উৎসর্গঃ কাকলী প্রকাশনীর নাসির আহমেদ এবং সময় প্রকাশনীর ফরিদ আহমেদ এরা দুজনেই জানে না এদের আমি কি পরিমাণ পছন্দ করি। একদিন হুট করে মরে যাব, আমার ভালবাসার কথা এরা জানবে না। তা তো হয় না। কাজেই এই উৎসর্গপত্র।
প্রথম অধ্যায়ের কিছু অংশঃ "কিছুক্ষণ আগেও টক-টক করে ঘড়ির শব্দ হচ্ছিল। এখন সেই শব্দও শোনা যাচ্ছে না। পুর বাড়িটা হঠাৎ করেই যেন শব্দহীন হয়ে গেল। এত বড় একটা বাড়িতে কত রকম শব্দ হবার কথা- বাতাসের শব্দ, পর্দা নড়ার শব্দ, টিকটিকি ডেকে ওঠার শব্দ। এখন কিছু নেই। এই যে পারুল নিঃশ্বাস ফেলছে সেই শব্দও সে নিজে শুনতে পাচ্ছে না। আজ যে এটা প্রথম হচ্ছে তাই না, আগেও কয়েকবার হয়েছে। কেন এ রকম হয়? না কি পারুলের কোন অসুখ করেছে? বিচিত্র কোঁন অসুখ, যাতে মানুষ কিছু সময়ের জন্যে বধির হয়ে যায়। তার পৃথিবী হয় শব্দশুন্য। পৃথিবীতে কত ধরনের অসুখ আছে- এ ধরনের অসুখ থাকতেও তো পারে।"
Humayun Ahmed (Bengali: হুমায়ূন আহমেদ; 13 November 1948 – 19 July 2012) was a Bangladeshi author, dramatist, screenwriter, playwright and filmmaker. He was the most famous and popular author, dramatist and filmmaker ever to grace the cultural world of Bangladesh since its independence in 1971. Dawn referred to him as the cultural legend of Bangladesh. Humayun started his journey to reach fame with the publication of his novel Nondito Noroke (In Blissful Hell) in 1972, which remains one of his most famous works. He wrote over 250 fiction and non-fiction books, all of which were bestsellers in Bangladesh, most of them were number one bestsellers of their respective years by a wide margin. In recognition to the works of Humayun, Times of India wrote, "Humayun was a custodian of the Bangladeshi literary culture whose contribution single-handedly shifted the capital of Bengali literature from Kolkata to Dhaka without any war or revolution." Ahmed's writing style was characterized as "Magic Realism." Sunil Gangopadhyay described him as the most popular writer in the Bengali language for a century and according to him, Ahmed was even more popular than Sarat Chandra Chattopadhyay. Ahmed's books have been the top sellers at the Ekushey Book Fair during every years of the 1990s and 2000s.
Early life: Humayun Ahmed was born in Mohongonj, Netrokona, but his village home is Kutubpur, Mymensingh, Bangladesh (then East Pakistan). His father, Faizur Rahman Ahmed, a police officer and writer, was killed by Pakistani military during the liberation war of Bangladesh in 1971, and his mother is Ayesha Foyez. Humayun's younger brother, Muhammed Zafar Iqbal, a university professor, is also a very popular author of mostly science fiction genre and Children's Literature. Another brother, Ahsan Habib, the editor of Unmad, a cartoon magazine, and one of the most famous Cartoonist in the country.
Education and Early Career: Ahmed went to schools in Sylhet, Comilla, Chittagong, Dinajpur and Bogra as his father lived in different places upon official assignment. Ahmed passed SSC exam from Bogra Zilla School in 1965. He stood second in the merit list in Rajshahi Education Board. He passed HSC exam from Dhaka College in 1967. He studied Chemistry in Dhaka University and earned BSc (Honors) and MSc with First Class distinction.
