একজন সৎ, শক্তিমান সাহিত্যিকের হাতে পড়লে অপরাধমূলক গোয়েন্দাকাহিনিও যে উত্তীর্ণ হয় সার্থকতার কোন স্তরে, তারই বিরল দৃষ্টান্ত শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের এই মানবিক উপন্যাস, ঋণ। আমেরিকা-ফেরত এক বিত্তশালিনী ডিভোর্সী যুবতীর খুনের ঘটনার তদন্তকে কেন্দ্র করে গড়ে-ওঠা এই কাহিনি আদ্যন্ত শ্বাসরোধকর নানা উপাদানে ঠাসা, তদন্তের সূত্র ধরে পাতায়-পাতায় উন্মোচিত হয়েছে নতুন-নতুন চমকপ্রদ তথ্য, তুখোড় গোয়েন্দার অন্তর্ভেদী জেরার সামনে প্রত্যেককেই মনে হয় কোনও-না-কোনওভাবে সন্দেহজনক, প্রত্যেকের ক্ষেত্রেই মনে হয় রয়েছে খুনের অভ্রান্ত এক মোটিভ, অথচ শেষাবধি যখন ধরা পড়ে যথার্থ খুনি, একবারও অবিশ্বাস্য মনে হয় না। অপরাধকে মেনে নেওয়া যায় না ঠিকই, কিন্তু অপরাধীর জন্যও পড়ে দীর্ঘশ্বাস। এখানেই এই উপন্যাসের প্রকৃত সার্থকতা।
শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় একজন ভারতীয় বাঙালি সাহিত্যিক।
তিনি ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির অন্তর্গত ময়মনসিংহে (বর্তমানে বাংলাদেশের অংশ) জন্মগ্রহণ করেন—যেখানে তাঁর জীবনের প্রথম এগারো বছর কাটে। ভারত বিভাজনের সময় তাঁর পরিবার কলকাতা চলে আসে। এই সময় রেলওয়েতে চাকুরিরত পিতার সঙ্গে তিনি অসম, পশ্চিমবঙ্গ ও বিহারের বিভিন্ন স্থানে তাঁর জীবন অতিবাহিত করেন। তিনি কোচবিহারের ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। পরে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। শীর্ষেন্দু একজন বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন। বর্তমানে তিনি আনন্দবাজার পত্রিকা ও দেশ পত্রিকার সঙ্গে জড়িত।
তাঁর প্রথম গল্প জলতরঙ্গ শিরোনামে ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দে দেশ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। সাত বছর পরে সেই একই পত্রিকার পূজাবার্ষিকীতে তাঁর প্রথম উপন্যাস ঘুণ পোকা প্রকাশিত হয়। ছোটদের জন্য লেখা তাঁর প্রথম উপন্যাসের নাম মনোজদের অদ্ভুত বাড়ি।
-সুখ চাও? সুখ মানুষকে অলস করে দেয়, ভোঁতা করে দেয়, সুখ থেকে মেদবৃদ্ধি হয়। আমরা সুখ চাইবো কেন? -তাহলে? -একটু সুখের সাথে মাঝে মাঝে একটু দুঃখ মিশিয়ে দেয়া যাবে। ককটেল। ব্যালেন্স।
