবেশ করেন।
ব্যক্তি জীবনে সুখী হয়নি। ছোট থেকেই দারিদ্রতা তার নিত্যসঙ্গী। তারওপর মদ্যপান, জুয়া খেলা এবং আকন্ঠ ঋণে নিমগ্ন গালিবকে জীবদ্দশায় অনেক তিক্ত ঘটনার শিকার হতে হয়েছিল। পাওনাদারের ভয়ে বাড়ি থেকে বের হতেন না, জুয়া খেলার জন্য তিনমাস থাকতে হয় কারাবন্দি। বিরোধীদের আক্রমণের শিকার হয়েছেন বারবার। কটু বাক্যে জর্জরিত করেছে সর্বক্ষণ।
গালিব নিজেও অহংকারী ছিলেন। আমির খসরু ছাড়া আর কোনো কবিকে কবি ভাবতেন না।এমনকি মীর তকী মীরকে পর্যন্ত ধর্তব্যে আনতেন না।
বিচিত্র জীবনের অধিকারী গালিব নিয়মিত যেতেন উর্দু কবিদের আস্তানায়। যাদের বলা হয় তওয়ায়েফ। আবু সয়ীদ আইয়ুব বলতে চেয়েছেন এই তওয়ায়েফরা ছিলেন সমকামী। অর্থাৎ গালিব নিজেও একইপথের পথিক।
ফারসি নয়, শুধু উর্দু শায়েরি নিয়ে আবু সয়ীদ আইয়ুবের এ সংকলন। দু'চারটে উদ্ধৃত করছি-
প্রেমের নিষ্ঠুরতাকে ভয় করি না, কিন্তু আসাদ,
যে হৃদয় নিয়ে গর্ব ছিল, সে হৃদয় আর নেই।
প্রেমের উপর জোর খাটে না, এ সে আগুন গালিব
যা জ্বালালে জ্বলে না, নেভালে নেভে না।
ফুল বাগিচার রূপ দেখতে চাই, আবার ফুল তুলতে চাই / হে বসন্তের স্রষ্টা, আমার মন পাপী।
মানলাম যে গালিব কিছুই না, তবে একেবারে বিনা খরচায় পেয়ে যাও তো বন্ধ বা কী।
আসবে ব'লে কথা দিয়েছো, কথা রাখো, এ কেমন রীতি তোমা; আমার দরজায় আমাকেই দারোয়ানির কাজে দিয়েছো।
এখন নিষ্ঠুরতা থেকেও বঞ্চিত আমি - হায় ঈশ্বর
একনিষ্ঠ প্রেমিকের সঙ্গে এমন শত্রুতা!
সব সম্পর্ক ছিন্ন করো না, বন্ধু
আর যদি কিছু নাই থাকে তবে শত্রুতাই থাক।
কিছু মনে করো না গালিব, যদি ধর্মোপদেষ্টা তোমায় মন্দ বলেন, এমন-কি কেউ আছে যাকে সবাই ভালো বলে।
অনুবাদ সুখপাঠ্য নয়। খোদ উর্দুতেই গালিব মুসকিল-পছন্দ কবি নামে পরিচিত। তারঁ কাব্যের অনুবাদ সহজ কাজ নয়। আবু সয়ীদ আইয়ুব পণ্ডিত ব্যক্তি। ভাষার ওপর দখলও ভালো। তবু তাঁর অনুবাদ আমার ভালো লাগোনি। হায়! যদি মূল ভাষায় গালিব পড়তে পারতাম!!