Upon graduation Ahmed joined Bangladesh Agricultural University as a lecturer. After six months he joined Dhaka University as a faculty of the Department of Chemistry. Later he attended North Dakota State University for his PhD studies. He grew his interest in Polymer Chemistry and earned his PhD in that subject. He returned to Bangladesh and resumed his teaching career in Dhaka University. In mid 1990s he left the faculty job to devote all his time to writing, playwright and film production.
Marriages and Personal Life: In 1973, Humayun Ahmed married Gultekin. They had three daughters — Nova, Sheela, Bipasha and one son — Nuhash. In 2003 Humayun divorced Gultekin and married Meher Afroj Shaon in 2005. From the second marriage he had two sons — Nishad and Ninit.
Death: In 2011 Ahmed had been diagnosed with colorectal cancer. He died on 19 July 2012 at 11.20 PM BST at Bellevue Hospital in New York City. He was buried in Nuhash Palli, his farm house.
প্রথমে মনে হচ্ছিলো মনস্তাত্বিক-হরর উপন্যাস হবে। পড়ে শেষ করে দেখছি আদতে এটি একটি সামাজিক উপন্যাস যেখানে মনস্তত্ব ও অতিপ্রাকৃত — উভয়ই একইসঙ্গে নিগূঢ়ভাবে বিদ্যমান। অর্থাৎ আমরা চাইলে একে মনস্তাত্বিক কিংবা অতিপ্রাকৃত, দু'ভাবেই ইন্টারপ্রিট করতে পারি। যেন লেখক কোনো একটি নির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দিয়ে গল্পটিকে আবদ্ধ করে রাখতে চান নি। যদিও ভৌতিক আবহাওয়াটা আরো প্রবল হলেই আমার সুবিধে হতো, এ নিয়ে আমার বিশেষ কোনো অভিযোগ নেই।
আমার অভিযোগ উপন্যাসের ঘটনা-প্রবাহ এবং চরিত্রসমূহ নিয়ে। অর্ধেকেরও বেশি অংশ অবধি মনোযোগ বা কৌতূহল ধরে রাখার মতো কিছুই ঘটে না। ঢিমে তেতালায় বস্তাপচা, হুমায়ূনীয় দুটি চরিত্র ও তাদের দারিদ্র্য, অসহায়ত্বের একটি অপটু চিত্র ফুটে ওঠে মাত্র। পারুল ও তাহের উভয়ই প্রতুল অরুচির উদ্রেক করেছে। বইটির দুয়েক স্থানে এদের জন্যে সামান্য আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছিলাম ঠিকই, কিন্তু সেই আবেগ যেমন হুট করে এসেছিল তেমনি মিলিয়ে গিয়েছিল। চরিত্রগুলো যেখানে টানে না সেখানে চরিত্রগুলোর জীবনের ছোট-বড়, লৌকিক-অলৌকিক কোনো ঘটনাই আমার মনে সচরাচর তেমন গভীর প্রভাব ফেলতে পারে না।