-এ কার ডায়লোগ ছাড়লে? -ঋণে পড়েছি? -ঋণে পড়েছো মানে? কার কাছে টাকা ধার করতে গেছিলে? -আহহা শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের ঋণ। শবরকে নিয়ে যে প্রথম বইটা, ওটার কথা বলছি। -তাই বলো। তা কেমন লাগলো? -খাসা, একদম খাসা। - এ আবার কেমন ভাষা? গতবার তো ওনার বিকেলের মৃত্যু পড়ে মুখ উল্টিয়েছিলে। - আমার কি মনে হয়েছে জানো? দু'টা যেন দু'লেখকের লেখা। আগাগোড়া সংলাপ নির্ভর বইটা শুরু থেকেই একদম টেনে ধরে রেখেছিল। -বাহ! - নারীর টান। -মানে? -মানে গল্পের প্লট। কিভাবে নারীর টান ছারখার করে দিলো কয়েকজন মানুষের জীবন, আবার সেই মমতার টানই বাঁচিয়ে রেখেছে অন্যদের। -ফিলজফি ঝাড়ছো দেখছি। তা এতই যখন ভালো লাগলো পুরো নম্বরই দিতে। -একটু ফাক ফোকর ছিলো, তাই। -হুহ। -কি হুহ? -ওরকম ফাক ফোকর তো ঐ নিখোঁজকাব্য না কি সেটাতেও আছে। ওটার কথা বললে তো আবার রেগে যাও। -বড্ড বেশি কথা বল মাঝে মাঝে।
আজ থেকে বহু-বহু বছর আগে, যখন পুজোয় আনন্দ পাবলিশার্সের নতুন পূজাবার্ষিকী হিসেবে "পত্রিকা" আত্মপ্রকাশ করল, তখন সেই পত্রিকার একদম প্রথম সংখ্যায় আরো অনেক নিয়ম-ভাঙা লেখার পাশাপাশি এই উপন্যাসটা পড়েও মুগ্ধ হয়েছিলাম। মুগ্ধতার কারণ ছিল দুটো: ১. প্রাপ্তবয়স্ক পাঠকের জন্য রহস্যকাহিনি লেখা সবার কাজ নয়। অসংখ্য তথাকথিত নামকরা লেখক খ্যাতির লোভে বা প্রকাশকের প্ররোচনায় এই স্বখাত সলিলে মজেছেন। সেখানে শীর্ষেন্দুর মতো একজন সাহিত্যিক এমন একটা বহুমাত্রিক কাহিনি উপহার দেবেন, এটা সত্যিই অপ্রত্যাশিত ছিল। ২. শবর দাশগুপ্তের মতো একটি চরিত্র বাংলা সাহিত্যে স্রেফ অভূতপূর্ব। আমি ওই চরিত্রটির প্রতি প্রবল ভাবে আকৃষ্ট হই। তবে শীর্ষেন্দু এই স্ট্রাইক-রেট বজায় রাখতে পারেননি। পরবর্তী শবর-উপাখ্যানগুলো হয়ে দাঁড়িয়েছিল সংলাপ-সর্বস্ব এবং ফর্মুলাইক। এই লেখাটা যে এখনও কত স্পেশাল রয়ে গেছে, সেটা অবশ্য প্রমাণ করে দেন অরিন্দম শীল "এবার শবর" সিনেমাটা বানিয়ে। ইন ফ্যাক্ট, এই উপন্যাসটা পড়ার পাশাপাশি আমি সিনেমাটাও অতি অবশ্যই দেখতে অনুরোধ করব।
‘’ মরে আর কি হবে ? মরা লোক কি দোবারা মরে স্যার ? তবে জজ সাহেব কে বলবেন ওসব যাবজ্জীবনটিবন আমার ভালো লাগে না । ফালতু চৌদ্দ বছর শুয়ে বসে থাকা । তারচেয়ে ঝটপট ট্রায়ালটা মিটিয়ে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দেন যেন । বলবেন স্যার ? ‘’ গোটা উপন্যাস একটা তদন্তের জিজ্ঞাসাবাদ । লালবাজারের টিকটিকি মিস্টার শবর একটি হত্যা মামলার সুরাহা করার চেষ্টা করছেন । ভিক্টিম বাড়িতে পার্টি দিয়েছিলো । প্রচুর মদ্যপানের কারণে সবাই মোটামুটি একটু ঝিমিয়ে পড়ে । রাইত নিশীথে কে যেন ভিক্টিম রে স্ট্যাব কইরা চারপাশে পারফিউমের বোতল ভেঙে রেখে গেছে যাতে পুলিশের কুকুর দিশেহারা হয়ে যায় ! বুদ্ধি খারাপ নয় । সন্দেহ প্রায় সবাইকেই হচ্ছে । কিন্তু সবাই তো আর হত্যাকান্ডে জড়িত ছিলো না । তাইলে !
