সি. এস. লিউইস-এর জগদ্বিখ্যাত কাহিনী "দ্য ক্রনিকলস অফ নারনিয়া" কিশোরদেরকে নিয়ে যায় অজানা এক জাদুর দেশে। সেখানে গাছপালা হেটে বেড়ায়, জলপরী-গাছপরীরা দল বেঁধে নাচে, পশুপাখি কথা বলে, দৈত্য-দানোরা মানুষের সাথে বন্ধুত্ব পাতায়, একের পর এক রহস্যময় ঘটনা কল্পনাকেও হার মানায়। লিউইস-এর সেই কাহিনী অবলম্বনে বাংলাদেশের কিশোরদের জন্য এদেশী পটভূমিতে রচিত হয়েছে এ বই।
বাংলায় মানসম্পন্ন ফ্যান্টাসী গল্পের বেশ সল্পতা রয়েছে। অল্প যা কিছু আছে, তাদের মাঝেই এটিএম শামসুজ্জামান এর অজানা সাগরে লাল ড্রাগন বেশ উল্ল্যেখ করার মতন। আমার বেশ ছোটবেলায় পড়া। বড় হয়ে পড়া হয়ে উঠেনি, তাই সাহিত্যেগুণ বিচার সম্ভব নয়। কিন্তু এটাই তো যে কোন শিশু-কিশোর সাহিত্যের ক্ষেত্র- সাহিত্যগুণের ভাবনা থেকে বেরিয়ে এসে এক ভিন্ন অনুরনন! আমার সেই ভীষণ কৌতুহলী জিজ্ঞাসু মনের কল্পনার জগতের রসদ ছিল এই বই এর পাতাগুলো। যেই সমুদ্র এই বই আমাকে দেখিয়েছে, স্বচ্ছ যেই পানিতে মাছের খেলা আমি দেখতে শিখেছি এত বড় হয়েও আমার কাছে সমুদ্র ঠিক তেমনটাই। সবসময়ের প্রিয় বইগুলোর একটি।
I read this one when I was a little kid and it was a birthday gift from Baba at an age when I was not allowed to go anywhere alone.. So never could read another book from this series and became busy reading other stuffs. Now, I am so glad to see this one on goodreads and this made me realize that I wanted to finish the series.. I still remember the character named 'Apel' and how they were transported through a wall painting and to a sea in another world.. Loved it so much.. called Baatighar.. they don't have it as Projapoti is kinda closed now as a publisher now.. and... asked some other people too.. if anyone can help me with how to find these books would be of great help for me.. :(
বইটির প্রথম এক তৃতীয়াংশ বেশ নীরস, কাহিনীর অগ্রগতি বাঁধা দেয় জানার আগ্রহে। তারপর ধীর ধীরে গল্পটা ভালো হয়।
গল্প এক অভিযানকে ঘিরে। যেখানে পুনম আর টুটুল ঘটনা চক্রে যোগ হয়। আগের বইয়ের মতো এখানে সুমন আর বীণা না থাকায় কিছুটা খারাপ লেগেছে। তবে নতুন চরিত্র আপেলকে প্রথম থেকে মৌলিক মনে হয়েছে।
বিভিন্ন অদ্ভুত জায়গায় যেতে হল ওদের, করতে হল অনেক অদ্ভুত কাজ। আর শেষমেশ যখন গল্প শেষ হল তখন কেমন শূন্যতা বোধ করলাম।