অধিকন্তু, শেষাংশের ঘটনাটি আরো সন্তোষজনক হতে পারত। পারুলের ছোটবেলার ঘটনাটিও অধিকতর দৃষ্টিপাত এবং গুরুত্ব পেতে পারত। ঘটনাটি পারুলের উপর কেমন ছাপ রেখেছে, পারুলের মনস্তত্বের সবিস্তার নিরীক্ষণ, শুরু থেকেই একটা সূক্ষ্ম পূর্বাভাষ, ইত্যাদি থাকলে বইটি নিশ্চয়ই এতো ফালতু ও বিরক্তিকর হতো না। বইটির পটেনশিয়াল ছিল। আমরা জানি হুমায়ূন আহমেদ এজাতীয় সামাজিক কাহিনী কতোটা মমতা ও নৈপুণ্য সহকারে লিখে থাকতেন। তথাপি কুকুর তিনটিকে নিয়ে লেখা অংশগুলো ছাড়া বাদবাকি কিছুই পছন্দ হয়নি। .৫ তারা বেশি দিয়েছি নিকি, ফিবো ও মাইকের জন্যে। <33
প্রথমে মনে হচ্ছিল ২০১৯ এর অষ্কার প্রাপ্ত মুভি প্যারাসাইট যেন এখান থেকে কিছুটা আইডিয়া নেওয়া,যদিও তা কেবল অযৌক্তিক চিন্তা মাত্র। গল্পটি আস্তে আস্তে যতো অগ্রসর হতে থাকে ততটা তীব্র ভাবে মনস্তাত্বিক কিংবা অতিপ্রাকৃত অবহ গড়ে উঠতে থাকে আবার কখনো মনে হয়েছে গল্পটির সাথে মনস্তাত্বিক এবং অতিপ্রাকৃত আবেশ প্যারালালে চলেছে ।
একই সাথে বাস্তব-অবাস্তব, অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ এর টানাপোড়ন-প্রতিশোধ ও বেচে থাকার তাগিদে ভয়ংকর বীভৎসতা নিয়ে একটি সুখপাঠ্য ।
বিশেষ কিছু লিখতে ইচ্ছে করছে না এই বইটি নিয়ে। যথারীতি হুমায়ূন আহমেদ বাস্তব, অবাস্তব, ইচ্ছাপূরণ, আর বীভৎসতা নিয়ে একটি সুখপাঠ্য উপন্যাস লিখেছেন, যার ভেতরে কিচ্ছু নেই, অথচ যেটা আরও একবার বেছেবুছে পড়া যায়। ব্যাস, এটুকুই লেখার।
ক্লাস এইটে স্কুলে বসে থেকে সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত টানা পড়েছিলাম এবং খুবই আলোড়িত হয়েছিলাম, এতোটাই যে এখনও এই উপন্যাসের কথা মাথায় গেঁথে আছে। একজন কেয়ারটেকার এর রূপবতী স্ত্রী পারুল, যে কেয়ারটেকার তার মনিবের খামারবাড়িতে তার স্ত্রীকে নিয়ে আসে খামারবাড়ি দেখাশোনার সূত্রে (কাকতালীয়ভাবে সাম্প্রতিক অস্কারজয়ী Parasite (2019) দেখতে গিয়ে প্রথমেই এই উপন্যাসের কথা মাথায় আসে, শুধুমাত্র প্রেক্ষাপট এর জন্য)। মনিব খামারবাড়িতে থাকত না। খামারবাড়িতে মনিবের তিনটি কালো কুকুর বাঁধা থাকত এবং তাদের জন্য আরেকজন আলাদা কেয়ারটেকার ছিল। মনিবের এই বিশাল শূণ্য খামারবাড়ি, কুকুরদের পরিচারক, পারুলের বর্তমান দাম্পত্য জীবন এবং অতীত তরুণী স্মৃতি, এবং সর্বোপরি সেই তিনটি কুকুরকে ঘিরে আবর্তিত হতে থাকে ঘটনাপ্রবাহ। এই তিনটি কুকুর আদর আহ্লাদের কুকুর হিসেবে বা স্বাভাবিক প্রানী হিসেবে উপস্থাপিত হয়নি, বরং পুরো উপন্যাসজুড়েই তাদের ছমছমে একটি আলাদা ঘ্রাণ পাঠক হিসেবে নাকে এসে লাগে।উপন্যাসের পরিক্রমায় এই তিনটি কুকুর হয়ে ওঠে পারুলের অতীত এবং বর্তমান জীবনের কদর্যতার পরিণতির বিধায়ক। উপন্যাসের পরিণতি সমাপ্ত হলে, এই খামারবাড়িতেই পারুল এবং তিনটি কুকুরের একজন একই সাথে গর্ভবতী হয়। ঘোরলাগা আবহে মানব-মনস্তত্বের জটিলতা উপভোগের জন্য হুমায়ূন আহমেদের খুবই আন্ডাররেটেড একটি উপন্যাস হিসেবে পারুল ও তিনটি কুকুর সর্বদা আমার মনে থাকবে।