ব্যক্তি জীবনে সুখী হয়নি। ছোট থেকেই দারিদ্রতা তার নিত্যসঙ্গী। তারওপর মদ্যপান, জুয়া খেলা এবং আকন্ঠ ঋণে নিমগ্ন গালিবকে জীবদ্দশায় অনেক তিক্ত ঘটনার শিকার হতে হয়েছিল। পাওনাদারের ভয়ে বাড়ি থেকে বের হতেন না, জুয়া খেলার জন্য তিনমাস থাকতে হয় কারাবন্দি। বিরোধীদের আক্রমণের শিকার হয়েছেন বারবার। কটু বাক্যে জর্জরিত করেছে সর্বক্ষণ।
গালিব নিজেও অহংকারী ছিলেন। আমির খসরু ছাড়া আর কোনো কবিকে কবি ভাবতেন না।এমনকি মীর তকী মীরকে পর্যন্ত ধর্তব্যে আনতেন না।
বিচিত্র জীবনের অধিকারী গালিব নিয়মিত যেতেন উর্দু কবিদের আস্তানায়। যাদের বলা হয় তওয়ায়েফ। আবু সয়ীদ আইয়ুব বলতে চেয়েছেন এই তওয়ায়েফরা ছিলেন সমকামী। অর্থাৎ গালিব নিজেও একইপথের পথিক।
ফারসি নয়, শুধু উর্দু শায়েরি নিয়ে আবু সয়ীদ আইয়ুবের এ সংকলন। দু'চারটে উদ্ধৃত করছি-
প্রেমের নিষ্ঠুরতাকে ভয় করি না, কিন্তু আসাদ,
যে হৃদয় নিয়ে গর্ব ছিল, সে হৃদয় আর নেই।
প্রেমের উপর জোর খাটে না, এ সে আগুন গালিব
যা জ্বালালে জ্বলে না, নেভালে নেভে না।
ফুল বাগিচার রূপ দেখতে চাই, আবার ফুল তুলতে চাই / হে বসন্তের স্রষ্টা, আমার মন পাপী।
মানলাম যে গালিব কিছুই না, তবে একেবারে বিনা খরচায় পেয়ে যাও তো বন্ধ বা কী।
আসবে ব'লে কথা দিয়েছো, কথা রাখো, এ কেমন রীতি তোমা; আমার দরজায় আমাকেই দারোয়ানির কাজে দিয়েছো।
এখন নিষ্ঠুরতা থেকেও বঞ্চিত আমি - হায় ঈশ্বর
একনিষ্ঠ প্রেমিকের সঙ্গে এমন শত্রুতা!
সব সম্পর্ক ছিন্ন করো না, বন্ধু
আর যদি কিছু নাই থাকে তবে শত্রুতাই থাক।
কিছু মনে করো না গালিব, যদি ধর্মোপদেষ্টা তোমায় মন্দ বলেন, এমন-কি কেউ আছে যাকে সবাই ভালো বলে।
অনুবাদ সুখপাঠ্য নয়। খোদ উর্দুতেই গালিব মুসকিল-পছন্দ কবি নামে পরিচিত। তারঁ কাব্যের অনুবাদ সহজ কাজ নয়। আবু সয়ীদ আইয়ুব পণ্ডিত ব্যক্তি। ভাষার ওপর দখলও ভালো। তবু তাঁর অনুবাদ আমার ভালো লাগোনি। হায়! যদি মূল ভাষায় গালিব পড়তে পারতাম!!