কলকাতার গল্প পড়ে পড়ে মনে হয়, ওটা বুঝি পরকীয়ার পাত্রে ডুবে থাকা কোনো শহর! অবৈধ সম্পর্ক আর মদ ছাড়া কি তাদের চলেই না? এ পর্যন্ত পড়া শীর্ষেন্দুর সব বইতে কমবেশি এগুলো ছিলই– তবে এটায় যেন আরো বেশি! যাকেই একটু ভালো বলে মনে হয়, ওমনি দেখি, তারও একটা সম্পর্ক বেরিয়েছে!
মোটামুটি ভালো লাগল। শবরের সাথে ধীরে ধীরে পরিচিত হচ্ছি। তার প্রশ্ন করার ধরন মুগ্ধ করেছে।
নিজ বাড়ির পার্টিতে রহস্যজনকভাবে খুন হওয়া এক নারীর কেসের তদন্ত নিয়ে বইটার কাহিনী গড়ে উঠেছে। প্রাক্তন বর, বন্ধু, চাচাতো বোন প্রত্যেককেই সন্দেহের তালিকায় রেখে তদন্ত শুরু করে লালবাজারের টিকটিকি শবর দাসগুপ্ত।
বেশ ভালো একটা বই। সচরাচর গোয়েন্দা কাহিনীর চেয়ে কিছুটা ভিন্ন, এত সংলাপধর্মী গোয়েন্দা কাহিনী আগে পড়া ছিল না। লেখক আমার অনুমান নিয়ে ভালোই খেলেছেন, শেষের টুইস্টটাও ভালো। মোটের উপর এক বসায় পড়ার মতো দারুণ একটা বই।
7.5/10 সুন্দর পরিসমাপ্তি। খুবই গতিশীল লেখনী, চরিত্র গঠন বেশ ভালো। ইনভেস্টিগেশন প্রসেস টা চমৎকার এবং অত্যন্ত স্বাদু ডায়লগ। খুনির উদ্দেশ্য যথাযথ। সর্বোপরি একটি স্বার্থক রহস্য উপন্যাস।
শবর দাশগুপ্ত-র আত্মপ্রকাশ ঋণ এর মাধ্যমে। বলতে লজ্জা নেই শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় এর সাথে আমার সম্পর্ক টা অনেক টা যাকে বলে লাভ হেট রিলেশনশিপ। মানুষটার বেশ কিছু লেখায় পেয়েছি অনাবিল আনন্দ, আবার অনেক লেখা পড়ে ভালো লাগার চেয়ে বিরক্তই হয়েছি খানিকটা।
রহস্য গল্প লিখিয়ে হিসেবে তার সাথে আমার প্রথম পরিচয় 'বিকেলের মৃত্যু' উপন্যাসে। বইটি নিতান্তই অপছন্দ হবার দরুন, শেষ করে উঠি নি। এই উপন্যাসে কিন্তু শীর্ষেন্দু বাবুকে পেলাম এক অন্য মাত্রায়। টানটান সংলাপ বহুল একটি গোয়েন্দা গল্প, হয়ে উঠেছে বহুমাত্রিক, চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য এবং অতন্ত সুনিপুণ সংলাপ এর দরুন। শবর এর ডার্ক হ্যুমর এবং ঠোটকাটা আচরণ এর সাথে পাবেন একটি মানবিকতার উপাখ্যান।
চলচ্চিত্রায়ণ এর কারনে শবর এর নাম টা অনেকের কাছেই আজ পরিচিত, 'এবার শবর' টা দেখা থাকলেও বইটা পড়ুন, না থাকলেও পড়ুন। আফশোস হবে না।