চমৎকার প্লট। আমরা এটাকে সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার বলতে পারি কিনা সে নিয়ে তর্ক আছে বড়সড়। প্লট অনুযায়ী চিন্তা করলে বলা যায়। এক অতি অনাদরে, অভাবে বড় হওয়া দম্পতির গল্প। বিধাতা তাদের একটা ভালো মন ছাড়া আর কিছু দেন নাই। সেই ছিমছাম সাদামাটা বোকাবোকা এক দম্পতির কিভাবে শদন্ত গজিয়ে উঠলো, তারা সার্ভাইভ করা শিখে গেল, তেমন একটা গল্প এটা। প্যারাসাইট সিনেমার মত স্নায়ুতে চাপ ফেলার মত গল্প। সমস্যা হলো অতি হুমায়ূনিয় ঢঙে, আবেগ আর এলোমেলো কাজকামে গল্পটা অপ্রয়োজনীয় বিষয় অতিরঞ্জিত করেছে। তাই উপন্যাসটি হয়েছে বিরাট বীজ ওয়ালা সুস্বাদু লিচুর মত। অল্পই খাওয়া গেছে।
তাহের বোকা ধরণের মানুষ। শোয়ার সাথে সাথে ঘুমিয়ে যায়। তার সাথে মজা করা যায় না। সব কথা সিরিয়াসলি নেয়। তাহের আর পারুল বিয়ে করার পর থেকে অনেক ঝামেলায় আছে। তাহের এর চাকরি নেই, পারুলকে রাখার জায়গা নাই। তাও বিয়ে করার পর এক দূর সম্পর্কের মামার কাছে অনেক দিন ছিলো। সেখান থেকে তাকে কখনো যেতে বলেনি সেই মামা। অনেক কৃতজ্ঞ তার কাছে তাহের।
এদিকে পারুল এর বিয়ে অন্য জায়গায় ঠিকঠাক হওয়ার পর পারুল সেই বিয়ে ভেঙ্গে তাহেরকে বিয়ে করে ফেলে। শেষমেষ তাহের এর থাকার একটা জায়গা হয়। মেসবাউল করিম এর বিরাট প্রাসাদ স��ান বাড়ি দেখাশোনা করা। এই বাড়িতে আর থাকে কামরুল ও তিনটি কুকুর। পারুল কামরুলকে ডাকে কুকুরের সর্দার। কুকুর তিনটি দেশি না, বিদেশী কুকুর। প্রথম প্রথম ভয় পেলেও এর পর আর পারুল এদের ভয় পায় না। এর মধ্যে তিনটি কুকুরই পারুল এর ভক্ত হয়ে যায়। পারুল যা বলে তাই শুনে। এর জন্য কামরুল কিছুটা ক্ষেপে আছে পারুল এর উপর।
একদিন খালি বাসায় গোসল করার সময় পারুল টের পায় তাকে কেউ দেখছে। পুরো বাড়িতে কামরুল ছাড়া আর কেউ নাই। রাগে অপমানিত হয়ে পারুল কুকুরগুলোকে অর্ডার দেয় কামরুলকে এটাক করার এবং সেইখানেই কামরুল মারা যায়। এরপর সেই বাগানেই তাহের কবর খুড়ে কামরুলকে দাফন করে দেয়। কিন্তু কামরুল এর খোজে মেসবাউল করিমের ম্যানেজার প্রায়ই তাহেরকে জিজ্ঞেস করে। তাহের মিথ্যা কথা বলে পার পেয়ে যায়।
ছোটবেলায় পারুলকে মলেস্ট করেছিল পল্টু ভাই নামে একজন। পারুল তাকে চিঠি লিখে ভুলিয়ে ভালিয়ে আনতে চাচ্ছে এই প্রাসাদে। তারপর তাকেও মারবে কুকুরগুলো দিয়ে। পল্টু ভাই ঠিকই আসেন একদিন। তার ইন্টেনশনই ছিলো অন্য এবং পারুলও তার রিভেঞ্জ নিয়ে নেয় ঠিকই।
নীলা হাউজে পারুল ও তাহের শান্তিতেই আছে। শান্তিতে আছে কুকুরগুলোও।
This entire review has been hidden because of spoilers.
