Jump to ratings and reviews
Rate this book

বেড়ালের বই

Rate this book
বেড়াল নিয়ে লীলা মজুমদারের স্মৃতিচারণ।

22 pages, Paperback

First published January 1, 1996

Loading...
Loading...

About the author

Leela Majumdar

113 books110 followers
Leela Majumdar (Bengali: লীলা মজুমদার Lila Mojumdar) was a Bengali writer. Her first story, Lakkhi chhele, was published in Sandesh in 1922. It was also illustrated by her. The children's magazine in Bengali was founded by her uncle, Upendrakishore Ray Chaudhuri in 1913 and was later edited by her cousin Sukumar Ray for sometime after the death of Upendrakishore in 1915. Together with her nephew Satyajit Ray and her cousin Nalini Das, she edited and wrote for Sandesh throughout her active writing life. Until 1994 she played an active role in the publication of the magazine.

Creative efforts :
An incomplete bibliography lists 125 books including a collection of short stories, five books under joint authorship, 9 translated books and 19 edited books.
Her first published book was Boddi Nather Bari (1939) but her second compilation Din Dupure (1948) brought her considerable fame From the 1950s, her incomparable children's classics followed. Although humour was her forte, she also wrote detective stories, ghost stories and fantasies.

Her autobiographical sketch 'Pakdandi' provides an insight into her childhood days in Shillong and also her early years at Santiniketan and with All India Radio.
Apart from her glittering array of children's literature, she wrote a cookbook, novels for adults (Sreemoti, Cheena Lanthan), and a biography of Rabindranath Tagore. She lectured on Abanindranath Tagore and translated his writings on art into English. She translated Jonathan Swift's Gulliver's Travels and Ernest Hemingway's The Old Man and the Sea into Bengali.
Satyajit Ray had thought of filming Podi Pishir Bormi Baksho. Arundhati Devi made it into a film in 1972. Chhaya Devi played the role of the young hero, Khoka's famed aunt Podipishi.

Awards :
Holde Pakhir Palok won the state award for children's literature, Bak Badh Pala the Sangeet Natak Akademi Award, Aar Konokhane Rabindra Puraskar. She had also won the Suresh Smriti Puraskar, Vidyasagar Puraskar, Bhubaneswari Medal for lifetime achievement, and Ananda Puraskar.
She has been awarded the Deshikottama by Visva Bharati, and honorary D.Litt. by Burdwan, North Bengal and Calcutta Universities.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
20 (23%)
4 stars
40 (47%)
3 stars
23 (27%)
2 stars
2 (2%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 20 of 20 reviews
Profile Image for Ësrât .
521 reviews92 followers
January 9, 2021
বেড়াল প্রীতি নেই আমার কষ্মিনকালেও ,আমি বরং পাখিপ্রেমী,নানা রং বেরঙের পাখাপাখালি দেখে পেলেপুষে কেটেছে শৈশব,কৈশারে ও নেশা কাটেনি কিন্তু কুপোকাত হয়ে গেছি বড় হয়ে, বড়বেলায় নানা বড় বড় কাজের ফাঁকে এই ছোট ছোট আনন্দদায়ক কাজ গুলো বেমালুম গায়েব হয়ে গেছে

সে যাই হোক,বইপড়ার অভ‍্যেসখানা রয়ে গেছে বলে এ যাত্রায় বেঁচে বর্তে আছি এখন পর্যন্ত, খিলখিল করে হেসে লুটোপুটি না‌ খেলেও মনখানা‌ এক নিমিষেই ভালো করে দেওয়ার এক আশ্চর্য জাদুর কাঠি এই বইটা,

বেড়াল ভীতি থেকে আমার বেড়াল প্রীতি না জন্মালেও নির্মল আনন্দের প্রাপ্তি নেহাতই কম নয়

রেটিং:🌠🌠🌠🌠
Profile Image for سمية .
91 reviews61 followers
January 12, 2021
লীলা মজুমদারের লেখা পড়ার শুরু হল এই ছোট্ট মিষ্টি বইটা দিয়ে। লেপের তলায় ঢুকে পড়া বেড়ালের নরম গায়ে পা ঠেকতে লীলা মজুমদার কেমন ওর গায়ে পা রেখে দিব্যি আরামের ঘুম দিয়ে ফেলল! ও জায়গায় আমি হলে তো আমার আত্মারাম খাঁচা ছাড়া হয়ে যেত। (হ্যাঁ বেড়াল ভয় পাই আমি) বইটার দুই হুলোর মতো বসগিরি ফলানো বেড়ালের কাহিনী আমারও অনেক জানা।আশেপাশে বেড়াল ভালবাসে পেলেপুষে বড় করছে এমন মানুষের সংখ্যা নেহায়েত কম নয় কি না।