একজন শক্তিমান সাহিত্যিকের হাতে পড়লে অপরাধমূলক গোয়েন্দাকাহিনিও যে উত্তীর্ণ হয় সার্থকতার কোন স্তরে, তারই বিরল দৃষ্টান্ত শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের এই উপন্যাস, ঋণ। আমেরিকা-ফেরত এক বিত্তশালিনী ডিভোর্সী যুবতীর খুনের ঘটনার তদন্তকে কেন্দ্র করে গড়ে-ওঠা এই কাহিনি আদ্যন্ত শ্বাসরোধকর নানা উপাদানে ঠাসা, তদন্তের সূত্র ধরে পাতায়-পাতায় উন্মোচিত হয়েছে নতুন-নতুন চমকপ্রদ তথ্য, তুখোড় গোয়েন্দার অন্তর্ভেদী জেরার সামনে প্রত্যেককেই মনে হয় কোনও-না-কোনওভাবে সন্দেহজনক, প্রত্যেকের ক্ষেত্রেই মনে হয় রয়েছে খুনের অভ্রান্ত এক মোটিভ, অথচ শেষাবধি যখন ধরা পড়ে আসল খুনি, একবারও অবিশ্বাস্য মনে হয় না। অপরাধকে মেনে নেওয়া যায় না ঠিকই, কিন্তু অপরাধীর জন্যও পড়ে দীর্ঘশ্বাস। এখানেই এই উপন্যাসের প্রকৃত সার্থকতা।
ভিন্নধর্মী এই ডিটেকটিভ থ্রিলার পড়তে বেশ ভালো লেগেছে।
অন্যান্য শবর বই ডায়লগের পরে ডায়লগ দিয়ে শেষ। বাট এই বইটা এমন নয়। শীর্ষেন্দু প্রথিতযশা লেখক। উনি চাইলেই শবরকে একটি আন্তর্জাতিক লেখার মানে নিয়ে যেতে পারেন। কেন যে নেন না কে জানে। বইটা পড়ে মজা পেলেও গোয়েন্দা এলিমেন্ট আসলে এইখানে কমই। এখনকার সমাজের ভাইসেসগুলো নিয়েই আসলে গল্পটা কাভার করা হয়েছে।
সব জেনেবুঝেও বয়সের দোষে ঝুলে পড়লাম। পড়া গেল, ক্যারিয়ার গেল । লোকে বলে, আমি ওকে নষ্ট করেছি। লোকে দেখল না, ও আমাকে কতটা নষ্ট করেছিল। বড়লোকের তো দোষ হয় না । মিতালি ফিরে গেল, বাপের কাছে, ক্ষমা হয়ে গেল, পড়াশুনো করতে লাগল, বিয়ে হল, আমেরিকা গেল। এমনকী অত ভাল পাত্র মিঠু মিত্তিরকে ডিভোর্স করার মতো আস্পর্ধাত দেখাল। মিতালির কি কিছু লস হল স্যার ? কিছু না। জীবনটা টালও খেল না, ক্যারিয়ার বিল্ড আপটা দেখুন স্যার। আর অন্য দিকে আমাকেও দেখুন। জীবনটা শুরু করেছিলাম কী দুর্দান্ত গরিব ঘরের ছেলে, প্রাইভেট মাস্টার দূরের কথা বইপত্তরই জোগাড় হয় না। পুষ্টিকর খাবার নেই । পড়াশুনোর জায়গা জুটত না। তবু ওরকম রেজাল্ট। কত কী করতে পারতাম স্যার। বাপ-মা কত স্বপ্ন দেখত আমাকে নিয়ে । পুরো ধস নেমে গেল । মিতালির দোষ কেউ দেখল না, দেখলেও চোখ ফিরিয়ে নিল।
Though I don't support this kind of vengeful love, at the end of the day shit happened to Pantu Adhikari.