বইয়ের শেষ পাতায় লেখা - "এই পৃথিবীতে একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো বেঁচে থাকা। আর সবই গুরুত্বহীন।"
পুরো বই জুড়েই তাই বেঁচে থাকার তাগিদ। এত ঝড় ঝামেলার পরও পারুল ও তার সহজসরল স্বামী তাহের বেঁচে থাকার চেষ্টা করে গেছে। তাদের জন্য না হলেও অনাগত সন্তান আনানের জন্য। আর সেই সংগ্রামের সাথে জড়িয়ে গেছে তিনটি কুকুর - নিকি, ফিবো, মাইক।
বইটা কেমন যেন। হুমায়ূনের বাকি বইগুলোর মতই কিছুটা রহস্যময়, গা ছমছমে। শেষদিকে এসে লেখক ঠিকই ছড়িয়ে থাকা সুতাগুলো গুটিয়ে হ্যাপি এন্ডিং মিলিয়ে দিয়েছেন। 'পারুল ও তিনটি কুকুর'। রেটিং ৪/৫।
একবার মনে হবে হরর, আরেকবার মনে হবে মনস্তাত্ত্বিক বিষয়ের উপর কাহিনী। যাজ্ঞে, মোটমাট কথা যা বুঝলাম, অভাবে মানুষ পাগল পাগল হয়ে যায়। মানুষ বেঁচে থাকার জন্য সব করে৷ অতীত ভবিষ্যৎ তুচ্ছ বর্তমানের কাছে।
পারুল আর তাহের পালিয়ে বিয়ে করে।এরপর থাকার জায়গা না থাকায় তারা তাহের যে বাড়িতে কেয়ারটেকারের কাজ করতো সেই বাড়িতে থাকা শুরু করে।বাড়ির মালিক থাকে বিদেশ।বাড়িতে এসেই পারুল ভয়ের সম্মুখীন হয়।তার কারণ হলো বাড়িতে থাকা তিনটি কুকুর।পারুল কুকুর প্রচণ্ড ভয় পায়।কিন্তু হঠাৎই তাদের সাথে তার একটা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরী হয়।এর ফলেই ঘটতে থাকে কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা।
এই ছোট্ট উপন্যাসে সবচেয়ে বেশি যেটি অনুভব করেছি তা হলো পারুল আর তাহেরের অসহায়ত্ব। তারা এতই অসহায় যে তাদের অনাগত সন্তানের কোনো ভবিষ্যৎ তাদের জানা নেই।যেকোন সময় হয়তো তাদের রাস্তায় গিয়ে দাঁড়াতে হবে।বইটি পড়ার সময় আপনার খারাপ লাগতে বাধ্য।আমার কাছে মনে হয় এটিই পারুলের অসুখের মূল কারণ।
কিছু উক্তি : * মিথ্যা সব সময় গুছিয়ে বলতে হয়, সত্য গুছিয়ে বলতে হয় না।
* যে মেয়ে নিজের সমস্যা বুঝে না, হি হি করে হাসে, তাকে তো জোর করে কিছু বুঝানো যাবে না।
