মহর্ষি বাল্মীকির মহান সৃষ্টি রামায়ণ আমাদের প্রিয় মহাকাব্য। অপূর্ব সব চরিত্র এই মহাকাব্যের পরম সম্পদ। আদিকবির সৃজন-জাদুতে অমরত্ব পেয়ে গিয়েছেন তাঁরা। শৌর্য-বীর্য-মাধুর্যে ভরা অসামান্য সব চরিত্রের স্রষ্টা মহাকবি বাল্মীকির তুল্য প্রতিভা নিঃসন্দেহে বিরল। পরবর্তীকালে বাংলা রামায়ণের কবি কৃত্তিবাসও হৃদয় দিয়ে সৃষ্টি করেছেন কিছু চরিত্র। বিষ্ণুপদ চক্রবর্তীর ‘রামায়ণ চরিতমালা’য় আলোচিত হয়েছে রামায়ণের শতাধিক চরিত্র। রাম-সীতা-রাবণ হনুমানের মতো অতি জনপ্রিয় চরিত্রের পাশেই আছে মান্ধাতা বা সম্পাতির মতো বিশিষ্ট চরিত্রগুলিও। রামায়ণ-চর্চায় গ্রন্থটি একটি মূল্যবান সংযোজন।
বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী-র জন্ম ১৩ অগ্রহায়ণ ১৩৫৪ (২৯ নভেম্বর ১৯৪৭) অধুনা বাংলাদেশের অন্তর্গত কুমিল্লায়। মা সুহাসিনী দেবী, বাবা অশ্বিনীকান্ত চক্রবর্তী। বিশুদ্ধ পদার্থবিজ্ঞান নিয়ে পড়েছেন। কর্মসূত্রে যুক্ত থেকেছেন বরাহনগর নরেন্দ্রনাথ বিদ্যামন্দির, ইউনাইটেড ব্যাংক অব ইন্ডিয়ায়। রেডিয়ো-টেলিভিশনে ধর্ম এবং বিজ্ঞান বিষয়ে অনুষ্ঠান করে থাকেন। প্রকাশিত নানা গ্রন্থের কয়েকটি- ‘রামায়ণ’, ‘মহাভারত’, ‘গাবলুর বিজ্ঞান ডায়েরি’, ‘আয় বুদ্ধি ঝেঁপে’। ইংরেজিতে অনূদিত হয়েছে ‘রামায়ণ’, ‘মহাভারত’-সহ কয়েকটি গ্রন্থ। পুরস্কার: জাতীয় পুরস্কার (NCERT) (১৯৯৬), ‘গাবলুর বিজ্ঞান ডায়েরি’। গ্রন্থের প্রথম খণ্ড ‘মহাকাশের কথা’-র জন্য ১৯৯৬-এ পেয়েছেন জাতীয় পুরস্কার (NCERT)।
হপ্তাদুয়েকের বেশি সময় লাগিয়ে বইটা শেষ করলাম। একশো'রও বেশি চরিত্র নিয়ে বইটি সাজানো। রামায়ণ নিয়ে আগেই বেশ কিছু বই পড়ার কারণে, চরিত্রগুলো মোটামুটি পরিচিত ছিল। কিছু চরিত্র সম্পর্কে বিস্তারিত জানা গেলো।