ভারতবর্ষ ও ওয়ারিস্তান। সদা বিবাদমান দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্র। ওয়ারিস্তানের ভাবী প্রধানমন্ত্রী, টেররিষ্ট রাজু মন্ডলের হার্ট ট্রান্সপ্লান্ট করতে হবে, সেটা করতে হলে, তাকে আসতে হবে ভারতবর্ষে।
ট্রান্সপ্ল্যান্টের জন্যে নেওয়া হবে প্রথমা লাহিড়ির হৃদয়। কার্ডিয়াক সার্জারি করবেন ডক্টর লুসি লাহিড়ি।
২ অক্টোবর, গান্ধিজির জন্মদিনে, রাজু ভারতে পা রাখল। আর সেইদিনই ওয়ারিস্তান সরকারের দখল নিল সেখানকার আর্মি। এবং ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করল। ভারতের প্রধানমন্ত্রী, পঙজাব দা পুত্তর হরভজন সিং এবং বাঙালি রাষ্ট্রপতি অরুণ চ্যাটার্জি কি পারবেন এই যুদ্ধ ঠেকাতে ? … ভারতের এক নম্বর শত্রু রাজুকে বাঁচাতে গিয়ে প্রথমা কি মরে যাবে ? …
কে এই প্রথমা ?...
ডক্টর লুসি লাহিড়ি কি ওয়ারিস্তানের এজেন্ট ? … মেঘের আড়াল থেকে আর কে ষড়যন্ত্রের জাল বুনছে ?
উত্তর পেতে গেলে সাই-ফাই থ্রিলার ‘অপারেশন ওয়ারিস্তান’ – এর শেষ পাতা পর্যন্ত পড়তেই হবে।
ইন্দ্রনীল সান্যালের জন্ম হাওড়ার বালিতে, ১৯৬৬ সালে। নীলরতন সরকার মেডিকেল কলেজ থেকে এম বি বি এস। প্যাথলজিতে এম ডি, পিজি হাসপাতাল থেকে।সরকারি চাকরির সূত্রে কাজ করেছেন সুন্দরবনের প্রত্যন্ত প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে মহাকরণের ডিসপেনসারিতে, লালবাজার সেন্ট্রাল লকআপ থেকে গঙ্গাসাগর মেলার হেল্থ ক্যাম্পে।বর্তমানে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত।প্রথম প্রকাশিত গল্প ২০০৪ সালে ‘উনিশকুড়ি’ পত্রিকায়।শখ: বই পড়া, ফেসবুকে ফার্মভিল এবং হ্যাপি অ্যাকোয়ারিয়াম খেলা, সুদোকু সমাধান।
অনেক দিন পর 'আনপুটডাউনেবল' বিশেষণটির শরণাপন্ন হচ্ছি। প্রায় বাধ্য হয়েই। গোগ্রাসে গেলা বোঝেন? এই বইটির ক্ষেত্রেও, অন্য কোনও পন্থা অবলম্বন করতে পারলাম না জাস্ট। রাত্রি ন'টার দিকে খেয়ালবশত নিয়ে বসেছিলাম। দু-ঘণ্টার মধ্যে, প্রায় দুশো বিশ পাতার বই বুলেট ট্রেনের গতিতে বেরিয়ে গেলো। ইন্দ্রনীল সান্যালের লেখা বরাবরই ভালো লাগে। তবে এর আগে, ওনার কোনো উপন্যাস পড়ে, এতটা উপভোগ করেছি বলে মনে হয় না।
ভারতের দক্ষিণ প্রান্তে, ভারত মহাসাগরে বুকে জেগে থাকা দ্বীপরাষ্ট্র ওয়ারিস্তান। সদা বিবাদমান প্রতিবেশী দেশ। ক্ষমতাদখলের লড়াইয়ে এগিয়ে থাকা দাগী উগ্রবাদী রাজু মণ্ডল। মাথায়, বিদেশী অস্ত্র ব্যবসায়ীদের হাত। এহেন মানুষটির আচমকা হার্ট অ্যাটাকে, থমকে দাঁড়ায় ক্যাবিনেটের লড়াই। বেঁচে যায় রাজু। তবে গুরুত্তপূর্ণ হার্ট ট্রান্সপ্লান্ট হয়ে দাঁড়ায় আবশ্যিক! উপায়? ভারতবর্ষ! এবং, আইনের সোজা পথে নয়, বলাই বাহুল্য।
