শব্দটা শুনলেই গা ছমছম করে। বুক ধড়ফড় করে। আর সেই সব ফাঁসির আসামিরা যদি হয় দেশের বুকে ঝড় তুলে দেওয়া- মহাত্মা গান্ধীর হত্যাকারী নাথুরাম গডসে, ইন্দিরা গান্ধীর হত্যাকারী সতবন্ত সিং, নির্ভয়ার ধর্ষকেরা, কলকাতার বিতর্কিত ফাঁসির আসামি ধনঞ্জয়, নয়ডার আদমখোর সুরিন্দর কোলি, দিল্লির ধর্ষক রঙ্গা-বিল্লা, পাক-জঙ্গি আজমল কাসব, কাশ্মীরি সন্ত্রাসবাদী আফজল গুরু, মকবুল বাট, সিরিয়াল কিলার শিশু অমরজিৎ সাদা, সিরিয়াল কিলার বৃদ্ধ দরবারা সিং, মুম্বাই বিস্ফোরণের মাস্টার মাইন্ড ইয়াকুব মেমন ও দুর্ধর্ষ কামুক অটো শংকর।
বাংলা ভাষায় ঠিক এমন পনেরোটি আকর্ষণীয় কাহিনি সমৃদ্ধ বই আর লেখা হয়েছে কিনা সন্দেহ যেখানে কাহিনিগুলির ফাঁকফোকরে উঠে এসেছে প্রশাসনিক দুর্বলতা, ভুল তদন্ত, মিথ্যা অপবাদ আর ফাঁসুড়েদের কথাও। এই বইয়ের অন্যতম আকর্ষণ- অপরাধীদের ষড়যন্ত্রের নেপথ্যের ঘটনা (ফ্ল্যাশ ব্যাক) ও ধরা পড়ার কাহিনি আর তাদের দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে মৃত্যুর অপেক্ষায় প্রেতলোকের অনুভূতি নিয়ে বেঁচে থাকার যন্ত্রণার কথা। এগুলো কেবল ঘটনা নয়, যেন এক-একটা টানটান উপন্যাস যেখানে মিশে থাকছে খুনির দর্শন, ভাবনা ও পরিচয়, দীর্ঘমেয়াদি বিচার বিভ্রাট, যুক্তি, তর্ক, বিতর্ক এবং অবশ্যই অপার রহস্য। পরিশেষে অপরাধীর স্বীকারোক্তি, বিচার পর্ব ও আদেশ।