২২ পৃষ্ঠা, আবার তাতে ছবিটবি মিলিয়ে আছে বলে ১০ মিনিট বসে পড়ে ফেলা যায়। ৩০০-৪০০ পৃষ্ঠার বই পড়ার ফাঁকেফাঁকে এমন ছোটখাটো মিষ্টি বই পড়ে একটু আড়মোড়া ভেঙ্গে নিতে খারাপ লাগলো না।
Profile Image for রিফাত সানজিদা.
178 reviews1,431 followers
July 21, 2016
কী কিউউউট একটা বই! ^_^
বইটা-ই, বেড়াল নয়।
সারমেয়র মতোই, মিঁয়াও প্রীতিও নেই এক্কেবারেই। পাশের শহর লস এলামসে বেড়াতে গিয়েছিলাম একবার, বাল্যবন্ধুর বাসায়। তাদের আদরের পোষ্য, কুচকুচে কালো, একচোখো, 'সাইক্লপস' নামের আধবুড়ো গোবদা বেড়াল কখন গা ঘেঁষে আসে, সেই আতঙ্কে অস্থির হয়ে থাকতাম উল্টো। আমার এক বড় ভাই বলেন,
পৃথিবীতে কুল্লে তিনজন মেয়ে দেখেছি যারা বেড়াল ভয় পায়-- তিথী, মারিয়া (ভাবি) আর (বিখ্যাত) বন্যা আহমেদ। তোমরা 'অদ্ভুদ'!

কী আর করা, ভয়ের মতো একটা আদিম অনুভূতির ওপর তো আর যুক্তিতক্কোলজিক চলে না রে ভাই।

তবে বইতে চার তারা কেন?
পড়তে আরাম পেয়েছি বলে। লীলা পিসির লেখায় যেটা সবসময় পাই।

ছবিগুলো আরো ভাল হতে পারতো। বইটাও, সাইজে। যেটুকু আছে, আফসোস নেই তাতে। :)
Profile Image for Ratika Khandoker.
341 reviews39 followers
May 22, 2023
বইটা একেবারেই ছোটদের জন্য লেখা,তবে বেড়ালপ্রেমীদের ও কিন্তু খুব ভাল্লাগবে।

মজার ব্যাপার হলো,লীলা মজুমদার যে খুব একটা বিড়াল ভালোবাসতেন তা কিন্তু নয়,তবুও তাঁর জীবনে দেখা নানা সময়ের,নানা বয়সের,নানা স্বভাবের,নানা বর্ণের বেড়ালবর্গ নিয়ে স্মৃতিচারণামূলক একটা বই লিখে ফেলেছেন!!
Profile Image for Taieba Meem.
6 reviews16 followers
March 19, 2021
এত্ত মিত্তিইইইই একটা বই!!!
উৎসর্গ দেখেই যে ভীষণ ভালো লাগলো। লীলা মাসির হুলোর গল্প পড়ে তো আমার নিজের বাল্য বেলার স্মৃতি মনে পড়লো। আর বিড়ালদের কি কাণ্ড গো বাবা! আর কি কি সুন্দর নাম ইশ! ছোট বেড়াল, বড় বেড়াল, মা বেড়াল, বাবা বেড়াল, ছানা বেড়াল, দাদা বেড়াল, দিদি বেড়াল...
সবচাইতে গলাবাজ যে দিদি বেড়াল তার কর্মকাণ্ডে ভক্তি চলে আসে প্রায়, এত স্নেহময় হৃদয় বেড়ালদের থাকে বুঝি! সে যাই হোক, খুবই অল্প সময়ে একদম আদুরে বইটি শেষ করে ফেললুম, বড়ই আনন্দ হচ্ছে। বইয়ের ছবিগুলো কি যে ভালো লাগলো। চোখ বোলাতেই যেন হাসি হাসি লেগে থাকে মুখে।

একদম ঝটপট পড়ে ফেলতে পারেন বইটি, পুরো পাঠেই নিখাদ আনন্দ পাবেন ^_^
Profile Image for Jenia Juthi .
258 reviews69 followers
June 5, 2024
আমি একজন বিড়াল প্রেমী, এটা আমার পরিচিত মানুষজন জানে। আমার নিজের বিড়ালটা মরার পর বিড়াল পালার ইচ্ছা আর হয় নি। আমার বিড়াল প্রীতি দেখে ছোট বোনদেরও বিড়ালের প্রতি ভালোবাসা তৈরি হয়। এখন ওরা পালে। আমি মাঝেমধ্যে একটু আদর করে দেই, ব্যস!