এর চেয়ে বেশি বলে, গল্পপাঠের আনন্দ মাটি করবার পক্ষে আমি নই। বাকিটা নিজেরাই পড়ে নেবেন নাহয়। তবে, কোনো স্পেস্ফিয়াইড ছকে এই কাহিনীকে ফেলতে পারবেন না, এটা নিশ্চিত। একাধারে, জিওপলিটিকাল ড্রামা, অপর দিকে টানটান মেডিক্যাল থ্রিলার। সাথে, বিজ্ঞানের সাথে মিলিত কিংবদন্তির ছোঁয়া। কল্প-ফ্যান্টাসির মোড়কে এসপিয়নাজের চমক! অবশ্য, একবার পড়তে বসলে, এসব বিভাজনের হিসেব চুলোয় যাবে, এটা গ্যারান্টেড।
অসম্ভব গতিময় ন্যারেটিভে, বইতে, একের পর এক সহানুভূতিশীল চরিত্রদের অবতারণা ঘটিয়েছেন লেখক। অপর প্রান্তে, এনেছেন একগুচ্ছ বাস্তবানুগ ভিলেন। কিশোরপাঠ্য না হওয়ার দরুন, এসেছে গ্রাফিক ভায়োলেন্স ও প্রাপ্তবয়স্ক ঘটনাপ্রবাহ। সাথে বেশ কিছু ক্ষেত্রে, সাময়িক সূক্ষ হিউমার। আর কি চাই? অবশ্য, একেবারে ফুল-মার্কস দিচ্ছি না। দুটো কি তিনটে হলিউডি থ্রিলার দেখা থাকলে, এই জিনিসের গতিপ্রকৃতি আন্দাজ করাই যায়। ওই যাকে বলে, একবারের খোরাক। উপন্যাসটি তাই।
তবুও, সবটাই স্মরনীয়। সবটাই ভীষণ রোমাঞ্চকর।
চারটে তারা তাই নির্দ্ধিধায় ব্যয় করছি, বাংলা ভাষায় সহজ, সুপাচ্য ও শ্বাসরোধী একটি পলিটিক্যাল থ্রিলারের খাতিরে। নতুনত্বের ঠেকা লেখক মশাই নেননি, এটা দিব্যি বোঝা যায়। তবুও আমি এতেই খুশি। আজ থেকে প্রায় দশ বছর পূর্বে লেখা বইটি সম্প্রতি নব-কলেবরে ফিরিয়ে এনেছে, পত্র ভারতী। কৃষ্ণেন্দু মণ্ডল অঙ্কিত অসাধারন গ্লসি প্রচ্ছদখানি পছন্দ হলে, সংগ্রহ করেই ফেলুন। তারপর...
দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক ঘূর্ণিঝড়ের মধ্যে বসেও আমাদের, মানে এই উপমহাদেশের বাসিন্দাদের, পলিটিক্যাল থ্রিলার পড়ার শখ মেটানোর জন্যে ইংরেজি ভাষার শরণাপন্ন হতেই হয়। সেই আক্ষেপ কিছুটা হলেও মিটল ইন্দ্রনীল সান্যালের এই থ্রিলারটি পড়ে, যা 'খবর ৩৬৫ দিন'-এর ১৪২১ পুজো সংখ্যায় '২ অক্টোবর' নামে প্রকাশিত হয়েছিল। একদম টানটান এই থ্রিলার একবার শুরু করলে শেষ না করে থামা যায়না। থ্রিলারটির বিষয়: ভারতের ঘোষিত শত্রু দেশের সেনাবাহিনির পুতুল তথা সন্ত্রাসবাদী নির্বাচনে জিতে ক্ষমতায় আসার আগেই এমন অসুস্থ হল, যে ভারতের মাটিতে চালু একটি গোপন ক্লিনিকে নিয়ে এসে, একেবারে বাছাই করা ডোনার-এর হার্ট ট্র্যান্সপ্ল্যান্ট করা ছাড়া তাকে বাঁচাবার কোন উপায় রইল না। বাধ্য হয়ে সেখানকার সেনাপ্রধান নিজেই তাকে নিয়ে এক মারাত্মক গোপন মিশনে ঢুকল ভারতে। কিন্তু তারপর কী হল?
