সুখ সহ্য হল না বিধাতার। আকস্মিক মৃত্যু হল স্বামীর। ছাব্বিশ বছর বয়সি স্বামীহীনা রানি কি এই রাজ্য সামলাতে পারবেন? বীরবিক্রমে সর্বাগ্রে এই রাজ্যকে দখল করতে এগিয়ে এলেন মাণ্ডুর সুলতান। অবলা নারী শাসক দেখে সেই বিক্রম আরও বৃদ্ধি পেল। মাত্র দু-হাজার সেনা নিয়ে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সেই সুলতানকে পরাস্ত করলেন রানি। তিনি যে শিশুকালেই অস্ত্রবিদ্যা করায়ত্ত করেছেন, সেকথা কেউ জানে না। কে এই রানি?
দক্ষিণ ভারতের প্রত্যন্ত এক ক্ষুদ্র রাজ্য। শাসকহীন সিংহাসন। উইলিয়াম চ্যাপলিন তখন ব্রিটিশ কমিশনার। রানিকে ব্রিটিশ কমিশনার চিঠিতে জানালেন, ‘রাজকোষ এখন থেকে আমাদের দখলেই থাকবে। আর এর পরিবর্তে আপনি শুধু একটা মাসোহারা পাবেন।’ মহারানি পালটা চিঠিতে গর্জে উঠলেন, ‘আপনি আমার রাজ্যে একবার আসবেন। সেনাবাহিনীও সঙ্গে আনবেন। আমার একজন প্রজাও যদি আপনার সৈন্যদের স্যালুট করে, আমি রাজত্বের অধিকার ছেড়ে দেব! এখানে আমিই শেষ কথা।’ কে এই অকুতোভয় নারী?...
ভারতের বীরাঙ্গনাদের অসীম সাহস, বীরত্ব, প্রেম ও প্রেমহীনতার একঝাঁক আখ্যান।