শবর দাশগুপ্ত সিরিজের সবথেকে ভালো গল্প। এই পৃথিবীর বুকে হাজার হাজার মিঠু মিত্র ও পান্টু আছে, যাদের বড়লোকের মেয়েরা নিজেদের স্বার্থপর জীবন যাপনের জন্য শেষ করে দিচ্ছে, মেরুদণ্ডহীন করে দিচ্ছে। হয়তো সিস্টেম টাই তাই, বড়লোকের সাত খুন মাফ। মিতালী হয়তো সত্যিই খুন হয়েছে, কিন্তু সে যে মিঠু ও পাণ্টু কে আগেই খুন করে চলে গেছে। আবার মিতালীর বাবা বরুণ, তিনি তো নিজেই ঘৃণ্য, নিজের অপরাধবোধে নিজেই গেলেন। দোয়েল ঘোষের চরিত্র আজ সমাজে খুব লজ্জার দেখালেও, এই বরুণ ঘোষের মত কালপ্রিট এর জন্যে এদের খারাপ জীবিকা বেছে নিতে হয়, নাহলে নিজেদের অপরাধের মাশুলকে/দের তারা কিভাবে খাওয়াবে, লেখাপড়া শেখাবে। "ঋণ" নাম টা যথেষ্ট সার্থক : অপরাধ ঢাকা থাকেনা, ইট টি মারলে পাটকেলটি খেতেই হবে, শবর দাশগুপ্ত না থাকলেও, ভগবান আছে সাক্ষী হয়ে।
এই উপন্যাসের পটভূমি একটি রহস্য জনক খুনের গোয়েন্দা কাহিনী নিয়ে গড়ে উঠেছে। মিতালী দেবী এখানকার মূল চরিত্র। নিজের ফ্ল্যাটে তিনি রহস্যজনকভাবে খুন হন। প্রাথমিকভাবে তার সাবেক স্বামী মিঠু কে খুনের আসামী অনুমান করা হয়। ভাবা হয় হয় খুনের পেছনে মিঠু সাহেবের প্রতিশোধস্পৃহা, সম্পদের প্রতি লোভ এসব কাজ করতে পারে। তবে ধীরে ধীরে মোর নিতে থাকে গল্পটি। গোয়েন্দা কাহিনী পড়তে ভালো লাগলে বইটি অবশ্যই পড়ে দেখতে পারেন। আমার ব্যক্তিগত ভাবে মূলত শীর্ষেন্দু মুখ্যোপধ্যায় এর এডভেঞ্চার জাতীয় উপন্যাসগুলো পড়তে বেশি ভালো লাগে। তাই হয়তো আমাকে উপন্যাসটা কম আকৃষ্ট করেছে, এই আর কি।
বইটির প্লট অত্যন্ত ভালো তবে বইটি আরও ভালো হতে পারতো। বইটির চরিত্রের গভীরতা নেই। তাই, চরিত্রদের সাথে ভালোমতো এনগেজড হওয়া যায় না। বইটর লেখার স্টাইলও ইউনিক ছিল তবে শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় শেষ পর্যন্ত কায়দা করতে পারলেন না। এছাড়া বইটি শার্লক হোমসেকে নিয়ে লেখা কয়েকটি গোয়েন্দা গল্পের মতো হয়েছে শেষ পর্যন্ত যেখানে অপরাধীর প্রতিই বেশি গুরুত্ব হয়েছে। যাই হোক, বইটি আরও ভালো হতে পারতো বলেই আমার মনে হয়।
শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের লেখা কোনো থ্রিলার এই প্রথম পড়া হলো। বেশ ভালো লেগেছে। কোনো সন্দেহ নেই বইয়ের সবচাইতে উপভোগ্য দিক হলো সংলাপ নির্ভরতা। পড়তে গিয়ে মনে হচ্ছিলো হেনরি রাইডার হ্যাগার্ডের বাংলায় লিখা মৌলিক পড়ছি :3
I'm honestly biased when it comes to Shirshendu. I absolutely love everything he writes, so there's that.
It's really weird to someone mention "open relationship" when the term wasn’t popular then. And I'd say writers had more independence in crafting art back then. 💜
This entire review has been hidden because of spoilers.