লীলা মজুমদার যেমন লেপের তলায় বিড়ালের নরম গরম গায়ে পা রেখে আরামের ঘুম দিয়েছে, এমন ঘুম আমিও যেতাম। মনে পড়ে গেলে বছর চারেক আগের কথা।

ছোট্ট একটা বই, কি সুন্দর! ছেলেবেলায় এসব বই হাতের কাছে পাই নি কেনো!? নিজের বাচ্চাকাচ্চাদের কে দিবো, নিজে পাই নি তো কি হয়েছে।
Profile Image for Fårzâñã Täzrē.
314 reviews33 followers
February 16, 2026
পাহাড়ের ঢালে লেখিকাদের বাড়ির টিনের চালে বড় বড় শালিক নাচে। ধোঁয়া বেরবার চিমনিতে দাঁড়কাক বসে হেঁড়ে গলায় বলে, আ-আ! আ-আ!

বাগানে ফুলের বাহার। গাছে গাছে বিলিতি ফল ন্যাসপাতি, পিচ, এপ্রিকট, তুঁতফল। চাঁদনি রাতে বিশাল ডানা মেলে, বড় বড় বাদুড়রা আসে পাকা ফল খেতে! সকালবেলা পাখির ডাকে কান ঝালাপালা। তারাও বাদুড়ে-আঁচড়ানো পাকা ফল খেতে আসে। সারা দিন তাদের পায়ের খুরথুর—তুরতুর শুনতে পান লেখিকা। লেখিকারা মুরগি পোষেন, পায়রা পোষেন। কালামাণিক বলে লেখিকাদের ঘোড়া আছে। সে ছোলা খায়, গুড় খায়, করকচ নুন খায়। এরা সব থাকে ঘরের বাইরে। আর অন্যদের বাড়ির ভিতরে যারা বাস করে, লেখিকাদের বাড়িতে তারা ঠাঁই পায় না। যেমন কুকুর বা বেড়াল।‌

বড়রা বলেন, ছিঃ! ওরা বড় নোংরা। নোংরা কোথায়? পুঁটিদের কালো বেড়াল বদ-মেজাজি হতে পারে, তবে নোংরা নয়। আদর করতে গেলে, ফ্যাঁচ করে নখ বের করে, আঁচড়ে খু*নোখু*নি করে। তারপর আধা দিন ধরে, চেটে চেটে নিজের আগা-পাশ-তলা সাফ করে। যেখানটার নাগাল পায় না, থাবায় থুতু লাগিয়ে, সে জায়গাটাও ঘষে নেয়। মোটেই নোংরা নয়। তা কে শোনে? এমনি করে বছর ঘুরে শীতকাল এলো। কী শীত!! কী শীত! নদী-নালার ওপর রোজ সকালে বরফের সর পড়ে থাকে। রাতে শুতে গেলে মনে হয় বিছানা বুঝি ভিজে সপসপ

করছে! লেখিকার পা দুটো হিম কিছুতেই গরম হয় না! দিদি লেখিকার পাশে শোয়; তার পা গরম। তবু কিছুতেই দিদির পায়ে লেখিকার পা সেঁকতে দেয় না! একদিন মনের দুঃখে যেই না পা সোজা করেছেন লেখিকা, অমনি নরম গরম কীসে গিয়ে পা পড়ল! লেপ তুলে দেখেন একটা এই বড় ছাই রঙের বেড়াল লেপের তলায় গুটিশুটি হয়ে ঘুমিয়ে আছে তার গায়ে পা রেখে সারা রাত আরামে ঘুমালেন। সকালে দেখেন সে নেই, তবে জায়গাটা গরম। এরপর থেকে ছাই বেড়াল রোজ আসত।

বেড়াল নিয়ে লেখিকার ছোটবেলার স্মৃতিচারণ ছিল ঠিক এরকমই। এরপর বড় হয়ে লেখিকা আরো বেড়ালের মুখোমুখি হয়েছেন। এবং লেখিকার বেড়াল নিয়ে লেখা ছোট্ট কিছু স্মৃতিচারণ এখানে উঠে এসেছে‌। এখন এটা বই হিসেবে ধরুন বাচ্চাদের জন্য চমৎকার একটি বই হয়ে উঠতে পারে। কিন্তু এর রেটিং যদি আপনি বড়দের মতো অত টিপিক্যাল করে ভাবেন তাহলে কিন্তু সমস্যা কারণ এখানে ওসবের বালাই নেই। লেখিকার বেড়াল নিয়ে ছোট ছোট কিছু স্মৃতিচারণ এখানে উঠে এসেছে। খুব গম্ভীর ভাব এখানে নেই।