* টাকাপয়সার ভাগ্য হলো ছোট ধরনের ভাগ্য। ভালোবাসার ভাগ্য অনেক বড় ধরনের ভাগ্য।
* মেয়েদের বেশি বুদ্ধি না হওয়াই ভালো। মেয়েদের বেশি বুদ্ধি হলে পদে পদে সমস্যা। অতি বুদ্ধিমতি মেয়ে কখনোই জীবনে সুখি হয় না।
* প্রেম তো আর রান্না করে খাওয়া যায় না। খেতে হয় ভাত। প্রেম যদি খাওয়া যেত তাহলে তো কথাই ছিলোনা। বাড়িতে বাড়িতে প্রেমের পোলাও, প্রেমের কোরমা রান্না হতো।
* সুন্দরী মেয়েরা সবসময় রেগে থাকে। তবে ব্যতিক্রম অবশ্যই আছে।
* বিয়ের কথা উঠলে পুরুষ মানুষের মাথা ঠিক থাকেনা। বৌকে খাওয়াতে পারবে কি না পারবে না এটা নিয়ে মাথা ঘামায় না।
* পৃথিবীতে সবচে' সুখী মানুষ কারা জানো? যারা দ্রুত সব ভুলে যেতে পারে। যারা কিছুই ভুলতে পারে না তারা দারুণ অসুখী।
* কোনো স্বামীরই উচিৎ না তার সুন্দরী স্ত্রীর জীবনের সব ঘটনা শোনা। একটা রুপবতী মেয়ের জীবনে অনেক ঘটনাই ঘটে যা বলে বেড়ানোর নয়।
হুমায়ূন আহমেদ ছাড়া কি আর কোনো লেখক এতোগুলো উপন্যাসে এদেশের মেয়েদের গভীর গোপন বিষাদের কথাগুলো বারবার লিখেছেন? আমার সীমিত পড়ার গন্ডি হাতড়ে মনে পড়ছে না৷
পারুল ও তিনটি কুকুর কে কোন জন্রায় বিশেষায়িত করবো সে আমি বুঝতে পারছি না। জন্রা সংক্রান্ত জ্ঞান আমার কম৷ এটাকে ম্যাজিক রিয়ালিজম হয়তো একেবারেই ধরা যায় না, তাও ধরে নিচ্ছি।
পারুল ও তিনটি কুকুর উপন্যাসের ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট আছে শুধু দুটো চরিত্রের, পারুল ও তাহেরের। দুজন চিরদুঃখী মানুষ এক ছাদের নিচে ভালোবেসে সংসার করছে, কিন্তু সেই ভালোবাসা চোখে দেখা যায় না। তাহের কখনও পারুলকে ভালোবাসি বলে না, কিন্তু কোনো এক কারণে পাঠক হয়ে দু'জনার দু'জনের প্রতি যে গভীর মমত্ববোধ আর ভালোবাসা আছে তা টের পাওয়া যায়। দু'জনের গল্প পড়তে পড়তে ধাক্কা লাগে। অদ্ভুত সব বাঁক রেখে দিয়েছেন লেখক। শেষে এসে গল্পটা কেমন সুররিয়াল সুররিয়াল লাগে।
গল্পে কি আছে কি নেই জানি না, তারপরও এই বই আবারও ��ড়া যেতে পারে। হুমায়ূন আহমেদ, আপনি অদ্ভুত!