না, বইটার কোন ই-সংস্করণ নেই। তবে কলকাতায় বইটা সহজলভ্য। হস্তগত করুন, এবং পড়ে ফেলুন। ভরপুর আনন্দ পাবেন।
পলিটিক্যাল না সাই-ফাই না মেডিক্যাল থ্রিলার? এইসব সূক্ষ্ম তর্ক ছাড়িয়ে অপারেশন ওয়ারিস্তান একটা আদ্যোপান্ত রেসি গল্প। যার স্পিড এবং লেখার চমক পাঠককে বইটা শেষ করিয়ে তবেই কুর্শি ছাড়াবে। ভারত, প্রতিবেশী রাষ্ট্র, যুদ্ধ পরিস্থিতি, অবৈধ অঙ্গ প্রতিস্থাপক সংগঠন, সাউথ ব্লক, রাইসিনা হিল থেকে ক্রায়োজেনিক্স। ইন্দ্রনীল সান্যাল এক অসাধারণ উপন্যাস উপহার দিয়েছেন আমাদের, যেটা দিয়ে একটা সিনেমা বানিয়ে নেওয়া যায়। ওনার লেখা গল্পের মধ্যে এটি দ্বিতীয় পড়া গল্প আমার। আগের বইয়ের দুর্বল জায়গাগুলো এখানে তাই কমই পেলাম। বইয়ের blurb এ যতটুকু আছে তার থেকে ভেতরে গেলাম না। পাঠক পড়লেই বুঝতে পারবেন এপার বাংলায় এরকম টানটান থ্রিলার কমই আসে। তন্ত্র, মন্ত্র, ভূত ছাড়াও কিছু লেখা হয় এখানে। দুর্ভাগ্যের কথা কম লোক পড়েন।
A must read. উফফ কি পড়লাম, দিল খুশ হয়ে গেল! রবিন কুকের বই ছাড়া আর কোনো মেডিক্যাল থ্রিলার পড়া ছিল না। সেখানে বাংলায় এমন genre এর লেখক আছেন জেনেই আনন্দিত হয়েছিলাম। তারপর যখন উপন্যাসটা পড়তে শুরু করলাম.. সময় কোথা দিয়ে কেটে গেল বুঝতে পারলাম না। রূদ্ধশ্বাসে শেষ করতে হয় এই বই।
🍃📖সদ্য পড়ে শেষ করলাম সাহিত্যিক ইন্দ্রনীল সান্যালের লেখা ‘অপারেশন ওয়ারিস্তান’ উপন্যাসটি। অপারেশন ওয়ারিস্তান একটি সায়েন্স ফিকশন থ্রিলার। একদম টানটান উত্তেজনায় ভরপুর থ্রিলার একবার শুরু করার পর শেষ না হওয়া পর্যন্ত থামা যাবে না। এই বইয়ের আগে যে প্রচ্ছদ ছিল তার থেকে নতুন প্রচ্ছদ টা আমার বেশি পছন্দ হয়েছে। বইয়ের বাঁধাই, Page Quality ভীষণ ভালো!
🍃📖 ওয়ারিস্তানের ভাবী প্রধানমন্ত্রী রাজু মন্ডল। রাজুর জীবনের একমাত্র স্বপ্ন, ভারতবর্ষকে ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়া। রাজু মন্ডলের হার্ট ট্র্যান্সপ্লান্ট করতে হবে। না হলে তাকে বাঁচাবার কোন উপায় নেই, তাই সরকারের চোখে ফাঁকি দিয়ে রাজু ভারতে আসে। ২ অক্টোবর রাজু ভারতে পা রাখলো আর সেইদিনই ওয়ারিস্তান সরকারের দখল নিল সেখানকার আর্মি। এবং ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করল ৷ ভারতের প্রধানমন্ত্রী, পঞ্জাব দা পুত্তর হরভজন সিং এবং বাঙালি রাষ্ট্রপতি অরুণ চ্যাটার্জি কি পারবেন এই যুদ্ধ ঠেকাতে?
🍃📖আন্যদিক ‘ডক্টর লাহিড়ী’ তিনি অরগ্যানের জোগান দিচ্ছেন। কোথায় পাচ্ছেন তিনি এই অরগ্যান? অর্থবান ব্যক্তিরাই অরগ্যান ট্রান্সপ্ল্যান্ট করে জীবন ফিরে পাচ্ছে। অরগ্যান গুলো আবার জীবিত মানুষের, যারা কিনা কাইমেরা। যাদের বছরের পর বছর রাখা হয় ঘুম পাড়িয়ে। প্রয়োজন পড়লেই ব্যবহার করা হয়। এবার প্রশ্ন হচ্ছে, কি এই কাইমেরা? কিভাবে তৈরি করা হয়? আর কেনই বা তৈরি করা হয়?
🍃📖 ‘রি-লাইফের’ ‘মেঘনাদ লাহিড়ি’ বিরাট নামকরা ডাক্তার। তার নাম সবাই জানে। রি-লাইফ অনাথ আশ্রম, আর মেডিক্যাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট। ‘ডোনার প্রথমা’ ৫ বছর পর ঘুম ভেঙে দেখে সে একটা এক্সিডেন্ট স্পট এ পরে রয়েছে। তার কিছু কথাই স্পষ্ট ভাবে মনে পড়ছে না। তার সাথে যে কি হচ্ছে তা কিছুই সে বুঝতে পারছে না, প্রথমা মানুষের শরীরেও মানুষ নয়। সে কাইমেরা। তৈরি করেছেন ভারতীয় ‘ডাক্তার মেঘনাদ’ লাহিড়ী। কে এই প্রথমা? সব প্রশ্নের উত্তর পেতে হলে অবশ্যই উপন্যাসটি পড়তে হবে!