December 1, 2020
মির্জা নওশা ওরফে আসাদুল্লাহ খাঁ গালিব উর্দু সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ কবি। প্রেমকে প্রাধান্য দিয়ে তার রচিত অসংখ্য শের বা গজল থেকে কিয়দাংশে নিয়ে সংকলিত হয়েছে এই বইটি। ব্যক্তিকেন্দ্রিক কবি হওয়ায় গালিবের বইয়ে প্রাধান্য পেয়েছে প্রেম, বিরহ, প্রিয়ার স্বরূপ, ধর্ম, আত্মসমালোচনা ইত্যাদি। দুই লাইনের এসব শেরগুলোর মাধ্যমেই তিনি ফুটিয়ে তুলেছেন পরিপূর্ণ গল্পকে, পরিপূর্ণ ভাবকে।
প্রেমের কথাই ধরা যাক। নিজে আজীবন প্রেমিক হওয়ায় প্রেম তাঁর শেরগুলোর প্রধান উপাদান। তিনি যেমন তিনি সর্বদা প্রেমের আকাঙ্ক্ষা করেন তেমনি প্রেমকেই মনে করেন দুনিয়ার মহত্তম বিষয়। তাইতো তিনি ঘোষনা করেন :
' দুনিয়ার এই ভয়ানক উজাড় মজলিসে প্রদীপের মত আমি
প্রেমের শিখাকেই সর্বস্ব জ্ঞান করলাম'
আবার অন্য শেরে তিনি তুলে ধরেন প্রেমের চিরন্তন ও শ্বাশ্বত রূপ। তিনি বলেন:
' প্রেমের উপর জোর খাটে না, এ সেই আগুন, গালিব
যা জ্বালালে জ্বলে না, নেভালে নেভে না'
প্রেমপিয়াসুর মত বারবার প্রেমের কাঁটার রাস্তায় ক্ষতবিক্ষত হলেও কামনা করেন সেই প্রেমের শৃঙ্খলেই বন্দি হতে:
' শতবার প্রেমের বন্ধন থেকে আমি মুক্ত হলাম
কিন্তু কি করি, হৃদয়ই মুক্তির পরিপন্থী'
কিন্তু তিনি তো কেবল প্রেমের কবি নন তিনি যে বিরহেরও কবি তাই তাঁর কন্ঠে ধ্বণিত হয় :
' এদিকে আমি - শত সহস্র আর্তনাদ
ওদিকে তুমি - এক পরমাশ্চর্য না-শোনা'
বা,
' আমার ঘন নৈরাশ্যের মধ্যে কালের গতি রুদ্ধ
যেদিন মিশকালো তার প্রভাতই বা কী, সন্ধ্যাই বা কী?'
কিন্তু তিনি বিরহেই প্রেমের শেষ দেখেন না তাই আবার কামনা করেন প্রেয়সীকে, তাকে সর্বদা স্মরণ করেন, তার কাছেই ধাবিত হন পুনরায় ক্ষতবিক্ষত হতে।
আত্মসমালোচনাতেও তিনি সিদ্ধহস্ত। তাইতো তিনি সহজেই বলতে পারেন :
' সুন্দর মুখ ভালবাসেন, আসাদ
নিজের মুখখানিও তো একবার দেখা চাই'
তাঁর আলোচনা থেকে বাদ যায় না ধর্ম বা ধর্মোপদেশকও। তাই তিনি বলে ফেলেন:
' আমি কি এমন জ্ঞানী ছিলাম, কোন গুণেই বা সেরা ছিলাম
অকারণে, গালিব, আসমান আমার শত্রু হল'
এভাবে বিস্তৃত বিষয় উঠে আসে তাঁর শেরগুলোতে যেগুলো পড়ে পাঠককে মুগ্ধ হতে হয়, আনন্দে অভিভূত হতে হয়। আর বইটিতে ভাবানুবাদ থাকার পাশাপাশি মূল উর্দুও থাকায় তা পাঠককে দেয় আরো বেশি মুগ্ধতা। তো এই অসাধারন কবি ও তাঁর কবিতাকে জানতে পড়তে হবে এই অসাধারন বইটি।
প্রেমের কথাই ধরা যাক। নিজে আজীবন প্রেমিক হওয়ায় প্রেম তাঁর শেরগুলোর প্রধান উপাদান। তিনি যেমন তিনি সর্বদা প্রেমের আকাঙ্ক্ষা করেন তেমনি প্রেমকেই মনে করেন দুনিয়ার মহত্তম বিষয়। তাইতো তিনি ঘোষনা করেন :
' দুনিয়ার এই ভয়ানক উজাড় মজলিসে প্রদীপের মত আমি
প্রেমের শিখাকেই সর্বস্ব জ্ঞান করলাম'
আবার অন্য শেরে তিনি তুলে ধরেন প্রেমের চিরন্তন ও শ্বাশ্বত রূপ। তিনি বলেন:
' প্রেমের উপর জোর খাটে না, এ সেই আগুন, গালিব
যা জ্বালালে জ্বলে না, নেভালে নেভে না'
প্রেমপিয়াসুর মত বারবার প্রেমের কাঁটার রাস্তায় ক্ষতবিক্ষত হলেও কামনা করেন সেই প্রেমের শৃঙ্খলেই বন্দি হতে:
' শতবার প্রেমের বন্ধন থেকে আমি মুক্ত হলাম
কিন্তু কি করি, হৃদয়ই মুক্তির পরিপন্থী'
কিন্তু তিনি তো কেবল প্রেমের কবি নন তিনি যে বিরহেরও কবি তাই তাঁর কন্ঠে ধ্বণিত হয় :
' এদিকে আমি - শত সহস্র আর্তনাদ
ওদিকে তুমি - এক পরমাশ্চর্য না-শোনা'
বা,
' আমার ঘন নৈরাশ্যের মধ্যে কালের গতি রুদ্ধ
যেদিন মিশকালো তার প্রভাতই বা কী, সন্ধ্যাই বা কী?'