ছোটদের জন্য বইটি বেশ ভালো উপযোগী। এছাড়াও বইটিতে লেখিকার আলোচনা আমার কাছে বেশ ভালো মনে হয়েছে। মানে ধরুন আপনি কোনো কিছুর বর্ণনা দিচ্ছেন। এবং সেই বর্ণনা যদি আপনি বেশ সুন্দর সাবলীলভাবে গুছিয়ে লিখে উপস্থাপন করেন তবে সেটা পড়ার জন্য বেশ চমৎকার হয়ে উঠেছে বলা যায়। আমার কাছে ভালো লেগেছে। লেখিকার বড়দের বইগুলো পড়লে ওনার লেখনী সম্পর্কে আমি বেশ ভালো বলতে পারবো আরো। লীলা মজুমদারের ছোটদের লেখা বইগুলো ব্যক্তিগতভাবে আমার বেশ পছন্দের। "পদীপিসির বর্মী বাক্স, গুপীর গুপ্তখাতা" ইত্যাদি বইগুলো কিন্তু বেশ লেগেছে।

আমি লীলা মজুমদারের ছোটদের জন্য লেখা বইগুলো যেহেতু পড়েছি তাই বলতে পারি লেখিকার লেখনী নিয়ে সন্দেহের অবকাশ নেই। সবমিলিয়ে বেশ ভালো লাগলো। সুযোগ পেলে মাঝে মাঝে এমন হালকা ধরনের বই পড়লে মেজাজ ভালো থাকে অবশ্যই।

বেড়াল নিয়ে আমার নিজেরও ভয় নেই বরং আমিও ওদের নানান কর্মকাণ্ড মজার ছলে লক্ষ্য করি। বেড়াল আসলে ঘরে অনেকেই পোষেন এবং অনেকের প্রিয় পোষা প্রাণী। তারা বইটা পড়তে পারেন মজা পাবেন বেশ। লেখিকার লেখা বাকি বইগুলো আস্তে আস্তে শেষ করার ইচ্ছা তার আগে আসলে ছোট ছোট বইগুলো শেষ করে নিচ্ছি।

🪴বইয়ের নাম: "বেড়ালের বই"
🪴লেখিকা: লীলা মজুমদার
Profile Image for Swarna.
144 reviews3 followers
October 15, 2024
কী আদুরে একটা বই! উৎসর্গ পড়ে বুঝলাম, বইটা উৎসর্গ পাওয়াদের দলে আমিও আছি 😊
বিড়ালপ্রেমী হিসেবে, দশটার বেশি (যদিও সবাই নেই এখন) গর্বিত বিড়ালের গর্বিত জননী হিসেবে বিড়াল বিষয়ক সবকিছুই আমার ভাল লাগে; আর সেখানে বই যদি হয় বেড়ালের, তাহলে তো পড়তেই হয়।

এই এত্তটুকুন একটা বই। ছোটদের জন্য লেখা কিন্তু আমার মনে হয় সবারই পড়তে ভাল্লাগবে।