◻️ভারতবর্ষ ও ওয়ারিস্তান। সদা বিবাদমান দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্র। ওয়ারিস্তানের ভাবী প্রধানমন্ত্রী, টেররিষ্ট রাজু মন্ডলের হার্ট ট্রান্সপ্লান্ট করতে, তাকে আসতে হবে ভারতবর্ষে ।সারজারি করবেন ডঃ লুসি লাহিড়ি। নেওয়া হবে প্রথমা লাহিড়ির হৃদয়। কে এই প্রথমা লাহিড়ি?? লুসি লাহিড়িই বা কে ?? সমগ্র পরিকল্পনার পিছনে আসল উদ্দেশ্য কী?? আসল মাথাই বা কে??
◻️ ভারতবর্ষের ইন্টেলিজেন্স উইং-এর স্পেশাল ডিপার্টমেন্ট 'কাইমেরা'-র প্রধান প্রথমার প্রথম জীবনের কাহিনী অপারেশন ওয়ারিস্তান। 'রহস্যের ধারাপাত' আমি আগে পড়েছিলাম বলে প্রথমার সাথে আমার ওই হিসেবেই পরিচয়, ফলত তার বিষয়ে জানার জন্য উৎসুক ছিলাম। 'কাইমেরা' নামকরণের আসল কারণও 'অপারেশন ওয়ারিস্তান'-এ নিহিত। সেই সমস্ত জানতেই হাতে তুলে নিয়েছিলাম বইটা।
◻️এককথায় unputdownable। কিছুটা জিওপলিটিকাল থ্রিলার, কিছুটা মেডিক্যাল থ্রিলার, কিছুটা বিজ্ঞানের মধ্যে কিংবদন্তির ছোঁয়া, কিছুটা ফ্যান্টাসি - সবকিছুর যথাযথ মিশ্রণ রয়েছে। ভারত, প্রতিবেশী রাষ্ট্র, যুদ্ধ পরিস্থিতি, কিছু বাস্তবধর্মী রাজনৈতিক পরিস্থিতি, অবৈধ বৈজ্ঞানিক কার্যকলাপ, সাউথ ব্লক, রাইসিনা হিল থেকে ক্রায়োজেনিক্স - বর্তমান সময়ের আমার অন্যতম প্রিয় লেখক এক অসাধারণ উপন্যাস উপহার দিয়েছেন। গতিময় ন্যারেটিভের এই কাহিনী পাঠককে বইটা শেষ করেই থামতে দেবে। আমি সকল পাঠককে অনুরোধ করবো যথেষ্ট উপভোগ্য এই থ্রিলারটি অন্তত একবার হলেও পড়ে দেখতে। ধন্যবাদ।
ওয়ারিস্তান (যা কিনা আদতে পাকিস্তান) এর প্রধান চরিত্রদের নাম - রাজু মন্ডল, রকি চৌধুরী, মায়া মালিক, জিয়া চৌধুরী, কিয়ারা ইত্যাদি ... ওদেশের নেতাদের এমন হিন্দু নাম রাখতে হলো কেন? সত্যি কে সত্যি বলার সৎসাহস নেই বলে? লেখক ডাক্তার বলেই আরেকটা কথা না বলে পারছিনা .... টাটা মেমোরিয়াল হাসপাতাল এ লিউকেমিয়া এর চিকিৎসা খুব কম খরচে হয়ে থাকে...অনেক NGO বাচ্চাদের চিকিৎসার খরচ বহন করে ....সেখানে মাসে ৬০০০০/- তা বাড়াবাড়ি ..... আর লিউকেমিয়া তে কেমোথেরাপি টাই চিকিৎসা...রেডিওথেরাপির ভূমিকা গৌণ (অল্প ক্ষেত্রেই প্রয়োজন) (আমি নিজে টাটা মেমোরিয়াল হাসপাতাল এ রেডিওথেরাপি নিয়ে পড়াশুনো করেছি বলেই বললাম)
ভালোই লাগলো। তবে একটা প্রশ্ন লেখকের কাছে জানার ছিল। ইনডিউসড হাইবারনেশান এ বয়েস তো বাড়ার কথা ছিল না। বয়েস বাড়লে অ্যাসট্রোনটরা দূর গ্রহে পাড়ি দেবে কি করে। সেটা তো সেই ক্ষেত্রে ঘুমিয়ে থাকার সমান হবে। তাই আমার প্রশ্ন গল্পের নায়িকার বয়স বাড়লো কি করে? তার তো ৫ বছর আগের বয়স মানে ১৫ বছর থাকার কথা।