কিন্তু তিনি বিরহেই প্রেমের শেষ দেখেন না তাই আবার কামনা করেন প্রেয়সীকে, তাকে সর্বদা স্মরণ করেন, তার কাছেই ধাবিত হন পুনরায় ক্ষতবিক্ষত হতে।
আত্মসমালোচনাতেও তিনি সিদ্ধহস্ত। তাইতো তিনি সহজেই বলতে পারেন :
' সুন্দর মুখ ভালবাসেন, আসাদ
নিজের মুখখানিও তো একবার দেখা চাই'
তাঁর আলোচনা থেকে বাদ যায় না ধর্ম বা ধর্মোপদেশকও। তাই তিনি বলে ফেলেন:
' আমি কি এমন জ্ঞানী ছিলাম, কোন গুণেই বা সেরা ছিলাম
অকারণে, গালিব, আসমান আমার শত্রু হল'
এভাবে বিস্তৃত বিষয় উঠে আসে তাঁর শেরগুলোতে যেগুলো পড়ে পাঠককে মুগ্ধ হতে হয়, আনন্দে অভিভূত হতে হয়। আর বইটিতে ভাবানুবাদ থাকার পাশাপাশি মূল উর্দুও থাকায় তা পাঠককে দেয় আরো বেশি মুগ্ধতা। তো এই অসাধারন কবি ও তাঁর কবিতাকে জানতে পড়তে হবে এই অসাধারন বইটি।
May 24, 2018
"মন্দির নয়, কাবা নয়, কারো দরজা নয়, আস্তানা নয়;
বসে আছি পথের ধারে, সেখান থেকেও আমায় উঠিয়ে দেয় কেন?"
বসে আছি পথের ধারে, সেখান থেকেও আমায় উঠিয়ে দেয় কেন?"
January 23, 2022
জীবনের রঙ্গ দেখেছ তুমি গালিব
আমি আছি তোমার পথে
যদি খুজে পাই পথ...!
আমি আছি তোমার পথে
যদি খুজে পাই পথ...!
May 11, 2023
"বুকে মিলনের আগ্রহ, প্রিয়ার স্মৃতি পর্যন্ত বাকি নেই;
এমন আগুন লাগলো এ-ঘরে যে যা ছিলো ছাই হয়ে গেলো।।"
"পেরে উঠতেই হবে, গালিব(আকাশ);
অবস্থা সঙ্গীন এবং প্রাণ প্রিয়।।"
(১১ মে, ২০২৩)
এমন আগুন লাগলো এ-ঘরে যে যা ছিলো ছাই হয়ে গেলো।।"
"পেরে উঠতেই হবে, গালিব(আকাশ);
অবস্থা সঙ্গীন এবং প্রাণ প্রিয়।।"
(১১ মে, ২০২৩)
Displaying 1 - 8 of 8 reviews