সেই যে লেপের তলায় ঢুকে পড়া বেড়ালের নরম গায়ে লীলা মজুমদার কেমন পা রেখে দিব্যি আরামের ঘুম ঘুমিয়েছেন, আমিও রোজ অমনি করেই ঘুমাই। আহা আমার বড় হুলো ছেলেটা, সবসময় আমার সাথে গা ঘেঁষে ঘুমোয়। ডাকাবুকো হুলোকে দেখে আমার পাড়ার কমলা হুলোর কথা মনে পড়ে গেল। দিদি বিড়ালের মত আমার এক মেয়ে বিড়াল ছিল 'মনি' নামে। একমাত্র ভাইকে তাড়িয়ে এনে, খাইয়ে দাইয়ে ঘুম পাড়িয়ে দিত। আমার মেয়েটা- ও আর আমার কাছে নেই, আকাশের তারা হয়ে গিয়েছে। বইটা পড়ে আমার নিজের বিড়াল, এলাকার সকল বিড়াল- সবার কথা মনে পড়ে গেল।
Profile Image for Ex_Libris_.
130 reviews11 followers
September 6, 2023
পুরোনো বই ঘাটতে গিয়ে খুঁজে পেয়েছি।
ছোট্ট একটা বই। অনেক আগের। সম্ভবত তখন আমি নার্সারিতে পড়ি। এই বইটা আমার খুব প্রিয় ছিলো।
বইটা একেবারেই বাচ্চাদের। যদিও এখন পড়ে আর আগের মতো তত ভালো লাগেনি। কিন্তু নস্টালজিয়ার জোরে অন্তত চার তারকা দিতেই হলো।
Profile Image for Ummea Salma.
127 reviews128 followers
April 1, 2025
একটা আদর আর মায়ামায়া বই ❤️
Profile Image for orunavo.
42 reviews5 followers
September 6, 2018
কি সুন্দর একটা বই! শেষটায় কেমন যেন মনটা একটু বিষণ্ণ হয়ে গেল...। একেবারেই ফেলে আসা ছোটবেলার বই। সেই ছোটবেলা.. যা মাঝে মাঝে এসে কাঁদিয়ে যায়।
Profile Image for basri.reads.
52 reviews6 followers
January 10, 2021
বেড়ালপ্রেমী না হলেও পড়তে বেশ আরাম লাগছিল। আমার পড়া লীলা মজুমদারের প্রথম বই এন্ড ফার্স্ট রিড অফ টুয়েন্টি টুয়েন্টি ওয়ান টু😊
Profile Image for Lubaba Marjan.
132 reviews53 followers
March 16, 2024
যারা বেড়াল ভালোবাসে এই বইটা তাদের জন্য। ছোট্টমোট্টু একটা বই।
Profile Image for সৌরজিৎ বসাক.
344 reviews6 followers
May 21, 2025
একটা হৃদয়বিদারক ধূসর মেজাজের লেখা পড়ার পরে মনকে সতেজ করে তুলতে দরকার ছিল হালকা মেজাজের ছোট্ট একটা বইয়ের। এটি ওরকমই।
বেড়াল নিয়ে আমার ব্যক্তিগত ভালোলাগা-মন্দলাগা কিছুই নেই। তবে এই বইয়ে লেখিকার বেড়াল স্মৃতিচারণা (বাস্তব না কাল্পনিক জানা নেই) বেশ সুন্দর। শেষে দিদি বেড়ালের জন্যই ভালো লেগে গেল এই ছোট্ট বইটি।
আমারও এক দিদি বেড়াল আছেন। তাঁর আবার এক চারপেয়ে বেড়াল আছে, আর আমার মতন দু'পেয়ে বেড়ালও আছে। বই হোক কি বাস্তব, দিদি বেড়ালেরা সবসময়ই পছন্দের।
Profile Image for Samia Rashid.
338 reviews18 followers
January 20, 2025
আমার পড়া লীলা মজুমদারের প্রথম বই। খুবই ছোট্ট একটা বই। বিড়ালপ্রীতি আমার সেই ছোটবেলা থেকেই। বইয়ের নামটা দেখে পড়ার লোভ সামলাতে পারিনি! বইটার নাম হঠাৎ কিভাবে যেন চোখে পড়ে গিয়েছিল আর টুপ করে পড়ে ফেললাম। সত্যি বলতে কিছুটা খাপছাড়া লাগছিল পড়ার সময়। বইয়ের একদম শেষটা একটু বিষন্নময় ছিল।
Profile Image for Tamanna Binte Rahman.
185 reviews146 followers
March 14, 2021
ছোটবেলাটা মিস করি। বড় ফুফুর বাসার দোতলার টানা বারান্দার কাউচে বসে বই পড়াটা আরো মিস করি। এক লহমায় বইটা সেখানে নিয়ে গেল।
Profile Image for Rima Sarmin.
94 reviews16 followers
March 25, 2024
"বেড়ালের বই" লেখিকা লীলা মজুমদারের বিড়াল নিয়ে স্মৃতিচারণ।

মাত্র ২২ পৃষ্ঠার সুন্দর আবার মন খারাপ করে দেয়ার মতো কিছু ঘটনা।
Profile Image for Munem Shahriar Borno.
221 reviews11 followers
July 7, 2024
লীলা মজুমদার বেড়াল নিয়ে লিখলেও সেটা সাহিত্যকর্ম হয়ে যায়!
Profile Image for Nusrat Jahan Nafisa.
38 reviews
January 1, 2022
কি মিষ্টি একটা বই- মোটে ২৪ পৃষ্ঠা, তাতেও আবার বেশ ছবিটবি আঁকা ৷ মাঝেমাঝে বাচ্চাদের বই পড়তে ভালই লাগে আর তা যদি হয় বেড়াল নিয়ে তবে আমার মত বেড়ালপ্রেমীর আর কী চাই?

শুধু একটাই আফসোস- ইশ, বইখানা যদি সাইজে আরেকটু বড় হতো! ❤
Displaying 1 - 20 of 20 reviews