তিনটি কুকুরের সাথে পারুলের কি সম্পর্ক তা বলতে গেলে স্পয়লার হয়ে যাবে, স্পয়লার এড়িয়ে এটুকু বলা যায় পারুলদের জন্য যেন এমন তিনটি বন্ধু সবসময় থাকে।
দারুণ ছিলো। তিনটা কুকুর নিয়ে হুমায়ুন আহমেদ স্যার যে ভৌতিক কাহিনী লিখলেন এক কথায় অসাধারণ।।
তাহের মাষ্টার্স পাস করা বেকার মানুষ। তার ভালোবাসার বউ পারুল। ���ন্তানসম্ভবা। নানা ঝক্কিঝামেলা পেরিয়ে তাহের উঠেছে তার সাহেবের বাড়িতে বউকে নিয়েই। সেখানে ৩টি কুকুর আছে আর আছে তাদের দেখাশোনা করার দায়িত্বে থাকা বিরক্তিকর আর যাকে বলে কর্কশ লোক কামরুল। পারুলের কিছু অদ্ভূত ক্ষমতা আছে। এই যেমন সাহেবের বাড়ির ভয়ঙ্কর দর্শন কুকুরগুলো খুব সহজেই পারুলের বন্ধু হয়ে গেলো। পারুল আরো জানে তার কিছু হিসাব নিকাশ আছে তার নিজ জীবনে ঘটে যাওয়া কোন এক ব্যক্তির সাথে। তাহের জানে না তার ভবিষ্যত কি? পারুল আর তার অনাগত সন্তানকে নিয়ে সে বাকি জীবন কিভাবে কাটাবে? তবে পারুল জানে তাদের ভবিষ্যত কি। এই যেমন সে জানে কুকুর ৩টা সে যাই বলবে তাই শুনবে। অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে তার প্রতিটি কথা।।
নাম দেখে যা বুঝা যাচ্ছে গল্পটা তেমন ই বলা যায়ঃ "পারুলের রয়েছে তিনটি কুকুর, সে কুকুর দিয়ে করলো পারুল রাজ্যের হুকুম।" এক লাইনে গল্পটাকে মজাচ্ছলে দাঁড় করালেও ব্যাপারটা তেমন না, বরং বিপরীতভাবে উপভোগ্য। যদিও হুমায়ুন আহমেদের ক্লাসিক স্টাইলের হরর ফ্লেভারের হাল্কা মনস্তাত্ত্বিক গল্প। শ্রেষ্ঠাংশে রয়েছেন পারুল, তার জামাই ও তিনটি কুকুর। আর রয়েছে ঃ চাঁদের আলো, লুচি, ভবিষ্যৎ সম্পর্কে বুঝতে পারা, "আপাতদৃষ্টিতে খামখেয়ালী কথাবার্তা" ইত্যাদি (সিগনেচার শটগুলি আরকি)। আগে বেশ কিছু হুমায়ুন আহমেদের গল্প পড়া থাকলে না পড়লেও চলবে, অন্যথা পড়া উচিত। প্রতীকী হিসেবে নিলে চাইল্ড মলেস্টেশনের প্রতিশোধমূলক কোরিয়ান থ্রিলার গল্প। আমি উপভোগ করেছি গল্পটা যদিও পরিণতি যে কেউই বুঝতে পারবেন। না পড়লে ক্ষতি নাই।
খুব কুকুর প্রেমিক হলে পড়তে পারেন, আর কল্পনায় আপনার পোষা কুকুর গুলাকে দিয়ে অন্যদের উপর প্রতিশোধ ও নিতে পারেন।
হুমায়ূন আহমেদের ওই জনরার উপন্যাস এটি যেটা পড়ার সময় তো কোন সেন্স বানায় না কিন্তু পড়া শেষ করে মনে হয়, বোরিং সময় কেটে গেছে এতেই সই। যাইহোক, হুমায়ূন আহমেদ বিড়াল নিয়ে কোন উপন্যাস লেখেন নাই? আমি বিড়াল পারসন হওয়ায় কুকুরেরটা পড়ে সেই রকম মজা পাই নাই 🖐️😞
The duality of human and animal instincts and how Parul’s emotional wounds and desire for control turn her from victim to manipulator. Basically, any living entity’s main goal is to survive and continue with life, and the rests are insignificant
Hey, so I just read this awesome novel by Humayun Ahmed about Parul and her three greyhound dogs. Totally blew my mind! The thrills and suspense were on point – it's not like his usual stuff, you know? I never expected it to be this gripping based on the title. Seriously, if you're into psychological thrillers, you gotta check it out. I'm giving it a solid 5 out of 5. It's that good!
হুমায়ূন আহমেদের অদ্ভুত বইগুলোর অন্যতম এই গল্পটা। বইটাকে ঠিক হরর বলা যায় না, বরং কিছুটা প্যারানরমাল ধাঁচের বলা চলে হয়তো। তবুও পড়তে যেয়ে কেমন একটা গা ছমছমে ভাব হচ্ছিল।